দাদ্‌রা

  • বনের তাপস কুমারী আমি গো

    বাণী

    বনের তাপস কুমারী আমি গো, সখি মোর বনলতা।
    নীরবে গোপনে দুইজনে কই আপন মনের কথা।।
    যবে 	গিরিপথে ফিরি সিনান করিয়া,
    	লতা টানে মোর আঁচল ধরিয়া,
    হেসে বলি, ওরে ছেড়ে দে, আসিছে তোদের বন-দেবতা।।
    ডাকি যদি তারে আদর করিয়া — ওরে বন বল্লরি,
    আনন্দে তার ফোটা ফুলগুলি অঞ্চলে পড়ে ঝরি'।
    	লুকায়ে যখন মোর দেবতায়
    	আবরিয়া রাখে কুসুমে পাতায়,
    চরণে আমার (ও সে) আসিয়া জড়ায় যবে হই ধ্যানরতা।।
    
  • বৃথা তুই কাহার 'পরে করিস অভিমান

    বাণী

    বৃথা তুই কাহার পরে করিস অভিমান
    পাষাণ-প্রতিমা সে যে হৃদয় পাষাণ।।
    রূপসীর নয়নে জল নয়ন-শোভার তরে
    ও শুধু মেঘের লীলা নভে যে বাদল ঝরে।
    চাতকেরই তরে তাহার কাঁদে না পরান।।
    প্রণয়ের স্বপন-মায়া,ধরিতে মিলায় কায়া
    গো-ধূলির রঙের খেলা ক্ষণে অবসান।।
    

  • ভেঙো না ভেঙো না ধ্যান

    বাণী

    ভেঙো না ভেঙো না ধ্যান হে আমার ধ্যানের দেবতা।
    পূজা লহ, অর্ঘ্য লহ ক’য়ো না ক’য়ো না কথা।।
    পাষাণ মূরতি তুমি পাষাণ হইয়া থাকো,
    মন্দির-বেদী হতে ধরার ধূলায় নেমো নাকো।
    তুমিও মাটির মানুষ বুঝায়ে দিও না ব্যথা।।
    সহিবে সকলি স্বামী হেনো হেলা ব্যথা দিও,
    সহিবে না অপমান ভালোবাসার আমার হে প্রিয়,
    থাক তুমি হিয়ার মাঝে তোমার মন্দির যথা।।
    
  • মা মেয়েতে খেল্‌ব পুতুল আয় মা

    বাণী

    মা মেয়েতে খেল্‌ব পুতুল আয় মা আমার খেলাঘরে।
    আমি মা হয়ে মা শিখিয়ে দেব পুতুল খেলে কেমন করে।।
    কাঙাল অবোধ করবি যারে বুকের কাছে রাখিস্ তারে (মা)
    [নইলে কে তার দুখ ভোলাবে
    যারে রত্ন মানিক দিবি না মা, উচিত সে তার মাকে পাবে]
    আবার কেউ বা ভীষণ দামাল হবে কেউ থাকবে গৃহ কোণে প’ড়ে।।
    মৃত্যু সেথায় থাকবে না মা থাকবে লুকোচুরি খেলা
    রাত্রি বেলায় কাঁদিয়ে যাবে আসবে ফিরে সকাল বেলা।
    কাঁদিয়ে খোকায়, ভয় দেখিয়ে, ভয় ভোলাবি আদর দিয়ে (মা)
    [বেশি তারে কাঁদাস না মা, মা ছেড়ে সে পালিয়ে যাবে]
    সে খেলে যখন শ্রান্ত হবে ঘুম পাড়াবি বক্ষে ধ’রে।।
    
