কাহার্‌বা

  • শিউলি ফুলের মালা দোলে

    বাণী

    শিউলি ফুলের মালা দোলে শারদ-রাতের বুকে ঐ
    এমন রাতে একলা জাগি সাথে জাগার সাথি কই।
    	বকুল বনে এক্‌লা পাখি,
    	আকুল হ’ল ডাকি’ ডাকি’,
    আমার প্রাণ থাকি’ থাকি’ তেমনি কেঁদে১ ওঠে সই।।
    কবরীতে করবী ফুল পরিয়া প্রেমের গরবিনী
    ঘুমায় বঁধু-বাহু পাশে, ঝিমায় দ্বারে নিশীথিনী।
    ডাকে আমায় দূরের বাঁশি কেমনে আজ২ ঘরে রই।।
    

    ১. ডেকে, ২. আর

  • শুকনো পাতার নূপুর পায়ে

    বাণী

    শুকনো পাতার নূপুর পায়ে
    		নাচিছে ঘুর্ণিবায়
    জল তরঙ্গে ঝিল্‌মিল্‌ ঝিল্‌মিল্‌
    		ঢেউ তুলে সে যায়।।
    দীঘির বুকে শতদল দলি’
    ঝরায়ে বকুল–চাঁপার কলি
    চঞ্চল ঝরনার জল ছল ছলি
    		মাঠের পথে সে ধায়।।
    বন–ফুল আভরণ খুলিয়া ফেলিয়া
    আলুথালু এলোকেশ গগনে মেলিয়া
    পাগলিনী নেচে যায় হেলিয়া দুলিয়া
    		ধূলি–ধূসর কায়।।
    ইরানি বালিকা যেন মরু–চারিণী
    পল্লীর–প্রান্তর–বনমনোহারিণী
    আসে ধেয়ে সহসা গৈরিক বরণী
    		বালুকার উড়্‌নি গায়।।
    
  • শুকসারী সম তনু মন মম

    বাণী

    শুকসারী সম তনু মন মম নিশিদিন গাহে তব নাম।
    শুকতারা সম ছলছল আঁখি পথ চেয়ে থাকি ঘনশ্যাম।।
    	হে চির সুন্দর আধো রাতে আসি’
    	বল বল কে বাজায় আশার বাঁশি,
    কেন মোর জীবন-মরণ শ্রীহরি তব শ্রীচরণে সঁপিলাম।
    কেন গোপন রোদনের যমুনায় জোয়ার আসে?
    কেন নব নীরদ মায়া ঘনায় হৃদি-আকাশে।
    	দেখা যদি নাহি দেবে কেন মোরে ডাকিলে
    	কেন, অনুরাগ-তিলক ললাটে আঁকিলে
    কেন কুহু কেকা সম বিরহ অভিমান অন্তরে কাঁদে অবিরাম।।
    
  • শুধু নামে যাঁহার এত মধু সে বঁধু কেমন

    বাণী

    শুধু নামে যাঁহার এত মধু সে বঁধু কেমন
    শুধু নাম শুনে যাঁর জাগে জোয়ার পরানে এমন।।
    	শুধু যাহার বাঁশির সুরে
    	আমার এত নয়ন ঝুরে
    ওগো না জানি তার রূপ কেমন মদন-মোহন।।
    সে বুঝি লো' অপরূপ সে চির-নতুন
    বাঁশির সুরের মতো আঁখি-সকরুণ।
    	তারে আমি দেখি যদি
    	কাঁদিব কি নিরবধি
    ওগো, যেমন ক'রে ঐ যমুনা কাঁদে অনুক্ষণ।।
    
