কাহার্‌বা

  • ‘কালী কালী’ মন্ত্র জপি

    বাণী

    ‘কালী কালী’ মন্ত্র জপি ব’সে শোকের ঘোর শ্মশানে।
    মা অভয়ার নাম গুণে শান্তি যদি পাই এ প্রাণে।।
    	এই শ্মশানে ঘুমিয়ে আছে
    	যে ছিল মোর বুকের কাছে,
    সে হয়ত আবার উঠবে জেগে মা ভবানীর নাম-গানে।।
    সকল সুখ শান্তি আমার নিল হ’রে যে-পাষাণী,
    শূন্য বুকে বন্দী ক’রে রাখব আমি তারেই আনি’।
    	মোর, যাহা প্রিয় মাকে দিয়ে
    	জাগি আশার দীপ১ জ্বালিয়ে,
    মা’র সেই চরণের নিলাম শরণ, যে-চরণে মা আঘাত হানে।।২
    

    ১. বুকে চিতা, ২. যে চরণে প্রলয় আনে

  • অয়ি চঞ্চল-লীলায়িত-দেহা চির-চেনা

    বাণী

    অয়ি চঞ্চল-লীলায়িত-দেহা চির-চেনা
    ফোটাও মনের বনে তুমি বকুল হেনা।।
    	যৌবন-মদ গর্বিতা তন্বী
    	আননে জ্যোৎস্না, নয়নে বহ্নি,
    তব চরণের পরশ বিনা অশোক তরু মুঞ্জরে না।।
    নন্দন-নন্দিনী তুমি দয়িতা চির-আনন্দিতা,
    প্রথম কবির প্রথম লেখা তুমি কবিতা।
    নৃত্য শেষের তব নুপুরগুলি হায়
    রয়েছে ছড়ানো আকাশের তারকায়
    সুর-লোক-উর্বশী হে বসন্ত-সেনা ! চির-চেনা।।
    
  • অ্যগ্যর তুম রাধা হোতে শ্যাম

    বাণী

    অ্যগ্যর তুম রাধা হোতে শ্যাম।
    মেরি তরা বস আঠোঁ প্যহর তুম, রট্‌কে শ্যামকা নাম।।
    বন-ফুলকে মালা নিরালি বন্‌ যাতি নাগন কালি
    কৃষ্ঞ-প্রেমকী ভীক্‌ মাঙ্গনে আতে লাখ্‌ যনম্‌।
    তুম, আতে ইস্‌ বৃজধাম।।
    চুপ্‌কে চুপ্‌কে তুম্‌রে হিরদয় ম বসতা বন্‌সীওয়ালা,
    আওর, ধীরে ধীরে উস্‌কী ধূন সে ব্যঢ়তী মন্‌কি জ্বালা।
    পন-ঘটমে ন্যয়্যন বিছায়ে তুম্‌, র‍্যহতে আস্‌ ল্যগায়ে
    আওর, কালেকে সঙ্গ প্রীত ল্যগাকর্‌ হো জাতে বদনাম।।
    
  • আজ নিশীথে অভিসার তোমারি পথে প্রিয়তম

    বাণী

    		আজ নিশীথে অভিসার তোমারি পথে প্রিয়তম।
    		বনের পারে নিরালায় দিও হে দেখা নিরুপম।।
    		সুদূর নদীর ধারে নিরালাতে বালুচরে
    		চখার তরে যথা একা চখি কেঁদে মরে
    		সেথা সহসা আসিও গোপন প্রিয় স্বপন সম।।
    		তোমারি আশায় ঘুরি শত গ্রহে শত লোকে,
    (ওগো) 	আমারি বিরহ জাগে বিরহী চাঁদের চোখে,
    		আকুল পাথার নিরাশার পারায়ে এসো প্রাণে মম।।
    
