দাদ্‌রা

  • আজি কুসুম-দীপালি জ্বলিছে বনে

    বাণী

    আজি		কুসুম-দীপালি জ্বলিছে বনে।
    জ্বলে		দীপ-শিখা আম্র-মুকুলে
    রাঙা		পলাশ অশোকে বকুলে,
    আসে		সে আলোর টানে বন-তল
    		মৌমাছি প্রজাপতি দলে দল
    পুড়ে		মরিতে সে রূপ-শিখাতে
    প্রাণ		সঁপিতে বাসন্তিকাতে;
    		পরিমল অঞ্জন মাখিয়া নয়নে
    হের		ঝিমায় আকাশ চাঁদের স্বপনে।।
    জ্বলে		গগনে তারার দীপালি
    আজি		ধরাতে আকাশে মিতালি
    ধরা		চাঁপার গেলাস ভরিয়া
    মধু		উর্ধ্বে তুলে গো ধরিয়া
    পান		করিতে সে মধু পরীরা
    আসে		নেমে কাননে স-শরীরা;
    		বাজে উৎসব বাঁশি গগনে পবনে
    		হের ঝিমায় আকাশ চাঁদের স্বপনে।।
    
  • আজি গানে গানে ঢাক্‌ব আমার

    বাণী

    আজি		গানে গানে ঢাক্‌ব আমার গভীর অভিমান।
    		কাঁটার ঘায়ে কুসুম ক’রে ফোটাব মোর প্রাণ।।
    			ভুলতে তোমার অবহেলা
    			গান গেয়ে মোর কাট্‌বে বেলা,
    		আঘাত যত হান্‌বে বীণায় উঠ্‌বে তত তান।।
    			ছিড়লে যে ফুল মনের ভুলে
    			আমি গাঁথব মালা সেই ফুলে,
    (ওগো)		আস্‌বে যখন বন্ধু তোমার কর্‌ব তা’রে দান।।
    (আজি)		কথায় কথায় মিলায়ে মিল
    		কবি রে, তোর ভরল কি দিল্‌,
    তোর		শূন্য হিয়া, শূন্য নিখিল মিল পেল না প্রাণ।।
    
  • আজি চৈতী হাওয়ার মাতন লাগে

    বাণী

    আজি	চৈতী হাওয়ার মাতন লাগে হলুদ চাঁপার ডালে ডালে।
    	তালী বনে বাজে তারি করতালি ঐ তালে তালে।।
    		ভ্রমর মুখে গুনগুনিয়ে
    		যায় সে মৃদু সুর শুনিয়ে
    	শুকনো পাতার মর্মরে তার নূপুর বাজে রুনুঝুনিয়ে।।
    	ফুলে পাতায় রঙ মাখায় সে ফিকে সবুজ নীলে লালে
    আজি	ওড়ে তাহার রঙের নিশান প্রজাপতির পাখার পালে পালে।।
    

    রেকর্ড-নাটিকা, ‘বাসন্তিকা’

  • আজি দোল্-পূর্ণিমাতে দুল্‌বি তোরা আয়

    বাণী

    আজি দোল্-পূর্ণিমাতে দুল্‌বি তোরা আয়।
    দখিনার দোল্ লেগেছে দোলন্-চাঁপায়।।
    	দোলে আজ দোল্-ফাগুনে	
    	ফুল-বাণ আঁখির তূণে,
    দুলে আজ বিধুর হিয়া মধুর ব্যথায়।।
    দুলে আজ শিথিল বেণী, দুলে বধূর মেখলা
    দুলে গো মালার পলা জড়াতে বঁধুর গলা!
    	মাধবীর দোলন্-লতায়
    	দোয়েলা দোল্ খেয়ে যায়,
    দুলে যায় হল্‌দে পাখি সোঁদাল-শাখায়।।
    বিরহ-শীর্ণা নদীর আজিকে আঁখির কূলে
    ভরে জল কানায় কানায় জোয়ারে উঠ্‌ল দু’লে।
    	দুলে বসন্ত-রানী
    	কুসুমিতা বনানী
    পলাশ রঙন দোলে নোটন-খোঁপায়।।
    দোলে হিন্দোল-দোলায় ধরণী শ্যাম-পিয়ারী,
    দুলিছে গ্রহ-তারা আলোক-গোপ-ঝিয়ারি।
    	নীলিমার কোলে বসি’
    	দুলে কলঙ্কী-শশী,
    দোলে ফুল-উর্বশী ফুল-দোলায়।।
    
