কাহার্‌বা

  • এসো নওল কিশোর এসো এসো

    বাণী

    এসো 	নওল কিশোর এসো এসো, লুকায়ে রাখিব আঁখিতে মম।
    		আমার আঁখির ঝিনুকে বন্দী রহিবে মুকুতা সম।।
    			তুমি ছাড়া আর এই পৃথিবীতে
    			এ আঁখি কারেও পাবে না দেখিতে,
    		তুমিও আমারে ছাড়া আর কারেও হেরিবে না প্রিয়তম।।
    		লুকায়ে রাখিব ফণিনী যেমন মানিক লুকায়ে রাখে,
    		ঘিরিয়া থাকিব দামিনী যেমন শ্যাম মেঘ ঘিরে থাকে।
    			মেঘ হয়ে আমি হে চাঁদ তোমায়
    			আবরি’ রাখিব আঁখির পাতায়,
    		নিশীথে জাগিয়া কাঁদিব দু’জন প্রিয় হে, চির জনম।।
    
  • এসো নূপুর বাজাইয়া যমুনা নাচাইয়া

    বাণী

    এসো নূপুর বাজাইয়া যমুনা নাচাইয়া
    			কৃষ্ণ কানাইয়া হরি।
    মাখি’গোখুর ধূলিরেণু গোঠে চরাইয়া ধেনু
    			বাজায়ে বাঁশের বাঁশরি।।
    গোপী চন্দন চর্চিত অঙ্গে
    প্রাণ মাতাইয়া প্রেম তরঙ্গে
    বামে হেলায়ে ময়ুর পাখা দুলায়ে তমাল শাখা
    			দীপবনে, দাঁড়ায়ে ত্রিভঙ্গে।
    এসো লয়ে সেই শ্যাম-শোভা ব্রজ বধু মনোলোভা
    			সেই পীত বসন পরি’।।
    এসো গগনে ফেলি নীল ছায়া
    আনো পিপাসিত চোখে মেঘ মায়া।
    এসো মাধব মাধবী তলে
    এসো বনমালী বন-মালা গলে
    এসো ভক্তিতে প্রেমে আঁখি জলে
    এসো তিলক লাঞ্ছিত সুর নর বাঞ্ছিত
    			বামে লয়ে রাই কিশোরী।।
    
  • এসো প্রাণে গিরিধারী বন-চারী

    বাণী

    এসো প্রাণে গিরিধারী বন-চারী
    	গোপীজন-মনোহরী।
    	চঞ্চল গোকুল-বিহারী।।
    লহ নব প্রীতির কদম-মালা
    আনন্দ-চন্দন, প্রেম-ফুল-ডালা
    নয়নে আরতি-প্রদীপ জ্বালা
    	অঞ্জলি লহ আঁখি-বারি।।
    প্রণয়-বিহ্বলা প্রাণ-রাধিকা
    পরেছে তব নাম কলঙ্ক-টিকা।
    অথির অনুরাগ গোপ-বালিকা
    	চাহে পথ তোমারি।।
    
  • এসো প্রিয় মন রাঙায়ে

    বাণী

    এসো প্রিয়, মন রাঙায়ে ধীরে ধীরে ঘুম ভাঙায়ে
    মন মাধবী বন দুলায়ে, দুলায়ে, দুলায়ে।।
    শোন ‘পিউ পিউ’ ডাকে পাপিয়া
    মোরে সেই সুরে ডাক ‘পিয়া, পিয়া’
    তব আদর-পরশ বুলায়ে, বুলায়ে, বুলায়ে।।
    	যদি আন কাজে ভুলে রহি
    	চলে যেও না হে মোর বিরহী
    দিও প্রিয়, কাজ ভুলায়ে, ভুলায়ে, ভুলায়ে।।
    
