কাহার্‌বা

  • গোলাপ ফুলের কাঁটা আছে সে গোলাব শাখায়

    বাণী

    গোলাপ ফুলের কাঁটা আছে সে গোলাব শাখায়,
    এনছি ছিঁড়ে তায় রাতুল পরাতে তোমায় খোঁপায়।
    কি হবে জানিয়া গোলাব কাঁদিল কি না;
    হৃদয় ছিঁড়েছি যাহার, বুঝিবে না গো সে বিনা।
    ভুল ভাঙায়ো না আর সাকি, ঢালো শারাব-পিয়ালা।
    মতলব কহিব পিছে, নেশা ধরুক চোখে বালা।।
    জানি আমি জানে বুলবুল কেন দলিয়া চলি ফুল,
    ভালোবাসি যারে যতই, তারে ততই হানি জ্বালা।।
    তিক্ত নহে এ শারাব বিফল মোর জীবনের চেয়ে,
    শোনায়ো না নীতি-কথা, শোনাও খুশির গজল গেয়ে;
    টুটিয়া আসিবে নেশা, ঢালো শারাব-পিয়ালা।।
    
  • ঘন দেয়া গরজায় গো

    বাণী

    ঘন দেয়া গরজায় গো — কেঁদে ফেরে পূবালী বায়।।
    একা ঘরে মম ডর লাগে, কার বিধুর স্মৃতি মনে জাগে,
    বারি ধারে কাঁদে চারিধার, সে কোথায় আজি সে কোথায়।।
    গগনে বরষে বারি, তৃষ্ণা গেল না তবু আমারি,
    কোন্‌ দূর দেশে প্রিয়তম এ বিধুর বরষায়।।
    
  • ঘন-ঘোর-মেঘ-ঘেরা দুর্দিনে ঘনশ্যাম

    বাণী

    ঘন-ঘোর-মেঘ-ঘেরা দুর্দিনে ঘনশ্যাম ভূ-ভারত চাহিছে তোমায়।
    ধরিতে ধরার ভার নাশিতে এ হাহাকার আরবার এসো এ ধরায়।।
    		নিখিল মানবজাতি কলহ ও দ্বন্দ্বে
    		পীড়িত শ্রান্ত আজি কাঁদে নিরানন্দে,
    শঙ্খপদ্ম হাতে এ ঘোর তিমির-রাতে তিমির-বিদারী এসো অরুণ-প্রভায়।।
    বিদূরিত কর এই নিরাশা ও ভয়, মানুষে মানুষে হোক প্রেম অক্ষয়।
    কলিতে দলিতে এসো এই দুখ-পাপ-তাপ আন বর সুন্দর, শেষ হোক অভিশাপ,
    গদা ও চক্র করে অরিন্দম এসো, হত-মার দুর্বল মাগিছে সহায়।।
    
  • ঘুমায়েছে ফুল পথের ধূলায়

    বাণী

    ঘুমায়েছে ফুল পথের ধূলায় (ওগো)
    	জাগিয়ো না উহারে ঘুমাইতে দাও।
    বনের পাখী ধীরে গাহ গান
    	দখিনা হাওয়া ধীরে ধীরে বয়ে যাও।।
    এখনো শুকায়নি চোখে তারই জল
    	এখনো আঁধারে হাসি ছলছল
    প্রভাত রবি শুকায়ো না তায়
    	ধীরে কিরণে তাহারি নয়নে চাও।।
    সামলে পথিক ফেলিয়ো চরন
    	ঝরেছে হেথায় ফুলেরও জীবন।
    ভুলিয়া দল না ঝরা পাতাগুলি
    	ফুল সমাধি থাকিতে পারে হেথাও।।
    

