কাহার্‌বা

  • আজি বাদল বঁধূ এলো শ্রাবণ-সাঁঝে

    বাণী

    আজি বাদল বঁধূ এলো শ্রাবণ-সাঁঝে —
    নীপের দীপ ঢাকি’ আঁচল ভাঁজে।।
    	জ্বালি’ হেনার ধুনা
    	যাচি’ কার করুণা
    বন-তুলসী তলে এলে পূজারিণী সাজে।।
    সেদিন এমনি সাঁঝে মোর বেদীর মূলে
    প্রিয়া জ্বালিলে এ দীপ, তাহা গেছ কি ভুলে?
    	সেই সন্ধ্যা-স্মৃতি
    	সে যে করুণ গীতি,
    দূরে দাদুরি আনে বহি’ মরম মাঝে।।
    
  • আজি মিলন বাসর প্রিয়া হের মধুমাধবী নিশা

    বাণী

    পুরুষ	:	আজি মিলন বাসর প্রিয়া হের মধুমাধবী নিশা।
    স্ত্রী	:	কত জনম অভিসারে শেষে প্রিয় পেয়েছি তব দিশা।।
    পুরুষ	:	সহকার-তরু হের দোলে মালতী লতায় লয়ে বুকে,
    স্ত্রী	:	মাধবী কাঁকন পরি' দেওদার তরু দোলে সুখে।
    পুরুষ	:	হায় প্রাণ কানায় কানায় আজি পুরে
    স্ত্রী	:	প্রাণ কানায় কানায় আজি পুরে
    পুরুষ	:	হিয়া আবেশে পুলক মিশা
    স্ত্রী	:	হিয়া আবেশ পুলক মিশা।।
    পুরুষ	:	শরাব রঙের শাড়ি পরেছে চাঁদনি রাতি
    স্ত্রী	:	চাঁদে ও তারাতে আজি মিলনের মাতামাতি
    পুরুষ	:	হের জোয়া উতলা সিন্ধু পূর্ণিমা চাঁদের পেয়ে'
    স্ত্রী	:	কোন দূর অতীত স্মৃতি মম প্রাণে-মনে ওঠে ছেয়ে।
    পুরুষ	:	আজি মিলন-ঘন মেঘলোকে
    স্ত্রী	:	আজি মিলন-ঘন মেঘলোকে
    পুরুষ	:	প্রিয়া মিটিবে মরু-তৃষা
    স্ত্রী	:	প্রিয় মিটিবে মরু-তৃষা।।
    দ্বৈত	:	প্রিয় মিটিবে মরু-তৃষা।।
    
  • আঁধার মনের মিনারে মোর

    বাণী

    আঁধার মনের মিনারে মোর হে মুয়াজ্জিন, দাও আজান
    গাফেলতির ঘুম ভেঙে দাও হউক নিশি অবসান॥
    	আল্লাহ নামের যে তক্‌বীরে
    	ঝর্না বহে পাষাণ চিরে
    শুনি’ সে তক্‌বিরের আওয়াজ জাগুক আমার পাষাণ প্রাণ॥
    জামাত ভারি জমবে এবার এই দুনিয়ার ঈদগাহে,
    মেহেদী হবেন ইমাম সেথায় রাহ্ দেখাবেন গুমরাহে।
    	আমি যেন সেই জামাতে
    	সামিল হতে পারি প্রাতে
    ডাকে আমায় শহীদ হতে সেথায় যতো নওজোয়ান॥
    
