দাদ্‌রা

  • আগুন জ্বালাতে আসিনি গো আমি

    বাণী

    আগুন জ্বালাতে আসিনি গো আমি এসেছি দেয়ালি জ্বালাতে
    শুধু ক্রন্দন হয়ে আসিনি এসেছি চন্দন হতে থালাতে॥
    	ধরায় আবার আসিয়াছি প্রিয়া
    	তব মুখখানি দেখিব বলিয়া
    তাই	প্রদীপ হইয়া নীরবে পুড়ি তোমারই বরণ ডালাতে॥
    তব	মিলন বাসরে ঘুম ভাঙাইতে আসিনি
    	তুমি কেন লাজে ওঠো আকুলি
    তব	রাঙা মুখখানি রাঙাইয়া যাব চলে গো
    	আমি সাঁঝের ক্ষণিক গোধূলি।
    তব কাজল নয়ন-পল্লব ছায়ে, অশ্রুর মত রহিব লুকায়ে
    ঝরিতে এসেছি ফুল হয়ে আমি তোমার বুকের মালাতে॥
    
  • আজ সকালে সূর্য ওঠা সফল হলো মম

    বাণী

    আজ সকালে সূর্য ওঠা সফল হলো মম
    ঘরে এলে ফিরে পরবাসী প্রিয়তম।।
    	আজ প্রভাতের কুসুমগুলি
    	সফল হলো ডালায় তুলি'
    সাজির ফুলে আজ এ মালা হবে অনুপম।।
    এতদিনে সুখের হলো প্রভাতী শুকতারা
    ললাটে মোর সিঁদুর দিলো ঊষার রঙের ধারা।
    	আজকে সকল কাজের মাঝে
    	আনন্দেরই বীনা বাজে
    দেবতার বর পেয়েছি আজ তপস্বিনীর সম।।
    
  • আজি আকাশ মধুর বাতাস মধুর

    বাণী

    আজি আকাশ মধুর বাতাস মধুর, মধুর গানের সুর
    			আজি ভুবন লাগে মধুর।
    পরানের কাছে যেন আসিয়াছে হারানো প্রিয়া সুদূর।।
    	একি মাধুরী জড়িত লতায় পাতায়,
    	যাহা হেরি তাই পরান মাতায়,
    অবনি ভরিয়া ঝরিছে লাবনি মাধুরীতে ভরপুর।।
    আগেও ফুটেছে এ গাঁয়ের মাঠে পথপাশে ভাঁটফুল,
    এই পথ বেয়ে জলে যেত বধূ পিঠভরা এলোচুল।
    	আজ মনে হয় নতুন সকলি
    	মধুময় লাগে বিহগ কাকলি
    আজি অকারণ নেচে ফেরে মন যেন বনের ময়ূর।।
    
  • আজি গানে গানে ঢাক্‌ব আমার

    বাণী

    আজি		গানে গানে ঢাক্‌ব আমার গভীর অভিমান।
    		কাঁটার ঘায়ে কুসুম ক’রে ফোটাব মোর প্রাণ।।
    			ভুলতে তোমার অবহেলা
    			গান গেয়ে মোর কাট্‌বে বেলা,
    		আঘাত যত হান্‌বে বীণায় উঠ্‌বে তত তান।।
    			ছিড়লে যে ফুল মনের ভুলে
    			আমি গাঁথব মালা সেই ফুলে,
    (ওগো)		আস্‌বে যখন বন্ধু তোমার কর্‌ব তা’রে দান।।
    (আজি)		কথায় কথায় মিলায়ে মিল
    		কবি রে, তোর ভরল কি দিল্‌,
    তোর		শূন্য হিয়া, শূন্য নিখিল মিল পেল না প্রাণ।।
    
