কাহার্‌বা

  • সকাল সাঁঝে প্রভু সকল কাজে

    বাণী

    সকাল সাঁঝে প্রভু সকল কাজে উঠুক তোমারি নাম —
    				বেজে উঠুক তোমারি নাম।
    নিশীথ রাতে তারার মত উঠুক তোমারি নাম —
    				বেজে উঠুক তোমারি নাম।।
    তরুর শাখায় ফুলের সম
    বিকশিত হোক (প্রভু) তব নাম নিরুপম,
    সাগর মাঝে তরঙ্গ সম বহুক তোমারি নাম।।
    পাষাণ শিলায় গিরি নির্ঝর সম বহুক তোমারি নাম
    অকুল সমুদ্রে ধ্রুবতারা-সম জাগি’ রহুক তব নাম
    				প্রভু জাগি’ রহুক তব নাম।
    	শ্রাবণ দিনে বারি ধারার মত
    	ঝরুক ও নাম প্রভু অবিরত
    মানস কমল বনে মধুকর সম লুটুক তোমারি নাম।।
    

    নাটক: ‌‘রূপকথা’

  • সকাল হ'ল শোন রে আজান

    বাণী

    সকাল হ'ল শোন রে আজান
    	ওঠ রে শয্যা ছাড়ি'
    তুই মসজিদে চল দ্বীনের কাজে
    	ভোল দুনিয়াদারি।।
    ওজু করে ফেল রে ধুয়ে
    	নিশীথ রাতের গ্লানি
    সিজদা করে জায়নামাজে
    	ফেল রে চোখের পানি;
    খোদার নামে সারাদিনের
    	কাজ হবে না ভারী।।
    নামাজ প'ড়ে দু'হাত তুলে
    	প্রার্থনা কর তুই -
    ফুল-ফসলে ভ'রে উঠুক
    	সকল চাষির ভূঁই
    সকল লোকের মুখে হোক
    	আল্লার নাম জারী।।
    ছেলে-মেয়ে সংসার-ভার
    	সঁপে দে আল্লারে
    নবীজীর দোয়া ভিক্ষা কর
    	কর রে বারে বারে;
    তোর হেসে নিশি প্রভাত হবে
    	সুখে দিবি পাড়ি।।
    

  • সখি আর অভিমান জানাব না

    বাণী

    সখি আর অভিমান জানাব না বাস্‌ব ভালো নীরবে।
    যে চোখের জলে গল্‌ল না, (তার) মুখের কথায় কি হবে॥
    অন্তর্যামী হয়ে অন্তরে মোর
    	দিবা-নিশি রহে যে চিত-চোর,
    অন্তরে মোর কোন্ সে-ব্যথা বোঝে না সে, কে ক’বে॥
    সখি এবার আমার প্রেম নিবেদন গোপনে,
    সূর্যমুখী চাহে যেমন তপনে।
    	কুমুদিনী চাঁদে ভালোবাসে
    	তাই চিরদিন অশ্রুর সায়রে ভাসে,
    চির জীবন জানি কাঁদিতে হবে তাহারে চেয়েছি যবে॥১
    ১. শেষ পাঁচ পঙক্তির পাঠ্যন্তর :
    সখি	এবার আমার প্রেম বিবেদন আপন মনে গোপনে,
    	সূর্যমুখী চাহে যেমন চাওয়ার নেশা তপনে।
    	কুমুদিনী চাঁদে ভালোবাসে
    	তাই সে অশ্রু সায়রে ভাসে,
    	হাজার জনম কাঁদিতে হইবে তাহারে চেয়েছি যবে॥
    