  • আজি মধুর গগন মধুর পবন

    বাণী

    আজি মধুর গগন মধুর পবন মধুর ধরতীধাম
    আয়ে ব্রিজমে ঘনশ্যাম।
    বাজত বনমে মধুর মুরলী বোলাতা রাধা নাম
    আয়ে ব্রিজমে ঘনশ্যাম।
    আজ থির যমুনা আধীর ভায়ি
    আয়ে গোকুলকে চাঁদ অন্ধেরি গ্যয়ি,
    বোলে কোয়েলিয়া ময়ূর পাপিহা পিয়া পিয়া অবিরাম।।
    ব্রিজকে কোঁয়ারি বনকে যোগিনী রোতি থী বিরহ মে,
    আজ লেকে গাগরি ওড়ে নীল শাড়ি চলে ফের নীর ভরণে।
    	আজ হরিকে সাথ হরিভি আয়ে
    	রাঙা আবিরমে গোকুল ছায়ে,
    বনশী বাজাওয়ে রসিয়া গারে বিভোর ব্রিজধাম।।
    
  • আজিকে তনু মনে লেগেছে রঙ লেগেছে রঙ

    বাণী

    আজিকে তনু মনে লেগেছে রঙ লেগেছে রঙ
    বঁধূর বেশে ধরা সেজেছে অভিনব ঢঙ।।
    	কাননে আলো-ছায়া
    	নয়নে রঙের মায়া
    দোলে দোদুল কায়া পরানে বাজিছে সারঙ।।
    	সে-রঙে সাগর-কোলে
    	কত চাঁদ, রবি দোলে
    বাজে গগন তলে জলদ তালে মেঘ-মৃদঙ।।
    
  • আধখানা চাঁদ হাসিছে আকাশে

    বাণী

    আধখানা চাঁদ হাসিছে আকাশে
    	আধখানা চাঁদ নিচে
    	প্রিয়া তব মুখে ঝলকিছে
    গগনে জ্বলিছে অগণন তারা
    	দু’টি তারা ধরণীতে
    	প্রিয়া তব চোখে চমকিছে।।
    তড়িৎ-লতার ছিঁড়িয়া আধেকখানি
    জড়িত তোমার জরীণ ফিতায় রানী!
    অঝোরে ঝরিছে নীল নভে বারি
    	দুইটি বিন্দু তারি
    	প্রিয়া তব আঁখি বরষিছে।।
    মধুর কণ্ঠে বিহগ বিলাপ গাহে,
    গান ভুলি’ তা’রা তব অঙ্গনে চাহে,
    তাহারও অধিক সুমধুর সুর তব
    	চুড়ি কঙ্কনে ঝনকিছে।।
    

  • আঁধার রাতে কে গো একেলা

    বাণী

    আঁধার রাতে			কে গো একেলা
    নয়ন-সলিলে		ভাসালে ভেলা।।
    কাঁদিয়া কারে 		খোঁজ ওপারে
    আজো যে তোমার		প্রভাত বেলা।।
    কি দুখে আজি		যোগিনী সাজি’
    আপনারে ল’য়ে		এ হেলা-ফেলা।।
    সোনার কাঁকন		ও দুটি করে
    হের গো জড়ায়ে		মিনতি করে।
    খুলিয়া ধূলায়		ফেলো না গো তায়,
    সাধিছে নূপুর		চরণ ধ’রে।
    হের গো তীরে		কাঁদিয়া ফিরে
    আজি ও-রূপের		রঙের মেলা।।
    