  • আমার কোন কুলে আজ ভিড়লো তরী

    বাণী

    আমার	কোন্‌ কূলে আজ ভিড়লো তরী
    			এ কোন সোনার গাঁয়
    আমার	ভাটির তরী আবার কেন
    			উজান যেতে চায়
    		তরী	উজান যেতে চায়
    	কোন কূলে মোর ভিড়লো তরী
    	এ কোন্‌ সোনার গাঁয়।।
    আমার	দুঃখেরে কান্ডারী করি’
    আমি	ভাসিয়েছিলাম ভাঙা তরী
    তুমি	ডাক দিলে কে স্বপন–পরী
    			নয়ন ইশারায়।।১
    	নিভিয়ে দিয়ে ঘরের বাতি
    	ডেকেছিলে ঝড়ের রাতি
    তুমি	কে এলে মোর সুরের সাথী গানের কিনারায়।
    তুমি 	কে এলে? ওগো কে এলে মোর সুরের সাথী
    			গানের কিনারায়?
    	সোনার দেশের সোনার মেয়ে,
    ওগো তুমি	হবে কি মোর তরীর নেয়ে,
    	ভাঙ্গা তরী চলো বেয়ে রাঙা অলকায়।।
    

    ১. ‘অন্তরা’ অংশ গ্রামোফোন রেকর্ডে গাওয়া হয়নি।

  • আমি গগন গহনে সন্ধ্যা-তারা

    বাণী

    আমি	গগন গহনে সন্ধ্যা-তারা
    	কনক গাঁদার ফুল গো।
    	গোধূলির শেষে হেসে উঠি আমি
    	এক নিমেষের ভুল গো।
    আমি	কণিকা,
    আমি	সাঁঝের অধরে ম্লান আনন্দ-কণিকা
    আমি	অভিমানিনীর খুলে ফেলে দেওয়া মণিকা
    আমি	দেব-কুমারীর দুল গো।।
    	আলতা রাখার পাত্র আমার আধখানা চাঁদ ভাঙা
    	তাহারি রং গড়িয়ে পরে (ঐ) অস্ত-আকাশ রাঙা।
    আমি	একমুঠো আলো কৃষ্ণা-সাঁঝের হাতে
    আমি	নিবেদিত ফুল আকাশ-নদীতে রাতে
    	ভাসিয়া বেড়াই যাঁর উদ্দেশে গো
    	তার পাই না চরণ-মূল।।
    
  • আমি ভাই ক্ষ্যাপা বাউল

    বাণী

    আমি ভাই ক্ষ্যাপা বাউল, আমার দেউল আমারি এই আপন দেহ।
    আমার এ প্রাণের ঠাকুর নহে সুদূর অন্তরে মন্দির-গেহ।।
    সে থাকে সকল সুখে সকল দুখে আমার বুকে অহরহ,
    কভু তায় প্রণাম করি, বক্ষে ধরি, কভু তা’রে বিলাই স্নেহ।।
    ভুলায়নি আমারি কুল, ভুলেছে নিজেও সে কুল,
    ভুলে বৃন্দাবন গোকুল মোর সাথে মিলন বিরহ।
    সে আমার ভিক্ষা-ঝুলি কাঁধে তুলি’, চলে ধূলি-মলিন পথে,
    নাচে গায় আমার সাথে একতারাতে, কেউ বোঝে, বোঝে না কেহ।।
    
  • আমি মুক্তা নিতে আসিনি মা

    বাণী

    (মা)	আমি, মুক্তা নিতে আসিনি মা ও মা তোর মুক্তি-সাগর কূলে।
    	মোর ভিক্ষা-ঝুলি হ’তে মায়ার মুক্তা মানিক নে মা তুলে।।
    		মা তুই, সবই জানিস অন্তর্যামী,
    		সেই চরণ-প্রসাদ ভিক্ষু আমি,
    	শবেরও হয় শিবত্ব লাভ মা তোর যে চরণ ছুঁলে।।
    	তুই অর্থ দিয়ে কেন ভুলাস এই পরমার্থ ভিখারিরে,
    	তোর প্রসাদী ফুল পাই যদি মা গঙ্গা ধারাও চাই না শিরে।
    		তোর শক্তিমন্ত্রে শক্তিময়ী
    		আমি হতে পারি ব্রহ্ম-জয়ী
    	সেই মাতৃনামের মহাভিক্ষু তোর মায়াতেও নাহি ভুলে।।
    
