কাহার্‌বা

  • এ কোন মধুর শরাব দিলে

    বাণী

    এ কোন্‌ মধুর শরাব দিলে আল আরাবি সাকি,
    নেশায় হলাম দিওয়ানা যে রঙিন হল আঁখি।।
    	তৌহিদের শিরাজি নিয়ে
    	ডাকলে সবায় যারে পিয়ে,
    নিখিল জগৎ ছুটে এলো রইল না কেউ বাকি।।
    বসলো তোমার মহ্‌ফিল দূর মক্কা মদিনাতে,
    আল্‌-কোরানের গাইলে গজল শবে কদর রাতে।
    	নরনারী বাদশা ফকির
    	তোমার রূপে হয়ে অধীর
    যা ছিল নজ্‌রানা দিল রাঙা পায়ে রাখি’।
    
  • এ জনমে মোদের মিলন হবে না

    বাণী

    এ জনমে মোদের মিলন হবে না আর, জানি জানি।
    মাঝে সাগর, এপার ওপার করি মোরা কানাকানি।।
    	দুজনে দুকূলে থাকি’
    	কাঁদি মোরা চখা-চখি,
    বিরহের রাত পোহায় না আর বুকে শুকায় বুকের বাণী।।
    	মোদের পূজা আরতি হায়
    	চোখের জলে, গহন ব্যথায়,
    মোদের বুকে বাজায় বীণা বেদনারি বীণাপাণি।।
    	হেথায় মিলন-রাতের মালা
    	ম্লান হয়ে যায় প্রভাত বেলা,
    সকালে যার তরে কাঁদি, বিকালে তায় হেলাফেলা।
    	মোদের এ প্রেম-ফুল না শুকায়
    	নিঠুর হাতে কঠোর ছোঁওয়ায়,
    ব্যথার মাঝে চির-অমর মোদের মিলন-কুসুমদানি।।
    
  • এ দেবদাসীর পূজা লহ হে ঠাকুর

    বাণী

    এ দেবদাসীর পূজা লহ হে ঠাকুর।
    দয়া কর, কথা কও, হ’য়ো না নিঠুর।।
    লহ মান অভিমান, দেহ প্রাণ মন
    মম প্রেম-ধূপ নাও রূপচন্দন,
    এই লহ আভরণ, চুড়ি-কঙ্কন –
    চোখের দৃষ্টি নাও কণ্ঠের সুর।।
    আজ, শেষ ক’রে আপনারে দিব তব পায়,
    চাও চাও মোর কাছে যাহা সাধ যায়।
    কহিবে না কথা কি গো তুমি কিছুতেই?
    আরতির থালা তবে ফেলে দিনু এই,
    নাচিব না, বাজুক না মৃদঙ্গ তাল –
    খুলিয়া রাখিনু এই পায়ের নূপুর।।
    
  • এ নহে বিলাস বন্ধু ফুটেছি জলে কমল

    বাণী

    এ নহে বিলাস বন্ধু ফুটেছি জলে কমল
    এ যে ব্যথা রাঙা হৃদয় আঁখি জলে টলমল।।
    কমল মৃণাল দেহ ভরেছে কন্টক ঘায়
    শরণ লয়েছি গো তাই শীতল দীঘির জল।।
    ডুবেছি আজ কালো জলে কত যে জ্বালা স'য়ে
    শত ব্যথা ক্ষত লয়ে হইয়াছি শতদল।।
    কবি রে কোন ক্ষত মুখে ফোটে যে তোর গীত সুর
    সে ক্ষত দেখিল না কেউ দেখিল তোরে কেবল
    সে গীতি দেখিল না কেউ শুনিল গীতি কেবল।।
    