  • মৃত্যু-আহত দয়িতের তব শোনো

    বাণী

    মৃত্যু-আহত দয়িতের তব শোনো করুণ মিনতি।
    অমৃতময়ী মৃত্যুঞ্জয়ী হে সাবিত্রী সতী।।
    	ঘন অরণ্যে বাজে মোর স্বর
    	মোরি রোদনে উঠিয়াছে ঝড়,
    সাঁঝের চিতায় ঐ নিভে যায়, মম নয়নের জ্যোতি
    			হে সাবিত্রী সতী!
    যুগে যুগে তুমি বাঁচায়েছ মোরে মৃত্যুর হাত হতে
    			দেবী সাবিত্রী সতী!
    মোরি হাত ধ’রে রাজপুরী ছেড়ে চলেছ বনের পথে
    			বিধবা অশ্রুমতী!
    	জীবনের তৃষা মেটেনি আমার
    	তুমি এসে মোরে বাঁচাও আবার,
    মৃত্যু তোমারে করিবে প্রণাম, ধরার অরুন্ধতি
    			হে সাবিত্রী সতী!
    
  • মোর ঘুমঘোরে এলে মনোহর

    বাণী

    মোর		ঘুমঘোরে এলে মনোহর নমো নম, নমো নম, নমো নম।
    		শ্রাবণ-মেঘে নাচে নটবর রমঝম, রমঝম, ঝমরম
    			(ঝমঝম, রমঝম, রমঝম)।।
    শিয়রে		বসি চুপি চুপি চুমিলে নয়ন
    মোর		বিকশিল আবেশে তনু নীপ-সম, নিরুপম, মনোরম।।
    মোর		ফুলবনে ছিল যত ফুল
    			ভরি ডালি দিনু ঢালি’ দেবতা মোর
    হায়		নিলে না সে ফুল, ছি ছি বেভুল,
    			নিলে তুলি’ খোঁপা খুলি’ কুসুম-ডোর।
    স্বপনে		কী যে কয়েছি তাই গিয়াছ চলি’
    জাগিয়া	কেঁদে ডাকি দেবতায় প্রিয়তম, প্রিয়তম, প্রিয়তম।।
    
  • মোর প্রিয়া হবে এসো রানী

    বাণী

    মোর প্রিয়া 	হবে এসো রানী দেব খোঁপায় তারার ফুল
    	কর্ণে দোলাব তৃতীয়া তিথির চৈতী চাঁদের দুল।।
    		কণ্ঠে তোমার পরাবো বালিকা
    		হংস –সারির দুলানো মালিকা
    	বিজলী জরীণ ফিতায় বাঁধিব মেঘ রঙ এলো চুল।।
    	জোছনার সাথে চন্দন দিয়ে মাখাব তোমার গায়
    	রামধনু হতে লাল রঙ ছানি’ আলতা পরাবো পায়।
    		আমার গানের সাত সুর দিয়া
    		তোমার বাসর রচিব প্রিয়া।
    	তোমারে ঘিরিয়া গাহিবে আমার কবিতার বুলবুল।।
    
  • মোরে সেইরূপে দেখা দাও হরি

    বাণী

    মোরে সেইরূপে দেখা দাও হরি।
    তুমি ব্রজের বালারে রাই কিশোরীরে
    ভুলাইলে যেই রূপ ধরি’।।
    হরি বাজায়ো বাঁশরি সেই সাথে,
    যে বাঁশি শুনিয়া ধেনু গোঠে যেত উজান বহিত যমুনাতে।
    যে নূপুর শুনে ময়ূর নাচিত এসো হে সেই নূপুর পরি।।
    নন্দ যশোদা কোলে গোপাল
    যে রূপে খেলিতে, ক্ষীর ননী খেতে এসো সেই রূপে ব্রজ দুলাল।
    যে পীত বসনে কদম তলায় নাচিতে এসো সে বেশ পরি।।
    কংসে বধিলে যে রূপে শ্যাম,
    কুরুক্ষেত্রে হলে সারথি এসো সেইরূপে এ ধরাধাম।
    যে রূপে গাহিলে গীতা নারায়ণ, এসো সে বিরাট রূপ ধরি।।
    