  • আজি আল কোরায়শী প্রিয় নবী এলেন ধরাধাম

    বাণী

    আজি	আল কোরায়শী প্রিয় নবী এলেন ধরাধাম
    তাঁর	কদম মোবারকে লাখো হাজারো সালাম।
    	তওরত ইঞ্জিলে মুসা ঈসা পয়গম্বর
    	বলেছিলেন আগাম যাঁহার আসারি খবর
    	রব্বুলে দায়ের যাঁহার দিয়েছিলেন নাম
    	সেই আহমদ মোর্তজা আজি এলেন আরব ধাম।।
    	আদমেরি পেশানিতে জ‍্যোতি ছিল যাঁর
    	যাঁর গুণে নূহ তরে গেল তুফান পাথার
    	যাঁর নূরে নমরুদের আগুন হলো ফুলহার
    	সেই মোহাম্মদ মুস্তাফা এলেন নিয়ে দীন-ইসলাম।।
    	এলেন কাবার মুক্তিদাতা মসজিদের প্রাণ,
    	শাফায়াতের তরী এলে পাপী তাপীর ত্রাণ
    	দিকে দিকে শুনি খোদার নামের আজান
    	নবীর রূপে এলো খোদার রহমতেরি জাম।।
    
  • আধো রাতে যদি ঘুম ভেঙে যায়

    বাণী

    	আধো রাতে যদি ঘুম ভেঙে যায়, চাঁদ নেহারিয়া প্রিয়
    	মোরে যদি মনে পড়ে, বাতায়ন বন্ধ করিয়া দিও।।
    		সুরের ডুরিতে জপমালা সম
    		তব নাম গাঁথা ছিল প্রিয়তম,
    	দুয়ারে ভিখারি গাহিলে সে গান, তুমি ফিরে না চাহিও।।
    	অভিশাপ দিও, বকুল-কুঞ্জে যদি কুহু গেয়ে ওঠে,
    	চরণে দলিও সেই যুঁই গাছে আর যদি ফুল ফোটে।
    		মোর স্মৃতি আছে যা কিছু যেথায়
    		যেন তাহা চির-তরে মুছে যায়,
    (মোর)	যে ছবি ভাঙিয়া ফেলেছ ধূলায় (তারে) আর তু’লে নাহি নিও।।
    
  • আধো-আধো বোল লাজে-বাধো-বাধো বোল

    বাণী

    আধো আধো বোল্ লাজে-বাধো-বাধো বোল
    				ব’লো কানে কানে।
    যে কথাটি আধো রাতে মনে লাগায় দোল
    				ব’লো কানে কানে।।
    যে কথার কলি সখি আজও ফুটিল না, হায়
    শরমে মরম-পাতে দোলে আন্‌মনা, হায়
    যে কথাটি ঢেকে রাখে বুকের আঁচল
    				ব’লো কানে কানে।।
    যে কথা লুকায়ে থাকে লাজ-নত চোখে
    না বলিতে যে কথাটি জানাজানি লোকে
    যে কথাটি ধ’রে রাখে অধরের কোল
    লুকিয়ে ব’লো নিরালায় থামিলে কলরোল।
    যে কথাটি বলিতে চাও বেশভূষার ছলে
    যে কথা দেয় ব’লে তব তনু পলে পলে
    যে কথাটি বলিতে সই গালে পড়ে টোল্ —
    				ব’লো কানে কানে।।
    

  • আমার মুক্তি নিয়ে কি হবে মা

    বাণী

    আমার	মুক্তি নিয়ে কি হবে মা, (মাগো) আমি তোরেই চাই
    		স্বর্গ আমি চাইনে মাগো, কোল্ যদি তোর পাই॥
    (মাগো)		কি হবে সে মুক্তি নিয়ে,
    			কি হবে সে স্বর্গে গিয়ে;
    		যেথায় গিয়ে তোকে ডাকার আর প্রয়োজন নাই॥
    		যুগে যুগে যে লোকে মা প্রকাশ হবে তোর
    (আমি)	পুত্র হয়ে দেখব লীলা এই বাসনা মোর।
    			তুই, মাখাস্ যদি মাখ্‌ব ধূলি,
    			শুধু তোকে যেন নাহি ভুলি;
    		তুই, মুছিয়ে ধূলি নিবি তুলি বক্ষে দিবি ঠাঁই॥
    
