দাদ্‌রা

  • ওরে রাখাল ছেলে বল্ কি রতন পেলে

    বাণী

    ওরে রাখাল ছেলে বল্ কি রতন পেলে
    দিবি হাতের বাঁশি, তোর ঐ হাতের বাঁশি।
    বাঁধা দিয়ে খাড়ু আনব ক্ষীরের নাড়ু
    অম্‌নি হেলেদুলে এক্‌বার নাচ্ রে আসি॥
    দেখ মাখাতে তোর গায়ে ফাগের গুড়া,
    আমার আঙ্গিনাতে ঝরা কৃষ্ণচূড়া।
    আমার গলার হার খুলে পরাব আয় কিশোর
    		তোর পায়ে ফাঁসি॥
    যেন কালিদহের জলে সাপের মানিক জ্বলে,
    চোখের হাসি, তোর ঐ চোখের হাসি,
    ও তুই কি চাস্ চপল মোরে বল্
    আমি মরেছি যে তোরে ভালোবাসি॥
    আসিস্ আমার বাড়ি রাখাল দিন ফুরালে
    আমার চুড়ির তালে দুলবি কদম ডালে।
    ছেড়ে গৃহ-সংসার ওর বাঁশুরিয়া,
    		হব চরণ দাসী।
    
  • কথার কুসুমে গাঁথা গানের মালিকা

    বাণী

    কথার কুসুমে গাঁথা গানের মালিকা কার।
    ভেসে এসে হতে চায় গো আমার গলার হার।।
    		আমি তারে নাহি জানি
    		তার সুরের সূত্রখানি,
    তবু বিজড়িত হয় কেন গো, আমার কঙ্কনে বারবার।।
    তার সুরের তুলির পরশে, ওঠে আমার ভুবন রাঙ্গি’,
    কোন বিস্মৃত জনমের যেন কত স্মৃতি ওঠে জাগি’।
    		আমার রাতের নিদে
    		তার সুর এসে প্রাণে বিঁধে,
    যার সুর এত চেনা, কবে দেখা পাবো সেই অচেনার।।
    
  • কালো জল ঢালিতে সই

    বাণী

    		কালো জল ঢালিতে সই চিকন কালারে পড়ে মনে।
    		কালো মেঘ দেখে শাওনে সই পড়্ল মনে কালো বরণে॥
    			কালো জলে দীঘির বুকে
    			কালায় দেখি নীল-শালুকে
    (আমি)	চম্‌কে উঠি, ডাকে যখন কালো কোকিল বনে॥
    		কল্‌মিলতার চিকন পাতায় দেখি আমার শ্যামে লো
    		পিয়া ভেবে দাঁড়াই গিয়ে পিয়াল গাছের বামে লো।
    			উড়ে গেলে দোয়েল পাখি
    			ভাবি কালার কালো আঁখি
    		আমি নীল শাড়ি পরিতে নারি কালারি কারণে লো কালারি কারণে॥
    
  • কি নাম ধ'রে ডাকবো তোরে মা

    বাণী

    	কি নাম ধ'রে ডাকবো তোরে মা তুই দে ব'লে
    ওমা	কি নাম ধ'রে কাঁদলে পরে ধ'রে তুলিস কোলে (মাগো)।।
    	বনে খুঁজি মনে খুঁজি পটে দেখি ঘটে পূজি
    	মন্দিরে যাই কেঁদে লুটাই মাগো —
    	পাষাণ প্রতিমা মা তোর একটুও না টলে।।
    	কোল যদি না দিবি মাগো, আনলি কেন ভবে,
    আমি	জনম নিয়ে এসেছি যে তোর কোলেরই লোভে।
    আমি	রইতে নারি মা না পেয়ে, মরণ দে মা তাহার চেয়ে
    	এ-ছার জীবনে কোন প্রয়োজন মাগো
    	আমি কোটি বার মা মরতে পারি মা যদি পাই ম'লে।।
    