  • এসো বসন্তের রাজা হে আমার

    বাণী

    এসো বসন্তের রাজা হে আমার
    এসো এ যৌবন-বাসর-সভাতে।।
    ফুলের দরবারে পাখির জলসাতে
    বুকের অঞ্চল-সিংহাসনে মম
    বসো আমার চাঁদ চাঁদনি রাতে।।
    রূপের দীপালি মোর জ্বলবে তোমায় ঘিরে বঁধূ,
    পিয়াব তোমায় পিয়া কানে-কানে কথার মধু।
    বন-কুসুমের মালা দিব বাহুর মালার সাথে
    চরণে হব দাসী বন্ধু হব দুখ রাতে।।
    
  • এসো মা দশভুজা

    বাণী

    এসো মা দশভুজা
    দশহাতে কল্যাণ আন দশভুজা
    মৃত্যুঞ্জয় ঘরনী! মৃতজনে অমৃত দান।
    নিরাশ প্রাণে দাও আশা
    মূকজনে দাও ভাষা
    আঁধার মহিষাসুর বুকে আলোর ত্রিশূল হান॥
    দেও জয় বরাভয়, শক্তি, তেজ, প্রেম, প্রীতি
    দনুজদলনী! শাপ মুক্ত কর ক্ষিতি,
    এলে যদি আর বার মাগো
    ভক্তের হৃদি মাঝে জাগো
    দুঃখ শোক আর দিও না গো 
    		তারিণী সন্তানে ত্রাণ॥
    
  • এসো মুরলীধারী বৃন্দাবন-চারী

    বাণী

    এসো মুরলীধারী বৃন্দাবন-চারী গোপাল গিরিধারী শ্যাম।
    তেমনি যমুনা বিগলিত-করুণা কুলু কুলু কুলু স্বরে ডাকে অবিরাম।।
    	কোথায় গোকুল-বিহারী শ্রীকৃষ্ণ
    	চাহিয়া পথ পানে ধরণী সতৃষ্ণ,
    ডাকে মা যশোদায় নীলমণি আয় আয় ডেকে যায় নন্দ শ্রীদাম।।
    ডাকে প্রেম-সাধিকা আজো শত রাধিকা গোপ-কোঙারি,
    এসো নওল-কিশোর কুল-লাজ-মান-চোর ব্রজ-বিহারী।
    পরি’ সেই পীতধড়া, সেই বাঁকা শিখী চূড়া বাজায়ে বেণূ
    আরবার এসো গোঠে, খেল সেই ছায়া-বটে চরাও ধেনু
    কদম তমাল-ছায়ে এসো নূপুর পায়ে ললিত বঙ্কিম ঠাম।।
    
  • ঐ ঘর ভুলানো সুরে

    বাণী

    ঐ ঘর ভোলানো সুরে কে গান গেয়ে যায় দূরে। 
    তার সুরের সাথে সাথে মোর মন যেতে চায় উড়ে।। 
    তা'র সহজ গলার তানে ১
    সে ফুল ফোটাতে জানে, 
    তা'র সুরে ভাটির-টানে নব জোয়ার আসে ঘুরে।। 
    তা'র সুরের অনুরাগে 
    বুকে প্রণয়-বেদন জাগে; 
    বনে ফুলের আগুন লাগে, ফুল সুধায় ওঠে পুরে।। 
    বুঝি সুর-সোহাগে ওরি, 
    পায় যৌবন কিশোরী, 
    হিয়া বুঁদ হয়ে গো নেশায় তার পায়ে পায়ে ঘুরে।।
    

