কাহার্‌বা

  • কে বলে গো তুমি আমার নাই

    বাণী

    কে বলে গো তুমি আমার নাই?
    তোমার গানে পরশ তব পাই।।
    তোমায়-আমায় এই নীরবে
    জানাজানি অনুভবে,
    তোমার সুরের গভীর রবে আমারি কথাই।।
    হে বিরহী আমায় বারে বারে
    স্মারণ করো সুরের সিন্ধু পারে
    ওগো গুণী পেয়ে মায়
    যদি তোমার গান থেমে যায়,
    উঠবে কাঁদন সুরের সভায় চাই না কাছে তাই।।
    
  • কে বিদেশি বন-উদাসী

    বাণী

    কে বিদেশি		বন-উদাসী'
    বাঁশের বাঁশি		বাজাও বনে।
    সুর-সোহাগে	তন্দ্রা লাগে
    কুসুম-বাগের	গুল-বদনে।।
    ঝিমিয়ে আসে	ভোমরা-পাখা
    যুথীর চোখে		আবেশ মাখা
    কাতর ঘুমে		চাঁদিমা রাকা
    ভোর গগনের	দর-দালানে
    দর-দালানে		ভোর গগনে।।
    লজ্জাবতীর		লুলিত লতায়
    শিহর লাগে		পুলক-ব্যথায়
    মালিকা সম		বঁধুরে জড়ায়
    বালিকা-বঁধু		সুখ-স্বপনে।।
    বৃথাই গাঁথি		কথার মালা
    লুকাস কবি		বুকের জ্বালা,
    কাঁদে নিরালা	বনশিওয়ালা
    তোরি উতলা	বিরহী মনে।।
    
  • কে সাজালো মাকে আমার

    বাণী

    	কে সাজালো মাকে আমার বিসর্জনের বিদায় সাজে
    	আজ সারাদিন কেন এমন করুণ সুরে বাঁশি বাজে॥
    	আনন্দেরি প্রতিমাকে হায়, বিদায় দিতে পরান নাহি চায়
    	মা-কে ভাসিয়ে জলে কেমন করে রইব আঁধার ভবন মাঝে॥
    মা’র	আগমনে বেজেছিল প্রাণে নূতন আশার বাঁশি
    	দুঃখ শোক ভয় ভুলেছিলাম দেখে মা অভয়ার মুখের হাসি।
    	মা দশ হাতে আনন্দ এনেছিল, বিশ হাতে আজ দুঃখ ব্যথা দিল
    মা	মৃন্ময়ীকে ভাসিয়ে জলে, পাব চিন্ময়ীকে বুকের মাঝে॥
    
  • কেউ ভোলে না কেউ ভোলে

    বাণী

    কেউ		ভোলে না কেউ ভোলে অতীত দিনের স্মৃতি
    কেউ		দুঃখ ল’য়ে কাঁদে কেউ ভুলিতে গায় গীতি।।
    কেউ		শীতল জলদে হেরে অশনির জ্বালা
    কেউ		মুঞ্জরিয়া তোলে তার শুষ্ক কুঞ্জ–বীথি।।
    হেরে		কমল–মৃণালে কেউ কাঁটা কেহ কমল।
    কেউ		ফুল দলি’ চলে কেউ মালা গাঁথে নিতি।।
    কেউ		জ্বালে না আর আলো তার চির–দুখের রাতে,
    কেউ		দ্বার খুলি’ জাগে চায় নব চাঁদের তিথি।।
    
