ভজন

  • অ্যগ্যর তুম রাধা হোতে শ্যাম

    বাণী

    অ্যগ্যর তুম রাধা হোতে শ্যাম।
    মেরি তরা বস আঠোঁ প্যহর তুম, রট্‌কে শ্যামকা নাম।।
    বন-ফুলকে মালা নিরালি বন্‌ যাতি নাগন কালি
    কৃষ্ঞ-প্রেমকী ভীক্‌ মাঙ্গনে আতে লাখ্‌ যনম্‌।
    তুম, আতে ইস্‌ বৃজধাম।।
    চুপ্‌কে চুপ্‌কে তুম্‌রে হিরদয় ম বসতা বন্‌সীওয়ালা,
    আওর, ধীরে ধীরে উস্‌কী ধূন সে ব্যঢ়তী মন্‌কি জ্বালা।
    পন-ঘটমে ন্যয়্যন বিছায়ে তুম্‌, র‍্যহতে আস্‌ ল্যগায়ে
    আওর, কালেকে সঙ্গ প্রীত ল্যগাকর্‌ হো জাতে বদনাম।।
    
  • কোথায় তুই খুঁজিস ভগবান্

    বাণী

    কোথায় তুই খুঁজিস ভগবান্, সে যে রে তোরই মাঝে রয়,
    			চেয়ে দেখ সে তোরই মাঝে রয়।
    সাজিয়া যোগী ও দরবেশ খুঁজিস্ যায় পাহাড় জঙ্গলময়।।
    আঁখি খোল্ ইচ্ছা-অন্ধের দল নিজেরে দেখ্ রে আয়নাতে,
    দেখিবি তোরই এই দেহে নিরাকার তাঁহার পরিচয়।।
    ভাবিস্ তুই ক্ষুদ্র কলেবর, ইহাতেই অসীম নীলাম্বর,
    এ দেহের আধারে গোপন রহে সে বিশ্ব-চরাচর।
    প্রাণে তোর প্রাণের ঠাকুর বেহেশ্‌তে স্বর্গে কোথাও নয়।।
    এই তোর মন্দির-মসজিদ এই তোর কাশী-বৃন্দাবন,
    আপনার পানে ফিরে চল কোথা তুই তীর্থে যাবি, মন!
    এই তোর মক্কা-মদিনা, জগন্নাথ-ক্ষেত্র এই হৃদয়।।
    
  • খেলে নন্দের-আঙিনায় আনন্দ দুলাল

    বাণী

    খেলে নন্দের-আঙিনায় আনন্দ দুলাল।
    রাঙা চরণে মধুর সুরে বাজে নূপুর-তাল॥
    	নবীন নাটুয়া বেশে
    	নাচে কভু হেসে হেসে,
    যাশোমতীর কোলে এসে দোলে কভু গোপাল॥
    ‘ননী দে’ বলিয়া কাঁদে কভু রোহিণী-কোলে,
    জড়ায়ে ধ’রে কদম তরু তমাল-ডালে দোলে।
    	দাঁড়ায়ে ত্রিভঙ্গ হ’য়ে
    	বাজায় মুরলী ল’য়ে,
    কভু সে চরায় ধেনু বনের রাখাল॥
    
  • গিরিধারী লাল কৃষ্ণ গোপাল

    বাণী

    গিরিধারী লাল কৃষ্ণ গোপাল যুগে যুগে হ’য়ো প্রিয়
    জনমে জনমে বঁধু তব প্রেমে আমারে ঝুরিতে দিও॥
    	তুমি চির চঞ্চল চির পলাতকা
    	প্রেমে বাঁধা প’ড়ে হ’য়ো মোর সখা
    মোর জাতি কুল মান তনু মন প্রাণ হে কিশোর হ’রে নিও॥
    রাধিকার সম কুব্জার সম রুক্সিণী সম মোরে
    গোকুল মথুরা দ্বারকায় নাথ রেখো তব সাথী করে।
    	গোপনে চেয়ো সব শত গোপীকায়
    	চন্দ্রাবলী ও সত্যভামায়
    তেমনি হে নাথ চাহিও আমায় লুকায়ে ভালেবাসিও॥
    
