কাহার্‌বা

  • আল্লাহ্‌ রসুল জপের গুণে

    বাণী

    	আল্লাহ্‌ রসুল জপের গুণে কি হ'ল দেখ চেয়ে —
    সদা	ঈদের দিনের খুশিতে তোর পরাণ আছে ছেয়ে।।
    		আল্লাহ্‌র রহমত ঝরে
    		ঘরে বাইরে তোর উপরে,
    	আল্লাহ্‌ রসুল হয়েছেন তোর জীবন-তরীর নেয়ে।।
    	দুখে সুখে সমান খুশি নাই ভাবনা ভয়,
    তুই	দুনিয়াদারী করিস তবু আল্লাহ্‌তে মন রয়।
    		মরণকে আর ভয় নাই তোর,
    		খোদার প্রেমে পরাণ বিভোর,
    	তিনি দেখেন তোর সংসার, তোরই ছেলেমেয়ে।।
    
  • আসিছেন হাবিব-এ খোদা

    বাণী

    আসিছেন হাবিব-এ খোদা আরশ্‌পাকে তাই উঠেছে শোর,
    চাঁদ পিয়াসে ছুটে আসে আকাশ পানে যেমন চকোর।
    কোকিল যেমন গেয়ে ওঠে ফাগুন আসার আভাস পেয়ে,
    তেমনি ক’রে হরষিত ফেরেশ্‌তা সব উঠলো গেয়ে:
    দেখ আজ আরশে আসেন মোদের নবী কম্‌লিওয়ালা।
    হের সেই খুশিতে চাঁদ-সুরুজ আজ হ’ল দ্বিগুণ আলা।।
    ফকির দরবেশ্‌আউলিয়া যাঁরে, ধ্যানে জ্ঞানে ধ’রতে নারে,
    যাঁর মহিমা বুঝিতে পারে এক সে আল্লাহ তালা।।
    বারেক মুখে নিলে যাঁহার নাম, চিরতরে হয় দোজখ্‌হারাম,
    পাপীর তরে দস্তে যাঁহার কওসরের পিয়ালা।।
    ‘মিম্‌’ হরফ না থাকলে সে আহাদ, নামে মাখা তার শিরিন শাহাদ্,
    নিখিল প্রেমাষ্পদ আমার মোহাম্মদ ত্রিভুবন উজালা।।
    
  • আসিয়া কাছে গেলে ফিরে

    বাণী

    আসিয়া কাছে গেলে ফিরে
    কেন আসিয়া কাছে গেলে ফিরে।।
    	মুখের হাসি সহসা কেন
    	নিভে গেল আঁখি নীরে
    ফুটিতে গিয়া কোন কথার মুকুল
    	ঝরে গেল অধরের তীরে।।
    ঝড় উঠিয়াছে বাহির ভুবনে আঁধার নামে বন ঘিরে
    যে কথা বলিলে না-ব'লে যাও বিদায়-সন্ধ্যা তিমিরে।।
    
  • আসিলে এ ভাঙা ঘরে কে মোর রাঙা অতিথি

    বাণী

    আসিলে এ ভাঙা ঘরে কে মোর রাঙা অতিথি।
    হরষে বরিষে বারি শাওন-গগন তিতি'।।
    বকুল-বনের সাকি নটীন পুবালি হাওয়া
    বিলায় সুরভি-সুরা মাতায় কানন-বীথি।।
    তিতির শিখীর সাথে নোটন-কপোতী নাচে;
    ঝিঁঝির ঝিয়ারি গাহে ঝুমুর কাজরি-গীতি।
    হিঙুল হিজল-তলে ডাহুক পিছল-আঁখি,
    বধূর তমাল-চোখে ঘনায় নিশীথ-ভীতি।
    তিমির-ময়ুর আজি তারার পেখম খোলে
    জড়ায় গগন-গলে চাঁদের ষোড়শী তিথি।।
    