  • শূন্য আজি গুল-বাগিচা যায় কেঁদে দখিন হাওয়া

    বাণী

    শূন্য আজি গুল-বাগিচা যায় কেঁদে দখিন হাওয়া।
    রাঙা গুলের বাজার আজি স্মৃতির কাটায় ছাওয়া।।
    ধূলি ঢাকা ফুল সমাধি আজি সে গুলিস্তানে
    ছিল যথায় খুশির জলসা বুলবুলির গজল গাওয়া।।
    শুকনো পাতায় ছেয়েছে আজ সাকির চরণ রেখা
    নাহি সেথায় বঁধুর লাগি বঁধূর আসা-যাওয়া।।
    নাহি মিঠা পানির নহর আছে প'ড়ে বালুচর
    এ যেন গো হৃদয়ের ভরা-ডুবির পথ বাওয়া।।
    
  • শোন শোন ইয়া ইলাহী আমার মোনাজাত

    বাণী

    শোন শোন, ইয়া ইলাহী,
    	আমার মোনাজাত।
    তোমারি নাম জপে যেন,
    	(আমার) হৃদয় দিবস-রাত।।
    যেন কানে শুনি সদা
    তোমারি কালাম হে খোদা,
    (আমি) চোখে যেন দেখি শুধু,
    	(দেখি) কোরআনের আয়াত।।
    মুখে যেন জপি আমি
    কলেমা তোমার দিবস-যামী,
    (তোমার) মসজিদেরি ঝাড়ু-বরদার,
    	(খোদা) হোক আমার এ হাত।
    সুখে তুমি, দুখে তুমি,
    চোখে তুমি, বুকে তুমি,
    এই পিয়াসি প্রাণে খোদা
    	(খোদা) তুমি আবহায়াত।।
    
  • শ্যাম সুন্দর মন-মন্দিরমে আও

    বাণী

    শ্যাম সুন্দর মন-মন্দিরমে আও আও।
    হৃদয়-কুঞ্জমে রাধা নাম কি বন্‌শী শুনাও শুনাও।।
    	বহতা যমুনা নয়ন-নীরকে
    	আও শ্যাম ওহি যমুনা তীরপে,
    বয়ঠি বনঠন ভক্তি-গোপীন কাহে তুম বিল্‌মাও আও আও।।
    চঞ্চল মোহন চরণ-কমল পে নুপুর বাজাও,
    প্রীতি চন্দন মনকে মেরে লেকে অঙ্গ সাজাও।
    	বিরহ কি মৌর পাপিহা বোলে
    	প্রেম কি নাইয়া ডগমগ ডোলে,
    আও কানাইয়া রাস রচাইয়া মধুর সুরত দেখ্‌লাও, আও আও।।
    
  • শ্যামা নামের ভেলায় চ'ড়ে

    বাণী

    শ্যামা নামের ভেলায় চ'ড়ে কাল-নদীতে দুলি।
    ঘাটে ঘাটে ঘটে ঘটে (আমি) সুরের লহর তুলি।।
    	কাল-তরঙ্গে ভাসিয়ে অঙ্গ,
    	দেখে বেড়াই কত রঙ্গ,
    কায়ায় কায়ায় রঙ-বেরঙের (ওরে) শত মায়ার ঠুলি।।
    জন্মান্তর ঘাটে ঘাটে ভাসি উঠি ডুবি
    মা নিশিদিন ডাকে আমায়, 'ওরে আয় আমারে ছুঁবি'।
    	মোরে কাল-স্রোতে ভাসানের ছলে
    	মা লীলা দেখান নাট-মহলে
    ওই খেলার (ছলে) শেষে আপনি এসে (মা) বক্ষে নেবেন তুলি।।
    
  • শ্যামা নামের লাগলো আগুন

    বাণী

    শ্যামা নামের লাগলো আগুন আমার দেহ ধূপ–কাঠিতে।
    যত জ্বলি সুবাস তত ছড়িয়ে পড়ে চারিভিতে।।
    		ভক্তি আমার ধূমের মত
    		উর্দ্ধে ওঠে অবিরত,
    শিব–লোকের দেব–দেউলে মা’র শ্রীচরণ পরশিতে।।
    ওগো অন্তর–লোক শুদ্ধ হল পবিত্র সেই ধূপ–সুবাসে,
    মা’র হাসিমুখ চিত্তে ভাসে চন্দ্রসম নীল আকাশে।
    		যা কিছু মোর পুড়ে কবে
    		চিরতরে ভস্ম হবে
    মা’র ললাটে আঁকব তিলক সেই ভস্ম–বিভূতিতে।।
    
