কাহার্‌বা

  • এলো ঐ বনান্তে পাগল বসন্ত

    বাণী

    এলোঐ বনান্তে পাগল বসন্ত
    বনে বনে মনে মনে রং সে ছড়ায় রেচঞ্চল তরুণ দুরন্ত।।
    		বাঁশীতে বাজায় সে বিধুর
    		পরজ বসন্তের সুর
    পান্ডু কপোলে জাগে রঙ নব অনুরাগে রাঙা হ’ল ধূসর দিগন্ত।।
    		কিশলয়ে পর্ণে অশান্ত
    		ওড়ে তার অঞ্চল প্রান্ত
    পলাশ কলিতে তার ফুল ধনু লঘু ভার ফুলে ফুলে হাসি অফুরন্ত।।
    		এলোমেলো দখিনা মলয় রে
    		প্রলাপ বকিছে বনময় রে
    অকারণ মন-মাঝে বিরহের বেণু বাজে জেগে ওঠে বেদনা ঘুমন্ত।।
    
  • এলো ঐ শারদ রাতি

    বাণী

    এলো ঐ শারদ রাতি!
    শেফালি-সুগন্ধে ভরিয়া পবনে, জ্বালায়ে চাঁদের বাতি।।
    বরষার জলধারা ত্যাজিল সে-খরবেগ
    ঝরঝর ঝরণে রিক্ত হইল মেঘ,
    শ্বেত-হংস খেলে, সারঙ্ সুরে মাতি’।।
    আবরণ-হীনা মেঘ ভেসে যায় বাতাসে
    কাহার আগমনী প্রকাশে আভাসে,
    কদম্ব রেণু মাখি’, এসো প্রিয় সাথি।।
    
  • এলো রে এলো ঐ রণ-রঙ্গিণী

    বাণী

    এলো রে এলো ঐ রণ-রঙ্গিণী শ্রীচন্ডী, চন্ডী এলো রে এলো ঐ
    অসুর সংহারিতে বাঁচাতে উৎপীড়িতে
    ধ্বংস করিতে সব বন্ধন বন্দী, শ্রীচন্ডী, চন্ডী, এলো রে এলো ঐ॥
    দনুজ দলনে চামুন্ডা এলো ঐ প্রলয় অগ্নি জ্বালি নাছিছে
    তাথৈ তাথৈ তাতা থৈ থৈ দুর্বলে বলে মা মাভৈঃ মাভৈঃ
    মুক্তি লভিবি সব শৃঙ্খল বন্দী, শ্রীচন্ডী, চন্ডী, এলো রে এলো ঐ॥
    রক্ত-রঞ্জিত অগ্নি শিখায় করালী কোন্ রসনা দেখা যায়।
    পাতাল তলের যত মাতাল দানব পৃথিবীতে এসেছিল হইয়া মানব
    তাদের দন্ড দিতে আসিয়াছে চন্ডীকা সাজিয়া চন্ডী, শ্রীচন্ডী, চন্ডী এলো রে॥
    
  • এলো রে শ্রী দুর্গা

    বাণী

    এলো রে শ্রী দুর্গা
    শ্রী আদ্যাশক্তি মাতৃরূপে পৃথিবীতে এলো রে
    গভীর স্নেহরস ধারায় কল্যাণ কৃপা করুণায় স্নিগ্ধ করিতে॥
    উর্ধ্বে উড়ে যায় শান্তির পতাকা
    শুভ্র শান্ত মেঘ আনন্দ বলাকা
    মমতার অমৃত লয়ে শ্যামা, মা হয়ে এলো রে
    সকলের দুঃখ দৈন্য হরিতে॥
    প্রতি হৃদয়ের শতদলে শ্রীচরণ ফেলে
    বন্ধন কারার দুয়ার ঠেলে।
    এলো রে দশভুজা সর্বমঙ্গলা মা হয়ে
    দুর্বলে দুর্জয় করিতে নিরন্নে অন্ন দিতে॥
    