  • যমুনা-সিনানে চলে তন্বী

    বাণী

    যমুনা-সিনানে চলে তন্বী মরাল-গামিনী।
    লুটায়ে লুটায়ে পড়ে পায়ে বকুল কামিনী।।
    	মধু বায়ে অঞ্চল
    	দোলে অতি চঞ্চল,
    কালো কেশে আলো মেখে খেলিছে মেঘ দামিনী।।
    	তাহারি পরশ চাহি’
    	তটিনী চলেছে বাহি,’
    তনুর তীর্থে তারি আসে দিবা ও যামিনী।।
    
  • রব না কৈলাশপুরে আই য়্যাম

    বাণী

    রব না কৈলাশপুরে আই য়্যাম ক্যালকাটা গোয়িং।
    যত সব ইংলিশ ফ্যাশান আহা মরি কি লাইটনিং।।
    	ইংলিশ ফ্যাশান সবই তার
    	মরি কি সুন্দর বাহার,
    	দেখলে বন্ধু দেয় চেয়ার —
    		কাম-অন ডিয়ার গুড মর্নিং।।
    	বন্ধু আসিলে পরে
    	হাসিয়া হান্ডসেক করে,
    	বসায় তারে রেসপেক্ট করে —
    		হোল্ডিং আউট এ মিটিং।।
    	তারপর বন্ধু মিলে
    	ড্রিংকিং হয় কৌতুহলে,
    	খেয়েছ সব জাতিকুলে —
    		নজরুল এসলাম ইজ টেলিং।।
    

    ‘লেটো গান’

  • রুমুঝুম রুমুঝুম্ কে এলে নূপুর পায়

    বাণী

    রুমুঝুম রুমুঝুম্ কে এলে নূপুর পায়
    ফুটিল শাখে মুকুল ও রাঙা চরণ-ঘায়।।
    সে নাচে তটিনী-জল টলমল টলমল,
    বনের বেণী উতল ফুলদল মুরছায়।।
    বিজরি-জরীর আঁচল ঝলমল ঝলমল
    নামিল নভে বাদল ছলছল বেদনায়।
    তালীবন থৈ তাথৈ করতালি হানে ঐ, (হায় রে হায়)
    ‌‌‘কবি, তোর তমালী কই’ — শ্বসিছে পুবালি-বায়।।
    
  • লক্ষ্মী মা তুই ওঠ্ গো আবার

    বাণী

    লক্ষ্মী মা তুই ওঠ্ গো আবার সাগর জলে সিনান করি’।
    হাতে ল’য়ে সোনার ঝাঁপি, সুধার পাত্রে সুধা ভরি’।।
    আন্ মা আবার আঁচলে তোর নবীন ধানের মঞ্জরি সে,
    টুনটুনিতে ধান খেয়েছে, খাজনা মাগো দিব কিসে।
    ডুবে গেছে সপ্ত-ডিঙা, রত্ন বোঝাই সোনার তরী।।
    ক্ষীরোদ-সাগর-কন্যা যে তুই, খেতে দে ক্ষীর সর মা আবার,
    পান্তা লবণ পায় না ছেলে, জননী তোর এ কোন বিচার?
    কার কাছে মা নালিশ করি, অনন্ত শয়নে হরি।।
    তোরও কি মা ধর্‌ল ঘুমে নারায়ণের ছোঁয়াচ লেগে,
    বর্গী এল দেশে মাগো, খোকারা তোর কাঁদে জেগে।
    এসে এবার ঘুম পাড়া মা, মাগো ভয়ে ক্ষিদেয় মরি।।
    কোন্‌ দুখে তুই রইলি ভুলে বাপের বাড়ি অতল-তুলে,
    ব্যথার সিন্ধু মন্থন শেষ, ভ’রল যে দেশ হলাহলে।
    অমৃত এনে সন্তানে তোর, বাঁচা মা, তোর পায়ে ধরি।।
    