  • আমার যাবার সময় হলো

    বাণী

    আমার যাবার সময় হলো, দাও বিদায়।
    মোছ আঁখি, দুয়ার খোলো, দাও বিদায়।।
    ফোটে যে ফুল আঁধার রাতে
    ঝরে ধূলায় ভোর বেলাতে
    আমায় তারা ডাকে সাথে - আয় রে আয়।
    সজল করুণ নয়ন তোলো, দাও বিদায়।।
    অন্ধকারে এসেছিলাম থাকতে আঁধার যাই চ’লে;
    ক্ষণিক ভালোবেসেছিলেম চিরকালের না-ই হ’লে।
    হ’লো চেনা হ’লো দেখা
    নয়ন-জলে রইলো লেখা
    দূর বিরহের ডাকে কেকা বরষায়
    ফাগুন স্বপন ভোলো ভোলো,দাও বিদায়।।
    
  • আমি ময়নামতীর শাড়ি দেবো

    বাণী

    আমি ময়নামতীর শাড়ি দেবো, চলো আমার বাড়ি
    ওগো ভিনগেরামের নারী
    তোরে সোনাল ফুলের বাজু দেবো চুড়ি বেলোয়ারি।।
    তোরে বৈঁচী ফুলের পৈঁচী দেবো কলমিলতার বালা,
    রক্ত-শালুক দিবো পায়ে, পরবে আলতা তা'রি।।
    হলুদ-চাঁপার বরণ কন্যা এসো আমার নায়
    সরষে ফুলের সোনার রেণু মাখাবো ওই গায়!
    ঠোঁটে দিবো রাঙা পলাশ মহুয়া ফুলের মউ,
    বকুল-ডালে ডাকবে পাখি, 'বউ গো কথা কও!'
    আমি সব দিবো গো, যা পারি আর যা দিতে না পারি।।
    
  • আমি রচিয়াছি নব ব্রজধাম হে মুরারি

    বাণী

    আমি	রচিয়াছি নব ব্রজধাম হে মুরারি
    সেথা	করিবে লীলা এসো গোলক-বিহারী।।
    মোর	কামনার কালীদহ করি মন্থন
    	কালীয় নাগে হরি করিও দমন
    আছে	গিরি-গোরবর্ধন মোর অপরাধ
    যদি	সাধ যায় সেই গিরি ধ'রো গিরিধারী।।
    আছে	ষড় রিপু কংসের অনুচর দল
    আছে	অবিদ্যা পুতনা শোক দাবানল
    আছে	শত জনমের সাধ আশা-ধেনুগণ
    আছে	অসহায় রোদনের যমুনা-বারি
    আছে	জটিলতা কুটিলতা প্রেমের বাধা
    হরি	সব আছে, নাই শুধু আনন্দ-রাধা
    তুমি	আসিলে হরি ব্রজে রাসেশ্বরী
    	আসিবেন হ্লাদিনী রূপে রাধা প্যারী।।
    
  • আমি সূর্যমুখী ফুলের মত দেখি তোমায়

    বাণী

    আমি		সূর্যমুখী ফুলের মত দেখি তোমায় দূরে থেকে
    		দলগুলি মোর রেঙে ওঠে তোমার হাসির কিরণ মেখে’।।
    			নিত্য জানাই পেম-আরতি
    			যে পথে, নাথ, তোমার গতি
    		ওগো আমার ধ্রুব-জ্যোতি সাধ মেটে না তোমায় দেখে’।।
    		জানি, তুমি আমার পাওয়ার বহু দূরে, হে দেবতা!
    		আমি মাটির পূজারিণী, কেমন ক’রে জানাই ব্যথা।
    			সারা জীবন তবু, স্বামী,
    			তোমার ধ্যানেই কাঁদি আমি
    		সন্ধ্যাবেলায় ঝরি যেন তোমার পানে নয়ন রেখে’।।
    

  • আলগা কর গো খোঁপার বাঁধন

    বাণী

    আলগা কর গো খোঁপার বাঁধন দিল ওহি মেরা ফঁস্‌ গয়ি।
    বিনোদ বেণীর জরীন ফিতায় আন্ধা এশ্‌ক্‌ মেরা কস্‌ গয়ি।।
    	তোমার কেশের গন্ধ কখন,
    	লুকায়ে আসিল লোভী আমার মন
    বেহুঁশ হো কর্‌ গির্‌ পড়ি হাথ মে বাজু বন্দ মে বস্‌ গয়ি।।
    	কানের দুলে প্রাণ রাখিলে বিঁধিয়া,
    	আঁখ্‌, ফিরা দিয়া চোরী কর্‌ নিদিয়া,
    দেহের দেউড়িতে বেড়াতে আসিয়া আউর নেহিঁ উয়ো ওয়াপস্‌ গয়ি।।
    