  • কে তোরে কি বলেছে মা

    বাণী

    কে	তোরে কি বলেছে মা ঘুরে বেড়াস কালি মেখে
    ওমা	বরাভয়া ভয়ঙ্করী সাজ পেলি তুই কোথা থেকে।।
    	তোর এলাকেশে প্রলয় দোলে
    	আমি চিনতে নারি গৌরী বলে।
    ওমা	চাঁদ লুকাল মেঘের কোলে তোর মুখে না হাসি দেখে।।
    ওমা	শঙ্কর কি গঙ্গা নিয়ে,কাঁদায় তোরে দুঃখ দিয়ে
    ওমা	শিবানী তোর চরণ তলে এনেছি তাই শিবকে ডেকে।।
    
  • কেন দিলে এ কাঁটা যদি গো কুসুম দিলে

    বাণী

    কেন দিলে এ কাঁটা যদি গো কুসুম দিলে
    ফুটিত না কি কমল ও কাঁটা না বিঁধিলে।।
    	কেন এ আঁখি-কূলে
    	বিধুর অশ্রু দুলে
    কেন দিলে এ হৃদি যদি না হৃদয় মিলে।।
    	কেন কামনা-ফাঁদে
    	রূপ-পিপাসা কাঁদে
    শোভিত না কি কপোল ও কালো তিল নহিলে।।
    	কাঁটা-নিকুঞ্জে কবি
    	এঁকে যা সুখের ছবি
    নিজে তুই গোপন রবি তোরি আঁখির সলিলে।।
    
  • কেহ বলে তুমি রূপ সুন্দর

    বাণী

    		কেহ বলে তুমি রূপ সুন্দর, কেহ বলে তুমি জ্যোতি!
    		আমি জানি প্রভু তুমি যে আমার চির-জনমের পতি।।
    			কেহ বলে তুমি চিরদিন দূরে রহ
    			কেহ বলে, আছে অন্তরে অহরহ,
    যার		যাহা সাধ ডাকে সেই নামে (প্রভু) তোমার নাহিক ক্ষতি।।
    		অন্ধ দেখে না চন্দ্র-সূর্য তবু জানে আলো আছে,
    (আমি) 	দেখিনি, তবুও তোমার প্রকাশ সহজ-আমার কাছে
    			রূপ কি অরূপ কাহারেও নাহি দুষি,
    			নাই দেখি ফুল সুরভি পেয়েই খুশি,
    (আমি)		অঞ্জলি ভরি’ অমৃত চাই, পাত্রে নাহিক মতি।।
    
  • কোন্‌ সে-সুদূর অশোক-কাননে

    বাণী

    কোন্‌ সে-সুদূর অশোক-কাননে বন্দিনী তুমি সীতা।
    আর কতকাল জ্বলিবে আমার বুকে বিরহের চিতা।।
    			সীতা — সীতা!!
    	বিরহে তোমার অরণ্যচারী
    	কাঁদিব রঘুবীর বল্কলধারী,
    ঝরা চামেলির অশ্রু ঝরায়ে ঝুরিছে বন-দুহিতা।।
    			সীতা — সীতা!!
    তোমার আমার এই অনন্ত অসীম বিরহ নিয়া,
    কত আদি কবি কত রামায়ন রচিবে, কে জানে প্রিয়া!
    	বেদনার সুর-সাগর তীরে
    	দয়িতা আমার এসো এসো ফিরে,
    আবার আঁধার হৃদি-অযোধ্যা হইবে দীপান্বিতা।।
    			সীতা — সীতা!!
    

    নাটকঃ ‘বন্দিনী বিরহিনী সীতা’

  • খেলা শেষ হল শেষ হয় নাই বেলা

    বাণী

    খেলা শেষ হল, শেষ হয় নাই বেলা।
    কাঁদিও না, কাঁদিও না — তব তরে রেখে গেনু প্রেম-আনন্দ মেলা।।
    খেলো খেলো তুমি আজো বেলা আছে
    খেলা শেষ হলে এসো মোর কাছে,
    প্রেম-যমুনার তীরে ব’সে রব লইয়া শূন্য ভেলা।।
    যাহারা আমার বিচার করেছে — ভুল করিয়াছে জানি,
    তাহাদের তরে রেখে গেনু মোর বিদায়ের গানখানি।
    	হই কলঙ্কী, হোক মোর ভুল
    	বালুকার বুকে ফুটায়েছি ফুল,
    তুমিও ভুলিতে নারিবে সে-কথা — হানো যত অবহেলা।।
    