  • সখি সাপের মণি বুকে করে কেঁদে নিশি যায়

    বাণী

    সখি সাপের মণি বুকে করে কেঁদে নিশি যায়
    কাল-নাগিনী ননদিনী দেখতে পাছে পায় (লো সখি)।।
    	সই প্রানের গোপন কথা মম
    	পিঞ্জরেরি পাখির সম
    পাখা ঝাপটিয়া কাঁদে বাহির হতে চায়।।
    পাড়ার বৌ-ঝি যদি জলের ঘাটে কানে কথা কয়
    আমার কথাই কইলো বুঝি মনে জাগে ভয় (সখি)
    আমি চাইতে নারি চোখে চোখে
    পাছে মনের কথা জানে লোকে।
    	আমার একি হলো দায়
    	সখি লুকানো না যায়
    সখি কাঙাল যেমন পেয়ে রতন থুইতে ঠাঁই না পায়।।
    
  • সজল হাওয়া কেঁদে বেড়ায়

    বাণী

    সজল হাওয়া কেঁদে বেড়ায় কাজল আকাশ ঘিরে,
    			তুমি এসো ফিরে।
    উঠ্‌ছে কাঁদন ভাঙন-ধরা নদীর তীরে তীরে,
    			তুমি এসো ফিরে।।
    	বন্ধু তব বিরহেরি
    	অশ্রু ঝরে গগন ঘেরি’
    লুটিয়ে কাঁদে বনভূমি অশান্ত সমীরে।।
    আকাশ কাঁদে, আমি কাঁদি বাতাস কেঁদে সারা,
    তুমি কোথায়, কোথায় তুমি পথিক পথহারা।
    	দুয়ার খুলে নিরুদ্দেশে
    	চেয়ে আছি অনিমেষে,
    আঁচল ঢেকে রাখবো কত আশার প্রদীপটিরে।
    
  • সাধ জাগে মনে পর-জীবনে

    বাণী

    		সাধ জাগে মনে পর-জীবনে
    (আমি)	তব কপোলে যেন তিল হই।
    		ভালবাসিয়া মোরে দিল্‌ দিবে তুমি
    (যেন)		আমি তোমার মত বে-দিল্‌ হই।।
    		মোর দেওয়া যে হার নিলে না অকরুণা
    (যেন)		হয়ে সে হার তব বক্ষে রই।।
    		যাহারে ভালবেসে তুমি চাহ না মোরে
    		মরিয়া আসি যেন তাহারি রূপ ধ’রে
    (তুমি)		হার মানিবে আমি হ’ব জয়ী।।
    		হৃদি নিঙাড়ি মম আল্‌তা হব পায়ে
    		অধরে হব হাসি রূপ-লাবনি গায়ে
    		আমার যাহা কিছু তোমাতে হবে হারা
    (প্রিয়)		তুমি জানিবে না আমা বৈ।।
    
  • সাপুড়িয়া রে বাজাও বাজাও

    বাণী

    গানের শুরুতে নীচের কথাগুলি সাপুড়েদের মন্ত্র-পড়ার ঢংয়ে আবৃত্তি করা হয়েছে :-

    [খা খা খা
    তোর বক্ষিলারে খা
    তারি দিব্যি ফণাতে তোর যে ঠাকুরের পা'
    বিষহরি শিবের আজ্ঞ্যে দোহাই মনসা,
    আমায় যদি কামড়াস খাস জরৎ-কারুর হাড়
    নাচ নাগিনী ফণা তুলে, নাচ রে হেলেদুলে
    মারলে ছোবল বিষ-দাঁত তোর অমনি নেব তুলে
    বাজ তুবরী বাজ ডমরু বাজ, নাচ রে নাগ-রাজা।।]
    সাপুড়িয়া রে —
    বাজাও বাজাও সাপ-খেলানোর বাঁশি।
    কালিদহে ঘোর উঠিল তরঙ্গ রে
    কালনাগিনী নাচে বাহিরে আসি।।
    ফণি-মনসার কাঁটা-কুঞ্জতলে
    গোখরা কেউটে এলো দলে দলে রে
    সুর শুনে ছুটে এলো পাতাল-তলের
    বিষধর বিষধরী রাশি রাশি।।
    শন-শন-শন-শন পুব হাওয়াতে
    তোমার বাঁশি বাজে বাদলা-রাতে
    মেঘের ডমরু বাজাও গুরু গুরু বাঁশির সাথে।
    অঙ্গ জর জর বিষে
    বাঁচাও বিষহরি এসে রে
    এ কি বাঁশি বাজালো কালা, সর্বনাশী।।
    