  • এলো শিবানী-উমা এলো

    বাণী

    এলো শিবানী-উমা এলো এলোকেশে।
    এলো রে মহামায়া দনুজদলনী বেশে।।
    এলো আনন্দিনী গিরি-নন্দিনী
    রবে না কেহ আর বন্দী-বন্দিনী,
    শক্তি প্রবাহ বহিল মৃতদেশে।।
    এলো রে বরাভয়া ভয় হরিতে,
    শ্মশান কঙ্কালে বজ্র গড়িতে।
    এলো মা অন্নদা, আয় রে ভিখারি
    বর চেয়ে নে যার যে অধিকারী
    মুক্তি বন্যায় ভারত যাক্ ভেসে।।
    
  • এলো শোকের সেই মোহর্‌রম কারবালার

    বাণী

    এলো শোকের সেই মোহর্‌রম কারবালার স্মৃতি ল’য়ে।
    কাঁদিছে বিশ্বের মুসলিম সেই ব্যথায় বেতাব হয়ে।।
    মনে পড়ে আসগরে আজি পিয়াসা দুধের বাচ্চায়
    পানি চাহিয়া পেল শাহাদৎ হোসেনের বুকে র’য়ে।।
    একহাতে বিবাহের কাঙন একহাতে কাশেমের লাশ,
    বেহোঁশ্ খিমাতে সকিনা অসহ বেদনা স’য়ে।।
    পাশে শহীদ কাঁদে বীর জব্বার পানির মশক মুখে
    হল শহীদ কাঁদে জয়নব কুলসুম আকুল হয়ে।।
    শূন্য পিঠে কাঁদে দুলদুল্ হজরত হোসেন শহীদ্,
    ঝরিতেছে শোকের বারিষ্ আসমান জমিন ছেয়ে।।
    
  • এলো শ্যামল কিশোর তমাল-ডালে

    বাণী

    এলো শ্যামল কিশোর তমাল-ডালে বাঁধে ঝুলনা।
    সুনীল শাড়ি পরো ব্রজনারী পরো নব নীপ-মালা অতুলনা।।
    	ডাগর চোখে কাজল দিও,
    	আকাশী রং প'রো উত্তরীয়,
    নব-ঘন-শ্যামের বসিয়া বামে দুলে দুলে ব'রলা, 'বঁধু, ভুলো না'।।
    	নৃত্য-মুখর আজি মেঘলা দুপুর,
    	বৃষ্ট্রির নূপুর বাজে টুপুর টুপুর।
    	বাদল-মেঘের তালে বাজিছে বেণু,
    	পান্ডুর হ'ল শ্যাম মাখি' কেয়া-রেণু,
    বাহুতে দোলনায় বাঁধিবে শ্যামরায় ব'লো, 'হে শ্যাম, এ বাঁধন খুলো না'।।
    
  • এসো এসো পাহাড়ি ঝর্ণা মেঘ সজল

    বাণী

    এসো এসো পাহাড়ি ঝর্ণা মেঘ সজল কাজল বর্ণা
    এসো জল ছিটিয়ে ফুল ফুটিয়ে এসো।।
    উপল নুড়িতে কাঁকন চুড়িতে
    রিনি ঠিনি ছন্দে বন্য আনন্দে এসো
    এসো ছলছল ঝলমল আঁচল লুটিয়ে এসো।।
    তৃষ্ণায় ডাকে কূলে কূলে হরিণী
    আনো কৃষ্ণার জল নির্ঝরিণী।
    ফুলবনে ভ্রমর দল জুটিয়ে এসো।।
    এসো তপ্ত ধরার বক্ষে, শান্তি ধারা আনো চক্ষে
    শীতল হোক খরতর বায়ু, নির্জীব প্রান্তরে আনো পরমায়ু
    এসো পাষাণ-কারারঘুম টুটিয়ে এসো।।
    

