কাহার্‌বা

  • আমিনা-দুলাল নাচে হালিমার কোলে

    বাণী

    আমিনা-দুলাল নাচে হালিমার কোলে
    তালে তালে সোনার বুকে সোনার তাবিজ দোলে।।
    সে কাঁদিলে মুক্তা ঝরে হাসলে ঝরে মানিক
    	ঈদের চাঁদে লেগে আছে সেই খুশির খানিক।
    তাঁর কচি মুখে খোদার কালাম আধো আধো বলে।।
    	দেখেছিল লুকিয়ে সে নাচ কোটি গ্রহতারা
    	আসমানে তাই ঘোরে তারা আজো দিশাহারা
    সেদিন নেচেছিল বিশ্বভুবন ইয়া মোহাম্মদ ব’লে।।
    	কোরানের আয়াতে লেখা সেই নাচেরই ছন্দ
    	তকবীরের ধ্বনিতে বাজে তাহারি আনন্দ
    আমি থাকলে সেদিন হতাম ধূলি তাঁহার পায়ের তলে।।
    

  • আয় গোপিনী খেলবি হোরি ফাগের রাঙা

    বাণী

    আয় গোপিনী খেলবি হোরি ফাগের রাঙা পিচ্‌কারিতে
    আজ শ্যামে লো করব ঘায়েল আবির হাসির টিট্‌কারিতে।।
    রঙে রাঙা হয়ে শ্যাম আজ হবে যেন রাই কিশোরী
    যমুনা জল লাল হবে আজ আবির ফাগের রঙে ভরি
    কপালে কলঙ্ক মোদের ধুয়ে যাবে রঙ ঝারিতে।।
    গুরুজনার গঞ্জনা আজ
    সইব না লো মানব না লাজ
    কূল ভুলে গোকুল পানে ভেসে যাব রাঙা গীতে।।
    
  • আয় ঘুম আয় ঘুম আয় মোর গোপাল ঘুমায়

    বাণী

    আয় ঘুম আয় ঘুম আয় মোর গোপাল ঘুমায়
    বহু রাত্রি হল আর জাগাসনে মায়।।
    কোলে লয়ে তোরে ধীরে ধীরে দোলাবো
    ঘুম-পাড়ানিয়া গান তোরে শোনাবো
    গায়ে হাত বুলাবো পাঙ্খা ঢুলাবো
    মন ভুলাবো কত রূপকথায়।।
    তোরে	কে বলে চঞ্চল একচোখো সে
    মোর	শান্ত গোপাল থাকে গোষ্ঠে ব’সে
    তোরে	কে বলে ঝড় তোলে থির যমুনায়
    সে যেদিন রাত ঘোরে তার মা’র পায় পায়।।
    
  • আয় নেচে নেচে আয় রে বুকে দুলালী মোর

    বাণী

    আয় নেচে নেচে আয় রে বুকে দুলালীমোর কালো মেয়ে
    দগ্ধ দিনেরবুকে যেমন আসে শীতল আঁধার ছেয়ে।।
    	আমার হৃদয়-আঙিনাতে
    	খেলবি মা তুই দিনে রাতে
    মোর সকল দেহ নয়ন হয়ে দেখবে মা তাই চেয়ে চেয়ে।।
    হাত ধরে মোর নিয়ে যাবি তোর খেলাঘর দেখবি মা
    এইটুকু তুই মেয়ে আমার কেমন করে হ’স অসীমা।
    	লুটে নিবি চতুর্ভূজা
    	আমার স্নেহ প্রেম-পূজা
    (মা) নাম ধরে তোর ডাকব মা যেই যেথায় থাকিস আসবি ধেয়ে।।
    
  • আয় বনফুল ডাকিছে মলয়

    বাণী

    আয় বনফুল ডাকিছে মলয়
    এলোমেলো হাওয়ায় নূপুর বাজায় , কচি কিশলয়।।
    তোমরা এলে না ব'লে - ভোমরা কাদেঁ
    অভিমানে মেঘ ঢাকিল চাদেঁ
    'ভুল বঁধু ভুল' টুলটুলে মৌটুসি বুলবুলে কয়।।
    কুহু যামিনীর তিমির টুটে
    মুহু মুহু কুহু কুহরি ওঠে।
    হে বন-কলি, গুণ্ঠন খোলো
    হে মৃদুলজি্জিতা, লজ্জা ভোলো,
    কোথা তার দুল দোলে নটিনী তটিনী খুজেঁ বনময়।।
    
  • আয় সবে ভাই বোন

    বাণী

    আয় সবে ভাই বোন
    আয় সবে আয় শোন্ 
    	পদধূলি শিরে লয়ে মা’র।
    মা’র বড় কেহ নাই
    কেহ নাই, কেহ নাই,
    	নত করি’ বল সবে — ‘মা আমার! মা আমার!’
    