  • আঁধার রাতের তিমির দুলে আমার মনে

    বাণী

    আঁধার রাতের তিমির দুলে আমার মনে।
    দুলে গো আমার ঘুমে -  জাগরণে॥
    হতাশ-ভরা বাতাস বহে,
    আমার কানে কি কথা কহে;
    দিনগুলি মোর যায় যে ঝ’রে যায় —
    ওগো যায় যে ঝ’রে ঝরা পাতার সনে॥
    গিয়াছে চলিয়া সুখে যাহারা ছিল গো সাথি,
    গিয়াছে নিভিয়া জ্বলিতেছিল যে শিয়রে বাতি।
    স্মৃতির মালার ফুল শুকাইয়া,
    একে একে হায় পড়িছে ঝরিয়া;
    বিদায়-বেলা শুনিয়ে বাঁশি ক্ষণে ক্ষণে॥
    
  • আনন্দ রে আনন্দ আনন্দ আনন্দ

    বাণী

    আনন্দ রে আনন্দ, আনন্দ আনন্দ,
    দশ হাতে ঐ দশ দিকে মা ছড়িয়ে এলো আনন্দ।
    ঘরে ফেরার বাজল বাঁশি, বইছে বাতাস সুমন্দ॥
    আমার মায়ের মুখে হাসি, শরত-আলোর কিরণরাশি,
    কমল বনে উঠছে ভাসি, মায়ের গায়ের সুগন্ধ॥
    উঠলো বেজে দিগ্বিদিকে ছুটির মাদল মৃদঙ্গ,
    মনের আজি নাই ঠিকানা, যেন বনের কুরঙ্গ।
    দেশান্তরী ছেলেমেয়ে, মায়ের কোলে এলো ধেয়ে,
    শিশির নীরে এলো নেয়ে স্নিগ্ধ অকাল বসন্ত॥
    
  • আবার কেন বাতায়নে দীপ জ্বালিলে

    বাণী

    মজনু		:	আবার কেন বাতায়নে দীপ জ্বালিলে, হায়!
    			আমার যে প্রাণ-পতঙ্গ ওই প্রদীপ পানেই ধায়॥
    লায়লী	:	আমার প্রেম যে অনল শিখা জ্বলে তিমির রাতে
    			পতঙ্গরে পোড়াই আমি নিজেও পুড়ি সাথে।
    মজনু		:	একি ব্যথা একি নেশা 
    			এই কি গো প্রেম গরল-মেশা!
    লায়লী	:	তত আলো দান করে সে যত সে জ্বালায়॥
    

    রেকর্ড-নাটিকাঃ ‘লায়লী মজনু’

  • আমায় আর কতদিন মহামায়া

    বাণী

    (আমায়)		আর কতদিন মহামায়া রাখ্‌বি মায়ার ঘোরে।
    (মোরে)		কেন মায়ার ঘূর্ণিপাকে ফেল্‌লি এমন করে।।
    		(ওমা) কত জনম করেছি পাপ
    			কত লোকের কুড়িয়েছি শাপ,
    		তবু মা তার নাই কি গো মাফ ভুগব চিরতরে।।
    		এমনি ক’রে সন্তানে তোর ফেল্‌লি মা অকূলে,
    		তোর নাম যে জপমালা তাও যাই হায় ভুলে’।
    			পাছে মা তোর কাছে আসি
    		তাই	বাঁধন দিলি রাশি রাশি,
    কবে		মুক্ত হ’ব মুক্তকেশী (তোর) অভয় চরণ ধ’রে।।
    