  • আঁধারের এলোকেশ ছড়িয়ে এলে

    বাণী

    আঁধারের এলোকেশ ছড়িয়ে এলে
    			তুমি ধূসর সন্ধ্যা।
    তোমারে অর্ঘ্য দিতে বনে ফুটিল কি তাই
    			রজনীগন্ধা?
    গোধূলির রং সম তব মুখ, হায়!
    তরুণ হাসি কেন চকিতে মিলায়?
    সহসা মহুয়া বনে চঞ্চল বায়
    			হ’ল নিথর সুমন্দা।।
    বিষাদ-গভীর তব নয়ন যেন নিশীথের সিন্ধু;
    মুদিত কমলের দলিত দলে তুমি শিশিরের বিন্দু।
    তুমি সকরুণ প্রার্থনা বেলাশেষের,
    পথ-হারা পাখি তুমি দূর বিদেশের,
    স্নিগ্ধ-স্রোত তুমি দূর অমরার অলকানন্দা।।
    
  • আধো রাতে যদি ঘুম ভেঙে যায়

    বাণী

    	আধো রাতে যদি ঘুম ভেঙে যায়, চাঁদ নেহারিয়া প্রিয়
    	মোরে যদি মনে পড়ে, বাতায়ন বন্ধ করিয়া দিও।।
    		সুরের ডুরিতে জপমালা সম
    		তব নাম গাঁথা ছিল প্রিয়তম,
    	দুয়ারে ভিখারি গাহিলে সে গান, তুমি ফিরে না চাহিও।।
    	অভিশাপ দিও, বকুল-কুঞ্জে যদি কুহু গেয়ে ওঠে,
    	চরণে দলিও সেই যুঁই গাছে আর যদি ফুল ফোটে।
    		মোর স্মৃতি আছে যা কিছু যেথায়
    		যেন তাহা চির-তরে মুছে যায়,
    (মোর)	যে ছবি ভাঙিয়া ফেলেছ ধূলায় (তারে) আর তু’লে নাহি নিও।।
    
  • আধো-আধো বোল লাজে-বাধো-বাধো বোল

    বাণী

    আধো আধো বোল্ লাজে-বাধো-বাধো বোল
    				ব’লো কানে কানে।
    যে কথাটি আধো রাতে মনে লাগায় দোল
    				ব’লো কানে কানে।।
    যে কথার কলি সখি আজও ফুটিল না, হায়
    শরমে মরম-পাতে দোলে আন্‌মনা, হায়
    যে কথাটি ঢেকে রাখে বুকের আঁচল
    				ব’লো কানে কানে।।
    যে কথা লুকায়ে থাকে লাজ-নত চোখে
    না বলিতে যে কথাটি জানাজানি লোকে
    যে কথাটি ধ’রে রাখে অধরের কোল
    লুকিয়ে ব’লো নিরালায় থামিলে কলরোল।
    যে কথাটি বলিতে চাও বেশভূষার ছলে
    যে কথা দেয় ব’লে তব তনু পলে পলে
    যে কথাটি বলিতে সই গালে পড়ে টোল্ —
    				ব’লো কানে কানে।।
    

  • আনারকলি! আনারকলি!

    বাণী

    আনারকলি! আনারকলি!
    স্বপ্নে দেখে’ কোন্ ডালিম-কুমারে
    এসেছিলে রেবা ঝিলামের’ পারে,
    দিতে তব রাঙা হৃদয়ের অঞ্জলি।।
    মরুর মণিকা বাদশাহী নওরোজে
    এসেছিলে কোন্ হারানো হিয়ার খোঁজে,
    তব রূপ হেরি’ হেরেমের দীপ-মালা উঠেছিল চঞ্চলি’।।
    পতঙ্গ সম পাপড়ির পাখা মেলি’ আনারকলি গো — 
    সেলিমের অনুরাগ-মোমের প্রদীপে পড়িলে ঢলি’ গো — 
    মিলায়েছে মাটিতে মোগলের মসনদ, আনারকলি।
    তুমি আজো দুলিতেছ ফুলের হাসিতে
    বিরহীর বাঁশিতে, আনারকলি;
    তব জীবন্ত সমাধির বিগলিত পাষাণে
    আজও প্রেম-যমুনার ঢেউ ওঠে উথলি’।।
    

    সঙ্গীতালেখ্য: ‘পঞ্চাঙ্গনা’