  • কেঁদে যায় দখিন-হাওয়া

    বাণী

    কেঁদে যায় দখিন-হাওয়া ফিরে ফুল-বনের গলি।
    ‘ফিরে যাও চপল পথিক’, দু’লে কয় কুসুম-কলি।
    		দু’লে কয় কুসুম-কলি॥
    ফেলিছে সমীর দীরঘ শ্বাস —  
    আসিবে না আর এ মধুমাস,
    কহে ফুল, ‘জনম জনম এমনি গিয়াছ ছলি’।
    		জনম জনম গিয়াছ ছলি’॥
    কাঁদে বায়, ‘নিদাঘ আসে
    আমি যাই সুদূর বাসে’,
    ফুটে ফুল হাসিয়া ভাসে, ‘প্রিয়তম যেয়োনা চলি’।
    		ওগো প্রিয়তম যেয়োনা চলি’॥
    

  • কেন আসিলে ভালোবাসিলে

    বাণী

    কেন আসিলে ভালোবাসিলে দিলে না ধরা জীবনে যদি।
    বিশাল চোখে মিশায়ে মরু চাহিলে কেন গো বে–দরদী।।
    		ছিনু অচেতন আপনা নিয়ে
    		কেন জাগালে আঘাত দিয়ে
    তব আঁখিজল সে কি শুধু ছল একি মরু হায় নহে জলধি।।
    ওগো কত জনমের কত সে কাঁদন করে হাহাকার বুকেরি তলায়
    ওগো কত নিরাশায় কত অভিমান ফেনায়ে ওঠে গভীর ব্যথায়।
    মিলন হবে কোথায় সে কবে কাঁদিছে সাগর স্মরিয়া নদী।।
    
  • কেন চাঁদিনী রাতে মেঘ আসে ছায়া ক’রে

    বাণী

    কেন চাঁদিনী রাতে মেঘ আসে ছায়া ক’রে।
    সুখের বাসরে কেন, প্রাণ ওঠে বিষাদে ভ’রে।।
    কেন মিলন রাতে, সলিল আঁখি পাতে,
    কেন ফাগুন প্রাতে, সহসা বারি ঝরে।।
    ডাকিয়া ফুলবনে, থাকে সে আনমনে,
    কাঁদায় নিরজনে, কাঁদে কে কিসের তরে।।
    
  • কেন তুমি কাঁদাও মোরে হে মদিনাওয়ালা

    বাণী

    কেন তুমি কাঁদাও মোরে, হে মদিনাওয়ালা!
    অবরোধবাসিনী আমি কুলের কুলবালা।।
    ঈদের চাঁদের ইশারাতে কেন ডাক নিঝুম রাতে,
    হাসিন ইউসুফ! জুলেখারে কত দিবে জ্বালা।।
    একি লিপি পাঠালে নাথ কোরানের আয়াতে —
    পড়তে গিয়ে অশ্রু-বাদল নামে আঁখি-পাতে।
    বাজিয়ে শাহাদতের বাঁশি কেন ডাক নিত্য আসি';
    হাজার বছর আগে তোমায় দিয়েছি তো মালা।।
    
  • কেন প্রেম-যমুনা আজি হলো অধীর

    বাণী

    কেন		প্রেম-যমুনা আজি হলো অধীর
    দোলে		টলমল রহে না স্থির।।
    		মানে না বারণ উথলে বারি
    		ভাসালো কুললাজ রুধিতে নারি
    সখি		ডাক শুনেছে সে কার মুরলীল।।
    

    নাটকঃ ‘সিরাজদ্দৌলা’

  • কেন ফোটে কেন কুসুম ঝ'রে যায়

    বাণী

    কেন ফোটে কেন কুসুম ঝ'রে যায়!
    মুখের হাসি চোখের জলে ম'রে যায়, হায়।।
    নিশীথে যে কাঁদিল প্রিয় ব'লে
    হায় নিশি-ভোরে সে কেন হায় স'রে যায়।।
    হায় আজ যাহার প্রেম করে গো রাজাধিরাজ
    কাল কেন সে চির-কাঙাল ক'রে যায়।।
    মান-অভিমান খেলার ছলে
    ফেরে না আর যে যায় চ'লে
    মিলন-মালা মলিন ধূলায় ভ'রে যায়।।
    