  • আসিলে কে গো বিদেশি

    বাণী

    আসিলে কে গো বিদেশি দাঁড়ালে মোর আঙিনাতে।
    আঁখিতে ল’য়ে আঁখি-জল লইয়া ফুল-মালা হাতে।।
    জানি না চিনি না তোমায় কেমনে ঘরে দিব ঠাঁই
    অমনি আসে তো সবাই হাতে ফুল, জল নয়ন-পাতে।।
    কত সে প্রেম-পিয়াসি প্রাণ চাহিছে তোমার হাতের দান
    কাঁদায়ে কত গুলিস্তান আমারে এলে কাঁদাতে।।
    ফুলে আর ভোলে না মোর মন, গলে না নয়ন-জলে,
    ভুলিয়া জীবনে একদিন আজিও জ্বলি জ্বালাতে।।
    
  • আসে রজনী সন্ধ্যামণির প্রদীপ জ্বলে

    বাণী

    আসে রজনী, সন্ধ্যামণির প্রদীপ জ্বলে
    ছায়া-আঁচল-ঢাকা কানন-তলে।।
    তিমির দু’ কূল দুলে গগনে, গোধূলি-ধূসর সাঁঝ-পবনে
    তারার মানিক অলকে ঝলে।।
    পূজা আরতি লয়ে চাঁদের থালায়
    আসিল সে অস্ত-তোরণ নিরালায়।
    ললাটের টিপ্‌ জ্বলে সন্ধ্যা-তারা
    গিরি-দরি বনে ফেরে আপন-হারা
    থামে ধীরে ধীরে বিরহীর নয়ন-জলে।।
    
  • ইয়া মোহাম্মদ বেহেশত্‌ হতে

    বাণী

    ইয়া মোহাম্মদ, বেহেশেত্‌ হতে খোদায় পাওয়ার পথ দেখাও
    এই দুনিয়ার দুঃখ থেকে এবার আমায় নাজাত দাও।।
    পীর মুর্শীদ পাইনি আমি, তাই তোমায় ডাকি দিবস-যামী,
    তোমারই নাম হউক হজরত আমার পরপারের নাও।।
    অর্থ-বিভব-যশ-সম্মান চেয়ে চেয়ে নিশিদিন
    দুঃখে শোকে জ্ব’লে মরি পরান কাঁদে শ্রান্তিহীন।
    আল্লা ছাড়া ত্রিভুবনে, শান্তি পাওয়া যায় না মনে
    কোথায় পাব সে আবহায়াত ইয়া নবীজী রাহ্‌ বাতাও।।
    
  • ইয়া রাসুলুল্লাহ মোরে রাহ্ দেখাও

    বাণী

    ইয়া রাসুলুল্লাহ! মোরে রাহ্ দেখাও সেই কাবার।
    যে কাবা মসজিদে গেলে পাব আল্লার দিদার।।
    দ্বীন দুনিয়া এক হয়ে যায় যে কাবার ফজিলতে,
    যে কাবাতে হাজি হ’লে রাজি হন পরওয়ারদিগার।।
    যে কাবার দুয়ারে জামে তৌহিদ দেন হজরত আলী,
    যে কাবায় কুল্-মাগফেরাতে কর তুমি ইন্তেজার।।
    যে কাবাতে গেলে দেখি আরশ কুর্সি লওহ কালাম,
    মরণে আর ভয় থাকে না, হাসিয়া হয় বেড়া পার।।
    
  • ইরানের রূপ-মহলের শাহজাদী শিঁরি

    বাণী

    ইরানের রূপ-মহলের শাহজাদী শিঁরি! জাগো জাগো শিঁরি।
    ‘প্রিয়া জাগো’ ব’লে ফরহাদ ডাকে শোনো আজো১ রাতে ধীরি ধীরি।।
    তুমি ধরা দিবে তারে বলেছিলে, বে-দরদি,
    যদি পাহাড় কাটিয়া আনিতে পারে সে নদী।
    হের গো শিলায় শিলায় আজি উঠিয়াছে ঢেউ
    সেথা তব মুখ ছাড়া নাহি আর কেউ,
    প্রেমের পরশে যেন মোমের পুতুল হয়েছে পাষাণ-গিরি।।
    গলিল পাষাণ, তুমি গলিলে না ব’লে —
    যে প্রেমিক মরেছিল তোমার পাষাণ-প্রতিমার তলে,
    সেই বিরহীর রোদন যেন গো উঠিছে ভুবন ঘিরি’।।
    

