বাণী

স্বরণ-পারের ওগো প্রিয়, তোমায় আমি চিনি যেন
তোমায় চাঁদে চিনি আমি, তুমি আমায় তারায় চেন॥
	নূতন পরিচয়ের লাগি’
	তারায় তারায় থাকি জাগি’
বারে বারে মিলন মাগি, বারে বারে হারাই হেন॥
নূতন চোখের প্রদীপ জ্বালি’ চেয়ে আছি নিরিবিলি,
খোলো প্রিয় তোমার ধরার বাতায়নের ঝিলি-মিলি।
	নিবাও নিবু-নিবু বাতি,
	ডাকে নূতন তারার ভাতি,
ওগো আমার দিবস রাতি কাঁদে বিদায়-কাঁদন কেন॥

নাটিকাঃ ‌‘ঝিলিমিলি’

বাণী

সো’জা সো’জা সো’জা জগ নরনারী
বাদল গ্যর‍্যজো বিজলি চ্যম্যকে
র‍্যজ্যনী হো রহ্ আঁধিয়ারী।।

নাটিকাঃ ‘জন্মষ্টমী’

বাণী

সে চ'লে গেছে ব'লে কি গো স্মৃতিও হায় যায় ভোলা
ওগো মনে হ'লে তারি কথা আজো মর্মে সে মোর দেয় দোলা।।
	ঐ প্রতিটি ধূলি কণায়
	আছে তার ছোঁওয়া লেগে হেথায়,
আজো তাহারি আসার আশায়, রাখি মোর ঘরেরই সব দ্বার খোলা।।
	হেথা সে এসেছিল যবে
	ঘর ভরেছিল ফুল-উৎসবে,
মোর কাজ ছিল শুধু ভবে তার হার গাঁথা আর ফুল তোলা।।
	সে নাই ব'লে বেশি ক'রে
	শুধু তার কথাই মনে পড়ে,
হেরি তার ছবি ভুবন ভ'‌রে তারে ভুলিতে মিছে বলা।।

বাণী

সুরে ও বাণীর মালা দিয়ে তুমি আমারে ছুঁইয়াছিলে।
অনুরাগ–কুম্কুম দিলে দেহে মনে, বুকে প্রেম কেন নাহি দিলে।।
বাঁশি বাজাইয়া লুকালে তুমি কোথায় —
যে ফুল ফোটালে সে ফুল শুকায়ে যায়
কী যেন হারায়ে প্রাণ করে হায় হায় —
কী চেয়েছিলে — কেন কেড়ে নাহি নিলে।।
জড়ায়ে ধরিয়া কেন ফিরে গেলে বল কোন্ অভিমানে,
কেন জাগে নাকো আর সে মাধুরী রস–আনন্দ–প্রাণে।
	তোমারে বুঝি গো বুঝেছিনু আমি ভুল
	এসেছিলে তুমি ফোটাতে প্রেম–মুকুল,
কেন আঘাত করিয়া প্রিয়তম, সেই ভুল নাহি ভাঙাইলে।।

বাণী

	সখি জাগো, রজনী পোহায়
	মলিন কামিনী-ফুল যামিনী-গলায়।।
	চলিছে বধূ সিনানে
(ওগো) বসন বশ না মানে
	শিথিল আঁচল টানে পথের কাঁটায়।।

বাণী

সেদিন অভাব ঘুচবে কি মোর যেদিন তুমি আমার হবে
আমার ধ্যানে আমার জ্ঞানে প্রাণ মন মোর ঘিরে রবে।।
	রইবে তুমি প্রিয়তম
	আমার দেহে আত্মা-সম
জানি না সাধ মিটবে কি-না -  তেমন করেও পাব যবে।।
পাওয়ার আমার শেষ হবে না পেয়েও তোমায় বক্ষতলে
সাগর মাঝে মিশে গিয়েও নদী যেমন ব’য়ে চলে।
	চাঁদকে দেখে পরান জুড়ায়
	তবু দেখার সাধ কি ফুরায়
মিটেছেল সাধ কি রাধার নিত্য পেয়েও নীল-মাধবে।।