ভজন

  • বনমালার ফুল জোগালি বৃথাই বন-লতা

    বাণী

    বনমালার ফুল জোগালি বৃথাই বন-লতা
    বনের ডালায় কুসুম শুকায়, বনমালি কোথা।।
    	শুকনো পাতার গুনে নূপুর
    	চমকে ওঠে বনে ময়ূর,
    রাস নাই আজ নিরাশ ব্রজে গভীর নীরবতা।।
    যমুনা-জল উজান বেয়ে কদম-তলে আসি’
    ভাটিতে যায় ফিরে, নাহি শু’নে শ্যামের বাঁশি।
    	তমাল-ডালে ঝুলনা আর
    	গোপীরা বাঁধেনি এবার,
    শ্রাবণ এসে কেঁদে শুধায় ঘনশ্যামের কথা।।
    
  • বনে যায় আনন্দ-দুলাল

    বাণী

    বনে যায় আনন্দ-দুলাল
    বাজে চরণে নূপুরের রুনুঝুনু তাল
    বনে যায় গোঠে যায়।
    ও কি নন্দ-দুলাল, ও কি ছন্দ-দুলাল
    ও কি নন্দন-পথ, ভোলা নৃত্য-গোপাল।।
    বেণু-রবে ধেনুগণ আগে যেতে পিছে চায়
    ভক্তের প্রাণ গ'লে উজান বহিয়া যায়
    লুকিয়ে দেখিতে এলো দেবতারি দল (তায়)
    হয়ে কদম তমাল-
    ব্রজ-গোপিকার প্রাণ তার চরণে নূপুর
    শ্রীমতী রাধিকা তার বাশরির সুর।
    সে যে ত্রিলোকের স্বামী তাই ত্রিভঙ্গ-রূপ
    করে বিশ্বের রাখালি সে চির-রাখাল।।
    
  • বরষ গেল আশ্বিন এলো উমা এলো কই

    বাণী

    বরষ গেল, আশ্বিন এলো, উমা এলো কই
    শূন্য ঘরে কেমন করে পরান বেঁধে রই।।
    ‌	ও গিরিরাজ! সবার মেয়ে
    	মায়ের কোলে এলো ধেয়ে,
    আমারই ঘর রইল আঁধার, আমি কি মা নই?
    নাই শাশুড়ি ননদ উমার, আদর করার নাই (কেহ)
    মা অনাদরে কালী সেজে বেড়ায় নাকি তাই।
    	মোর গৌরী বড় অভিমানী,
    	সে বুঝবে না মার প্রাণ-পোড়ানী;
    আনতে তারে সাধতে হবে তার যে স্বভাব ঐ।।
    
  • বর্ণচোরা ঠাকুর এলো রসের নদীয়ায়

    বাণী

    	বর্ণচোরা  ঠাকুর এলো রসের নদীয়ায়
    	তোরা দেখবি যদি আয়
    তারে	কেউ বলে শ্রীমতি রাধা কেউ বলে সে শ্যামরায়।।
    	কেউ বলে তার সোনার অঙ্গে রাধা-কৃষ্ণ খেলেন রঙ্গে;
    ওগো	কেউ বলে তায় গৌর-হরি কেউ অবতার বলে তায়।।
    তার	ভক্ত তারে ষড়ভুজ শ্রী নারায়ণ বলে,
    কেউ	দেখেছে শ্রীবাসের ঘরে কেউ বা নীলাচলে।
    	দুই হাতে তার ধনুর্বাণ ঠিক যেন শ্রীরাম,
    	দুই হাতে তার মোহন বাঁশি যেন রাধা-শ্যাম,
    	আর দু'হাতে দণ্ড ঝুলি নবীন সন্ন্যাসীরই প্রায়।।
    