  • চক্র সুদর্শন ছোড়কে মোহন

    বাণী

    চক্র সুদর্শন ছোড়কে মোহন তুম ব্যনে বনওয়ারী।
    ছিন লিয়ে হ্যয় গদা-পদম্‌ সব মিল করকে ব্রজনারী।।
    	ছার ভুজা আব দো বনায়ে
    	ছোড়কে বৈকুণ্ঠ ব্রিজ মে আয়ে,
    রাস রচায়ে ব্রিজ্‌কে মোহন ব্যন্ গ্যয়ে মুরলী-ধারী।।
    	সত্যভামাকো ছোড়কে আয়ে
    	রাধা প্যারী সাথমে লায়ে,
    বৈতরণী কো ছোড়কে ব্যন গ্যয়ে যমুনাকে তটচারী।।
    
  • চঞ্চল সুন্দর নন্দকুমার

    বাণী

    চঞ্চল সুন্দর নন্দকুমার।
    গোপী চিতচোর প্রেম-মনোহর নওল কিশোর
    অন্তর মাঝে বাজে বেণু তার নন্দকুমার
    	নন্দকুমার, নন্দকুমার॥
    শ্রাবণ আনন্দ নূপুর ছন্দ রুনুঝুনু বাজে
    নন্দের আঙিনায় নন্দন চন্দ, নাচিছে হেলে দুলে গোপাল সাজে।
    টলমল টলে রাঙা পদতলে লঘু হ’য়ে বিপুল ধরণীর ভার —
    	নন্দকুমার, নন্দকুমার, নন্দকুমার॥
    রূপ নেহারিতে এলো লুকায়ে দেবতা
    কেহ গোপগোপী হলো, কেহ তরুলতা;
    আনন্দ-অশ্রু নদী হ’য়ে বয়ে যায়, উতল যমুনায়।
    প্রণতা প্রকৃতি নিরালা সাজায়,
    বনডালায় পূজা ফুল সম্ভার।
    	নন্দকুমার, নন্দকুমার, নন্দকুমার॥
    
  • চঞ্চল সুন্দর নন্‌দ্‌ কুমার গোপী

    বাণী

    চঞ্চল সুন্দর নন্‌দ্‌ কুমার গোপী চিতচোর প্রেম্‌ মনোহর নওল কিশোর।
    বাজতাহি মন্‌মে বাঁশুরি কি ঝন্‌কার, নন্‌দ্‌ কুমার নন্‌দ্‌ কুমার নন্‌দ্‌ কুমার।।
    শ্রবণ-আনন্দ্‌ বিছুয়া কি ছন্দ রুনুঝুনু বোলে
    নন্দ্‌কে আঙ্গ্‌নামে নন্দন চন্দ্রমা গোপাল বন্‌ ঝুমত্‌ ঝুমত্‌ ডোলে,
    ডগমগ ডোলে, রাঙ্গা পাঁউ বোলে লঘু হোকে বিরাট ধরতী কা ভার।।
    রূপ নেহারনে আয়ে লূকছুপ্‌ দেওতা
    কোই গোপ গোপী বনা কোই বৃকশ লতা,
    নদী হো বহে লাগে আনন্দ্‌কে আঁসু যমুনা জল সুঁ —
    প্রণতা প্রকৃতি নিরালা সাজোয়ে, পূজা কর্‌নে কো ফুল লিয়ে আয়ে বন্‌ডার।।
    
  • চম্‌’কে চম্‌’কে ধীর ভীরু পায়

    বাণী

    চম্‌’কে চম্‌’কে ধীর ভীরু পায়,
    পল্লী–বালিকা বন–পথে যায় একেলা বন–পথে যায়।।
    শাড়ি তার কাঁটা লতায়, জড়িয়ে জড়িয়ে যায়,
    পাগল হাওয়াতে অঞ্চল ল’য়ে মাতে —
    		যেন তার তনুর পরশ চায়।।
    শিরীষের পাতায় নূপুর, বাজে তার ঝুমুর ঝুমুর,
    কুসুম ঝরিয়া মরিতে চাহে তার কবরীতে,
    		পাখী গায় পাতার ঝরোকায়।।
    চাহি’ তা’র নীল নয়নে, হরিণী লুকায় বনে,
    হাতে তা’র কাঁকন হ’তে মাধবী লতা কাঁদে,
    		ভ্রমরা কুন্তলে লুকায়।।
    