    নাটকঃ‘মদিনা’

  • এসো নওল কিশোর এসো এসো

    বাণী

    এসো 	নওল কিশোর এসো এসো, লুকায়ে রাখিব আঁখিতে মম।
    		আমার আঁখির ঝিনুকে বন্দী রহিবে মুকুতা সম।।
    			তুমি ছাড়া আর এই পৃথিবীতে
    			এ আঁখি কারেও পাবে না দেখিতে,
    		তুমিও আমারে ছাড়া আর কারেও হেরিবে না প্রিয়তম।।
    		লুকায়ে রাখিব ফণিনী যেমন মানিক লুকায়ে রাখে,
    		ঘিরিয়া থাকিব দামিনী যেমন শ্যাম মেঘ ঘিরে থাকে।
    			মেঘ হয়ে আমি হে চাঁদ তোমায়
    			আবরি’ রাখিব আঁখির পাতায়,
    		নিশীথে জাগিয়া কাঁদিব দু’জন প্রিয় হে, চির জনম।।
    
  • এসো নূপুর বাজাইয়া যমুনা নাচাইয়া

    বাণী

    এসো নূপুর বাজাইয়া যমুনা নাচাইয়া
    			কৃষ্ণ কানাইয়া হরি।
    মাখি’গোখুর ধূলিরেণু গোঠে চরাইয়া ধেনু
    			বাজায়ে বাঁশের বাঁশরি।।
    গোপী চন্দন চর্চিত অঙ্গে
    প্রাণ মাতাইয়া প্রেম তরঙ্গে
    বামে হেলায়ে ময়ুর পাখা দুলায়ে তমাল শাখা
    			দীপবনে, দাঁড়ায়ে ত্রিভঙ্গে।
    এসো লয়ে সেই শ্যাম-শোভা ব্রজ বধু মনোলোভা
    			সেই পীত বসন পরি’।।
    এসো গগনে ফেলি নীল ছায়া
    আনো পিপাসিত চোখে মেঘ মায়া।
    এসো মাধব মাধবী তলে
    এসো বনমালী বন-মালা গলে
    এসো ভক্তিতে প্রেমে আঁখি জলে
    এসো তিলক লাঞ্ছিত সুর নর বাঞ্ছিত
    			বামে লয়ে রাই কিশোরী।।
    
  • এসো প্রাণে গিরিধারী বন-চারী

    বাণী

    এসো প্রাণে গিরিধারী বন-চারী
    	গোপীজন-মনোহরী।
    	চঞ্চল গোকুল-বিহারী।।
    লহ নব প্রীতির কদম-মালা
    আনন্দ-চন্দন, প্রেম-ফুল-ডালা
    নয়নে আরতি-প্রদীপ জ্বালা
    	অঞ্জলি লহ আঁখি-বারি।।
    প্রণয়-বিহ্বলা প্রাণ-রাধিকা
    পরেছে তব নাম কলঙ্ক-টিকা।
    অথির অনুরাগ গোপ-বালিকা
    	চাহে পথ তোমারি।।
    
  • এসো প্রিয় মন রাঙায়ে

    বাণী

    এসো প্রিয়, মন রাঙায়ে ধীরে ধীরে ঘুম ভাঙায়ে
    মন মাধবী বন দুলায়ে, দুলায়ে, দুলায়ে।।
    শোন ‘পিউ পিউ’ ডাকে পাপিয়া
    মোরে সেই সুরে ডাক ‘পিয়া, পিয়া’
    তব আদর-পরশ বুলায়ে, বুলায়ে, বুলায়ে।।
    	যদি আন কাজে ভুলে রহি
    	চলে যেও না হে মোর বিরহী
    দিও প্রিয়, কাজ ভুলায়ে, ভুলায়ে, ভুলায়ে।।
    