  • ললাটে মোর তিলক একো মুছে বঁধুর চরণ-ধুলি

    বাণী

    ললাটে মোর তিলক একো মুছে বঁধুর চরণ-ধুলি
    আঁখিতে মোর কাজল মেখো ঘন শ্যামের বরণগুলি।।
    	বঁধুর কথা মধুর প্রিয়
    	কর্ণ মূলে দুলিয়ে দিও
    বক্ষে আমার হার পরিও বঁধুর পায়ের নূপুর খুলি।।
    তার পীত বসন দিয়ে ক'রো এই যোগিনীর উত্তরীয়
    হবে অঙ্গেরই চন্দন আমার কলঙ্ক তার মুছে নিও।
    	সে দেয় যা ফেলে মনের ভুলে
    	তাই অঞ্চলে মোর দিও তুলে
    তার বনমালার বাসি ফুলে ভ'রো আমার ভিক্ষা ঝুলি।।
    
  • শত জনম আঁধারে আলোকে

    বাণী

    শত জনম আঁধারে আলোকে তারকা-গ্রহে লোকে লোকে
    প্রিয়তম! খুঁজিয়া ফিরেছি তোমারে।।
    	স্বপন হয়ে রয়েছ নয়নে
    	তপন হ’য়ে হৃদয়-গগনে,
    হেরিয়া তোমারে বিরহ-যমুনা, প্রিয়তম! দুলিয়া উঠে বারে বারে।।
    হে লীলা-কিশোর! ডেকেছে আমারে তোমার বাঁশি,
    যুগে যুগে তাই তীর্থ-পথিক ফিরি উদাসী।
    	দেখা দাও, তবু ধরা নাহি দাও
    	ভালোবাস ব’লে তাই কি কাঁদাও,
    তোমারি শুভ্র পূজার-পুষ্প প্রিয়তম! ফুটিয়া ওঠে অশ্রুধারে।।
    
  • শ্যামা নামের লাগলো আগুন

    বাণী

    শ্যামা নামের লাগলো আগুন আমার দেহ ধূপ–কাঠিতে।
    যত জ্বলি সুবাস তত ছড়িয়ে পড়ে চারিভিতে।।
    		ভক্তি আমার ধূমের মত
    		উর্দ্ধে ওঠে অবিরত,
    শিব–লোকের দেব–দেউলে মা’র শ্রীচরণ পরশিতে।।
    ওগো অন্তর–লোক শুদ্ধ হল পবিত্র সেই ধূপ–সুবাসে,
    মা’র হাসিমুখ চিত্তে ভাসে চন্দ্রসম নীল আকাশে।
    		যা কিছু মোর পুড়ে কবে
    		চিরতরে ভস্ম হবে
    মা’র ললাটে আঁকব তিলক সেই ভস্ম–বিভূতিতে।।
    
  • সন্ধ্যা নেমেছে আমার বিজন ঘরে

    বাণী

    সন্ধ্যা নেমেছে আমার বিজন ঘরে, তব গৃহে জ্বলে বাতি।
    ফুরায় তোমারি উৎসব নিশি সুখে, পোহায় না মোর রাতি।।
    	আমার আশার ঝরা ফুলদল দিয়া,
    	তোমার বাসর শয্যা রচিছ প্রিয়া
    তোমার ভবনে আলোর দীপালি জ্বলে, আঁধার আমার সাথী।
    					পোহায় না মোর রাতি।।
    ঘুমায়ে পড়েছে আমার কাননে কুহু, নীরব হয়েছে গান;
    তোমার কুঞ্জে গানের পাখিরা তুলিয়াছে কলতান।
    	পৃথিবীর আলো মোর চোখে নিভে আসে,
    	বাজিছে বাঁশরি তোমার মিলন-রাসে;
    ওপারের বাঁশি আমায় ডাকিবে কবে, আছি তাই কান পাতি।
    					পোহায় না মোর রাতি।।
    