  • শ্যামের সাথে চল সখি খেলি সবে হোরি

    বাণী

    শ্যামের সাথে চল সখি খেলি সবে হোরি।
    রঙ নে, রঙ দে, মদির আনন্দে, আয় লো বৃন্দাবনী গোরী।।
    আয় চপল যৌবন-মদে মাতি অল্প-বয়সী কিশোরী।।
    রঙ্গিলা গালে তাম্বুল-রাঙা ঠোঁটে হিঙ্গুল রঙ লহ ভরি;
    ভুরু-ভঙ্গিমা সাথে রঙ্গিম হাসি পড়ুক মুহু মুহু ঝরি’।।
    আগুন-রাঙা ফুলে ফাগুন লাগে লাল,
    কৃষ্ণচূড়ার পাশে অশোক গালে-গাল।
    আকুল করে ডাকি’ বকুল বনের পাখি,
    যমুনার জল লাল হ’ল আজ আবির, ফাগের রঙে ভরি।।১
    

    ১. শ্যাম অঙ্গ আজি রঙে রঙে রাঙা হয়ে কি শোভা ধরেছে মরি! মরি!

  • শ্রান্ত-ধারা বালুতটে শীর্ণা-নদীর গান

    বাণী

    শ্রান্ত-ধারা বালুতটে শীর্ণা-নদীর গান
    সেই সুরে গো বাজবে আমার করুণ বাঁশির তান॥
    সাথী-হারা একেলা পাখি, যে-সুরে যায় বনে ডাকি’
    সেই সুরেরি কাঁদন মাখি’ বিধুর আমার প্রাণ॥
    দিন শেষের ম্লান আলোতে ঘনায় যে বিষাদ
    আমার গানে জড়িয়ে আসে তারই অবসাদ।
    ঝরা-পাতার মরমরে, বাদল-রাতে ঝরঝরে
    বাজে আমার গানের সুরে গোপন অভিমান॥
    
  • শ্রাবণ রাতের আঁধারে নিরালা ব’সে

    বাণী

    শ্রাবণ রাতের আঁধারে নিরালা ব’সে আছি বাতায়নে
    রেবা নদীর খরস্রোত বহে বেগে আমার মনে॥
    		দিগন্তে করুণ কাতর
    		শুনি কার ক্রন্দন স্বর
    ভেসে বন-মর্মর ঝরঝর সজল উতল পুবালি পবনে॥
    বিরহী যক্ষ কাঁদে একাকী কোথায় কোন্ দূর চিত্রকূটে
    আমার গানে যেন তার বেদনার সকরুণ ভাষা ফুটে।
    		আমার মনের অলকায়
    		কোন্ বিরহিণী পথ চায়
    মালবিকার আঁখি-ধার ঝরে হায় অঝোর ধারায় মোর নয়নে॥
    