  • এসো বসন্তের রাজা হে আমার

    বাণী

    এসো বসন্তের রাজা হে আমার
    এসো এ যৌবন-বাসর-সভাতে।।
    ফুলের দরবারে পাখির জলসাতে
    বুকের অঞ্চল-সিংহাসনে মম
    বসো আমার চাঁদ চাঁদনি রাতে।।
    রূপের দীপালি মোর জ্বলবে তোমায় ঘিরে বঁধূ,
    পিয়াব তোমায় পিয়া কানে-কানে কথার মধু।
    বন-কুসুমের মালা দিব বাহুর মালার সাথে
    চরণে হব দাসী বন্ধু হব দুখ রাতে।।
    
  • এসো মা দশভুজা

    বাণী

    এসো মা দশভুজা
    দশহাতে কল্যাণ আন দশভুজা
    মৃত্যুঞ্জয় ঘরনী! মৃতজনে অমৃত দান।
    নিরাশ প্রাণে দাও আশা
    মূকজনে দাও ভাষা
    আঁধার মহিষাসুর বুকে আলোর ত্রিশূল হান॥
    দেও জয় বরাভয়, শক্তি, তেজ, প্রেম, প্রীতি
    দনুজদলনী! শাপ মুক্ত কর ক্ষিতি,
    এলে যদি আর বার মাগো
    ভক্তের হৃদি মাঝে জাগো
    দুঃখ শোক আর দিও না গো 
    		তারিণী সন্তানে ত্রাণ॥
    
  • এসো মুরলীধারী বৃন্দাবন-চারী

    বাণী

    এসো মুরলীধারী বৃন্দাবন-চারী গোপাল গিরিধারী শ্যাম।
    তেমনি যমুনা বিগলিত-করুণা কুলু কুলু কুলু স্বরে ডাকে অবিরাম।।
    	কোথায় গোকুল-বিহারী শ্রীকৃষ্ণ
    	চাহিয়া পথ পানে ধরণী সতৃষ্ণ,
    ডাকে মা যশোদায় নীলমণি আয় আয় ডেকে যায় নন্দ শ্রীদাম।।
    ডাকে প্রেম-সাধিকা আজো শত রাধিকা গোপ-কোঙারি,
    এসো নওল-কিশোর কুল-লাজ-মান-চোর ব্রজ-বিহারী।
    পরি’ সেই পীতধড়া, সেই বাঁকা শিখী চূড়া বাজায়ে বেণূ
    আরবার এসো গোঠে, খেল সেই ছায়া-বটে চরাও ধেনু
    কদম তমাল-ছায়ে এসো নূপুর পায়ে ললিত বঙ্কিম ঠাম।।
    
  • ঐ ঘর ভুলানো সুরে

    বাণী

    ঐ ঘর ভোলানো সুরে কে গান গেয়ে যায় দূরে। 
    তার সুরের সাথে সাথে মোর মন যেতে চায় উড়ে।। 
    তা'র সহজ গলার তানে ১
    সে ফুল ফোটাতে জানে, 
    তা'র সুরে ভাটির-টানে নব জোয়ার আসে ঘুরে।। 
    তা'র সুরের অনুরাগে 
    বুকে প্রণয়-বেদন জাগে; 
    বনে ফুলের আগুন লাগে, ফুল সুধায় ওঠে পুরে।। 
    বুঝি সুর-সোহাগে ওরি, 
    পায় যৌবন কিশোরী, 
    হিয়া বুঁদ হয়ে গো নেশায় তার পায়ে পায়ে ঘুরে।।
    