    ১. আধো

    নাটকঃ ‘মদিনা’

  • ইসলামের ঐ সওদা লয়ে এলো নবীন

    বাণী

    ইসলামের ঐ সওদা লয়ে এলো নবীন সওদাগর।
    বদনসীব আয়, আয় গুনাহগার নূতন করে সওদা কর।।
    জীবন ভ'রে করলি লোকসান আজ হিসাব তার খতিয়ে নে;
    বিনিমূলে দেয় বিলিয়ে সে যে বেহেশতী নজর।।
    কোরানের ঐ জাহাজ বোঝাই হীরা মুক্তা পান্নাতে,
    লুটে নে রে, লুটে নে সব, ভরে তোল তোর শূন্য ঘর।
    কেয়ামতের বাজারে ভাই মুনাফা যে চাও বহুৎ —
    এই ব্যাপারীর হও খরিদ্দার লও রে ইহার সিল-মোহর।।
    আরশ হতে পথ ভুলে এ এলো মদিনা শহর,
    নামে মোবারক মোহাম্মদ — পুঁজি 'আল্লাহু আকবর'।।
    
  • ঈদ মোবারক ঈদ মোবারক

    বাণী

    ঈদ মোবারক ঈদ মোবারক
    দোস্ত ও দুশমন পর ও আপন
    সবার মহল আজ হউক রওনক।।
    যে আছ দূরে যে আছ কাছে,
    সবারে আজ মোর সালাম পৌঁছে।
    সবারে আজ মোর পরান যাচে
    সবারে জানাই এ দিল আশ্‌ক।।
    এ দিল যাহা কিছু সদাই চাহে
    দিলাম যাকাত খোদার রাহে
    মিলিয়া ফকির শাহান্‌শাহে
    এ ঈদগাহে গাহুক ইয়াহক্‌।
    এনেছি শিরনি প্রেম পিয়ালার
    এসো হে মোমিন কর হে ইফতার
    প্রেমের বাঁধনে কর গেরেফ্‌তার
    খোদার রহম নামিবে বেশক্‌।।
    
  • ঈদ মোবারক হো

    বাণী

    ঈদ মোবারক হো —
    ঈদ মোবারক ঈদ মোবারক ঈদ, ঈদ মোবারক হো —
    রাহেলিল্লাহ্‌কে আপনাকে বিলিয়ে দিল, কে হলো শহীদ।।
    যে	কোরবানি আজ দিল খোদায় দৌলৎ ও হাশমত্‌,
    যার	নিজের ব’লে রইলো শুধু আল্লা ও হজরত,
    যে	রিক্ত হয়ে পেল আজি অমৃত-তৌহিদ।।
    যে	খোদার রাহে ছেড়ে দিল পুত্র ও কন্যায়
    যে	আমি নয়, আমিনা ব’লে মিশলো আমিনায়।
    ওরে	তারি কোলে আসার লাগি’ নাই নবীজীর নিদ।।
    যে	আপন পুত্র আল্লারে দেয় শহীদ হওয়ার তরে
    	ক্বাবাতে সে যায় না রে ভাই নিজেই ক্বাবা গড়ে
    সে	যেখানে যায় – জাগে সেথা ক্বাবার উম্মিদ।।
    