  • কেন বাজাও বাঁশি কালোশশী মৃদু মধুর তানে

    বাণী

    কেন	বাজাও বাঁশি কালোশশী মৃদু মধুর তানে।
    ঘরে	রইতে নারি জ্ব’লে মরি বাজাইও না বনে
    		বাঁশি, আর বাজাইও না বনে
    		নিঝুম রাতে বাজে বাঁশি
    		পরায় গলে প্রেম-ফাঁসি,
    কেহ	নাহি জানে হে শ্যাম (আমি) মরি শুধু প্রাণে॥
    		রাখ রাখ ও-বাঁশরি
    		ওহে কিশোর-বংশীধারী,
    	মন নাহি মানে হে শ্যাম (বঁধু) বাঁশি কি গুণ জানে॥
    
  • কেন মনোবনে মালতী-বল্লরি দোলে

    বাণী

    কেন	মনোবনে মালতী-বল্লরি দোলে - জানি না।
    কেন	মুকুলিকা ফুটে ওঠে পল্লব-তলে - জানি না।।
    কেন	ঊর্মিলা-ঝরনার পাশে
    সে	আপন মঞ্জরি-ছায়া দেখে' হাসে,
    কেন	পাপিয়া কুহু মুহু মুহু বোলে, জানি না।।
    চৈতালি-চাঁপা কয়, মালতী শোন
    শুনেছিস বুঝি মধুকর গুঞ্জন,
    তাই বুঝি এত মধু সুরভি উথলে —
    মধু-মালতী বলে, জানি না, জানি না।।
    
  • কেমনে কহি প্রিয় কি ব্যথা প্রাণে বাজে

    বাণী

    কেমনে কহি প্রিয় কি ব্যথা প্রাণে বাজে
    কহিতে গিয়ে কেন ফিরিয়া আসি লাজে।।
    	শরমে মরমে ম'রে
    	গেল বনফুল ঝ'রে
    ভীরু মোর ভালোবাসা শুকালো মনের মাঝে।।
    	আজিকে ঝরার আগে,
    	নিলাজ অনুরাগে
    ধরিতে যে সাধ জাগে হৃদয়ে হৃদয় রাজে।।
    
  • কোথায় গেলে পেঁচা-মুখি একবার এসে খ্যাচ-খ্যাচাও

    বাণী

    পুরুষ	:	কোথায় গেলে পেঁচা-মুখি একবার এসে খ্যাচ-খ্যাচাও
    স্ত্রী	:	বলি, গাই-হারা বাছুরের মতন গোয়াল থেকে কে চ্যাঁচাও॥
    পুরুষ	:	(বলি ও শাকচুন্নি, আহাহাহা)
    		অমন শ্যাওড়া বৃক্ষ ফেলে, আমার ঘাড়ে কেন এলে গো, ও হো হো
    স্ত্রী	:	(বলি ও কালিয়া পেরেত)
    		তুমি উনুন-মুখো দেবতা যে তাই
    		ছাই-পাঁশের নৈবিদ্যি পাও।
    পুরুষ	:	(মরি অরি অরি অরি মরি, কি যে রূপের ছিরি, আহাহাহাহা)
    		চন্দ্র-বদন ন্যাপা পোছা
    		কুত্‌কুতে চোখ নাকটি বোঁচা গো, ও হো হো
    স্ত্রী	:	(বলি ও বেরসো কাট, বলি ও কেলো হুলো)
    		তুমি কাঁদলে চোখে কালি বোরোয় কয়লার ডিপোয় লজ্জা দাও
    		তুমি কয়লার ডিপোয় লজ্জা দাও।
    পুরুষ	:	বলি ও জুজুবুড়ি
    স্ত্রী	:	বলি ও ঝাঁকাভূঁড়ি
    পুরুষ	:	ও বাবা জুজু
    স্ত্রী	:	ও বাবা ঝাঁকা
    পুরুষ	:	আহা, চাম্‌চিকে ওই ডানা কাটা
    স্ত্রী	:	তুমি যেন পূজোর পাঁঠা
    পুরুষ	:	আহা, হার মেনে যায় হাঁড়ি চাঁছা প্রিয়ে যখন খ্যাচ-খ্যাচাও।
    স্ত্রী	:	(আ-মরি মরি, কি যে বচন সুধা)
    		পিঁপড়ে ধরবে ও প্রাণনাথ তুমি, শিগ্‌গির মুখে ফিনাল দাও॥
    