    রেকর্ড-নাটিকাঃ ‘মাতৃস্তোত্র’

  • আর্শিতে তোর নিজের রূপই দেখিস

    বাণী

    আর্শিতে তোর নিজের রূপই দেখিস চেয়ে' চেয়ে'
    আমায় চেয়ে দেখিস না তাই রূপ-গরবী মেয়ে।
    		ওলো রূপ-গরবী মেয়ে।।
    	নাইতে গিয়ে নদীর জলে
    	দেরি করিস নানান ছলে
    ওরে	ভাবিস তোরে দেখতে কখন আসবে জোয়ার ধেয়ে।।
    	চাদেঁর সাথে মিলিয়ে দেখিস চাঁদপানা মুখ তোর
    	ভাবিস তুই-ই আসল শশী চাঁদ যেন চকোর
    		ওলো চাঁদ যেন চকোর।
    	বনের পথে আনমনে
    	দাঁড়িয়ে থাকিস অকারণে
    ওরে	ভাবিস তোরে দেখেই বুঝি বিহগ ওঠে গেয়ে'।
    

  • আলগা কর গো খোঁপার বাঁধন

    বাণী

    আলগা কর গো খোঁপার বাঁধন দিল ওহি মেরা ফঁস্‌ গয়ি।
    বিনোদ বেণীর জরীন ফিতায় আন্ধা এশ্‌ক্‌ মেরা কস্‌ গয়ি।।
    	তোমার কেশের গন্ধ কখন,
    	লুকায়ে আসিল লোভী আমার মন
    বেহুঁশ হো কর্‌ গির্‌ পড়ি হাথ মে বাজু বন্দ মে বস্‌ গয়ি।।
    	কানের দুলে প্রাণ রাখিলে বিঁধিয়া,
    	আঁখ্‌, ফিরা দিয়া চোরী কর্‌ নিদিয়া,
    দেহের দেউড়িতে বেড়াতে আসিয়া আউর নেহিঁ উয়ো ওয়াপস্‌ গয়ি।।
    
  • আল্লা ব’লে কাঁদ বারেক্ রসুল ব’লে কাঁদ্

    বাণী

    	আল্লা ব’লে কাঁদ বারেক্ রসুল ব’লে কাঁদ্।
    	সাফ্ হবে তোর মনের আকাশ উঠবে ঈদের চাঁদ।।
    	ভোগে কেবল দুর্ভোগ সার, বাড়ে দুখের বোঝা
    	ত্যাগ শিখ্ তুই সংযম শিখ, সেই তো আসল রোজা,
    এই	রোজার শেষে ঈদ আস্‌বে, রইবে না বিষাদ।।
    	আস্‌বে খোদার দরগা থেকে শিরনি তোর তরে
    	কমলিওয়ালা নবীর দেখা পাবি রে অন্তরে,
    	খোদার প্রেমের স্রোত বইবে ভেঙ্গে মনের বাঁধ।।
    	তোর হৃদয়ের কারবালাতে বইবে ফোরাত নদী
    	শহীদের দর্‌জা তোরে দেবেন আল্লা হাদী,
    	দুনিয়াদারি ক’রেই পাবি বেহেশ্‌তেরি স্বাদ।।
    
  • আল্লাকে যে পাইতে চায়

    বাণী

    আল্লাকে যে পাইতে চায় হজরতকে ভালবেসে।
    আরশ্‌ কুরসি লওহ কালাম, না চাহিতেই পেয়েছে সে।।
    রসুল নামের রশি ধ’রে যেতে হবে খোদার ঘরে,
    নদী-তরঙ্গে যে পড়েছে ভাই, দরিয়াতে সে আপনি মেশে।।
    তর্ক ক’রে দুঃখ ছাড়া কি পেয়েছিস্‌ অবিশ্বাসী,
    কি পাওয়া যায় দেখ্‌ না বারেক হজরতে মোর ভালবাসি’।
    এই দুনিয়ায় দিবা-রাতি ঈদ্‌ হবে তোর নিত্য সাথী,
    তুই যা চাস্‌ তাই পাবি রে ভাই আহমদ চান যদি হেসে।।
    
  • আল্লাজী আল্লাজী রহম কর তুমি যে রহমান

    বাণী

    আল্লাজী আল্লাজী রহম কর তুমি যে রহমান
    দুনিয়াদারির ফাঁদে পড়ে কাঁদে আমার প্রাণ।।
    	পাই না সময় ডাকতে তোমায়
    	বৃথা কাজে দিন বয়ে যায়
    চলতে নারি মেনে আমার নবীর ফরমান।।
    দুনিয়াদারির চিন্তা এসে মনকে ভোলায় সদা
    তাইতো মনে তোমায় স্মরণ করতে নারি খোদা।
    	দাও অবসর তুমি ডাকার
    	এই বেদনা সহে না আর
    সংসারে এই দোজখ হতে করো মোরে ত্রাণ।।
    