  • আর কত দুখ্ দেবে বল মাধব বল

    বাণী

    আর কত দুখ্ দেবে, বল মাধব বল বল মাধব বল।
    দুখ্ দিয়ে যদি সুখ পাও তুমি কেন আঁখি ছলছল॥
    	তব শ্রীচরণ তলে আমি চাহি ঠাঁই,
    	তুমি কেন ঠেল বাহিরে সদাই;
    আমি কি এতই ভার এ জগতে যে, পাষাণ তুমিও টল॥
    ক্ষুদ্র মানুষ অপরাধ ভোলে তুমি নাকি ভগবান,
    তোমার চেয়ে কি পাপ বেশি হ’ল (মোরে) দিলে না চরণে স্থান।
    	হে নারায়ণ! আমি নারায়ণী সেনা,
    	মোরে কুরুকুল দিতে ব্যথা কি বাজে না,
    (যদি) চার হাতে মেরে সাধ নাহি মেটে দু’চরণ দিয়ে দ’ল॥
    
  • এত কথা কি গো কহিতে জানে

    বাণী

    এত কথা কি গো কহিতে জানে
    		চঞ্চল ঐ আঁখি
    নীরব ভাষায় কি যে ক'য়ে যায়
    	ও সে মনের বনের পাখি।।
    বুঝিতে পারি না ঐ আঁখির ভাষা
    জলে ডুবে তবু মেটে না পিপাসা,
    আদর সোহাগ প্রেম ভালোবাসা
    	অভিমান মাখামাখি।।
    মুদিত কমলে ভ্রমরেরি প্রায়
    বন্দী হইয়া কাঁদিয়া বেড়ায়
    চাহিয়া চাহিয়া মিনতি জানায়
    	সুনীল আকাশে ডাকি'।।

  • এবার নবীন-মন্ত্রে হবে জননী তোর উদ্বোধন

    বাণী

    এবার	নবীন-মন্ত্রে হবে জননী তোর উদ্বোধন।
    	নিত্যা হয়ে রইবি ঘরে, হবে না তোর বিসর্জন।।
    	সকল জাতির পুরুষ-নারীর প্রাণ
    	সেই হবে তোর পূজা-বেদী মা তোর পীঠস্থান:
    সেথা	শক্তি দিয়ে ভক্তি দিয়ে পাতবে মা তোর সিংহাসন।।
    সেথা	রইবে নাকো ছোয়াছুয়ি উচ্চ-নীচের ভেদ,
    	সবাই মিলে উচ্চারির মাতৃ-নামের বেদ।
    মোরা	এক জননীর সন্তান সব জানি,
    	ভাঙব দেয়াল, ভুলব হানাহানি
    	দীন-দরিদ্র রইবে না কেউ সমান হবে সর্বজন,
    	বিশ্ব হবে মহাভারত, নিত্য-প্রেমের বৃন্দাবন।।
    
  • এসো চির-জনমের সাথি

    বাণী

    এসো চির-জনমের সাথি।
    তোমারে খুঁজেছি দূর আকাশে জ্বালায়ে চাঁদের বাতি।।
    	খুঁজেছি প্রভাতে গোধূলি-লগনে
    	মেঘ হয়ে আমি খুঁজেছি গগনে,
    ঢেকেছে ধরণী আমার কাঁদনে অসীম তিমির রাতি।।
    ফুল হয়ে আছে লতায় জড়ায়ে মোর অশ্রুর স্মৃতি,
    বেণু বনে বাজে বাদল-নিশীথে আমারি করুণ-গীতি।
    	শত জনমের মুকুল ঝরায়ে
    	ধরা দিতে এলে আজি মধু-বায়ে,
    ব’সে আছি আশা-বকুলের ছায়ে বরণের মালা গাঁথি’।।
    