  • চরণে দলিয়া গিয়াছে চলিয়া

    বাণী

    চরণে দলিয়া গিয়াছে চলিয়া
    			তবু কেন তারে ভালোবাসি।
    বলিতে পারি না বোঝাতে পারি না
    			আঁখি-জলে যায় বুক ভাসি’।।
    কেন সে বিরাজে		হৃদয়েরি মাঝে
    তার স্বর যেন 		সদা প্রাণে বাজে
    কি বাঁধনে মোরে		বেঁধেছে বল সে
    			দিয়ে গেছে গলে প্রেম-ফাঁসি।।
    
  • চরশ মেশা চন্ডুর নেশা মুন্ডু ঝিমঝিম

    বাণী

    চরশ মেশা চন্ডুর নেশা মুন্ডু ঝিমঝিম
    (কাঠসিম ঘোড়া নিম, আকুতাকু হিমশিম)
    বাগ বাজারে লাখো হাজার পঙ্খিরাজ অশ্বের ডিম।।
    নওয়াবী নেশা রওয়াবী নেশা প্রাণ হয় তরতজা, হায় হায়
    মদের নেশা গাঁজার নেশা এর কাছে একদম পাঁজা
    খুলে হৃদয় খিড়কী বাদশার লেড়কী
    পাঁইজোর যেন বাজায় রিম্‌ঝিম্‌।।
    নলে যেম্‌নি দম্ দি অম্‌নি নল-দময়ন্তী
    লটাপটি করে বুকে হয়ে চরণ পঙ্খি, ও গুরু
    (ঐ লেগেছে লটাতে পটিতে)
    শেয়ালের লেজুড় যেমন ঠেসে কামড়ে ধরে কাঁকড়ায়
    (এই ধরেছে কামড়ে লেজুড় কাঁকড়ায়)
    চন্ডুর নেশা তেমনি একদিন খেয়ো গিয়ে আখড়ায়
    প্রেমে মজে ডাইভোর্স ক’রে (তালাক দিয়ে)
    (দাদা) আমি ছেড়েছি কোকেন আফিম।।
    আফিম টাফিম সব ছেড়ে দিয়েছি
    সত্যি বলি এখন ভাল ছেলে হয়ে গিয়েছি
    জানেন মাল ধরেছি মাল, ভাল করিনি, এ্যাঁ ভাল করিনি!!
    
  • চল রে কাবার জিয়ারতে

    বাণী

    চল রে কাবার জিয়ারতে, চল নবীজীর দেশ।
    দুনিয়াদারির লেবাস খুলে পর রে হাজীর বেশ।।
    আওকাতে তোর থাকে যদি - আরফাতের ময়দান,
    	চল আরফাতের ময়দান,
    এক জামাত হয় যেখানে ভাই নিখিল মুসলমান। 
    মুসলিম গৌরব দেখার যদি থাকে তোর খায়েশ।।
    যেথায় হজরত হলেন নাজেল মা আমিনার ঘরে
    খেলেছেন যার পথে-ঘাটে মক্কার শহরে, 
    	চল মক্কার শহরে।
    সেই মাঠের ধূলা মাখবি যথা নবী চরাতেন মেষ।।
    ক'রে হিজরত কায়েম হলেন মদিনায় হজরত - যে মদিনায় হজরত,
    সেই মদিনা দেখবি রে চল, মিটবে রে তোর প্রানের হসরত;
    সেথা নবীজীর ঐ রওজাতে তোর আরজি করবি পেশ।। 
    