  • শ্রী রঘুপতি রাম লহ প্রণাম

    বাণী

    দ্বৈত	:	শ্রী রঘুপতি রাম
    		লহ প্রণাম শ্রী রঘুপতি রাম
    		নব দূর্বাদল শ্যাম অভিরাম।
    স্ত্রী	:	সুরাসুর কিন্নর যোগী ঋষি নর
    পুরুষ	:	চরাচর যে নাম জপে অবিরাম॥
    স্ত্রী	:	সরযূ নদীর জল ছল ছল কান্তি
    পুরুষ	:	ঢল ঢল অঙ্গ ললাটে প্রশান্তি
    স্ত্রী	:	নাম স্মরণে টোটে শোক তাপ ভ্রান্তি
    দ্বৈত	:	পদারবিন্দে মূরছিত কোটি কাম॥
    স্ত্রী	:	জানকী বল্লভ সুঠাম অঙ্গ
    পুরুষ	:	পরশে নিমেষে হয় হরধনু ভঙ্গ
    দ্বৈত	:	রাবণ ভয় হরে যাঁহার নাম॥
    স্ত্রী	:	পিতৃ সত্যব্রত পালনকারী
    পুরুষ	:	চির বল্কলধারী কাননচারী
    দ্বৈত	:	প্রজারঞ্জন লাগি সর্বসুখ ত্যাগী
    		যে নামে ধরা হল আনন্দধাম॥
    
  • শ্রীকৃষ্ণ নাম মোর জপ-মলা নিশিদিন

    বাণী

    শ্রীকৃষ্ণ নাম মোর জপ-মলা নিশিদিন শ্রীকৃষ্ণ নাম মোর ধ্যান।
    শ্রীকৃষ্ণ বসন শ্রীকৃষ্ণ ভূষণ ধরম করম মোর জ্ঞান।।
    শয়নে স্বপনে ঘুমে জাগরণে বিজড়িত শ্রীকৃষ্ণ নাম (মোর)
    কৃষ্ণ আত্মা মম কৃষ্ণ প্রিয়তম ওই নাম দেহ মন প্রাণ।।
    কৃষ্ণ নয়ন-ধার কৃষ্ণ গলার হার এ হৃদয় তাঁরি ব্রজধাম
    ঐ নাম-কলঙ্ক ললাটে আঁকিয়া গো ত্যাজিয়াছি লাজ কুল মান।।
    

  • শ্রীকৃষ্ণ নামের তরীতে কে হবি পার

    বাণী

    শ্রীকৃষ্ণ নামের তরীতে কে হবি পার কৃষ্ণ নামের তরীতে!
    তরাইতে পাপী পতিত মানবে এলো তরী ভব-নদীতে।।
    ডাকিছে আর্তজনে বাঁশির সুরে নাইয়া কানাইয়া ‘আয় আয়’ ব’লে
    মধুর নামের তরী টলমল দোলে আশ্রিতে পারে নিতে।।
    ঘন দুর্দিন-ঘেরা আঁধার সংসার নাম প্রদীপ আশার;
    জপ প্রেম-ভরে তাঁহারই প্রিয় নাম (তরঙ্গে) তরী ডুবিবে না আর।
    তাঁর নাম পারের তরী, কান্ডারি শ্রীচরণ শরণ নে রে তোরা তাঁরই
    নামের আলোকে যাবি রে গোলকে নাম গাহিতে গাহিতে।।
    
  • সই কই লো আমার ঘর নিকোবার

    বাণী

    স্ত্রী	:	সই কই লো আমার ঘর নিকোবার ন্যাতা।
    পুরুষ	:	আহা ন্যাতা নয় গো শীতের কাঁথা এই যে আমি হেথা॥
    স্ত্রী	:	সই-লো ওলো সই, আমার ছাই ফ্যালবার ভাঙাদ কুলো কই ?
    পুরুষ	:	কুলোর বাতাস চুলোর ছাই
    		স্বামী বলো কিম্বা ভাই, (ওলো) এই যে তোমার আমি।
    উভয়ে	:	মিলেছি রাজ যোটক দুয়ে
    পুরুষ	:	গিঁটে বাত ওরে বাবা রে বাবা গিঁটে বাত
    স্ত্রী	:	আর ফিকের ব্যথা, ওরে মা রে, মা আর ফিকের ব্যথা॥
    		ওলো সই বাপের বাড়ি যাব আমি এ ঘরে রব না,
    পুরুষ	:	দেখো পুরুষের রাগ করে আনাগোনা
    		আমিও যাব শ্বশুর বাড়ি, ওরে রেমো নিয়ে আয় ব্যাগ ছাতা।
    উভয়ে	:	নথে এবং নাথে এম্‌নি যুদ্ধ।
    পুরুষ	:	গুঁতোগুতি
    স্ত্রী	:	জড়াজড়ি
    পুরুষ	:	ছাতা-ছড়ি
    স্ত্রী	:	খুনতি-বেড়ী
    উভয়ে	:	হাতা॥
    