    ১. গানে

  • ঐ জল্‌কে চলে লো কার ঝিয়ারি

    বাণী

    ঐ জল্‌কে চলে লো কার ঝিয়ারি। 
    রূপ চাপে না তার নীল শাড়ি।। 
    এমন মিঠি বিজলি দিঠি শেখালে তায় কে গো? 
    রূপে ডুবু ডুবু রবির রঙ-ভরা ছবির, ছোঁয়াচ লেগেছে গো। 
    মন মানে না, আর কি করি ! 
    চলে পিছনে ছুটে’ তারি।। 
    নাচে বুলবুলি ফিঙে ঢেউয়ে নাচে ডিঙে 
    মাঠে নাচে খঞ্জন; 
    তার দু’টি আঁখি-তারা নেচে হতো সারা —
    দেখেছে বল কোন জন? 
    আঁখি নিল যে মোর মন্‌ কাড়ি’ —
    ঘরে থাকিতে আর নারি লো।। 
    গোলাপ বেলী যুঁই-চামেলি - কোন্‌ ফুল তারি তুল্‌ গো
    তার যৌবন-নদী বয় নিরবধি ভাসায়ে দু’ কূল গো 
    নিল ভাসায়ে প্রাণ আমারি 
    রূপে দু’কূল–ছাপা গাঙ্‌ তারি।।
    
  • ঐ হের রসুলে খোদা এলো ঐ

    বাণী

    ঐ হের রসুলে খোদা এলো ঐ।।
    গেলেন মদিনা যবে হিজরতে হজরত
    মদিনা হলো যেন খুশিতে জিন্নত,
    ছুটিয়া আসিল পথে মর্দ ও আওরত
    লুটায়ে পায়ে নবীর, গাহে সব উম্মত
    ঐ হের রসুলে-খোদা এলো ঐ।।
    হাজার সে কাফের সেনা বদরে,
    তিন শত তের মমিন এধারে;
    হজরতে দেখিল যেই, কাঁপিয়া ডরে
    কহিল কাফের সব তাজিমের স্বরে
    ঐ হের রসুলে-খোদা এলো ঐ।।
    কাঁদিয়া কেয়ামতে গুনাহগার সব,
    নবীর কাছে শাফায়তী করিবেন তলব,
    আসিবেন কাঁদন শুনি সেই শাহে আরব
    অমনি উঠিবে সেথা খুশির কলরব
    ঐ হের রসুলে খোদা এলো ঐ।।
    
  • ও কালো বউ জল আনিতে যেয়ো না

    বাণী

    ও কালো বউ! জল আনিতে যেয়ো না আর বাজিয়ে মল।
    তোমায় দেখে শিউরে ওঠে কাজ্‌লা দীঘির কালো জল।
    		ওগো কাজ্‌লা দীঘির কালো জল।।
    	দেখে তোমার কালো আঁখি
    	কালো কোকিল ওঠে ডাকি’
    তোমার চোখের কাজল মাখি’ হয় সজল ঐ মেঘ-দল
    		ওগো হয় সজল ঐ মেঘ-দল।।
    	তোমার কালো রূপের মায়া
    	দুপুর রোদে শীতল ছায়া
    কচি অশথ্‌ পাতায় টলে ঐ কালো রূপ টলমল।।
    	ভাদর মাসের ভরা ঝিলে
    	তোমার রূপের আদর মিলে গো —
    তোমার তনুর নিবিড় নীলে আকাশ করে টলমল।
    		ঐ আকাশ করে টলমল।।
    
  • ও কালো শশী রে বাজায়ো না

    বাণী

    		ও কালো শশী রে, বাজায়ো না আর বাঁশী রে।
    		বাঁশী শুনিতে আসি না আমি, জল নিতে আসি হে।।
    		আঁচল দিয়ে মুছি বন্ধু কাজলেরই কালি,
    		যায় না মোছা তোমার কালি লাগলে বনমালী;
    তোমার	বাঁশী শুনে ভেসে গেল কত রাধার মুখের হাসি রে।।
    		কাল নাগিনীর ফণায় নাচো, বুঝবে তুমি কিসে,
    		কত কুল-বধূ মরে ঐ বাঁশরীর বিষে (বন্ধু)
    		ঘরে ফেরার পথ হারায়ে ফিরি তোমার পায়ে পায়ে,
    		জলের কল্‌সি জলে ডোবে, আমি আঁখি জলে ভাসি রে।।