  • চল্ রে চপল তরুণ-দল বাঁধন হারা

    বাণী

    চল্‌ রে চপল তরুণ-দল বাঁধন হারা
    চল্‌ অমর সমরে, চল ভাঙি’ কারা
    জাগায়ে কাননে নব পথের ইশারা।।
    প্রাণ-স্রোতের ত্রিধারা বহায়ে তোরা ওরে চল!
    জোয়ার আনি, মরা নদীতে পাহাড় টলায়ে মাতোয়ারা।।
    ডাকে তোরে স্নেহভরে ‘ওরে ফিরে আয় ফিরে ঘরে’
    তারে ভোল্‌ ওরে ভোল্‌ তোরা যে ঘর-ছাড়া।।
    তাজা প্রাণের মঞ্জুরি ফুটায়ে পথে তোরা চল্‌,
    রহে কে ভুলে ছেঁড়া পুঁথিতে তাদের পরানে দে রে সাড়া।
    রণ-মাদল আকাশে ঘন বাজে গুরু গুরু।
    আঁধার ঘরে কে আছে প’ড়ে তাহার দুয়ারে দে রে নাড়া।।
    
  • চাঁদিনী রাতে কানন-সভাতে আপন হাতে

    বাণী

    চাঁদিনী রাতে কানন-সভাতে আপন হাতে গাঁথিলে মালা।
    সয়েছি বুকে নিবিড় সুখে তোমারি হাতের সূচিব জ্বালা।।
    আজিও জাগে লোহিত রাগে রঙিন গোলাবে তাহারি ব‍্যথা
    তব ও গলে দুলিব ব’লে দিয়েছি কুলে কলঙ্ক-কালা ।।
    যদি ও গলে নেবে না তুলে কেন বধিলে ফুলের পরান
    অভিমানে হায় মালা যে শুকায় ঝ’রে ঝ’রে যায় লাজে নিরালা।।
    

    নাটকঃ‘আলেয়া’

  • চাঁপা রঙের শাড়ি আমার

    বাণী

    চাঁপা রঙের শাড়ি আমার যমুনা-নীর ভরণে গেল ভিজে।
    ভয়ে মরি আমি, ঘরে ননদী, কহিব শুধাইলে কি যে।।
    	ছি ছি হরি, একি খেল লুকোচুরি
    	একেলা পথে পেয়ে কর খুন্‌সুড়ি,
    রোধিতে তব কর ভাঙিল চুড়ি — ছলকি গেল কলসি যে।।
    	ডাঁশা কদম্ব দিবে বলি হরি
    	ডাকিলে-তরুতলে কেন ছল করি’,
    কাঁচা বয়সী পাইয়া শ্রী হরি — মজাইলে, মজিলে নিজে।।
    
  • চারু চপল পায়ে যায়

    বাণী

    চারু চপল পায়ে যায় যুবতী গোরী।।
    আঁচলের পাল তুলে সে চলে ময়ূর-পঙ্খি-তরী।।
    	আয়রে দেখবি যদি
    	ভাদরের ভরা নদী,
    চলে কে বে-দরদি — ভেঙে কূল গিরি-দরি।।
    	মুখে চাঁদের মায়া
    	কেশে তমাল-ছায়া,
    এলোচুলে দুলে দুলে নেচে চলে হাওয়া-পরী।।
    	নয়ন-বাণে মারে প্রাণে
    	চরণ-ছোঁয়ায় জীবন দানে,
    মায়াবিনী যাদু জানে — হার মানে ঊর্বশী অপ্সরী।।
    
  • চিকন কালো ভুরুর তলে কাজল আঁখি দোলে

    বাণী

    চিকন কালো ভুরুর তলে কাজল আঁখি দোলে রে
    যেন বন-লতার কোলে কোয়েল পাখি দোলে রে।।
    	যেন ফুল-ধনুর উজল তীর গো হায়
    	বাদশাজাদীর রঙ মহলে 
    যেন নীলার প্রদীপ জ্বলে দোলে রে দোলে রেদেোলে রে।।
    	সজল শিশির মাখা দু'টি কুসুম গো
    	সুনীল দু'টি কমল -কুড়িঁ
    যেন রূপের সাঁতার -জলে দোলে রে দোলে রে দোলে রে।।
    