  • আমার অহঙ্কারের মূল কেটে দে

    বাণী

    মা, মা গো —
    আমার অহঙ্কারের মূল কেটে দে কাঠুরিয়ার মেয়ে,
    কত নিরস তরু হ'ল মঞ্জুরিত তোর চরণ-পরশ পেয়ে।।
    রোদে পুড়ে জলে ভিজে মা দিয়েছি ফুল ফল
    শাখায় আমার, নীড় বেঁধেছে বিহঙ্গের দল।
    বটের মত সারা দেহ মাগো মায়ার জটে আছে ছেয়ে।।
    ও মা মূল আছে তাই বৈতরণীর কূলে আছি পড়ি
    নইলে হ'তাম খেয়াঘাটের পারাপারের তরী।
    	তুই খড়গের ভয় দেখাস মিছে
    	মুক্তি আছে এরি পিছে মাগো
    তোর হাসির বাঁশি শুনতে পাবো অসির আঘাত খেয়ে।।
    
  • আমার কালিবাঞ্ছা কল্পতরুর ছায়াতলে আয় রে

    বাণী

    আমার কালিবাঞ্ছা কল্পতরুর ছায়াতলে আয় রে,
    এই তরুতলে যে যাহা চায় তখনি তা পায় রে॥
    	তুই চতুর্বর্গ ফল কুড়াবি
    	যোগ পাবি, ভোগ পাবি
    এমন কল্পতরু থাকতে - কেন মরিস্ নিরাশায় রে॥
    দস্যু ছেলের আবদারে সে সাজে ডাকাত কালির বেশে,
    কত রামপ্রসাদের কন্যা হয়ে বেড়া বেঁধে যায় রে।
    	ওরে পুত্র-কন্যা বিভব-রতন,
    	চেয়ে নে যার ইচ্ছা যেমন,
    ওরে আমার এ মন থাকে যেন বাঞ্ছাময়ীর পায় রে॥
    	সে আর কিছু না চায়
    	চেয়ে চেয়ে বাসনা তার শেষ হল না হায়!
    এবার খালি হাতে তালি দিয়ে (আমি) চাইব কালিকায় রে॥
    
  • আমার কালো মেয়ে পালিয়ে বেড়ায়

    বাণী

    আমার কালো মেয়ে পালিয়ে বেড়ায় কে দেবে তায় ধ'রে
    তারে	যেই ধরেছি মনে করি অমনি সে যায় স'রে।।
    		বনে ফাকেঁ দেখা দিয়ে
    		চঞ্চলা মোর যায় পালিয়ে,
    দেখি	ফুল হয়ে মা'র নূপুরগুলি পথে আছে ঝ'রে।।
    তার	কণ্ঠহারের মুক্তাগুলি আকাশ-আঙিনাতে
    	তারা হয়ে ছড়িয়ে আছে দেখি আধেক রাতে।
    		কোন মায়াতে মহামায়ায়
    		রাখবো বেঁধে আমার হিয়ায়
    	কাঁদলে যদি হয় দয়া তার তাই কাদিঁ প্রাণ ভ'রে।।
    
  • আমার কালো মেয়ে রাগ করেছে

    বাণী

    আমারকালো মেয়ে রাগ করেছে (মাকে) কে দিয়েছে গালি –
    রাগ ক’রে সে সারা গায়ে মেখেছে তাই কালি।।
    যখনরাগ করে মোর অভিমানী মেয়ে
    আরো মধুর লাগে তাহার হাসি–মুখের চেয়ে –
    কেকালো দেউল ক’রলে আলো অনুরাগের প্রদীপ জ্বালি’।।
    পরেনি সে বসন–ভূষণ, বাঁধেনি সে কেশ, -
    তারি কাছে হার মানে যে ভুবন–মোহন বেশ।
    রাগিয়ে তারে কাঁদি যখন দুখে, (দয়াময়ী মা –)
    দয়াময়ী মেয়ে আমার ঝাঁপিয়ে পড়ে বুকে;
    আমাররাগী মেয়ে, তাই তারে দিই জবা ফুলের ডালি।।
    