  • কোথায় তখত তাউস কোথায় সে বাদশাহী

    বাণী

    কোথায় তখত তাউস, কোথায় সে বাদশাহী।
    কাঁদিয়া জানায় মুসলিম ফরিয়াদ ইয়া ইলাহী।।
    কোথায় সে বীর খালিদ, কোথায় তারেক মুসা
    নাহি সে হজরত আলী, সে জুলফিকার নাহি।।
    নাহি সে উমর খত্তাব, নাহি সে ইসলামী জোশ
    করিল জয় যে দুনিয়া, আজি নাহি সে সিপাহি।।
    হাসান হোসেন সে কোথায়, কোথায় বীর শহীদান —
    কোরবানি দিতে আপনায় আল্লার মুখ চাহি'।।
    কোথায় সে তেজ ঈমান, কোথায় সে শান-শওকত,
    তকদীরে নাই সে মাহতাব, আছে প'ড়ে শুধু সিয়াহি।।
    
  • কোথায় তুই খুঁজিস ভগবান্

    বাণী

    কোথায় তুই খুঁজিস ভগবান্, সে যে রে তোরই মাঝে রয়,
    			চেয়ে দেখ সে তোরই মাঝে রয়।
    সাজিয়া যোগী ও দরবেশ খুঁজিস্ যায় পাহাড় জঙ্গলময়।।
    আঁখি খোল্ ইচ্ছা-অন্ধের দল নিজেরে দেখ্ রে আয়নাতে,
    দেখিবি তোরই এই দেহে নিরাকার তাঁহার পরিচয়।।
    ভাবিস্ তুই ক্ষুদ্র কলেবর, ইহাতেই অসীম নীলাম্বর,
    এ দেহের আধারে গোপন রহে সে বিশ্ব-চরাচর।
    প্রাণে তোর প্রাণের ঠাকুর বেহেশ্‌তে স্বর্গে কোথাও নয়।।
    এই তোর মন্দির-মসজিদ এই তোর কাশী-বৃন্দাবন,
    আপনার পানে ফিরে চল কোথা তুই তীর্থে যাবি, মন!
    এই তোর মক্কা-মদিনা, জগন্নাথ-ক্ষেত্র এই হৃদয়।।
    
  • কোন্‌ দূরে ও-কে যায় চ’লে যায়

    বাণী

    কোন্‌ দূরে ও-কে যায় চ’লে যায়, সে ফিরে ফিরে চায় করুণ চোখে।
    তার	স্মৃতি মেশা হায়, চেনা-অচেনায় তারে দেখেছি কোথায়
    					যেন সে-কোন্ লোকে।।
    শুনি	স্বপ্নে তারি যেন বাঁশি মন-উদাসী
    তারি	বার্তা আসে নব মধু-মাসে, পলাশ আশোকে।।
    	কৃষ্ণচূড়া তার মালা লুটায় — চৈত্র-শেষে বনের ধূলায়
    	কান্না-বিধুর তার ভৈরবী সুর প্রভাতী তারায় অশ্রু ঘনায়,
    					চির-বিরহী চিনি ওকে।।
    