  • ও মা বক্ষে ধরেন শিব যে চরণ

    বাণী

    ও মা	বক্ষে ধরেন শিব যে চরণ শরণ নিলাম সেই চরণে
    	জীবন আমার ধন্য হলো ভয় নাই মা আর মরণে।।
    		যা ছিল মা মোর ত্রিলোকে
    		তোকে দিলাম, দিলাম তোকে
    	আমার ব’লে রইল শুধু তোর চরণের ধ্যান, এ মনে।।
    তোর	কেশ নাকি মা মুক্ত হলো ছুঁয়ে তোর ওই রাঙা চরণ
    	মুক্তকেশী, মুক্ত হবো ওই চরণে নিয়ে শরণ।
    	তোর	চরণ-চিহ্ন বক্ষে এঁকে
    		বিশ্বজনে বলবো ডেকে — মা
    	‘দেখে যা কোন্ রত্ন রাজে আমার হৃদয়-সিংহাসনে’।।
    
  • ওগো পূজার থালায় আছে আমার ব্যথার শতদল

    বাণী

    ওগো পূজার থালায় আছে আমার ব্যথার শতদল।
    হে দেবতা রাখ সেথা তোমার পদতল।।
    	নিবেদনের কুসুম সহ
    	লহ হে নাথ, আমায় লহ
    যে আগুনে আমায় দহ সেই আগুনে
    	আরতি-দীপ জ্বেলেছি উজল।।
    যে নয়নের জ্যোতি নিলে কাঁদিয়ে পলে পলে,
    মঙ্গল-ঘট ভরেছি নাথ, সেই নয়নের জলে।
    	যে চরণে করো আঘাত
    	প্রণাম লহ সেই পায়ে নাথ
    রিক্ত তুমি করলে যে হাত, হে দেবতা!
    	লও সে হাতে অর্ঘ্য-সুমঙ্গল।।
    

  • ওরে নীল যমুনার জল

    বাণী

    ওরে		নীল যমুনার জল! বল রে মোরে বল 
    		কোথায় ঘনশ্যাম — আমার কৃষ্ণ ঘনশ্যাম।
    আমি		বহু আশায় বুক বেঁধে যে এলাম — এলাম ব্রজধাম।।
    তোর		কোন্‌ কূলে কোন্‌ বনের মাঝে
    		আমার কানুর বেণু বাজে,
    আমি 		কোথায় গেলে শুনতে পাব ‌‌‘রাধা রাধা’ নাম।।
    আমি 		শুধাই ব্রজের ঘরে ঘরে — কৃষ্ণ কোথায় বল্‌;
    কেন		কেউ কহে না কথা, হেরি সবার চোখে জল।
    		বল্‌ রে আমার শ্যামল কোথায়
    		কোন্‌ মথুরায় কোন দ্বারকায় — বল্‌ যমুনা বল।
    বাজে		বৃন্দাবনের কোন্‌ পথে তাঁর নূপুর অভিরাম।। 
    
  • ওরে রাখাল ছেলে বল্ কি রতন পেলে

    বাণী

    ওরে রাখাল ছেলে বল্ কি রতন পেলে
    দিবি হাতের বাঁশি, তোর ঐ হাতের বাঁশি।
    বাঁধা দিয়ে খাড়ু আনব ক্ষীরের নাড়ু
    অম্‌নি হেলেদুলে এক্‌বার নাচ্ রে আসি॥
    দেখ মাখাতে তোর গায়ে ফাগের গুড়া,
    আমার আঙ্গিনাতে ঝরা কৃষ্ণচূড়া।
    আমার গলার হার খুলে পরাব আয় কিশোর
    		তোর পায়ে ফাঁসি॥
    যেন কালিদহের জলে সাপের মানিক জ্বলে,
    চোখের হাসি, তোর ঐ চোখের হাসি,
    ও তুই কি চাস্ চপল মোরে বল্
    আমি মরেছি যে তোরে ভালোবাসি॥
    আসিস্ আমার বাড়ি রাখাল দিন ফুরালে
    আমার চুড়ির তালে দুলবি কদম ডালে।
    ছেড়ে গৃহ-সংসার ওর বাঁশুরিয়া,
    		হব চরণ দাসী।
    