  • চিরদিন কাহারও সমান নাহি যায়

    বাণী

    চিরদিন কাহারও সমান নাহি যায়
    আজিকে যে রাজাধিরাজ কা'ল সে ভিক্ষা চায়।।
    অবতার শ্রীরামচন্দ্র যে জানকীর পতি
    তারও হলো বনবাস রাবণ করে দুর্গতি।
    আগুনেও পুড়িল না ললাটের লেখা হায়।।
    স্বামী পঞ্চ পাণ্ডব, সখা কৃষ্ণ ভগবান
    দুঃশাসন করে তবু দ্রৌপদীর অপমান
    পুত্র তার হলো হত যদুপতি যার সহায়।।
    মহারাজ হরিশচন্দ্র, রাজ্য দান ক'রে শেষ
    শ্মশান-রক্ষী হয়ে লভিল চণ্ডাল-বেশ
    বিষ্ণু-বুকে চরণ-চিহ্ন, ললাট-লেখা কে খণ্ডায়।।
    

  • চীন আরব হিন্দুস্থান নিখিল ধরাধাম

    বাণী

    চীন আরব হিন্দুস্থান নিখিল ধরাধাম।
    জানে আমায় চেনে আমায় মুসলিম আমার নাম।।
    অন্ধকারে আজান দিয়ে ভাঙনু ঘুমঘোর,
    আলোর অভিযান এনেছি রাত করেছি ভোর;
    এক সমান করেছি ভেঙে উচ্চ নীচ তামাম।।
    চেনে মোরে সাহারা গোবি দুর্গম পর্বত,
    মন্থন করেছে সাগর, আমার সিন্ধু রথ;
    বয়েছি আফ্রিকা ইউরোপ আমারই তাঞ্জাম।।
    পাক মুলুকে বসিয়েছি খোদার মসজিদ,
    জগৎ সাক্ষী পাপীদেরকে পিইয়েছি তৌহীদ্‌;
    বিরান বনে রচেছি রে হাজার নগর গ্রাম।।
    
  • চেয়ো না সুনয়না আর চেয়ো না

    বাণী

    চেয়ো না সুনয়না আর চেয়ো না এ নয়ন পানে।
    জানিতে নাইকো বাকি, সই ও আঁখি কি যাদু জানে।।
    একে ঐ চাউনি বাঁকা সুর্মা আঁকা তা’য় ডাগর আঁখি রে
    বধিতে তা’য় কেন সাধ? যে মরেছে ঐ নয়ন বাণে।
    			মরেছে ঐ আঁখির বাণে।।
    চকোর কি প’ড়ল ধরা পীযূষ ভরা ঐ মুখ-চাঁদে (রে),
    কাঁদিছে নার্গিসের ফুল লাল কপোলের কমল-বাগানে।
    জ্বলিছে দিবস রাতি মোমের বাতি রূপের দেওয়ালি (রে),
    নিশিদিন তাই কি জ্বলি’ পড়ছ গলি’ অঝোর নয়ানে।
    মিছে তুই কথার কাঁটায় সুর বিঁধে হায় হার গাঁথিস কবি (রে)।
    বিকিয়ে যায় রে মালা এই নিরালা আঁখির দোকানে।।
    
  • চোখের জলে মন ভিজিয়ে যায় চলে

    বাণী

    চোখের জলে মন ভিজিয়ে যায় চলে ঐ কোন্ উদাসী।
    বুকে কেন নীরব বীণা মুখে কেন নেইকো হাসি।।
    	আকাশে চাঁদ তারার মেলা
    	বনের পথে রঙের ডালা
    তবু কেন আঁখিতে ওর উথলে পড়ে অশ্রুরাশি।।
    	বনের হাওয়ায় বাজিয়ে বেণু১,
    	ছড়িয়ে চলে ফুলের রেণু
    বিদেশিকে আন্‌না ডেকে সাধ হয়েছে ভালবাসি।।
    

    ১. ফুলেল হাওয়া