  • ঈদজ্জোহার চাঁদ হাসে ঐ

    বাণী

    ঈদজ্জোহার চাঁদ হাসে ঐ এলো আবার দুস্‌রা ঈদ
    কোর্‌বানি দে কোর্‌বানি দে শোন্‌ খোদার ফর্‌মান তাকিদ।।
    এমনি দিনে কোর্‌বানি দেন পুত্রে হজরত ইব্‌রাহীম,
    তেমনি তোরা খোদার রাহে আয় রে হবি কে শহীদ্।।
    মনের মাঝে পশু যে তোর আজকে তা’রে কর্ জবেহ,
    পুল্‌সেরাতের পুল হ’তে পার নিয়ে রাখ্ আগাম রসিদ্।।
    গলায় গলায় মিল্ রে সবে ভুলে যা ঘরোয়া বিবাদ,
    মিলনের ঈদগাহ্‌ গড়ে তোল্‌ প্রাণ দিয়ে তার তোল্‌ বুনিয়াদ।।
    মিলনের আর্‌ফাত ময়দান হোক আজি গ্রামে গ্রামে,
    হজের অধিক পাবি সওয়াব এক হ’লে সব মুসলিমে।
    বাজবে আবার নূতন ক’রে দ্বীনি ডঙ্কা, হয় উমীদ্।।
    ইসমাইলের মতন যদি কোর্‌বানি পারিস হতে
    দেখব আবার তোদের মাঝে দিশারি মুসা, খালিদ।।
    
  • ঈদের খুশির তুফানে আজ ভাসলো

    বাণী

    ঈদের খুশির তুফানে আজ ভাসলো দো জাহান
    এই তুফানে ডুবু ডুবু জমিন ও আসমান।।
    ঈদের চাঁদের পানসি ছেড়ে বেহেশত হতে
    কে পাঠালো এত খুশি দুখের জগতে
    শোন ঈদগাহ হতে ভেসে আসে তাহারি আজান।।
    

    রেকর্ড-নাটিকা:‘ঈদুল ফেতর’

  • উচ্ছে নহে ঝিঙে নহে নহে সে পটল

    বাণী

    		উচ্ছে নহে, ঝিঙে নহে, নহে সে পটল ব্রজের আলু
    		পিয়া হতে জনম তাই পি’য়াজ সুডোল ব্রজের আলু।।
    		রসঘন রসুনের সে গন্ধতুত দাদা, ও দাদা
    		রস কিছু কম হলে হতো আম আদা, ও দাদা
    সে		আরো খানিক ডাগর হলে ঐ হতো ওল, ব্রজের আলু।।
    		পরম বৈষ্ণব সে যে ফল-দল মাঝে — ও দাদা
    		হের তার শিরে চৈতন-চুট্‌কী বিরাজে — ও দাদা
    আবার	মাথাটি বাবাজীর মতো চাঁচাছোলা গোল
    তার		মাথাটি বাবাজীর মতো চাঁচা ছোলা গোল, ব্রজের আলু।।
    কাঁদে		ছল ক’রে সব বিরহিণী ইহাকে থ্যাত্‌লাতে — ও দাদা
    		চক্ষু বুজে পন্ডিতে খান, বলেন ‘আলুভাতে’ — ও দাদা
    ওরে		পাতে তুলেছি তুলব জাতে ব’দলে এবার ভোল, ব্রজের আলু।।
    
  • উঠুক তুফান পাপ-দরিয়ায়

    বাণী

    উঠুক তুফান পাপ-দরিয়ায় ওরে আমি কি তায় ভয় করি।
    			ও ভাই আমি কি তায় ভয় করি।
    পাক্কা ঈমান তক্তা দিয়ে গড়া যে আমার তরী।
    			ও ভাই গড়া যে আমার তরী।।
    ‌‘লা-ইলাহা ইল্লাল্লাহু'র পাল তুলে,
    ঘোর তুফানকে জয় ক'রে ভাই যাবই কূলে,
    মোহাম্মদ মোস্তফা নামের (ও ভাই) গুণের রশি ধরি'।।
    খোদার রাহে সঁপে দেওয়া ডুববে না মোর তরী,
    সওদা ক'রে ভিড়বে তীরে সওয়াব-মাণিক ভরি'।
    দাঁড় এ তরীর নামাজ, রোজা, হজ্ ও জাকাত,
    উঠুক না মেঘ, আসুক বিপদ — যত বজ্রপাত,
    আমি যাব বেহেশত্-বন্দরেতে রে এই সে কিশতিতে চড়ি'।।
    