  • বল দেখি মা নন্দরানী

    বাণী

    	বল দেখি মা নন্দরানী ওগো গোকুলবালা
    (ওমা)	কেমন করে তোদের ঘরে (মা) এলো নন্দলালা।
    	(মা তুই) কোন সাধনায় দধি মথন করে
    	তুললি ননী হৃদয় পাত্র ভরে;
    	তুই সেই নবনি দিয়ে যতন করে
    	(মা তুই) গড়লি কি এই ননীর পুতুল আঁধার চিকনকালা।।
    	অমন রসবিগ্রহ মা গড়তে পারে কে?
    	গোপঝিয়ারি গড়তে পারে কে?
    	গোকুল মেয়ে নস্ তুই মা তুই কুমারের ঝি।
    	(মাগো) তুই নস্ যোগিনী তবু স্বগুণ বলে
    	(মা তুই) শ্রীকৃষ্ণে বাঁধলি উদূখলে
    	(আমায়) সেই যোগ তুই শিখিয়ে দে মা বসেই জপমালা।।
    
  • বহু পথে বৃথা ফিরিয়াছি প্রভু

    বাণী

    বহু পথে বৃথা ফিরিয়াছি প্রভু হইব না আর পথহারা
    বন্ধু স্বজন সব ছেড়ে যায় তুমি একা জাগো ধ্রুবতারা।।
    	মায়ারূপী হায় কত স্নেহ-নদী,
    	জড়াইয়া মোরে ছিল নিরবধি,
    সব ছেড়ে গেল, হারাইনু যদি তুমি এসো প্রাণে প্রেমধারা।।
    ভ্রান্ত পথের শ্রান্ত পথিক লুটায় তোমার মন্দিরে,
    প্রভু আরো যদি কিছু আছে মোর প্রিয় লও বাঁচায়ে বন্দীরে।
    	ডাকি' লও মোরে মুক্ত আলোকে
    	তব আনন্দ-নন্দন-লোকে,
    শান্ত হোক এ ক্রন্দন, আর সহে না এ বন্ধন-কারা।।
    
  • ব্যথিত প্রাণে দানো শান্তি

    বাণী

    ব্যথিত প্রাণে দানো শান্তি, চিরন্তন, ধ্রুব-জ্যোতি।
    দুখ-তাপ-পীড়িত-শোকার্ত এই চিত যাচে তব সান্ত্বনা ত্রিভুবন-পতি।।
    বেদনা যাতনা ক্লেশ মুক্ত কর, বিপদ নিবার, সব বিঘ্ন হর,
    আঁধার পথে তুমি হাত ধরো, প্রভু অগতির গতি।।
    সকল গ্লানি হতে হে নাথ বাঁচাও, চিত্তে অটল প্রসন্নতা দাও
    যেন সুখে ও দুখে সদানন্দে থাকি, অবিচল থাকে যেন তব পদে মতি।।
    
  • ব্রজ-দুলাল ঘন শ‍্যাম

    বাণী

    ব্রজ-দুলাল ঘন শ‍্যাম
    মোর হৃদে কর বিহার হে।।
    নব অনুরাগের জ্বালায়ে বাতি
    অঙ্গে অঙ্গে রাখি তব শেজ পাতি’
    গাঁথি অশ্রু-মোতিহার হে।।
    আরতি-প্রদীপ আঁখিতে জ্বালায়ে রাখি
    পথ-পানে চাহি বার বার হে।।
    নিবেদন করি নাথ তব চরণে
    নিত্য পূজা-উপচার হে
    বিরহ-গন্ধ ধূপ বেদনা চন্দন
    পূজাঞ্জলি আঁখি-ধার হে
    দেবতা এসো, খোল দ্বার হে।।
    
  • ব্রজগোপাল শ্যাম সুন্দর

    বাণী

    ব্রজগোপাল শ্যাম সুন্দর
    যশোদা দুলাল শিশু নটবর॥
    নন্দ নন্দন নয়নানন্দ
    চরণে মধুর সৃজন ছন্দ
    ভুবন মোহন কৃষ্ণচন্দ্র
    অপরূপ রূপ হেরে চরাচর॥
    কোটি গ্রহতারা চরণে নূপুর
    ওঙ্কার ধ্বনি বাঁশরির সুর।
    বঙ্কিম আঁখি বাঁকা শিখীপাখা
    বাঁকা শ্রীচরণ ভঙ্গিমা বাঁকা
    কৃষ্ণময় শ্রীঅঙ্গ ডাকা
    করাল মধুর প্রভু গিরিধর॥
    