  • এই সুন্দর ফুল সুন্দর ফল মিঠা নদীর পানি

    বাণী

    এই সুন্দর ফুল সুন্দর ফল মিঠা নদীর পানি
    		খোদা তোমার মেহেরবানী।
    শস্য-শ্যামল ফসল-ভরা মাঠের ডালিখানি
    		খোদা তোমার মেহেরবানী।।
    	তুমি কতই দিলে রতন
    	ভাই বেরাদর পুত্র স্বজন
    ক্ষুধা পেলেই অন্ন জোগাও মানি চাই না মানি।।
    খোদা তোমার হুকুম তরক করি আমি প্রতি পায়
    তবু আলো দিয়ে বাতাস দিয়ে বাঁচাও এ বান্দায়।
    	শ্রেষ্ঠ নবী দিলে মোরে
    	তরিয়ে নিতে রোজ-হাশরে
    পথ না ভুলি তাইতো দিলে পাক কোরানের বাণী।।
    

  • এত জল ও কাজল চোখে

    বাণী

    এত জল ও কাজল চোখে, পাষানী আনলে বল কে।
    টলমল জল-মোতির মালা দুলিছে ঝালর-পলকে ।।
    দিল কি পূব হাওয়াতে দোল, বুকে কি বিঁধিল কেয়া?
    কাঁদিয়া কুটিলে গগন এলায়ে ঝামর-অলকে।।
    চলিতে পৈঁচি কি হাতের বাঁধিল বৈচি-কাঁটাতে?
    ছাড়াতে কাঁচুলির কাঁটা বিঁধিল হিয়ার ফলকে।।
    [যে দিনে মোর দেওয়া-মালা ছিঁড়িলে আনমনে সখি,
    জড়াল জুই-কুসুমি-হার বেণীতে সেদিন ওলো কে।।
    যে-পথে নীর ভরণে যাও বসে রই সে পথ-পাশে
    দেখি, নিত কার পানে চাহি কলসীর সলিল ছলকে।।]
    মুকুলী-মন সেধে সেধে কেবলি ফিরিনু কেঁদে,
    সরসীর ঢেউ পালায় ছুটি' না ছুঁতেই নলিন-নোলকে ।।
    বুকে তোর সাত সাগরের জল, পিপাসা মিটল না কবি
    ফটিক জল ! জল খুঁজিস যেথায় কেবলি তড়িৎ ঝলকে।। 
    
  • এলে তুমি কে কে ওগো

    বাণী

    পুরুষ	:	এলে তুমি কে, কে ওগো
    		তরুণা অরুণা করুণা সল চোখে।
    স্ত্রী	:	আমি তব মনের বনের পথে
    		ঝিরি ঝিরি গিরি-নির্ঝরিণী
    		আমি যৌবন-উন্মনা হরিণী মানসলোকে।।
    পুরুষ	:	ভেসে যাওয়া মেঘের সজল ছায়া
    		ক্ষণিক মায়া তুমি প্রিয়া
    		স্বপনে আসি' বাজায়ে বাঁশি স্বপনে যাও মিশাইয়া।
    স্ত্রী	:	বাহুর বাঁধনে দিই না ধরা —
    		আমি স্বপন-স্বয়ম্বরা
    		সঙ্গীতে জাগাই ইঙ্গিতে ফোটাই
    		তোমার প্রেমের যুঁই-কোরকে।
    পুরুষ	:	আধেক প্রকাশ 
    স্ত্রী	:	আধেক গোপন
    পুরুষ	:	আধো জাগরণ 
    স্ত্রী	:	আধেক স্বপন
    উভয়ে	:	খেলিব খেলা ছায়া-আলোকে।।
    
  • এলো রমজানেরি চাঁদ এবার দুনিয়াদারি ভোল

    বাণী

    এলো রমজানেরি চাঁদ এবার দুনিয়াদারি ভোল
    সারা বরষ ছিলি গাফেল এবার আঁখি খোল।।
    	এই একমাস রোজা রেখে
    	পরহেজ থাক গুনাহ থেকে
    কিয়ামতের নিয়ামত তোর ঝুলি ভরে তোল।।
    বন্দী রহে এই মাসে শয়তান মালাউন
    (তার) এই মাসে যা করবি সওয়াব দর্জা হাজার গুণ।
    	ভোগ বিলাসে মাখলি যে পাঁক
    	রমজানে তা হবে রে সাফ
    এফতারে তোর কর রে সামান আল্লা রসুল বোল।।
    