    ১. গানে

  • ঐ জল্‌কে চলে লো কার ঝিয়ারি

    বাণী

    ঐ জল্‌কে চলে লো কার ঝিয়ারি। 
    রূপ চাপে না তার নীল শাড়ি।। 
    এমন মিঠি বিজলি দিঠি শেখালে তায় কে গো? 
    রূপে ডুবু ডুবু রবির রঙ-ভরা ছবির, ছোঁয়াচ লেগেছে গো। 
    মন মানে না, আর কি করি ! 
    চলে পিছনে ছুটে’ তারি।। 
    নাচে বুলবুলি ফিঙে ঢেউয়ে নাচে ডিঙে 
    মাঠে নাচে খঞ্জন; 
    তার দু’টি আঁখি-তারা নেচে হতো সারা —
    দেখেছে বল কোন জন? 
    আঁখি নিল যে মোর মন্‌ কাড়ি’ —
    ঘরে থাকিতে আর নারি লো।। 
    গোলাপ বেলী যুঁই-চামেলি - কোন্‌ ফুল তারি তুল্‌ গো
    তার যৌবন-নদী বয় নিরবধি ভাসায়ে দু’ কূল গো 
    নিল ভাসায়ে প্রাণ আমারি 
    রূপে দু’কূল–ছাপা গাঙ্‌ তারি।।
    
  • ঐ হের রসুলে খোদা এলো ঐ

    বাণী

    ঐ হের রসুলে খোদা এলো ঐ।।
    গেলেন মদিনা যবে হিজরতে হজরত
    মদিনা হলো যেন খুশিতে জিন্নত,
    ছুটিয়া আসিল পথে মর্দ ও আওরত
    লুটায়ে পায়ে নবীর, গাহে সব উম্মত
    ঐ হের রসুলে-খোদা এলো ঐ।।
    হাজার সে কাফের সেনা বদরে,
    তিন শত তের মমিন এধারে;
    হজরতে দেখিল যেই, কাঁপিয়া ডরে
    কহিল কাফের সব তাজিমের স্বরে
    ঐ হের রসুলে-খোদা এলো ঐ।।
    কাঁদিয়া কেয়ামতে গুনাহগার সব,
    নবীর কাছে শাফায়তী করিবেন তলব,
    আসিবেন কাঁদন শুনি সেই শাহে আরব
    অমনি উঠিবে সেথা খুশির কলরব
    ঐ হের রসুলে খোদা এলো ঐ।।
    
  • ও কালো বউ জল আনিতে যেয়ো না

    বাণী

    ও কালো বউ! জল আনিতে যেয়ো না আর বাজিয়ে মল।
    তোমায় দেখে শিউরে ওঠে কাজ্‌লা দীঘির কালো জল।
    		ওগো কাজ্‌লা দীঘির কালো জল।।
    	দেখে তোমার কালো আঁখি
    	কালো কোকিল ওঠে ডাকি’
    তোমার চোখের কাজল মাখি’ হয় সজল ঐ মেঘ-দল
    		ওগো হয় সজল ঐ মেঘ-দল।।
    	তোমার কালো রূপের মায়া
    	দুপুর রোদে শীতল ছায়া
    কচি অশথ্‌ পাতায় টলে ঐ কালো রূপ টলমল।।
    	ভাদর মাসের ভরা ঝিলে
    	তোমার রূপের আদর মিলে গো —
    তোমার তনুর নিবিড় নীলে আকাশ করে টলমল।
    		ঐ আকাশ করে টলমল।।
    
  • ও কালো শশী রে বাজায়ো না

    বাণী

    		ও কালো শশী রে, বাজায়ো না আর বাঁশী রে।
    		বাঁশী শুনিতে আসি না আমি, জল নিতে আসি হে।।
    		আঁচল দিয়ে মুছি বন্ধু কাজলেরই কালি,
    		যায় না মোছা তোমার কালি লাগলে বনমালী;
    তোমার	বাঁশী শুনে ভেসে গেল কত রাধার মুখের হাসি রে।।
    		কাল নাগিনীর ফণায় নাচো, বুঝবে তুমি কিসে,
    		কত কুল-বধূ মরে ঐ বাঁশরীর বিষে (বন্ধু)
    		ঘরে ফেরার পথ হারায়ে ফিরি তোমার পায়ে পায়ে,
    		জলের কল্‌সি জলে ডোবে, আমি আঁখি জলে ভাসি রে।।
    