  • ভুবনময়ী ভবনে এসো

    বাণী

    ভুবনময়ী ভবনে এসো সীমার মাঝে এসো অসীমা।
    ভক্ত মনের মাধুরী দিয়ে গড়িয়াছি মা তোমার প্রতিমা।।
    	চিন্ময়ী গো ধর মৃন্ময়ীরূপ
    	কত যুগ মাগো জ্বলিবে পূজাধূপ
    মানসপটে বোধন ঘটে হও চির আসীনা করুণাময়ী মা।।
    সে কোন অতীতে সুদূর ত্রেতায় এসেছিলে মা অশিব নাশিনী
    আসিলে না আর ধূলির ধরায় দিলে না মা বর অমৃত ভাষিণী।
    	কত যুগ গেল কত বরষ মাস
    	কত বিফল পূজা কত কাঁদন হুতাশ
    জাগ যোগমায়া যোগনিদ্রা ভোল পুন বিশ্বে প্রচার হোক্‌ তব মহিমা।।
    
  • ভুলে রইলি মায়ায় এসে ভবে

    বাণী

    দ্বৈত	:	ভুলে রইলি মায়ায় এসে ভবে
    		তুই ভুলবি ভুলের খেলা কবে॥
    স্ত্রী	:	নিবু নিবু তোর জীবন-বাতি শেষ হলো সুখ-রাতি,
    পুরুষ	:	রাত পোহালে সুখের সাথী সঙ্গে নাহি রবি॥
    স্ত্রী	:	যাঁর কৃপায় তুই রইলি সুখে ডাক্‌লি না রে তারে
    পুরুষ	:	তুই কি নিয়ে হায় তাহার কাছে যাবি পরপারে।
    স্ত্রী	:	জমালি যা তুই জীবন ভ’রে পিছু প’ড়ে রবে
    পুরুষ	:	দারাসুত লবে বিভব রতন পাপের বোঝা নাহি লবে॥
    স্ত্রী	:	স্রোতের মতো সময যে যায় নিয়ে শরণ প্রভুর পায়
    পুরুষ	:	কৃপা-সিন্ধুর কৃপা পেলে ত’রে যাবি তুই তবে॥
    
  • ভেঙো না ভেঙো না ধ্যান

    বাণী

    ভেঙো না ভেঙো না ধ্যান হে আমার ধ্যানের দেবতা।
    পূজা লহ, অর্ঘ্য লহ ক’য়ো না ক’য়ো না কথা।।
    পাষাণ মূরতি তুমি পাষাণ হইয়া থাকো,
    মন্দির-বেদী হতে ধরার ধূলায় নেমো নাকো।
    তুমিও মাটির মানুষ বুঝায়ে দিও না ব্যথা।।
    সহিবে সকলি স্বামী হেনো হেলা ব্যথা দিও,
    সহিবে না অপমান ভালোবাসার আমার হে প্রিয়,
    থাক তুমি হিয়ার মাঝে তোমার মন্দির যথা।।
    