  • সংসারেরি দোলনাতে মা ঘুম পাড়িয়ে

    বাণী

    সংসারেরি দোলনাতে মা ঘুম পাড়িয়ে কোথায় গেলি?
    আমি অসহায় শিশুর মত ডাকি মা দুই বাহু মেলি’।।
    	অন্য শক্তি নাই মা তারা
    	‘মা’ বুলি আর কান্না ছাড়া,
    তোরে না দেখলে কেঁদে উঠি, আবার কোল পেলে মা হাসি খেলি।।
    (ও মা) ছেলেকে তোর তাড়ন করে মায়ারূপী সৎমা এসে।
    আবার ছয় রিপুতে দেখায় মা ভয় পাপ এলো পুতনার বেশে।১
    	মরি ক্ষুধা তৃষ্ণাতে মা
    	শ্যামা আমার কোলে নে মা।
    আমি ক্ষণে চমকে উঠি ভাবি দয়াময়ী মা কি এলি।।
    

    ১. পাপবর্গী এলো দেশে।

  • সাঁঝের পাখিরা ফিরিল কুলায়

    বাণী

    সাঁঝের পাখিরা ফিরিল কুলায় তুমি ফিরিলে না ঘরে,
    আঁধার ভবন জ্বলেনি প্রদীপ মন যে কেমন করে।।
    	উঠানে শূন্য কলসির কাছে
    	সারাদিন ধরে ঝ’রে প’ড়ে আছে
    তোমার দোপাটি গাঁদা ফুলগুলি যেন অভিমান ভরে।।
    বাসন্তী রাঙা শাড়িখানি তব ধূলায় লুটায় কেঁদে,
    তোমার কেশের কাঁটাগুলি বুকে স্মৃতির সমান বেঁধে।
    	যাইনি বাহিরে আজ সারাদিন
    	ঝরিছে বাদল শ্রান্তিবিহীন
    পিয়া পিয়া ব’লে ডাকিছে পাপিয়া এ বুকের পিঞ্জরে।।
    
  • সেদিন বলেছিলে এই সে ফুলবনে

    বাণী

    সেদিন ব’লেছিলে এই সে ফুলবনে,
    আবার হবে দেখা ফাগুনে তব সনে॥
    ফাগুন এলো ফিরে লাগে না মন কাজে,
    আমার হিয়া ভরি, উদাসী বেণু বাজে;
    শুধাই তব কথা দখিনা সমীরণে॥
    শপথ ভুলিয়াছ বন্ধু, ভুলিলে পথ কি গো,
    বারেক দিয়ে দেখা লুকালে মায়ামৃগ।
    আঁচলে ফুল লয়ে হল’ না মালা গাঁথা,
    আসার পথ তব ঢাকিল ঝরা পাতা;
    পূজার চন্দন শুকালো অঙ্গনে॥
    
  • হায় আঙিনায় সখি আজো সেই চাঁপা ফোটে

    বাণী

    হায় আঙিনায় সখি আজো সেই চাঁপা ফোটে।
    হায় আকাশে সখি আজো কি সেই চাঁদ ওঠে।।
    	সখি তাহার হাতের হেনা গাছে
    	বুঝি প্রথম মুকুল ধরিয়াছে।
    হায় যমুনায়, বাঁশি বাজে কি আর ছায়ানটে।।
    শিয়রে জানালা খুলে দে বাহিরে চাহিয়া দেখি
    আমার বাগানে আবার বসন্ত আসিয়াছে কি?
    দেখি সে ডালিম ফুলে হায় আছে কি সে রঙ আগেকার।
    ও-বাড়ির ছাদের টবে সই বেলফুল ফুটলো কি আবার?
    	আজি আসিবে সে মনে লাগে
    	তারি আসার আভাস মনে জাগে
    হায় বুঝি তাই, মোর মরণ মধুর হয়ে ওঠে।।