  • আবহায়াতের পানি দাও মরি পিপাসায়

    বাণী

    আবহায়াতের পানি দাও, মরি পিপাসায়
    শরণ নিলাম নবীজির মোবারক পা’য়।।
    ভিখারিরে ফিরাবে কি শূন্য হাতে,
    দয়ার সাগর তুমি যে মরু সাহারায়।।
    অন্ধ আমি আঁধারে মরি ঘুরিয়া,
    দেখাবে না-কি মোরে পথ, এই নিরাশায়।।
    যে-মধু পিয়ে রহে না ক্ষুধা তৃষ্ণা,
    মরার আগে সেই মধু দিও গো আমায়।।
    
  • আবার ভালোবাসার সাধ জাগে

    বাণী

    আবার ভালোবাসার সাধ জাগে।
    সেই পুরাতন চাঁদ আমার চোখে আজ নূতন লাগে।।
    	যে ফুল দলিয়াছি নিঠুর পায়ে
    	সাধ যায় ধরি তারে বক্ষে জড়ায়ে,
    উদাসীন হিয়া হায় রেঙে ওঠে অবেলায় সোনার গোধূলি-রাগে।।
    আবার ফাগুন-সমীর কেন বহে,
    আমার ভুবন ভরি’ কেঁদে ওঠে বাঁশরি অসীম বিরহে।
    	তপোবনের বুকে ঝর্নার সম
    	কে এলে সহসা হে প্রিয়তম,
    মাথুরের গোকুল সহসা রাঙাইলে রাসের কুঙ্কুম-ফাগে।।
    
  • আবার শ্রাবণ এলো ফিরে

    বাণী

    দ্বৈত	:	আবার শ্রাবণ এলো ফিরে তেমনি ময়ুর ডাকে,
    		দোলনা কেন বাঁধলে না গো এবার কদম-শাখে।।
    স্ত্রী	:	সঙ্গে ল'য়ে গোপ-গোপীরে
    পুরুষ	:	ব্রজের কিশোর যাবে ফিরে
    দ্বৈত	:	লীলা-কিশোর শ্যাম যে লীলা-সাথীর সাথে থাকে।।
    দ্বৈত	:	দোলনা বেঁধে রইবো চেয়ে আমরা মেঘের পানে
    		আয় ওরে আয়, নির্জন বনকে জাগাই সেই কাজরি গানে গানে।
    স্ত্রী	:	বৃষ্টি ধারায় টাপুর টুপুর
    পুরুষ	:	শুনব তাহার পায়ের নূপুর
    দ্বৈত	:	বিজলিতে তার চপল চাওয়া দেখব মেঘের ফাঁকে।।
    
  • আমরা পানের নেশার পাগল

    বাণী

    আমরা পানের নেশার পাগল, লাল শারাবে ভর গেলাস
    পান-বেহুশে আয় রেখে ঐ সাকির বিলোল্ আঁখির পাশ।।
    চাঁদ পিয়ালায় রবির কিরণ ঢালার মতো শারাব ঢাল,
    ছায় না যেন দিনের আনন কস্তূরী-কেশ খোঁপার ফাঁস।।
    শারাবখানার সদর-ঘরে বসো খানিক ধর্মাধিপ,
    এই আনন্দ-ধারায় নেয়ে নাও ধুয়ে সব পাপের রাশ।।
    মোমের বাতির মতো, সুফী কেঁদে গলাও আপনাকে!
    এই বিষাদ এই ব্যথার পারে দাও আনন্দ ভর্‌-আকাশ।।
    নূতন দিনের বধূ যদি আসে তোমার, খোশ-নসিব!
    যৌতুক তায় দিও লিখে হাফিজের এই প্রেম-বিলাস।।
    