  • মন লহ নিতি নাম রাধা শ্যাম গাহো

    বাণী

    মন লহ নিতি নাম রাধা শ্যাম গাহো হরি গুণ গান।
    তব ধন জন প্রাণ, যাহার কৃপার দান
    জপ তারি নাম জয় ভগবান জয় ভগবান।।
    জনক-জননীর স্নেহে তাঁহার হেরিস্‌ তুই স্নেহময়,
    ভাই ভগিনীর প্রীতিতে যাঁর, শান্ত মধুর পরিচয়।
    প্রণয়ী বন্ধুর মাঝে, যাঁর প্রেম রূপ বিরাজে;
    পুত্র কন্যা-রূপে সেই জুড়ায় তাপিত পরান।।
    তৃষ্ণা ক্ষুধায় সেই কৃষ্ণেরি লীলা,
    হাসে শ্যাম শস্যে কুসুমে রঙিলা;
    তরঙ্গে ছলছল আঁখি জল-নীলা,
    	কল-ভাষা নদী-কলতান।
    দেয় দুখ্‌ শোক সেই, পুন সেই করে ত্রাণ।
    জয় ভগবান, জয় ভগবান, জয় ভগবান।।
    
  • মম প্রাণ-শতদল হোক প্রণামী-কমল

    বাণী

    মম প্রাণ-শতদল হোক প্রণামী-কমল (ওগো) তব চরণে
    আমার এ হৃদয় নাথ হোক তন্ময় তোমারি স্বরণে তোমারি স্বরণে॥
    তব পূজার বেদী হোক আমার এ মন
    হোক্ আরতি-প্রদীপ মোর এ দুটি নয়ন
    নাথ, লহ মোরে পায় তোমারি সেবায় জীবনে-মরণে॥
    মম দুঃখে সুখে মম তৃষিত বুকে তুমি বিরাজ,
    মোর সকল কাজে বীণা-বেণু সম নিশিদিন বাজো॥
    মোর দেহখানি, নাথ চন্দন প্রায়
    হোক্ ক্ষয় তব মন্দির-পাষাণ-শিলায়,
    পাই যেন লয়, নাথ, তব সৃষ্টির রূপে বরণে॥
    
  • মাতৃ নামের হোমের শিখা

    বাণী

    মাতৃ নামের হোমের শিখা আমার বুকে কে জ্বালালো
    সেই শিখা আজ হরবে যেন মা ত্রিজগতের আঁধার কালো।।
    	আজ মনে হয় দিবস যামী
    	অমৃতেরই পুত্র আমি মা
    আনন্দময় হল ত্রিলোক যেদিকে চাই কেবল আলো।।
    সূর্য যেমন জানে না, তার আলোয় কত জগৎ জাগে,
    বিকার-বিহীন তেমনি আমি, জ্বলি নামের অনুরাগে।
    	হয়তো আমার আলো লেগে
    	নতুন সৃষ্টি উঠবে জেগে,
    তাই কি বিপুল আকর্ষণে সবারে চাই বাস্‌তে ভালো।।
    
  • মাধব বংশীধারী বনওয়ারী

    বাণী

    মাধব বংশীধারী বনওয়ারী গোঠ-চারী গোবিন্দ কৃষ্ণ মুরারী।
    গোবিন্দ কৃষ্ণ মুরারি হে পাপ-তাপ-দুখ-হারী।।
    কালরূপ কভু দৈত্য-নিধনে, চিকন কালা কভু বিহর বনে,
    কভু বাজাও বেণু, খেল ধেনু-সনে,
    কভু বামে রাধা প্যারী, গোপ-নারী মনোহারি, নিকুঞ্জ-লীলা-বিহারী।।
    কুরুক্ষেত্র-রণে পান্ডব-মিতা, কন্ঠে অভয়বাণী ভগবদ্-গীতা,
    পূর্ণ ভগবান পরম পিতা, শঙ্খ-চক্র-গদাধারী,
    পাপ-তারী, কান্ডারি ত্রিভুবন সৃজনকারী।।
    