  • ও কুল-ভাঙ্গা নদী রে

    বাণী

    	ও, কুল-ভাঙ্গা নদী রে,
    	আমার চোখের নীর এনেছি মিশাতে তোর নীরে।।
    	যে লোনা জলের সিন্ধুতে নদী, নিতি তব আনাগোনা
    	মোর চোখের জল লাগবে না ভাই তার চেয়ে বেশি লোনা।
    	আমায় কাঁদাতে দেখে আসবিনে তুই রে,
    	উজান বেয়ে ফিরে' নদী, উজান বেয়ে ফিরে'।।
    		আমার মন বোঝে না, নদী —
    তাই	বারে বারে আসি ফিরে তোর কাছে নিরবধি।
    	তোরই অতল তলে ডুবিতে চাই রে,
    		তুই ঠেলে দিস তীরে (ওরে)।।
    
  • ও কে উদাসী আমায় হায়

    বাণী

    ও কে উদাসী আমায় হায়
    ডাকে আয় আয়
    	গোধূলি-বেলায় বাজায়ে বাঁশরি।
    তা’র পাহাড়ি সুরে
    মোর নয়ন ঝুরে
    	মম কুল-লাজ গৃহ-কাজ যাই পাশরি’।।
    তা’র সুরের মায়ায় আকাশ ঝিমায়,
    	চাঁদের চোখে তিমির ঘনায় —
    তা’র বিরহে মধুর মোহে জীবন মরণ পলকে বিসরি।।
    
  • ও তুই উলটা বুঝলি রাম

    বাণী

    ও তুই উলটা বুঝলি রাম
    আমি আম চাহিতে জাম দিলে, আর জাম চাহিতে কি-না আম।।
    আমি চড়বার ঘোড়া চাইতে শেষে, ওগো ঘোড়াই ঘাড়ে চড়লো এসে,
    ও বাব্বা —
    আমি প্রিয়ার চিঠি চাইতে এলো কিনা ইনকামট্যাক্স-এর খাম।।
    আমি চেয়েছিলাম কোঠা বাড়ি, তাই পড়লো পিঠে লাঠির বাড়ি
    	ভুলে আমি বলেছিলাম তোমার পায়ে শরণ নিলাম।
    	তুমি ভুল বুঝিলে, ভিটেবাড়ি সব হ'লো নিলাম।।
    আমি চেয়েছিলম সুবোধ ভাইটি
    তা না হয়ে, বাবা গোঁয়ার সে ভাই উচায় লাঠি
    আমি শ্রী ব্রজধাম চাইতে ঠেলে দিলে শ্রীঘর হাজত ধাম।।
    
  • ও বন্ধু! দেখলে তোমায় বুকের মাঝে

    বাণী

    ও বন্ধু! দেখ্‌লে তোমায়, বুকের মাঝে জোয়ার-ভাঁটা খেলে।
    আমি এক্‌লা ঘাটে কুলবধূ কেন তুমি এলে
    			বন্ধু, কেন তুমি এলে।।
    ও বন্ধু, আমার অঙ্গে কাঁটা দিয়ে ওঠে বাজাও যখন বাঁশি
    আমি খিড়্‌কি দুয়ার দিয়ে বন্ধু, জল ভরিতে আসি
    ভেসে’ নয়ন-জলে ঘরে ফিরি ঘাটে কলস ফেলে।।
    আমার পাড়ায়, বন্ধু, তোমার নাম যদি নেয় কেউ
    বুকে আমার দুলে ওঠে পদ্মা নদীর ঢেউ বন্ধু পদ্মা নদীর ঢেউ।
    	ওগো ও চাঁদ, এনো না আর
    	দু’কূল-ভাঙা এমন জোয়ার
    কত ছল ক’রে জল লুকাই চোখের কাঁচা কাঠে আগুন জ্বেলে।।
    