  • সুদূর সিন্ধুর ছন্দ উতল

    বাণী

    সুদূর সিন্ধুর ছন্দ উতল
    আমরা কলগীতি চঞ্চল॥
    তুফান ঝঞ্ঝা কল্লোল ছলছল
    ঊর্ধ্বে আমি ঝড় বহি শন্‌শন্‌
    মম বক্ষে তব মঞ্জির তোলে গো রণন্
    আনন্দ চিত্তে মেতে উঠি নৃত্যে
    গুরু গুরু গুরু বাজে বাদল মাদল॥
    তুমি গগন তলে উঠি মেঘের ছলে
    জল-বিম্বমালা বালা পরাও গলে।
    তুমি বাদল হাওয়ায় কর আদন যখন
    মোরে কান্না পাওয়ায়।
    ধুলি গৈরিক ঝড়ে সাগর নীলাম্বরী
    জড়াইয়া অপরূপ করে ঝলমল॥
    

  • সুন্দর অতিথি এসো এসো কুসুম-ঝরা বনপথে

    বাণী

    সুন্দর অতিথি এসো, এসো, কুসুম-ঝরা বনপথে,
    তোমার আশায় মুকুলগুলি চেয়ে আছে প্রভাত হ'তে।।
    	তোমার আসার অনুরাগে
    	পাতায় পাতায় শিহর লাগে
    কণ্ঠে কুহুর কুজন জাগে ভাসলো আকাশ আলোর স্রোতে।।
    চলতে যদি বেদনা পায় তব কোমল চরণ-কমল
    বন-বীথিকার পথ-ধূলি ঝরা পল্লব পাপড়ি-দল।
    	পেয়ে আজি আসার আভাস
    	উতল হ'ল মন্দ বাতাস
    চেয়ে আছে উদাসী আকাশ আসবে কবে সোনার রথে।।
    

  • সে চ'লে গেছে ব'লে কি গো

    বাণী

    সে চ'লে গেছে ব'লে কি গো স্মৃতিও হায় যায় ভোলা
    ওগো মনে হ'লে তারি কথা আজো মর্মে সে মোর দেয় দোলা।।
    	ঐ প্রতিটি ধূলি কণায়
    	আছে তার ছোঁওয়া লেগে হেথায়,
    আজো তাহারি আসার আশায়, রাখি মোর ঘরেরই সব দ্বার খোলা।।
    	হেথা সে এসেছিল যবে
    	ঘর ভরেছিল ফুল-উৎসবে,
    মোর কাজ ছিল শুধু ভবে তার হার গাঁথা আর ফুল তোলা।।
    	সে নাই ব'লে বেশি ক'রে
    	শুধু তার কথাই মনে পড়ে,
    হেরি তার ছবি ভুবন ভ'‌রে তারে ভুলিতে মিছে বলা।।
    

  • সেদিন নিশীথে মোর কানে কানে

    বাণী

    সেদিন নিশীথে মোর কানে কানে যে কথাটি গেছ বলে
    প্রথম মুকুল হয়ে সেই বাণী মালতী লতায় দোলে।।
    	সে-কথাটি আবার শুনিবে বলিয়া
    	আড়ি পাতে চাঁদ মেঘে লুকাইয়া
    চাহে চুপি চুপি পিয়াসি পাপিয়া ঘন পল্লব তলে।।
    বসে আছি সেই মালতী বিতানে আজ তুমি নাই কাছে —
    ম্লান মুখে পথ চাহে ফুলগুলি আঁধার বকুল গাছে।
    	দখিনা বাতাস করে হায় হায়
    	ঝরিছে কুসুম শুকনো পাতায়
    নিবু নিবু হল তোমার আশায় চাঁদের প্রদীপ জ্বলে।।
    
