বাণী

রিম্ ঝিম্ রিম্ ঝিম্ বরষা এলো
আমারি আশালতা সজল হলো॥
কুসুম কলি মুঞ্জরিল
বিরহী লতিকা সহসা ফুটিল
মন এলোমেলো মেদুর ছাইলো॥

বাণী

রুম্ ঝুম্ বাদল আজি বরষে
আকুল শিখি নাচে ঘন দরশে॥
বারির দরশনে আজি ক্ষণে ক্ষণে
নব নীরদ শ্যাম রূপে পড়ে মনে
না-জানি কোন্ দেশে কোন্ প্রিয়া সনে
রয়েছে ভুলিয়া নটবর সে॥

বাণী

রবে না এ বৈকালি ঝড় সন্ধ্যায়।
বহিবে ঝিরিঝিরি চৈতালি বায়॥
দুপুরে যে ধরেছিল দীপক তান
বেলাশেষে গাহিবে সে মুলতানে গান,
কাঁদিবে সে পূরবীত গোধূলি-বেলায়॥
নৌবতে বাজিবে গো ভীম-পলাশী,
উদাস পিলুর সুরে ঝুরিবে বাঁশি,
বাজিবে নূপুর হয়ে তটিনী ও-পায়॥

বাণী

		রাঙা জবার বায়না ধ’রে আমার কালো মেয়ে কাঁদে
সে		তারার মালা সরিয়ে ফেলে এলোকেশ নাহি বাঁধে॥
		পলাশ অশোক কৃষ্ণচূড়ায়, রাগ ক’রে সে পায়ে গুঁড়ায়
সে		কাঁদে দু’হাত দিয়ে ঢেকে যুগল আঁখি সূর্য চাঁদে॥
		অনুরাগের রাঙাজবা থাক না মোর মনের বনে
আমার	কালো মেয়ের রাগ ভাঙাতে ফিরি জবার অন্বেষণে।
		মা’র রাঙা চরণ দেখতে পেয়ে, বলি এই যে জবা হাবা মেয়ে
(সে)		জবা ভেবে আপন পায়ে উঠলো নেচে মধুর ছাঁদে॥

বাণী

রিমি ঝিম্ রিমি ঝিম্ ঐ নামিল দেয়া।
শুনি’		শিহরে কদম, বিদরে কেয়া।।
			ঝিলে শাপলা কমল
			ওই মলিল দল,
		মেঘ-অন্ধ গগন, বন্ধ খেয়া।।
		বারি-ধারে কাঁদে চারিধার
		ঘরে ঘরে রুদ্ধ দুয়ার,
		তেপান্তরে নাচে একা আলেয়া।।
কাঁদে 	চখাচখি, কাঁদে বনে কেকা
		দীপ নিভায়ে কাঁদি আমি একা,
আজ 		মনে পড়ে সেই মন দেয়া-নেয়া।।

বাণী

রোজ হাশরে আল্লা আমার ক'রো না বিচার (আল্লা)
বিচার চাহি না তোমার দয়া চাহে এ গুনাহ্‌গার।।
	আমি জেনে শুনে জীবন ভ'রে
	দোষ করেছি ঘরে পরে
আশা নাই যে যাব ত'রে বিচারে তোমার।।
বিচার যদি করবে কেন রহমান নাম নিলে।
ঐ নামের গুণেই ত'রে যাব, কেন এ জ্ঞান দিলে।
	দীন ভিখারি ব'লে আমি
	ভিক্ষা যখন চাইব স্বামী
শূন্য হাতে ফিরিয়ে দিতে পারবে নাকো আর।।