  • ও ভাই আমার এ না’ যাত্রী না লয়

    বাণী

    ও ভাই	আমার এ না’ যাত্রী না লয় ভাঙা আমার তরী।
    আমি		আপনারে ল’য়ে রে ভাই এপার ওপার করি।।
    আমি		এই জলেরি আয়নাতে ভাই দেখেছিলাম তায়
    এখন		আয়না আছে প’ড়ে রে ভাই আয়নার মানুষ নাই।
    তাই		চোখের জলে নদীর জলে রে আমি তারেই খুঁজে মরি।।
    আমি		তারি আশে তরী নিয়ে ঘাটে ব’সে থাকি
    আমার	তারির নাম ভাই জপমালা, তারেই কেঁদে ডাকি।
    আমার	নয়ন-তারা লইয়া গেছে রে নয়ন নদীর জলে ভরি’।।
    ঐ		নদীর জলও শুকায় রে ভাই, সে জল আসে ফিরে
    আর		মানুষ গেলে ফিরে নাকি দিলে মাথার কিরে।
    আমি		ভালোবেসে গেলাম ভেসে গো আমি হলাম দেশান্তরী।।
    
  • ও মন চল অকুল পানে

    বাণী

    	ও মন চল অকুল পানে, মাতি হরিপ্রেম-গুণগানে।
    	নদী যেমন ধায় অকূলে কূল যত তায় টানে।।
    তুই	কোন্ পাহাড়ে ঠেক্‌লি এসে কোন্‌ পাথারের জল
    	হরির প্রেমে গ’লে এবার সেই অসীমে চল্,
    তুই	স্রোতের বেগে দুল্‌বি রে কূল-বাধা যদি হানে।।
    	এ পারের সব যাত্রী যাবে তোর বুকে ওপারে
    	তোর কূলে শ্যাম বাজিয়ে বাঁশি আস্‌বে অভিসারে,
    	শ্যামের ছবি ধর্‌বি বুকে মাত্‌বি প্রেম-তুফানে।।
    
  • ও মন রমজানের ঐ রোজার শেষে এলো খুশীর ঈদ

    বাণী

    ও		মন রমজানের ঐ রোজার শেষে এলো খুশির ঈদ।
    তুই		আপনাকে আজ বিলিয়ে দে শোন্‌ আসমানি তাগিদ।।
    তোর		সোনা–দানা বালাখানা সব রাহেলিল্লাহ্‌।
    দে		জাকাত মুর্দা মুসলিমের আজ ভাঙাইতে নিদ্‌।।
    আজ		পড়বি ঈদের নামাজ রে মন সেই সে ঈদগাহে।
    যে		ময়দানে সব গাজী মুসলিম হয়েছে শহীদ।।
    আজ		ভুলে যা তোর দোস্ত ও দুশমন হাত মিলাও হাতে।
    তোর		প্রেম দিয়ে কর বিশ্ব নিখিল ইসলামে মুরিদ।।
    ঢাল		হৃদয়ের তোর তশ্‌তরিতে শির্‌নি তৌহিদের।
    তোর		দাওয়াত কবুল করবে হজরত হয় মনে উম্মীদ।।
    
  • ওগো দেবতা তোমার পায়ে গিয়াছিনু ফুল দিতে

    বাণী

    ওগো	দেবতা তোমার পায়ে গিয়াছিনু ফুল দিতে
    মোর	মন চুরি ক’রে নিলে কেন তুমি অলখিতে।।
    আজি	ফুল দিতে শ্রীচরণে
    মম	হাত কাঁপে ক্ষণে;
    কেন	প্রণাম করিতে গিয়া- প্রিয় সাধ জাগে পরশিতে।।
    তুমি	দেবতা যে মন্দিরে- কাছে এলে যাই ভুলে
    বঁধু	আমি দীন দেবদাসী কেন তুমি মোরে ছুঁলে।
    		তুমি কাছে এলে যাই ভুলে।
    আমি	হাতে আনি হেমঝারি’,
    তুমি	কেন চাহ আঁখি-বারি;
    আমি	পূজা-অঞ্জলি আনি, তুমি কেন চাহ মালা নিতে।।