  • আল্লাজী গো আমি বুঝি না রে তোমার খেলা

    বাণী

    আল্লাজী গো, আমি বুঝি না রে তোমার খেলা।
    তাই দুঃখ পেলে ভাবি — বুঝি হানিলে হেলা।। 
    কুমার যখন হাঁড়ি গড়ে, কাঁদে মাটি —
    ভাবে, কেন পোড়ায় আমায় চড়িয়ে ভাটি;
    ফুলদানি হয় পোড় খেয়ে সেই মাটির ঢেলা।। 
    মা শিশুরে ধোয়ায় মোছায়, শিশু ভাবে —
    ছাড়া পেলে, মা ফেলে সে পালিয়ে যাবে।
    মোরা, দোষ করে তাই দুষি তোমায় সারা বেলা।।
    আমরা তোমার বান্দা, খোদা তুমি জানো —
    কেন হাসাও, কেন কাঁদাও, আঘাত হানো।
    যে গড়তে জানে তাঁরই সাজে ভেঙে ফেলা।।
    
  • আল্লার নাম জপিও ভাই দিবসে ও রেতে

    বাণী

    		আল্লার নাম জপিও ভাই দিবসে ও রেতে
    		সকল কাজের মাঝে রে ভাই তাঁহার রহম পেতে
    কোরাস:   	আল্লাহ, আল্লাহ, আল্লাহ, আল্লাহ্, আল্লাহ্ ।।
    		হাত করবে কাজ রে ভাই মন জপবে নাম
    	ঐ	নাম জপতে লাগে না ভাই টাকা কড়ি দাম,
    		নাম জপো ভাই মাঠে ঘাটে হাটের পথে যেতে।
    কোরাস:	আল্লাহ, আল্লাহ, আল্লাহ, আল্লাহ্, আল্লাহ্ ।।
    	ঐ	আল্লার নাম যদি রে ভাই তুমি থাকো ধ’রে
    	ঐ	নামও তোমায় থাকবে ধ’রে দুঃখ বিপদ ঝড়ে,
    	ঐ	নামেরে সঙ্গী করো নাইতে শুতে খেতে।
    কোরাস:	আল্লাহ, আল্লাহ, আল্লাহ, আল্লাহ্, আল্লাহ্ ।।
    		তোমার দেহ মন হবে রে ভাই নূরেতে রওশন
    		মাতোয়ারা হও যিকির করো খোদার প্রেমে মেতে।
    কোরাস:	আল্লাহ, আল্লাহ, আল্লাহ, আল্লাহ্, আল্লাহ্ ।।
    
  • আল্লার নাম মুখে যাহার বুকে আল্লার নাম

    বাণী

    আল্লার নাম মুখে যাহার বুকে আল্লার নাম।
    এই দুনিয়াতেই পেয়েছে সে বেহেশ্‌তের আরাম।।
    সে সংসারকে ভয় করে না নাই মৃত্যুর ডর
    দুনিয়াকে শোনায় শুধু আনন্দেরি খবর
    দিবানিশি পান করে সে কওসরেরি জাম —
    		পান করে কওসরেরি জাম।।
    

    ইসলামী নক্সা : ‘আল্লার রহম’

  • আল্লার নাম লইয়া বান্দা রোজ ফজরে উঠিও

    বাণী

    আল্লার নাম লইয়া বান্দা রোজ ফজরে উঠিও
    আল্লা নামের আহলাদে ভাই ফুলের মতন ফুটিও।।
    কাজে তোমার যাইয়ো বান্দা আল্লারি নাম লইয়া
    ঐ নামের গুণে কাজের ভার যাইবে হাল্কা হইয়া।
    শুনলে আজান কাজ ফেলিয়া মসজিদে শির লুটিও।।
    আল্লার নাম লইয়া রে ভাই কইরো খানাপিনা
    হাটে মাঠে যাইয়ো না ভাই আল্লারই নাম বিনা।
    ওয়াজ নসিহত হইলে মজলিসে আইসা জুটিও।।
    স্ত্রী পুত্র কন্যা তোমার খোদায় সঁপে দিও
    আল্লার নাম জিকির কইরা নিশীথে ঘুমিও।
    এই নাম শুইনা জন্মেছ ভাই এই নাম লইয়া মরিয়ো।।
    