    পাঠান্তর

    খেলা শেষ হল, শেষ হয় নাই বেলা।
    কাঁদিও না, কাঁদিও না — তব তরে রেখে গেনু প্রেম-আনন্দ মেলা।।
    খেলো খেলো তুমি আজো বেলা আছে
    খেলা শেষ হলে এসো মোর কাছে,
    প্রেম-যমুনার তীরে ব’সে রব লইয়া শূন্য ভেলা।।
    যাহারা আমার বিচার করেছে আর তাহাদের কেহ,
    দেখিতে পাবে না কলঙ্ক কালিমাখা মোর এই দেহ।
    	হই কলঙ্কী, হোক মোর ভুল
    	পৃথিবীতে আমি এনেছি গোকুল,
    তুমিও ভুলিতে নারিবে সে-কথা — হানো যত অবহেলা।।
    

    [গানটি ১৯৬৫ সালে জগন্ময় মিত্রের কণ্ঠে রেকর্ডের সময় প্রশিক্ষক কমল দাশগুপ্ত বাণীর কিছু পরিবর্তন করেছিলেন।
    যথা: ১. খেলা শেষ হলে যেয়ো, যেয়ো মোর কাছে, ২. হোক অপরাধ হোক মোর ভুল]

  • গানগুলি মোর আহত পাখির সম

    বাণী

    	গানগুলি মোর আহত পাখির সম
    	লুটাইয়া পড়ে তব পায়ে প্রিয়তম।।
    		বাণ–বেঁধা মোর গানের পাখিরে
    		তু’লে নিও প্রিয় তব বুকে ধীরে,
    	লভিবে মরণ চরণে তোমার সুন্দর অনুপম।।
    তারাসুখের পাখায় উড়িতেছিল গো নভে —
    তবনয়ন–শায়কে বিঁধিলে তাহাদের কবে।
    		মৃত্যু আহত কন্ঠে তাহার
    	‌‌একি এ গানের জাগিল জোয়ার —
    	মরণ বিষাদে অমৃতের স্বাদ আনিলে নিষাদ মম।।
    
  • ঘুমাও ঘুমাও দেখিতে এসেছি

    বাণী

    ঘুমাও,ঘুমাও,দেখিতে এসেছি ভাঙাতে আসিনি ঘুম
    কেউ জেগে কাঁদে,কারো চোখে নামে নিদালির মৌসুম॥
    	দেখিতে এলাম হ'য়ে কুতুহলী
    	চাঁপা-ফুল দিয়ে তৈরী পুতুলী
    দেখি,শয্যায় স্তূপ হ'য়ে আছে জোছনার কুমকুম
    আমি নই, ঐ কলঙ্কী চাঁদ নয়নে হেনেছে চুম্ ।।
    রাগ করিও না, অনুরাগ হ'তে রাগ আরো ভালো লাগে,
    তৃষ্ণাতুরের কেউ জল চায় কেউ বা শিরাজি মাগে।
    	মনে কর, আমি লোলুপ বাতাস
    	চোর-জোছনা, ফুলের সুবাস
    ভয় নাই, আমি চলে যাই ডাকি' নিশীথিনী নিঃঝুম।।
    