  • সেদিন প্রভাতে অরুণ শোভাতে

    বাণী

    সেদিন প্রভাতে অরুণ শোভাতে হেসেছ বুকে মোর মধু-হাসিনী।
    পরেছ গলায় আমার দেওয়া ফুল সে কি গো সবি ভুল বিজন-বাসিনী।।
    		যেচেছ কত না আদর সোহাগ
    		ক্ষণে অভিমান ক্ষণে অনুরাগ,
    কত প্রিয় নামে ডেকেছ আমায় সে কি গো গেছ ভুলে মধুভাষিণী।।
    		আমার সাধ-আশ-সাধনা-সুখ-হাসি
    		তোমার সনে প্রিয় সকলি গেছে ভাসি,
    কেন ফেলে দিলে নিরাশার কূলে, কোন্ অপরাধে বল উদাসিনী।।
    
  • সোনার মেয়ে! সোনার মেয়ে

    বাণী

    সোনার মেয়ে! সোনার মেয়ে!
    তোমার রূপের মায়ায় আমার নয়ন- ভুবন গেল ছেয়ে'।।
    	ঝরে তোমার রূপের ধারা—
    	চন্দ্র জাগে তন্দ্রাহারা,
    আকাশ-ভরা হাজার তারা তোমার মুখে আছে চেয়ে'।।
    	কোন গ্রহ-লোক ব্যথায় ভ'রে
    	কোন অমরা শূন্য ক'রে
    (ওগো) রাখলে চরণ ধরার পরে রঙ-সায়রের রঙের নেয়ে।
    	শিল্পী আকেঁ তোমার ছবি
    	তোমারি গান গাহে কবি
    নিশীথিনী হারিয়ে রবি চাঁদ হাতে পায় তোমায় পেয়ে।।
    

  • সৈয়দে মক্কী মদনী আমার নবী মোহাম্মদ

    বাণী

    সৈয়দে মক্কী মদনী আমার নবী মোহাম্মদ
    করুণা-সিন্ধু খোদার বন্ধু নিখিল মানব-প্রেমাস্পদ।।
    আদম নূহ, ইব্রাহিম দাউদ সোলেয়মান মুসা আর ঈসা,
    সাক্ষ্য দিল আমার নবীর, সবার কালাম হ'ল রদ।
    যাঁহার মাঝে দেখল জগৎ ইশারা খোদার নূরের,
    পাপ-দুনিয়ায় আনলো যে রে, পুণ্য বেহেশতী সনদ।।
    হায় সিকান্দর খুঁজল বৃথাই আব-হায়াত এই দুনিয়ায়
    বিলিয়ে দিল আমার নবী, সে সুধা মানব সবায়।
    হায় জুলেখা মজল ঐ ইউসুফেরই রূপ দেখে,
    দেখলে মোদের নবীর সুরত, যোগীন হত ভসম মেখে'।
    শুনলে নবীর শিঁরিন জবান, দাউদ মাগিত মদদ।।
    ছিল নবীর নূর পেশানিতে, তাই ডুবল না কিস্তি নূহের
    পুড়ল না আগুনে হযরত ইব্রাহিম সে নমরুদের
    হায়, দোজখ আমার হারাম হ'ল পিয়ে কোরানের শিঁরিন শ্যহদ।।
    
  • সোনার চাঁপা ভাসিয়ে দিয়ে গহীন সাগর-জলে

    বাণী

    সোনার চাঁপা ভাসিয়ে দিয়ে গহীন সাগর-জলে
    দূরে ব’সে কাঁদে কে রে কাঁদে আয় ফিরে আয় ব’লে।।
    		কার আঁচলের মানিক ওরে
    		অকূল স্রোতে পড়লি ঝরে রে
    কোন্ মায়ের কোল্ খালি ক’রে এলি রে তুই চ’লে।।
    

    নাটিকাঃ ‘শ্রীমন্ত’