  • সই নদীর পারে বকুল তলায় সুবাস শীতল ছায়

    বাণী

    		সই নদীর পারে বকুল তলায় সুবাস শীতল ছায়
    (সখি)	আকুল তাহার আঁখি দুটি কাহার পানে চায়॥
    		সই যা না লো দাঁড়ায়ে, কাঁটা বিঁধেছে মোর পায়ে
    		তোরা দাঁড়া সখি ক্ষণেক, (সখি) ওকি হাসিস্ কেন হায়॥
    		আমার কলসিটি যে ভারি, ডালে বেঁধেছে মোর শাড়ি
    		তোরা বলিস ছলে হেরি ওরে (ওলো) ছি ছি একি দায়!
    		যদি হেরেই থাকি ওরে, তোরা দুষিস্ কেন মোরে
    ওলো		আমার আমি বশে নাই মোর (পাগল) আঁখির নেশায়॥
    
  • সই পলাশ-বনে রঙ ছড়ালো কে

    বাণী

    সই,পলাশ-বনে রঙ ছড়ালো কে?
    সেই রঙে রঙিন মানুষটিরে কাছে ডেকে দে,লো।
    	সে ফাগুন জাগায় আগুন লাগায়,
    	স্বপন ভাঙায় হৃদয় রাঙায় রে,
    তা'রে ধরতে গেলে পালিয়ে সে যায় রঙ ছুঁড়ে চোখে।।
    সে ভোরের বেলায় ভ্রমর হয়ে পদ্মবনে কাঁদে
    তারা বাঁকা ধনুক যায় দেখা ঐ সাঁঝ-আকাশের চাঁদে।
    	সেই গভীর রাতে আবির হাতে
    	রঙ খেলে ফুল-পরীর সাথে লো
    তার রঙিন সিঁথি দেখি প্রজাপতির পালকে।।
    

  • সই ভালো করে বিনোদ বেণী

    বাণী

    সই		ভালো ক’রে বিনোদ–বেণী বাঁধিয়া দে
    মোর		বঁধু যেন বাঁধা থাকে বিননী–ফাঁদে।।
    সই		বাঁধিতে সে বাঁধন–হারা বনের হরিণ
    সই		জড়ায়ে দে জরীণ ফিতা মোহন ছাঁদে।।
    সই		চপল পুরুষ সে তাই কুরুশ কাঁটায়
    		রাখিব খোঁপারি সাথে বিঁধিয়া লো তায়।
    তাহে		রেশমি জাল বিছায়ে দে ধরিতে চাঁদে।।
    		প্রথম প্রণয়–রাগের মত আলতা রঙে
    		রাঙায়ে দে চরণ মোর এমনি ঢঙে।
    সই		পায়ে ধ’রে সে যেন লো আমারে সাধে।।
    
  • সকরুণ নয়নে চাহ আজি মোর

    বাণী

    সকরুণ নয়নে চাহ আজি মোর বিদায়-বেলা
    ভুলিতে দাও বিদায়-দিনে হেনেছ যে অবহেলা॥
    হাসিয়া কহ কথা আজ হাসিতে যেমন আগেতে
    হেরিবে মোর জীবন-সাঁঝে গোধূলি রঙের খেলা॥
    হে বন্ধু, বন্ধুর পথে কে কাহার হয়েছে সাথি
    তেমনি থাকিয়া যায় সব যাবার যে যায় সে একেলা॥