  • কথার কুসুমে গাঁথা গানের মালিকা

    বাণী

    কথার কুসুমে গাঁথা গানের মালিকা কার।
    ভেসে এসে হতে চায় গো আমার গলার হার।।
    		আমি তারে নাহি জানি
    		তার সুরের সূত্রখানি,
    তবু বিজড়িত হয় কেন গো, আমার কঙ্কনে বারবার।।
    তার সুরের তুলির পরশে, ওঠে আমার ভুবন রাঙ্গি’,
    কোন বিস্মৃত জনমের যেন কত স্মৃতি ওঠে জাগি’।
    		আমার রাতের নিদে
    		তার সুর এসে প্রাণে বিঁধে,
    যার সুর এত চেনা, কবে দেখা পাবো সেই অচেনার।।
    
  • কালো জল ঢালিতে সই

    বাণী

    		কালো জল ঢালিতে সই চিকন কালারে পড়ে মনে।
    		কালো মেঘ দেখে শাওনে সই পড়্ল মনে কালো বরণে॥
    			কালো জলে দীঘির বুকে
    			কালায় দেখি নীল-শালুকে
    (আমি)	চম্‌কে উঠি, ডাকে যখন কালো কোকিল বনে॥
    		কল্‌মিলতার চিকন পাতায় দেখি আমার শ্যামে লো
    		পিয়া ভেবে দাঁড়াই গিয়ে পিয়াল গাছের বামে লো।
    			উড়ে গেলে দোয়েল পাখি
    			ভাবি কালার কালো আঁখি
    		আমি নীল শাড়ি পরিতে নারি কালারি কারণে লো কালারি কারণে॥
    
  • কি নাম ধ'রে ডাকবো তোরে মা

    বাণী

    	কি নাম ধ'রে ডাকবো তোরে মা তুই দে ব'লে
    ওমা	কি নাম ধ'রে কাঁদলে পরে ধ'রে তুলিস কোলে (মাগো)।।
    	বনে খুঁজি মনে খুঁজি পটে দেখি ঘটে পূজি
    	মন্দিরে যাই কেঁদে লুটাই মাগো —
    	পাষাণ প্রতিমা মা তোর একটুও না টলে।।
    	কোল যদি না দিবি মাগো, আনলি কেন ভবে,
    আমি	জনম নিয়ে এসেছি যে তোর কোলেরই লোভে।
    আমি	রইতে নারি মা না পেয়ে, মরণ দে মা তাহার চেয়ে
    	এ-ছার জীবনে কোন প্রয়োজন মাগো
    	আমি কোটি বার মা মরতে পারি মা যদি পাই ম'লে।।
    
  • কে তোরে কি বলেছে মা

    বাণী

    কে	তোরে কি বলেছে মা ঘুরে বেড়াস কালি মেখে
    ওমা	বরাভয়া ভয়ঙ্করী সাজ পেলি তুই কোথা থেকে।।
    	তোর এলাকেশে প্রলয় দোলে
    	আমি চিনতে নারি গৌরী বলে।
    ওমা	চাঁদ লুকাল মেঘের কোলে তোর মুখে না হাসি দেখে।।
    ওমা	শঙ্কর কি গঙ্গা নিয়ে,কাঁদায় তোরে দুঃখ দিয়ে
    ওমা	শিবানী তোর চরণ তলে এনেছি তাই শিবকে ডেকে।।