  • কোন্ ফুলেরি মালা দিই তোমার গলে

    বাণী

    পুরুষ	:	কোন্ ফুলেরি মালা দিই তোমার গলে লো প্রিয়া
    		বুলবুল গাহিয়া উঠে তব ফুলেল পরশ নিয়া॥
    স্ত্রী	:	হাতে দিও হেনার গুছি কেশে শিরিন ফুল।
    		কর্ণে দিও টগর কুঁড়ি অপ্‌রাজিতার দুল।
    		বুন্দকলির মালা দিও নাই পেলে বকুল
    		ফুলের সাথে হৃদয় দিতে হয় না যেন ভুল॥
    পুরুষ	:	কোন ভূষণে রানী ও রূপের করি আরতি
    		হয় সোনার বরণ মলিন হেরি তোমার রূপের জ্যোতি।
    স্ত্রী	:	তোমার বাহুর বাঁধন প্রিয় সেই তো গলার হার
    		হাতে দিও মিলন রাখি খুলবে না যা আর।
    		কানে দিও কানে কানে কথার দু’টি দুল
    		নিত্য নূতন ভূষণ দিও প্রেমের কামনার॥
    পুরুষ	:	কোন নামেতে ডাকি সাধ না মেটে কোনো নামে
    		তব নাম-গানে সব কবি হার মানে ধরাধামে।
    স্ত্রী	:	সুখের দিনে সখি ব’লো সেই তো মধুর নাম
    		দুখের দিনে বন্ধু ব’লে ডেকো অবিরাম।
    		নিরালাতে রানী বলো শ্রবণ অভিরাম
    		বুকে চেপে প্রিয়া ব’লো সেই তো আমার নাম॥
    

    নাটিকাঃ ‘বিয়ে বাড়ি’

  • কোন্ বিদেশের নাইয়া তুমি

    বাণী

    স্ত্রীঃ		কোন্ বিদেশের নাইয়া তুমি আইলা আমার গাঁও
    		কুল-বধূর সিনান ঘাটে বাঁধলে তোমার নাও॥
    পুরুষঃ		বাণিজ্যেরই লাইগ্যা কন্যা বেড়াই ভেসে স্রোতে
    		(ওগো) তোমার রূপের হাট দেখলাম যাইতে এই পথে।
    স্ত্রীঃ		বুঝি তাই বাঁশের বাঁশি, তাই দিয়ে কি হে বিদেশি
    		অমূল্য এই মনের মানিক, কিনতে তুমি চাও॥
    পুরুষঃ		তোমায় পাবো বলে আজো শূন্য আমার তরী (রে কন্যা)
    স্ত্রীঃ		অমন করে চাই ও না গো আমি ভয়ে মরি।
    পুরুষঃ		ভয়ে মরার চেয়ে কন্যা ডুবে মরা ভালো
    স্ত্রীঃ		আমার মন ডুবেছে দেখে তোমার নয়ন কাজল কালো (রে বন্ধু)
    উভয়েঃ	নূতন প্রেমের যাত্রী দু’জন ছোট্ট মোদের নাও
    		ওরে গহীন জলের আকুল জোয়ার অকূলে ভাসাও 
    		মোদের অকূলে ভাসাও॥
    
  • খয়বর-জয়ী আলী হায়দার জাগো

    বাণী

    	খয়বর-জয়ী আলী হায়দার, জাগো জাগো আরবার।
    	দাও দুশমন দুর্গ-বিদারী দু'ধারী জুলফিকার।।
    	এসো শেরে খোদা ফিরিয়া আরবে,
    	ডাকে মুসলিম ‘ইয়া আলী’ রবে, —
    	হায়দারী হাঁকে তন্দ্রা-মগনে করো করো হুঁশিয়ার।।
    	আল-বোর্জের চূড়া গুঁড়া-করা গোর্জ আবার হানো,
    	বেহেশতী সাকী মৃত এ জাতিরে আবে কওসার দানো।
    আজি	বিশ্ব-বিজয়ী জাতি যে বেহোঁশ
    	দাও তারে নব কুয়ৎ ও জোশ;
    এসো	নিরাশায় মরু-ধূলি উড়ায়ে দুল্‌দুল্-আস্ওয়ার।।