  • আল্লাহ রসুল বোল রে মন আল্লাহ রসুল বোল

    বাণী

    		আল্লাহ রসুল বোল রে মন আল্লাহ রসুল বোল।
    		দিনে দিনে দিন গেল তোর দুনিয়াদারি ভোল।।
    রোজ		কেয়ামতের নিয়ামত এই আল্লাহ-রসুল বাণী
    তোর		আখেরের ভুখের খোরাক পিয়াসের ঐ পানি
    তোর		দিল দরিয়ায় আল্লাহ-রসুল জপের লহর তোল।।
    তোর		স্ত্রী-পুত্র ভাই-বেরাদর কেউ হবে না সাথি
       		আঁধার গোরে রইবি প’ড়ে জ্বালবে না কেউ বাতি।
    যে		নামে হেসে পার হবি তুই পুল-সেরাতের পোল।।
    (ওরে)		হাড়-ভাঙা খাটুনি খেটে ঘুরে ঘুরে পথে
    		আনিস যা তুই লাগবে না তা তোর কাজে আকবতে।
    যে		যে নাম জ’পে পাবি রে তুই মোস্তফারই কোল।।
    
  • আল্লাহ্ আমার প্রভু আমার নাহি

    বাণী

    আল্লাহ্ আমার প্রভু, আমার নাহি নাহি ভয়।
    আমার নবী মোহাম্মদ, যাঁহার তারিফ জগৎময়।।
    	আমার কিসের শঙ্কা
    	কোরআন আমার ডঙ্কা
    ইসলাম আমার ধর্ম, মুসলিম আমার পরিচয়।।
    কলেমা আমার তাবিজ, তৌহীদ্ আমার মুর্শিদ্,
    ঈমান্ আমার বর্ম, হেলাল আমার খুর্শিদ্।
    	‘আল্লাহ্ আকবর’ ধ্বনি
    	আমার জেহাদ-বাণী,
    আখের মোকাম ফেরদৌস্ খোদার আরশ যথায় রয়।।
    
  • আল্লাহ্‌ রসুল জপের গুণে

    বাণী

    	আল্লাহ্‌ রসুল জপের গুণে কি হ'ল দেখ চেয়ে —
    সদা	ঈদের দিনের খুশিতে তোর পরাণ আছে ছেয়ে।।
    		আল্লাহ্‌র রহমত ঝরে
    		ঘরে বাইরে তোর উপরে,
    	আল্লাহ্‌ রসুল হয়েছেন তোর জীবন-তরীর নেয়ে।।
    	দুখে সুখে সমান খুশি নাই ভাবনা ভয়,
    তুই	দুনিয়াদারী করিস তবু আল্লাহ্‌তে মন রয়।
    		মরণকে আর ভয় নাই তোর,
    		খোদার প্রেমে পরাণ বিভোর,
    	তিনি দেখেন তোর সংসার, তোরই ছেলেমেয়ে।।
    
  • আসিছেন হাবিব-এ খোদা

    বাণী

    আসিছেন হাবিব-এ খোদা আরশ্‌পাকে তাই উঠেছে শোর,
    চাঁদ পিয়াসে ছুটে আসে আকাশ পানে যেমন চকোর।
    কোকিল যেমন গেয়ে ওঠে ফাগুন আসার আভাস পেয়ে,
    তেমনি ক’রে হরষিত ফেরেশ্‌তা সব উঠলো গেয়ে:
    দেখ আজ আরশে আসেন মোদের নবী কম্‌লিওয়ালা।
    হের সেই খুশিতে চাঁদ-সুরুজ আজ হ’ল দ্বিগুণ আলা।।
    ফকির দরবেশ্‌আউলিয়া যাঁরে, ধ্যানে জ্ঞানে ধ’রতে নারে,
    যাঁর মহিমা বুঝিতে পারে এক সে আল্লাহ তালা।।
    বারেক মুখে নিলে যাঁহার নাম, চিরতরে হয় দোজখ্‌হারাম,
    পাপীর তরে দস্তে যাঁহার কওসরের পিয়ালা।।
    ‘মিম্‌’ হরফ না থাকলে সে আহাদ, নামে মাখা তার শিরিন শাহাদ্,
    নিখিল প্রেমাষ্পদ আমার মোহাম্মদ ত্রিভুবন উজালা।।
    
  • আসিয়া কাছে গেলে ফিরে

    বাণী

    আসিয়া কাছে গেলে ফিরে
    কেন আসিয়া কাছে গেলে ফিরে।।
    	মুখের হাসি সহসা কেন
    	নিভে গেল আঁখি নীরে
    ফুটিতে গিয়া কোন কথার মুকুল
    	ঝরে গেল অধরের তীরে।।
    ঝড় উঠিয়াছে বাহির ভুবনে আঁধার নামে বন ঘিরে
    যে কথা বলিলে না-ব'লে যাও বিদায়-সন্ধ্যা তিমিরে।।