  • এলো আবার ঈদ ফিরে

    বাণী

    	এলো আবার ঈদ ফিরে এলো আবার ঈদ, চলো ঈদগাহে।
    	যাহার আশায় চোখে মোদের ছিল না রে নিদ, চলো ঈদ্গাহে।।
    	শিয়া সুন্নী, লা-মজহাবী একই জামাতে
    	এই ঈদ মোবারকে মিলিবে এক সাথে,
    	ভাই পাবে ভাইকে বুকে, হাত মিলাবে হাতে;
    আজ	এক আকাশের নীচে মোদের একই সে মসজিদ, চলো ঈদগাহে।।
    	ঈদ এনেছে দুনিয়াতে শিরণী বেহেশ্‌তী,
    	দুশ্‌মনে আজ গলায় ধ'রে পাতাব ভাই দোস্তী,
    	জাকাত দেব ভোগ-বিলাস আজ গোস্‌সা ও বদ্‌মস্তি;
    	প্রাণের তশ্‌তরীতে ভ'রে বিলাব তৌহীদ — চলো ঈদ্গাহে।।
    	আজিকার এই ঈদের খুশি বিলাব সকলে,
    	আজের মত সবার সাথে মিল্‌ব গলে গলে,
    	আজের মত জীবন-পথে চলব দলে দলে
    	প্রীতি দিয়ে বিশ্ব-নিখিল ক'রব রে মুরীদ্ — চলো ঈদগাহে।।
    
  • এলো এলো রে ঐ সুদূর বন্ধু এলো

    বাণী

    এলো এলো রে ঐ সুদূর বন্ধু এলো।
    এলো পথ চাওয়া এলো হারিয়ে পাওয়া
    মনের আঁধার দূরে গেল, ঐ বন্ধু এলো।।
    এলো চঞ্চল বন্যার ঢল মন্থর স্রোত-নীড়ে,
    এলো শ্যামল মেঘ-মায়া তৃষিত গগন ঘিরে;
    তার পলাতকা মৃগে বন ফিরে পেল।।
    এলো পবনে বিহ্‌বল চঞ্চলতা
    যেন শান্ত ভবনে এলো সারা ভুবনের কল-কথা।
    অলি গুঞ্জরি’ কয় জাগো বনবীথি;
    ডাকে দখিনা মলয় — এলো এলো অতিথি;
    বাজে তোরণ দ্বারে বাঁশরি গীতি,
    দুখ নিশি পোহাল, আঁখি মেল।।
    

    নাটিকা: ‌‘বাসন্তিকা’

  • এলো এলো রে বৈশাখী ঝড় এলো এলো রে

    বাণী

    এলো এলো রে বৈশাখী ঝড় এলো এলো রে,
    ঐ বৈশাখী ঝড় এলো এলো মহীয়ান সুন্দর।
    পাংশু মলিন ভীত কাঁপে অম্বর চরাচর থরথর।।
    ঘনবন–কুন্তলা বসুমতী সভয়ে করে প্রণতি,
    সভয়ে নত চরণে ভীতা বসুমতী।
    সাগর তরঙ্গ মাঝে তারি মঞ্জীর যেন বাজে বাজে রে
    পায়ে গিরি–নির্ঝর–ঝরঝর ঝরঝর।।
    ধূলি–গৈরিক নিশান দোলে ঈশান গগন চুম্বী,
    ডম্বরু ঝল্লরী ঝাঁঝর ঝনঝন বাজে
    এলো ছন্দ বন্ধন–হারা এলো রে
    এলো মরু–সঞ্চর বিজয়ী বীরবর।।
    
  • এলো এলো শবেরাত তোরা জ্বাল্ রে বাতি

    বাণী

    এলো এলো শবেরাত তোরা জ্বাল্ রে বাতি।
    হোক রওশন মুসলিম-জাহানের অন্ধকার রাতি।।
    আজ ফিরদৌসের হুর-পরীরা আলোতে রাঙে
    চাঁদ সেতারার প্রদীপ ভাসায় আস্‌মানি গাঙে,
    ফেরেশ্‌তা সব হয়েছে আজ মোদের সাথি।।
    আজ জ্বাল্‌রে বাতি প্রিয়জনের আঁধার গোরে
    আজ বরষ পরে লুকিয়ে তারা এসেছে ঘরে,
    রাখ্‌ তাদের তরে অশ্রু-ভেজা হৃদয় পাতি।।
    