  • আমার কোন কুলে আজ ভিড়লো তরী

    বাণী

    আমার	কোন্‌ কূলে আজ ভিড়লো তরী
    			এ কোন সোনার গাঁয়
    আমার	ভাটির তরী আবার কেন
    			উজান যেতে চায়
    		তরী	উজান যেতে চায়
    	কোন কূলে মোর ভিড়লো তরী
    	এ কোন্‌ সোনার গাঁয়।।
    আমার	দুঃখেরে কান্ডারী করি’
    আমি	ভাসিয়েছিলাম ভাঙা তরী
    তুমি	ডাক দিলে কে স্বপন–পরী
    			নয়ন ইশারায়।।১
    	নিভিয়ে দিয়ে ঘরের বাতি
    	ডেকেছিলে ঝড়ের রাতি
    তুমি	কে এলে মোর সুরের সাথী গানের কিনারায়।
    তুমি 	কে এলে? ওগো কে এলে মোর সুরের সাথী
    			গানের কিনারায়?
    	সোনার দেশের সোনার মেয়ে,
    ওগো তুমি	হবে কি মোর তরীর নেয়ে,
    	ভাঙ্গা তরী চলো বেয়ে রাঙা অলকায়।।
    

    ১. ‘অন্তরা’ অংশ গ্রামোফোন রেকর্ডে গাওয়া হয়নি।

  • আমার বিফল পূজাঞ্জলি অশ্রু-স্রোতে যায় যে ভেসে

    বাণী

    আমার বিফল পূজাঞ্জলি অশ্রু-স্রোতে যায় যে ভেসে
    তোমার আরাধিকার পূজা হে বিরহী, লও হে এসে॥
    	খোঁজে তোমায় চন্দ্র তপন
    	পূজে তোমায় বিশ্বভুবন,
    আমার যে নাথ ক্ষণিক জীবন মিটবে কি সাধ ভালবেসে॥
    না দেখা মোর, বন্ধু ওগো কোথায়, তুমি কোথায়, বাঁশি বাজাও একা,
    প্রাণ বোঝে তা অনুভবে নয়ন কেন পায় না দেখা।
    	সিন্ধু যেমন বিপুল টানে
    	তটিনীরে টেনে আনে,
    তেমনি করে তোমার পানে আমায় ডাকো নিরুদ্দেশে॥
    
  • আমার বুকের ভেতর জ্বলছে আগুন

    বাণী

    আমার বুকের ভেতর জ্বলছে আগুন, দমকল ডাক ওলো সই।
    শিগ্‌গির ফোন কর বঁধুরে, নইলে পুড়ে ভস্ম হই॥
    	অনুরাগ দিশ্‌লাই নিয়ে
    	চোখের লম্প জ্বালতে গিয়ে,
    আমার প্রাণের খোড়ো ঘরে লাগল আগুন ওই লো ওই॥
    	প্রেমের কেরোসিন যে এত
    	অল্পে জ্বলে জানিনে তো,
    কি দাবানল জ্বলছে বুকে জানবে না কেউ আমা বই॥
    	প্রণয় প্রীতির তোষক গদি
    	রক্ষে করতে চায় সে যদি
    মনে ক’রে আনতে বলিস (তারে) আদর সোহাগ বালতি মই॥
    
  • আমার ভবের অভাব লয় হয়েছে

    বাণী

    (মা) আমার ভবের অভাব লয় হয়েছে শ্যামা-ভাব-সমাধিতে।
    শ্যামা রসে যে-মন আছে ডুবে কাজ কিরে তার যশ-খ্যাতিতে।।
    	মধু যে পায় শ্যামা-পদে,
    	কাজ কিরে তার বিষয়-মদে;
    যুক্ত যে মন যোগামায়াতে; ভাবনা কি তার রোগ ব্যাধিতে।।
    কাজ কি’রে তার লক্ষ টাকায়, মোক্ষ লক্ষ্মী যাহার ঘরে,
    কত রাজার রাজা প্রসাদ মাগে সেই ভিখারীর পায়ে ধরে।
    ও মা শান্তিময়ী অন্তরে যার, দুঃখ শোকে ভয় কি রে তার
    সে সদানন্দ সদাশিব জীবন্মুক্ত ধরণীতে।।