  • আল্লাকে যে পাইতে চায়

    বাণী

    আল্লাকে যে পাইতে চায় হজরতকে ভালবেসে।
    আরশ্‌ কুরসি লওহ কালাম, না চাহিতেই পেয়েছে সে।।
    রসুল নামের রশি ধ’রে যেতে হবে খোদার ঘরে,
    নদী-তরঙ্গে যে পড়েছে ভাই, দরিয়াতে সে আপনি মেশে।।
    তর্ক ক’রে দুঃখ ছাড়া কি পেয়েছিস্‌ অবিশ্বাসী,
    কি পাওয়া যায় দেখ্‌ না বারেক হজরতে মোর ভালবাসি’।
    এই দুনিয়ায় দিবা-রাতি ঈদ্‌ হবে তোর নিত্য সাথী,
    তুই যা চাস্‌ তাই পাবি রে ভাই আহমদ চান যদি হেসে।।
    
  • আল্লাহ্ আমার প্রভু আমার নাহি

    বাণী

    আল্লাহ্ আমার প্রভু, আমার নাহি নাহি ভয়।
    আমার নবী মোহাম্মদ, যাঁহার তারিফ জগৎময়।।
    	আমার কিসের শঙ্কা
    	কোরআন আমার ডঙ্কা
    ইসলাম আমার ধর্ম, মুসলিম আমার পরিচয়।।
    কলেমা আমার তাবিজ, তৌহীদ্ আমার মুর্শিদ্,
    ঈমান্ আমার বর্ম, হেলাল আমার খুর্শিদ্।
    	‘আল্লাহ্ আকবর’ ধ্বনি
    	আমার জেহাদ-বাণী,
    আখের মোকাম ফেরদৌস্ খোদার আরশ যথায় রয়।।
    
  • এত জল ও কাজল চোখে

    বাণী

    এত জল ও কাজল চোখে, পাষানী আনলে বল কে।
    টলমল জল-মোতির মালা দুলিছে ঝালর-পলকে ।।
    দিল কি পূব হাওয়াতে দোল, বুকে কি বিঁধিল কেয়া?
    কাঁদিয়া কুটিলে গগন এলায়ে ঝামর-অলকে।।
    চলিতে পৈঁচি কি হাতের বাঁধিল বৈচি-কাঁটাতে?
    ছাড়াতে কাঁচুলির কাঁটা বিঁধিল হিয়ার ফলকে।।
    [যে দিনে মোর দেওয়া-মালা ছিঁড়িলে আনমনে সখি,
    জড়াল জুই-কুসুমি-হার বেণীতে সেদিন ওলো কে।।
    যে-পথে নীর ভরণে যাও বসে রই সে পথ-পাশে
    দেখি, নিত কার পানে চাহি কলসীর সলিল ছলকে।।]
    মুকুলী-মন সেধে সেধে কেবলি ফিরিনু কেঁদে,
    সরসীর ঢেউ পালায় ছুটি' না ছুঁতেই নলিন-নোলকে ।।
    বুকে তোর সাত সাগরের জল, পিপাসা মিটল না কবি
    ফটিক জল ! জল খুঁজিস যেথায় কেবলি তড়িৎ ঝলকে।। 
    