  • এলো ঐ বনান্তে পাগল বসন্ত

    বাণী

    এলোঐ বনান্তে পাগল বসন্ত
    বনে বনে মনে মনে রং সে ছড়ায় রেচঞ্চল তরুণ দুরন্ত।।
    		বাঁশীতে বাজায় সে বিধুর
    		পরজ বসন্তের সুর
    পান্ডু কপোলে জাগে রঙ নব অনুরাগে রাঙা হ’ল ধূসর দিগন্ত।।
    		কিশলয়ে পর্ণে অশান্ত
    		ওড়ে তার অঞ্চল প্রান্ত
    পলাশ কলিতে তার ফুল ধনু লঘু ভার ফুলে ফুলে হাসি অফুরন্ত।।
    		এলোমেলো দখিনা মলয় রে
    		প্রলাপ বকিছে বনময় রে
    অকারণ মন-মাঝে বিরহের বেণু বাজে জেগে ওঠে বেদনা ঘুমন্ত।।
    
  • এলো ঐ শারদ রাতি

    বাণী

    এলো ঐ শারদ রাতি!
    শেফালি-সুগন্ধে ভরিয়া পবনে, জ্বালায়ে চাঁদের বাতি।।
    বরষার জলধারা ত্যাজিল সে-খরবেগ
    ঝরঝর ঝরণে রিক্ত হইল মেঘ,
    শ্বেত-হংস খেলে, সারঙ্ সুরে মাতি’।।
    আবরণ-হীনা মেঘ ভেসে যায় বাতাসে
    কাহার আগমনী প্রকাশে আভাসে,
    কদম্ব রেণু মাখি’, এসো প্রিয় সাথি।।
    
  • এলো রে এলো ঐ রণ-রঙ্গিণী

    বাণী

    এলো রে এলো ঐ রণ-রঙ্গিণী শ্রীচন্ডী, চন্ডী এলো রে এলো ঐ
    অসুর সংহারিতে বাঁচাতে উৎপীড়িতে
    ধ্বংস করিতে সব বন্ধন বন্দী, শ্রীচন্ডী, চন্ডী, এলো রে এলো ঐ॥
    দনুজ দলনে চামুন্ডা এলো ঐ প্রলয় অগ্নি জ্বালি নাছিছে
    তাথৈ তাথৈ তাতা থৈ থৈ দুর্বলে বলে মা মাভৈঃ মাভৈঃ
    মুক্তি লভিবি সব শৃঙ্খল বন্দী, শ্রীচন্ডী, চন্ডী, এলো রে এলো ঐ॥
    রক্ত-রঞ্জিত অগ্নি শিখায় করালী কোন্ রসনা দেখা যায়।
    পাতাল তলের যত মাতাল দানব পৃথিবীতে এসেছিল হইয়া মানব
    তাদের দন্ড দিতে আসিয়াছে চন্ডীকা সাজিয়া চন্ডী, শ্রীচন্ডী, চন্ডী এলো রে॥
    
  • এলো রে শ্রী দুর্গা

    বাণী

    এলো রে শ্রী দুর্গা
    শ্রী আদ্যাশক্তি মাতৃরূপে পৃথিবীতে এলো রে
    গভীর স্নেহরস ধারায় কল্যাণ কৃপা করুণায় স্নিগ্ধ করিতে॥
    উর্ধ্বে উড়ে যায় শান্তির পতাকা
    শুভ্র শান্ত মেঘ আনন্দ বলাকা
    মমতার অমৃত লয়ে শ্যামা, মা হয়ে এলো রে
    সকলের দুঃখ দৈন্য হরিতে॥
    প্রতি হৃদয়ের শতদলে শ্রীচরণ ফেলে
    বন্ধন কারার দুয়ার ঠেলে।
    এলো রে দশভুজা সর্বমঙ্গলা মা হয়ে
    দুর্বলে দুর্জয় করিতে নিরন্নে অন্ন দিতে॥
    