  • মোর বেদনার কারাগারে জাগো

    বাণী

    মোর  বেদনার কারাগারে জাগো, জাগো- বেদনাহারী হে মুরারি।
    	অসীম দুঃখ ঘেরা কৃষ্ণা তিথিতে এসো এসো হে কৃষ্ণ গিরিধারী।।
    	ব‍্যথিত এ চিত দেবকীর সম মূর্ছিত পাষাণেরি ভারে
    	ডাকে প্রাণ-যাদব, এসো এসো মাধব উথলিছে প্রেম আঁখিবারি
    		মুরারি উথলিছে প্রেম আঁখিবারি।।
    	হৃদয়-ব্রজে মম ভক্তি প্রীতি জাগিয়া আছে আশায়,
    কদম্ব ফুল সম উঠিছে শিহরি’ মম শ‍্যাম-বরষায়।
    ওগো বনশীওয়ালা, তব না শোনা বাঁশি
    	শোনে অনুরাগ রাধা প্রণয় পিয়াসি,
    গোপন ধ‍্যানের মধুবনে তব নুপুর শুনি, হে কিশোর বনচারী।।
    
  • মোর মন ছুটে যায় দ্বাপর যুগে

    বাণী

    উভয়		:	মোর মন ছুটে যায় দ্বাপর যুগে দূর দ্বারকায় বৃন্দাবনে।
    স্ত্রী+উভয়ে	:	মোর মন হ’তে চায় ব্রজের রাখাল খেলতে রাখাল-রাজার সনে॥
    স্ত্রী		:	রূপ ধরে না বিশ্বে যাহার
    			দেখতে সাধ যায় কিশোর-রূপ তার
    পুরুষ		:	কেমন মানায় নরের রূপে অনন্ত সেই নারায়ণে॥
    স্ত্রী		:	সাজ্‌ত কেমন শিখী-পাখা বাজ্‌ত কেমন নূপুর পায়ে,
    পুরুষ		:	থির কেমনে থাক্‌ত ধরা নাচ্‌ত যখন তমাল-ছায়ে।
    উভয়		:	মা যশোদা বাঁধ্‌ত যখন কাঁদ্‌ত ভগবান কেমনে॥
    স্ত্রী		:	সাজ্‌ত কেমন বন-মালায় বিশ্ব যাহার অর্ঘ্য সাজায়;
    পুরুষ		:	যোগী-ঋষি পায় না ধ্যানে গোপ-বালা কেমনে পায়।
    উভয়		:	তেম্‌নি ক’রে কালার প্রেমে সব খোয়াব এই জীবনে॥
    
  • মোর শ্যাম সুন্দর এসো

    বাণী

    মোর শ্যাম সুন্দর এসো।
    প্রেমের বৃন্দাবনে এসো হে ব্রজধাম-সুন্দর এসো।।
    এসো হৃদয়ে হৃদয়েশ মোর নয়নের আগে এসো হে।
    মোর নব-অনুরাগে এসো শ্যাম কোটি-কাম-সুন্দর এসো।।
    রস মানস গঙ্গার কূলে রসরাজ এসো এসো হে।
    এসো মুরলী বাজায়ে এসো হে, এসো ময়ূর নাচায়ে এসো হে মধাব,
    মধু-বনমাঝে, এসো এসো হে।।
    মোর মুখের ভাষায় এসো, মোর প্রাণের আশায় এসো।
    নবীন নীরদ ঘনশ্যাম রূপে রূপ-পিপাসায় এসো
    এসো মদন-মোহন শোভন অভিরাম-সুন্দর এসো।।
    
  • মোরে পূজারি কর তোমার

    বাণী

    মোরে পূজারি কর তোমার ঠাকুর ঘরে হে ত্রিজগতের নাথ।
    মোর সকল দেহ লুটাক তোমার পায়ে (হয়ে) একটি প্রণিপাত।।
    	নিত্য যেন তোমারি মন্দিরে
    	চিত্ত আমার ব্যাকুল হয়ে ফিরে
    গ্রহ যেমন সূর্যলোক ঘিরে ঘুরে দিবস রাত।।
    মোর নয়ন যেন তোমারি রূপ হেরে সকল দেখার মাঝে
    যেন এ রসনা জপে তোমারি নাম হে নাথ সকল কাজে।
    	তোমার চরণ রয় যে শতদলে
    	তারি পানে মোর মন যেন চলে
    নিত্য তোমায় নমস্কারের ছলে (যেন) যুক্ত থাকে হাত।।