  • এলো আবার ঈদ ফিরে

    বাণী

    	এলো আবার ঈদ ফিরে এলো আবার ঈদ, চলো ঈদগাহে।
    	যাহার আশায় চোখে মোদের ছিল না রে নিদ, চলো ঈদ্গাহে।।
    	শিয়া সুন্নী, লা-মজহাবী একই জামাতে
    	এই ঈদ মোবারকে মিলিবে এক সাথে,
    	ভাই পাবে ভাইকে বুকে, হাত মিলাবে হাতে;
    আজ	এক আকাশের নীচে মোদের একই সে মসজিদ, চলো ঈদগাহে।।
    	ঈদ এনেছে দুনিয়াতে শিরণী বেহেশ্‌তী,
    	দুশ্‌মনে আজ গলায় ধ'রে পাতাব ভাই দোস্তী,
    	জাকাত দেব ভোগ-বিলাস আজ গোস্‌সা ও বদ্‌মস্তি;
    	প্রাণের তশ্‌তরীতে ভ'রে বিলাব তৌহীদ — চলো ঈদ্গাহে।।
    	আজিকার এই ঈদের খুশি বিলাব সকলে,
    	আজের মত সবার সাথে মিল্‌ব গলে গলে,
    	আজের মত জীবন-পথে চলব দলে দলে
    	প্রীতি দিয়ে বিশ্ব-নিখিল ক'রব রে মুরীদ্ — চলো ঈদগাহে।।
    
  • এলো এলো রে ঐ সুদূর বন্ধু এলো

    বাণী

    এলো এলো রে ঐ সুদূর বন্ধু এলো।
    এলো পথ চাওয়া এলো হারিয়ে পাওয়া
    মনের আঁধার দূরে গেল, ঐ বন্ধু এলো।।
    এলো চঞ্চল বন্যার ঢল মন্থর স্রোত-নীড়ে,
    এলো শ্যামল মেঘ-মায়া তৃষিত গগন ঘিরে;
    তার পলাতকা মৃগে বন ফিরে পেল।।
    এলো পবনে বিহ্‌বল চঞ্চলতা
    যেন শান্ত ভবনে এলো সারা ভুবনের কল-কথা।
    অলি গুঞ্জরি’ কয় জাগো বনবীথি;
    ডাকে দখিনা মলয় — এলো এলো অতিথি;
    বাজে তোরণ দ্বারে বাঁশরি গীতি,
    দুখ নিশি পোহাল, আঁখি মেল।।
    

    নাটিকা: ‌‘বাসন্তিকা’

  • এলো এলো রে বৈশাখী ঝড় এলো এলো রে

    বাণী

    এলো এলো রে বৈশাখী ঝড় এলো এলো রে,
    ঐ বৈশাখী ঝড় এলো এলো মহীয়ান সুন্দর।
    পাংশু মলিন ভীত কাঁপে অম্বর চরাচর থরথর।।
    ঘনবন–কুন্তলা বসুমতী সভয়ে করে প্রণতি,
    সভয়ে নত চরণে ভীতা বসুমতী।
    সাগর তরঙ্গ মাঝে তারি মঞ্জীর যেন বাজে বাজে রে
    পায়ে গিরি–নির্ঝর–ঝরঝর ঝরঝর।।
    ধূলি–গৈরিক নিশান দোলে ঈশান গগন চুম্বী,
    ডম্বরু ঝল্লরী ঝাঁঝর ঝনঝন বাজে
    এলো ছন্দ বন্ধন–হারা এলো রে
    এলো মরু–সঞ্চর বিজয়ী বীরবর।।
    
  • এলো রে এলো ঐ রণ-রঙ্গিণী

    বাণী

    এলো রে এলো ঐ রণ-রঙ্গিণী শ্রীচন্ডী, চন্ডী এলো রে এলো ঐ
    অসুর সংহারিতে বাঁচাতে উৎপীড়িতে
    ধ্বংস করিতে সব বন্ধন বন্দী, শ্রীচন্ডী, চন্ডী, এলো রে এলো ঐ॥
    দনুজ দলনে চামুন্ডা এলো ঐ প্রলয় অগ্নি জ্বালি নাছিছে
    তাথৈ তাথৈ তাতা থৈ থৈ দুর্বলে বলে মা মাভৈঃ মাভৈঃ
    মুক্তি লভিবি সব শৃঙ্খল বন্দী, শ্রীচন্ডী, চন্ডী, এলো রে এলো ঐ॥
    রক্ত-রঞ্জিত অগ্নি শিখায় করালী কোন্ রসনা দেখা যায়।
    পাতাল তলের যত মাতাল দানব পৃথিবীতে এসেছিল হইয়া মানব
    তাদের দন্ড দিতে আসিয়াছে চন্ডীকা সাজিয়া চন্ডী, শ্রীচন্ডী, চন্ডী এলো রে॥