  • চাঁদের কন্যা চাঁদ সুলতানা

    বাণী

    চাঁদের কন্যা চাঁদ সুলতানা, চাঁদের চেয়েও জ্যোতি।
    তুমি দেখাইলে মহিমান্বিতা নারী কী শক্তিমতী।।
    শিখালে কাঁকন চুড়ি পরিয়াও নারী,
    ধরিতে পারে যে উদ্ধত তরবারি,
    না রহিত অবরোধের দুর্গ, হতো না এ দুর্গতি।।
    তুমি দেখালে নারীর শক্তি স্বরূপ – চিন্ময়ী কল্যাণী,
    ভারত জয়ীর দর্প নাশিয়া মুছালে নারীর গ্লানি।
    তুমি গোলকুন্ডার কোহিনূর হীরা সম
    আজো ইতিহাসে জ্বলিতেছে নিরুপম,
    রণরঙ্গিণী ফিরে এসো,
    তুমি ফিরিয়া আসিলে, ফিরিয়া আসিবে লক্ষী ও সরস্বতী।।
    
  • চৈতী চাঁদের আলো আজ ভাল নাহি লাগে

    বাণী

    চৈতী চাঁদের আলো আজ ভাল নাহি লাগে,
    তুমি নাই মোর কাছে — সেই কথা শুধু জাগে।।
    এই ধরণীর বুকে কত গান কত হাসি,
    প্রদীপ নিভায়ে ঘরে আমি আঁখি-নীরে ভাসি,
    পরানে বিরহী বাঁশি ঝুরিছে করুণ রাগে।।
    এ কী এ বেদনা আজি আমার ভুবন ঘিরে,
    ওগো অশান্ত মম, ফিরে এসো, এসো ফিরে।
    বুলবুলি এলে বনে বলে যাহা বনলতা —
    সাধ যায় কানে কানে আজি বলিব সে কথা,
    ভুল বুঝিও না মোরে বলিতে পারিনি আগে।।
    

  • তুই কালি মেখে জ্যোতি ঢেকে

    বাণী

    তুই কালি মেখে জ্যোতি ঢেকে পারবি না মা ফাঁকি দিতে।
    ঐ অসীম আঁধার হয় যে উজল মা, তোর ঈষৎ চাহনিতে।।
    		মায়ের কালি মাখা কোলে
    		শিশু কি মা, যেতে ভোলে?
    আমি দেখেছি যে, বিপুল স্নেহের সাগর দোলে তোর আঁখিতে।।
    কেন আমায় দেখাস মা ভয় খড়গ নিয়ে, মুন্ডু নিয়ে?
    আমি কি তোর সেই সন্তান ভুলাবি মা ভয় দেখিয়ে।
    		তোর সংসার কাজে শ্যামা,
    		বাধা আমি হব না মা,
    মায়ার বাঁধন খুলে দে মা ব্রহ্মময়ী রূপ দেখিতে।।
    
  • তুমি দুখের বেশে এলে বলে

    বাণী

    তুমি দুখের বেশে এলে বলে ভয় করি কি হরি।
    দাও ব্যথা যতই তোমায় ততই নিবিড় করে ধরি।
    			আমি ভয় করি কি হরি।।
    	আমি শূন্য করে তোমার ঝুলি
    	দুঃখ নেব বক্ষে তুলি,
    আমি করব দুঃখের অবসান আজ সকল দুঃখ বরি।।
    	কত সে মন কত কিছুই
    	হজম করে ফেলি নিতুই,
    এক মনই তো দুঃখ দেবে তারে নাহি ডরি।।
    	তুমি তুলে দিয়ে সুখের দেয়াল,
    	ছিলে আমার প্রাণের আড়াল,
    আজ আড়াল ভেঙে দাঁড়ালে মোর সকল শূন্য হরি।।
    
  • তুমি শুনিতে চেয়ো না আমার মনের কথা

    বাণী

    তুমি	শুনিতে চেয়ো না আমার মনের কথা
    	দখিনা বাতাস ইঙ্গিতে বোঝে
    			কহে যাহা বনলতা।।
    	চুপ ক'রে চাঁদ সুদুর গগনে
    	মহা-সাগরের ক্রন্দন শোনে,
    	ভ্রমর কাদিঁয়া ভাঙিতে পারে না
    			কুসুমের নীরবতা।।
    	মনের কথা কি মুখে সব বলা যায়?
    	রাতের আঁধারে যত তারা ফোটে
    			আঁখি কি দেখিতে পায়?
    	পাখায় পাখায় বাঁধা যবে রয়
    	বিহগ-মিথুন কথা নাহি কয়,
    	মধুকর যবে ফুলে মধু পায়
    			রহে না চঞ্চলতা।।
    