  • জগজন মোহন সঙ্কটহারী

    বাণী

    জগজন মোহন সঙ্কটহারী
    কৃষ্ণমুরারী শ্রীকৃষ্ণমুরারী।
    রাম রচাও ত শ্যামবিহারী
    পরম যোগী প্রভু ভবভয়-হারী।।
    গোপী-জন-রঞ্জন-ব্রজ-ভয়হারী,
    পুরুষোত্তম প্রভু গোলক-চারী।।
    বন্‌শী বাজাও ত বন বন-চারী
    ত্রিভুবন-পালক ভক্ত-ভিখারি,
    রাধাকান্ত হরি শিখি-পাখাধারী —
    কমলাপতি জয় গোপী-মনহারী।।
    
  • জগতের নাথ তুমি তুমি প্রভু প্রেমময়

    বাণী

    জগতের নাথ তুমি, তুমি প্রভু প্রেমময়।
    আমি জগতের বাহিরে নহি দেহ চরণে আশ্রয়।।
    যাহাদের তরে আমি খাটিনু দিবস-রাতি,
    (আমার)যাবার বেলায় কেহ তাদের হ’ল না সাথের সাথি।
    সম্পদ মোর পাঁচ ভূতে খায়, কর্ম কেবল সঙ্গে রয়।।
    ভুলিয়া সংসার মোহে লই নাই তোমারি নাম —
    তরাতে এমন পাপী পাবে না হে ঘনশ্যাম।
    শুনেছি তোমারে যদি কাঁদিয়া কেহ ডাকে —
    তুমি অমনি তারে কর ক্ষমা চরণে রাখ তাকে।
    আমি সেই আশাতে এসেছি নাথ যদি তব কৃপা হয়।।
    
  • তিমির বিদারী অলখ-বিহারী কৃষ্ণ মুরারি

    বাণী

    তিমির বিদারী অলখ-বিহারী কৃষ্ণ মুরারি আগত ঐ
    টুটিল আগল নিখিল পাগল সর্বসহা আজি সর্বজয়ী।।
    বহিছে উজান অশ্রু-যমুনায়
    হৃদি-বৃন্দাবনে আনন্দ ডাকে, (ওরে) ‌‘আয়’,
    বসুধা যশোদার স্নেহধার উথলায়
    (ওগো) কাল্‌-রাখাল নাচে থৈ-তা-থৈ।।
    বিশ্ব ভরি' ওঠে স্তব নমো নমঃ
    অরির পুরী-মাঝে এলো অরিন্দম।
    ঘিরিয়া দ্বার বৃথা জাগে প্রহরী জন
    বন্ধ কারায় এলো বন্ধ-বিমোচন,
    ধরি' অজানা পথ আসিল অনাগত
    জাগিয়া ব্যথাহত ডাকে, মাভৈঃ।।
    
  • তুমি বিরাজ কোথা হে উৎসব দেবতা

    বাণী

    তুমি বিরাজ কোথা হে উৎসব দেবতা
    মম গৃহ অঙ্গনে এসো সঙ্গী হয়ে আনো আনন্দ বারতা॥
    		পূজা সম্ভারে প্রসন্ন দৃষ্টি হানো
    		শুভ শঙ্খ বাজাও দশদিক জাগানো
    হে মঙ্গলময়! আসি’ অভয় দানো আনো প্রভাত আকাশ সম নির্মলতা॥
    		লহ বিহগের গীতি অভিনন্দন
    		চাঁদের থালিকা হতে গোপীচন্দন
    আনন্দ অমরার নন্দন হে প্রণত কর চরণে কহ কথা কহ কথা॥
    