  • এলো শিবানী-উমা এলো

    বাণী

    এলো শিবানী-উমা এলো এলোকেশে।
    এলো রে মহামায়া দনুজদলনী বেশে।।
    এলো আনন্দিনী গিরি-নন্দিনী
    রবে না কেহ আর বন্দী-বন্দিনী,
    শক্তি প্রবাহ বহিল মৃতদেশে।।
    এলো রে বরাভয়া ভয় হরিতে,
    শ্মশান কঙ্কালে বজ্র গড়িতে।
    এলো মা অন্নদা, আয় রে ভিখারি
    বর চেয়ে নে যার যে অধিকারী
    মুক্তি বন্যায় ভারত যাক্ ভেসে।।
    
  • এলো শোকের সেই মোহর্‌রম কারবালার

    বাণী

    এলো শোকের সেই মোহর্‌রম কারবালার স্মৃতি ল’য়ে।
    কাঁদিছে বিশ্বের মুসলিম সেই ব্যথায় বেতাব হয়ে।।
    মনে পড়ে আসগরে আজি পিয়াসা দুধের বাচ্চায়
    পানি চাহিয়া পেল শাহাদৎ হোসেনের বুকে র’য়ে।।
    একহাতে বিবাহের কাঙন একহাতে কাশেমের লাশ,
    বেহোঁশ্ খিমাতে সকিনা অসহ বেদনা স’য়ে।।
    পাশে শহীদ কাঁদে বীর জব্বার পানির মশক মুখে
    হল শহীদ কাঁদে জয়নব কুলসুম আকুল হয়ে।।
    শূন্য পিঠে কাঁদে দুলদুল্ হজরত হোসেন শহীদ্,
    ঝরিতেছে শোকের বারিষ্ আসমান জমিন ছেয়ে।।
    
  • এলো শ্যামল কিশোর তমাল-ডালে

    বাণী

    এলো শ্যামল কিশোর তমাল-ডালে বাঁধে ঝুলনা।
    সুনীল শাড়ি পরো ব্রজনারী পরো নব নীপ-মালা অতুলনা।।
    	ডাগর চোখে কাজল দিও,
    	আকাশী রং প'রো উত্তরীয়,
    নব-ঘন-শ্যামের বসিয়া বামে দুলে দুলে ব'রলা, 'বঁধু, ভুলো না'।।
    	নৃত্য-মুখর আজি মেঘলা দুপুর,
    	বৃষ্ট্রির নূপুর বাজে টুপুর টুপুর।
    	বাদল-মেঘের তালে বাজিছে বেণু,
    	পান্ডুর হ'ল শ্যাম মাখি' কেয়া-রেণু,
    বাহুতে দোলনায় বাঁধিবে শ্যামরায় ব'লো, 'হে শ্যাম, এ বাঁধন খুলো না'।।
    
  • এসো এসো পাহাড়ি ঝর্ণা মেঘ সজল

    বাণী

    এসো এসো পাহাড়ি ঝর্ণা মেঘ সজল কাজল বর্ণা
    এসো জল ছিটিয়ে ফুল ফুটিয়ে এসো।।
    উপল নুড়িতে কাঁকন চুড়িতে
    রিনি ঠিনি ছন্দে বন্য আনন্দে এসো
    এসো ছলছল ঝলমল আঁচল লুটিয়ে এসো।।
    তৃষ্ণায় ডাকে কূলে কূলে হরিণী
    আনো কৃষ্ণার জল নির্ঝরিণী।
    ফুলবনে ভ্রমর দল জুটিয়ে এসো।।
    এসো তপ্ত ধরার বক্ষে, শান্তি ধারা আনো চক্ষে
    শীতল হোক খরতর বায়ু, নির্জীব প্রান্তরে আনো পরমায়ু
    এসো পাষাণ-কারারঘুম টুটিয়ে এসো।।
    

    নাটকঃ‘মদিনা’