    গীতিচিত্রঃ ‌‘অতনুর দেশ’

  • তুমি সুন্দর তাই চেয়ে থাকি প্রিয়

    বাণী

    তুমি সুন্দর তাই চেয়ে থাকি প্রিয়, সে কি মোর অপরাধ?
    চাঁদেরে হেরিয়া কাঁদে চকোরিণী বলে না তো কিছু চাঁদ।।
    	চেয়ে’ চেয়ে’ দেখি ফোটে যবে ফুল
    	ফুল বলে না তো সে আমার ভুল
    মেঘ হেরি’ ঝুরে’ চাতকিনী, মেঘ করে না তো প্রতিবাদ।।
    জানে সূর্যেরে পাবে না তবু অবুঝ সূর্যমুখী
    চেয়ে’ চেয়ে’ দেখে তার দেবতারে দেখিয়াই সে যে সুখী।
    	হেরিতে তোমার রূপ–মনোহর
    	পেয়েছি এ আঁখি, ওগো সুন্দর।
    মিটিতে দাও হে প্রিয়তম মোর নয়নের সেই সাধ।।
    
  • তোমার দেওয়া ব্যথা সে যে

    বাণী

    তোমার দেওয়া ব্যথা, সে যে তোমার হাতের দান।
    তাই তো সে দান মাথায় তুলে নিলাম, হে পাষাণ।।
    	তুমি কাঁদাও তাই ত বঁধু
    	বিরহ মোর হল মধু,
    সে যে আমার গলার মালা তোমার অপমান।।
    আমি বেদীমূলে কাঁদি, তুমি পাষাণ অবিচল,
    জানি হে নাথ, সে যে তোমার পূজা নেওয়ার ছল।
    	তোমার দেবালয়ে মোরে
    	রাখলে পূজারিণী ক’রে,
    সেই আনন্দে ভুলেছি নাথ সকল অভিমান।।
    
  • তোর কালো রূপ লুকাতে মা

    বাণী

    তোর কালো রূপ লুকাতে মা বৃথাই আয়োজন।
    ঢাকতে নারে ও রূপ, কোটি চন্দ্র তপন।।
    	মাখিয়ে আলো আমার চোখে
    	লুকিয়ে রাখিস তোর কালোকে,
    তোর অতল কালো রূপে মাগো বিশ্ব নিমগন।।
    আঁধার নিশীথ সে যেন তোর কালো রূপের ধ্যান
    তোর গহন কালোয় গাহন ক’রে জুড়ায় ধরার প্রাণ।
    হেরি তোর কালো রূপ স্নিগ্ধ-করা
    	শ্যামা হ’ল বসুন্ধরা,
    নিবল কোটি সূর্য, তোরে খুঁজে অনুক্ষণ।।
    
  • থৈ থৈ জলে ডুবে গেছে পথ

    বাণী

    থৈ থৈ জলে ডুবে গেছে পথ এসো এসো পথ ভোলা,
    সবাই দুয়ার বন্ধ করেছে (আছে) আমার দুয়ার খোলা।।
    	সৃষ্টি ডুবায়ে ঝরুক বৃষ্টি,
    	ঘন মেঘে ঢাকো সবার দৃষ্টি,
    ভুলিয়া ভুবন দুলিব দু'জন গাহি' প্রেম হিন্দোলা।।
    সব পথ যবে হারাইয়া যায় দুর্দিনে মেঘে ঝড়ে,
    কোন পথে এসে সহসা সেদিন দোলো মোরে বুকে ধ'রে।
    	নিরাশা-তিমিরে ঢাকা দশ দিশি,
    	এলো যদি আজ মিলনের নিশি,
    আষাঢ়-ঝুলনা বাঁধিয়া শ্রীহরি দাও দাও মোরে দোলা।।
    

    গীতি-আলেখ্য: ‌‘হিন্দোলা’