  • উঠেছে কি চাঁদ সাঁঝ গগনে

    বাণী

    উঠেছে কি চাঁদ সাঁঝ গগনে
    আজিকে আমার বিদায় লগনে।।
    জানালা পাশে চাঁপার শাখে
    ‘বউ কথা কও’ পাখি কি ডাকে?
    ফুটেছে কি ফুল মালতী বকুল —
    আমার সাধের কুসুম বনে সাঁঝ গগনে।।
    তুলসী তলায় জ্বলেছে কি দীপ
    পরেছে আকাশ তারকার টিপ?
    হারিয়ে যাওয়া বঁধূ অবেলায়
    এলো কি ফিরে দেখিতে আমায়,
    ঝুরিছে বাঁশি পিলু বারোয়াঁয় —
    কেন গো আমার যাবার ক্ষণে।।
    
  • উতল হ'ল শান্ত আকাশ তোমার কলগীতে

    বাণী

    উতল হ'ল শান্ত আকাশ তোমার কলগীতে
    বাদল ধারা ঝরে বুঝি তাই আজ নিশীথে।।
    সুর যে তোমার নেশার মত, মনকে দোলায় অবিরত,
    ফুলকে শেখায় ফুটতে গো, পাখিকে শিস দিতে।।
    কেন তুমি গানের ছলে বঁধু, বেড়াও কেঁদে?
    তীরের চেয়েও সুর যে তোমার প্রাণে অধিক বেঁধে।
    তোমার সুরে কোন সে ব্যথা, দিলো এতো বিহ্বলতা
    আমি জানি (ওগো) সে বারতা তাই কাদিঁ নিভৃতে।।
    
  • উপল নুড়ির কাঁকন চুড়ি বাজে

    বাণী

    উপল নুড়ির কাঁকন চুড়ি বাজে
    	বাজে ঘুমতি নদীর জলে।
    বুনো হাঁসের পাখার মত মন যে ভেসে চলে
    	সেই ঘুমতি নদীর জলে।।
    মেঘ এসেছে আকাশ ভ'রে —
    যেন শ্যামল ধেনু চরে
    নাগিনীর সম বিজলি-ফনা তুলে
    	নাচে,নাচে নাচে রে।
    	মেঘ-ঘন গগন তলে।।
    পাহাড়িয়া অজগর ছুটে আসে ঝর্‌ ঝর্‌ বেনো-জল্‌
    দিয়ে করতালি প'রে পিয়াল পাতার মাথালি
    ছিটায় জল,গেঁয়ো কিশোরীর দল।
    রিনিক,ঝিনিক,বাজে চাবি আঁচলে
    কাল নাগিনীর মত পিঠে বেনী দোলে
    তীর-ধনুক হাতে বন-শিকারির সাথে
    	মন ছুটে যায় বনতলে।।
    
  • এ কুল ভাঙ্গে ও কুল গড়ে

    বাণী

    এ-কূল ভাঙে ও-কূল গড়ে এই তো নদীর খেলা।
    সকাল বেলা আমির, রে ভাই (ও ভাই) ফকির, সন্ধ্যাবেলা॥
    সেই নদীর ধারে কোন্ ভরসায়
    বাঁধলি বাসা, ওরে বেভুল, বাঁধলি বাসা, কিসের আশায়?
    যখন ধরলো ভাঙন পেলি নে তুই পারে যাবার ভেলা।
    এই তো বিধির খেলা রে ভাই এই তো বিধির খেলা॥
    এই দেহ ভেঙে হয় রে মাটি, মাটিতে হয় দেহ
    যে কুমোর গড়ে সেই দেহ, তার খোঁজ নিল না কেহ (রে ভাই)।
    রাতে রাজা সাজে নাচমহলে
    দিনে ভিক্ষা মেগে বটের তলে
    শেষে শ্মশান ঘাটে গিয়ে দেখে সবাই মাটির ঢেলা
    এই তো বিধির খেলা রে ভাই ভব নদীর খেলা॥