  • নীল যমুনা সলিল কান্তি

    বাণী

    নীল যমুনা সলিল কান্তি চিকন ঘনশ্যাম।
    তব শ্যামরূপে শ্যামল হল সংসার ব্রজধাম।।
    রৌদ্রে পুড়িয়া তপিতা অবনি
    চেয়েছিল শ্যাম-স্নিগ্ধা লাবনি,
    আসিলে অমনি নবনীত তনু
    ঢলঢল অভিরাম চিকন ঘনশ্যাম।।
    আধেক বিন্দু রূপ তব দুলে ধরায় সিন্ধুজল
    তব বেণু শুনি’, ওগো বাঁশুরিয়া,
    প্রথম গাহিল কোকিল পাপিয়া,
    হেরি কান্তার-বন-ভুবন ব্যাপিয়া
    বিজড়িত তব নাম; চিকন ঘনশ্যাম।।
    
  • শুভ্র সমুজ্জ্বল হে চির–নির্মল

    বাণী

    শুভ্র সমুজ্জ্বল, হে চির–নির্মল শান্ত অচঞ্চল ধ্রুব–জ্যোতি
    অশান্ত এ চিত কর হে সমাহিত সদা আনন্দিত রাখো মতি।।
    দুঃখ–শোক সহি অসীম সাহসে
    অটল রহি যেন সম্মানে যশে
    তোমার ধ্যানের আনন্দ–রসে
    	নিমগ্ন রহি হে বিশ্বপতি।।
    মন যেন না টলে খল কোলাহলে, হে রাজ–রাজ!
    অন্তরে তুমি নাথ সতত বিরাজ, হে রাজ–রাজ!
    বহে তব ত্রিলোক ব্যাপিয়া, হে গুণী,
    ওঙ্কার–সংগীত–সুর–সুরধুনী,
    হে মহামৌনী, যেন সদা শুনি
    	সে সুরে তোমার নীরব আরতি।।
    
  • শ্রীকৃষ্ণ নামের তরীতে কে হবি পার

    বাণী

    শ্রীকৃষ্ণ নামের তরীতে কে হবি পার কৃষ্ণ নামের তরীতে!
    তরাইতে পাপী পতিত মানবে এলো তরী ভব-নদীতে।।
    ডাকিছে আর্তজনে বাঁশির সুরে নাইয়া কানাইয়া ‘আয় আয়’ ব’লে
    মধুর নামের তরী টলমল দোলে আশ্রিতে পারে নিতে।।
    ঘন দুর্দিন-ঘেরা আঁধার সংসার নাম প্রদীপ আশার;
    জপ প্রেম-ভরে তাঁহারই প্রিয় নাম (তরঙ্গে) তরী ডুবিবে না আর।
    তাঁর নাম পারের তরী, কান্ডারি শ্রীচরণ শরণ নে রে তোরা তাঁরই
    নামের আলোকে যাবি রে গোলকে নাম গাহিতে গাহিতে।।
    
  • সখি লো তায় আন ডেকে

    বাণী

    সখি লো তায় আন ডেকে যে গান গেয়ে যায় পথ দিয়ে।
    সই দিব তারে কণ্ঠহার, তার কণ্ঠেরি ঐ সুর নিয়ে॥
    		কারুর পানে নাহি চায়
    	সে 	আপন মনে গেয়ে যায়
    প্রাণ কাঁপে সুরের নেশায় নয়ন আসে ঝিমিয়ে॥
    		সখি লো শুধিয়ে আয়
    		সে শিখিল এ গান কোথায়
    এত মধু তার গলায় কার অধর-সুধা পিয়ে॥
    		যার গানে এত প্রাণ মাতায়
    		না জানি কি হয় দেখ্‌লে তায়
    তার সুর শুনে কেউ প্রাণ পায় কেউ ফেলে প্রাণ হারিয়ে॥