জগতের নাথ কর পার হে

বাণী

জগতের নাথ কর পার হে
মায়া-তরঙ্গে টলমল তরণী অকুল ভব পারাবার হে।।
নাহি কাণ্ডারি ভাঙা মোর তরী আশা নাই কুলে উঠিবার
আমি গুণহীন ব'লে করো যদি হেলা শরণ লইব তবে কার।।
সঙসারেরি এই ঘোর পাথারে ছিল যারা প্রিয় সাথি
একে একে তারা ছাড়িয়া গেল হায় ঘনাইল যেই দুখ-রাতি।
	ধ্রুবতারা হয়ে তুমি জ্বালো
	অসীম আঁধারে প্রভু আশারই আলো
তোমার করুণা বিনা হে দীনবন্ধু, পারের আশা নাহি আর।।

নয়নে ঘনাও মেঘ মালবিকা

বাণী

নয়নে ঘনাও মেঘ, মালবিকা!
গগনে জাগাও তব নীরদ-লিখা।।
বিদ্যুৎ হানে যদি গরজায় বাজ
সুন্দর মৃত্যুরে নাহি ভয় আজ,
আমার এ বনে এসো মনোবালিকা।।
ঝরুক এ শিরে মোর ঘন বরষা
ফুটিবে কাননে ফুল আছে ভরসা,
এসো জল-ছল-ছল পথে অভিসারিকা।।

তওফিক দাও খোদা ইসলামে

বাণী

তওফিক দাও খোদা ইসলামে মুসলিম-জাঁহা পুনঃ হোক আবাদ।
দাও সেই হারানো সালতানাত দাও সেই বাহু সেই দিল আজাদ।।
দাও সেই হামজা সেই বীর ওলীদ
দাও সেই উমর হারুন অল রশীদ
দাও সেই সালাহউদ্দীন আবার পাপ দুনিয়াতে চলুক জেহাদ।।
দাও সে রুমী সাদী হাফিজ
সেই জামী খৈয়াম সে তবরিজ
দাও সে আকবর সেই শাহজাহান দাও তাজমহলের স্বপ্ন সাধ।।
দাও ভা'য়ে ভা'য়ে সেই মিলন
সেই স্বার্থত্যাগ সেই দৃপ্ত মন,
হোক বিশ্ব-মুসলিম এক জামাত উড়ুক নিশান ফের যুক্ত চাঁদ।।

শুভ্র সমুজ্জ্বল হে চির–নির্মল

বাণী

শুভ্র সমুজ্জ্বল, হে চির–নির্মল শান্ত অচঞ্চল ধ্রুব–জ্যোতি
অশান্ত এ চিত কর হে সমাহিত সদা আনন্দিত রাখো মতি।।
দুঃখ–শোক সহি অসীম সাহসে
অটল রহি যেন সম্মানে যশে
তোমার ধ্যানের আনন্দ–রসে
	নিমগ্ন রহি হে বিশ্বপতি।।
মন যেন না টলে খল কোলাহলে, হে রাজ–রাজ!
অন্তরে তুমি নাথ সতত বিরাজ, হে রাজ–রাজ!
বহে তব ত্রিলোক ব্যাপিয়া, হে গুণী,
ওঙ্কার–সংগীত–সুর–সুরধুনী,
হে মহামৌনী, যেন সদা শুনি
	সে সুরে তোমার নীরব আরতি।।

ওগো দেবতা তোমার পায়ে গিয়াছিনু ফুল দিতে

বাণী

ওগো	দেবতা তোমার পায়ে গিয়াছিনু ফুল দিতে
মোর	মন চুরি ক’রে নিলে কেন তুমি অলখিতে।।
আজি	ফুল দিতে শ্রীচরণে
মম	হাত কাঁপে ক্ষণে;
কেন	প্রণাম করিতে গিয়া- প্রিয় সাধ জাগে পরশিতে।।
তুমি	দেবতা যে মন্দিরে- কাছে এলে যাই ভুলে
বঁধু	আমি দীন দেবদাসী কেন তুমি মোরে ছুঁলে।
		তুমি কাছে এলে যাই ভুলে।
আমি	হাতে আনি হেমঝারি’,
তুমি	কেন চাহ আঁখি-বারি;
আমি	পূজা-অঞ্জলি আনি, তুমি কেন চাহ মালা নিতে।।

ঘুম যবে ভাঙবে কন্যা

বাণী

ঘুম যবে ভাঙবে কন্যা (সুখ) স্বপন যাবে টুটে।
ফুল-শয্যার ফুটবে কাঁটা প্রভাতবেলা উঠে।।

নাটক : ‘মধুমালা’ (ঘুমপরীর গান)