  • সোনার হিন্দোলে কিশোর–কিশোরী

    বাণী

    সোনার হিন্দোলে কিশোর–কিশোরী দোলে ঝুলনের উৎসব রঙ্গে
    বিন্দু বিন্দু বারি অবিরত পড়ে ঝরি’ বাজে তাল জলদ মৃদঙ্গে।।
    	জড়াইয়া শ্যামে দোলে ভীরু রাধা
    	থির বিজুরি ডোরে মেঘ যেন বাঁধা
    পল্লব কোলে ফুলদলে দোলে (যেন) গোপীদল গোপীবল্লভ সঙ্গে।।
    	উল্লাসে থরথর খরতর বহে বায়
    	পুলকে ডালে ডালে কদম্ব শিহরায়।
    	দৃষ্টিতে গোপীদের বৃষ্টির লাবনি
    	আনন্দ উতরোল গাহে বৃন্দাবনী
    নূপুর মধুর বাজে যমুনা তরঙ্গে ঝুলনের উৎসব রঙ্গে।।
    

  • স্নিগ্ধ-শ্যাম-বেণী-বর্ণা

    বাণী

    স্নিগ্ধ-শ্যাম-বেণী-বর্ণা এসো মালবিকা
    অর্জুন-মঞ্জরি-কর্ণে গলে নীপ-মালিকা, মালবিকা।।
    ক্ষীণা তন্বী জল-ভার-নমিতা
    শ্যাম জম্বু-বনে এসো অমিতা
    আনো কুন্দ মালতী যুঁই ভরি থালিকা, মালবিকা।।
    ঘন নীল বাসে অঙ্গ ঘিরে
    এসো অঞ্জনা রেবা-নদীর তীরে।
    পরি’ হংস-মিথুন আঁকা শাড়ি ঝিল্‌মিল্‌
    এসো ডাগর চোখে মাখি সাগরের নীল
    ডাকে বিদ্যুৎ ইঙ্গিতে দিগ্‌-বালিকা, মালবিকা।।
    

  • স্বপন যখন ভাঙবে তোমার দেখবে আমি নাই

    বাণী

    স্বপন যখন ভাঙবে তোমার দেখবে আমি নাই।
    মোরে শূন্য তোমার বুকেরি কাছে খুজবে গো বৃথাই।।
    	দেখবে জেগে বাহুর পরে
    	আছে নীরব অশ্রু ঝ'রে
    কাছ থেকেও ছিলাম দূরে যাই গো চলে যাই।।
    কাঁটার মতো ছিলাম বিধে আমি তোমার বুকে,
    বিদায় নিলাম চিরতরে ঘুমাও তুমি সুখে (ওগো)।
    	একলা ঘরে জেগে ভোরে
    	হয়তো মনে পড়বে মোরে,
    দূরে স'রে হয়তো পাব অন্তরেতে ঠাঁই।।
    
  • হরি নাচত নন্দদুলাল

    বাণী

    (হরি) নাচত নন্দদুলাল
    শ্যামল সুন্দর মদন মনোহর
    নওল কিশোর কানাইয়া গোপাল।
    নাচত গিরিধারী ময়ূর মুকুট পরি
    দিকে দিকে ছন্দ আনন্দ পড়িছে ঝরি
    নাচে গোপী সখা বংশীওয়ালা হরি
    রুনুঝুনু বাজওত ঘুঙ্গুর তাল।
    

    নাটিকাঃ ‘মীরাবাঈ’

  • হাওয়াতে নেচে’ নেচে' যায় ঐ তটিনী

    বাণী

    হাওয়াতে নেচে’ নেচে’ যায় ঐ তটিনী।
    পাহাড়ের পথ-ভোলা কিশোরী নটিনী।।
    		তরঙ্গ আঁচল দুলায়ে
    		বনভূমির মন ভুলায়ে,
    চলেছে চপল পায়ে একাকিনী উদাসিনী।।
    এঁকে বেঁকে থম্‌কে গিয়ে,
    হরিণীরে চম্‌কে দিয়ে।
    ছুটিয়া যায় সুদূরে
    আয় আয় বলি, ডাকে কে কুলের বধূরে,
    নেচে চলে পথ বেভুল ঘর-ছাড়া বিবাগিনী।।