  • আমাদের ভাল কর হে ভগবান

    বাণী

    আমাদের ভাল কর, হে ভগবান,
    সকলের ভাল কর, হে ভগবান।।
    আমাদের সব লোকে বাসিবে ভালো
    আমরাও সকলেরে বাসিব ভালো,
    রবে না হিংসা-দ্বেষ, দেহ ও মনের ক্লেশ
    মাটির পৃথিবী হবে স্বর্গ সমান - হে ভগভান।।
    জ্ঞানের আলোক দাও, হে ভগবান!
    বিপুল শক্তি দাও, হে ভগবান।
    তোমারি দেওয়া জ্ঞানে চিনিব তোমায়
    তোমার শক্তি হবে কর্মে সহায়,
    ধর্ম যদি সাথি হয়, রবেনাক দুঃখ-ভয়
    বিপদে পড়িলে তুমি করো যেন ত্রাণ - হে ভগবান।।
    
  • আমায় নহে গো ভালবাস শুধু

    বাণী

    আমায় নহে গো – ভালবাস শুধু ভালবাস মোর গান।
    বনের পাখিরে কে চিনে রাখে গান হ’লে অবসান।।
    চাঁদেরে কে চায় – জোছনা সবাই যাচে,
    গীত শেষে বীণা প’ড়ে থাকে ধূলি মাঝে;
    তুমি বুঝিবে না বুঝিবে না —
    আলো দিতে পোড়ে কত প্রদীপের প্রাণ।।
    যে কাঁটা-লতার আঁখি-জল, হায়, ফুল হ’য়ে ওঠে ফুটে —
    ফুল নিয়ে তায় দিয়েছ কি কিছু শূন্য পত্র-পুটে!
    সবাই তৃষ্ণা মিটায় নদীর জলে,
    কী তৃষা জাগে সে নদীর হিয়া-তলে —
    বেদনার মহাসাগরের কাছে কর সন্ধান।।
    
  • আমার আছে এই ক’খানি গান

    বাণী

    আমার আছে এই ক’খানি গান
    তা’ দিয়ে কি ভর’বে তোমার প্রাণ।।
    		অনেক বেশি তোমার দাবি
    		শূন্য হাতে তাইতো ভাবি,
    কি দান দিয়ে ভাঙবো তোমার গভীর অভিমান।।
    	তুমি চাহ গভীর ব্যাকুলতা
    	আমার কাছে বলার দুটি কথা।
    		যে বাঁশরি গায় অবিরাম
    		প্রিয়তম তোমারি নাম
    যাবার বেলায় তোমায় দিলাম সেই বাঁশরি খান।।
    

  • আমার কথা লুকিয়ে থাকে

    বাণী

    আমার কথা লুকিয়ে থাকে আমার গানের আড়ালে।
    সেই কথাটি জানার লাগি’ কে গো এসে দাঁড়ালে।।
    	শূন্য মনের নাই কেহ মোর সাথি
    	গান গেয়ে তাই কাটাই দিবারাতি,
    সেই হৃদয়ের গভীর বনে কে তুমি পথ হারালে।।
    হৃদয় নিয়ে নিদয় খেলার হয় যেখানে অভিনয়,
    চেও না সেই হাটের মাঝে আমার মনের পরিচয়।
    	যে বেদনার আগুন বুকে ল’য়ে
    	জ্বলি আমি প্রদীপ-শিখা হ’য়ে,
    সেই বেদনা জুড়াতে মোর কে তুমি হাত বাড়ালে।।
    

    গীতিচিত্র: ‘অতনুর দেশ’

  • আমার খোকার মাসি শ্রীঅমুকবালা দাসী

    বাণী

    (ওগো)আমার খোকার মাসি শ্রীঅমুকবালা দাসী,
    মোরে দেখেই সর্বনাশী ফেলে ফিক্ করে সে হাসি।।
    	তার চোখ প্রায় পুটী মৎসই
    	তার চেহারাও নয় জুৎসই
    আবার(তার) আছে তিনটি বৎসই কিন্তু সে স্বাস্থ্যে খোদার খাসি।।
    	সে খায় বটে পান-জর্দা
    	তার চেহারাও মর্দ্দা-মর্দা
    তবু বুঝলে কি না বড়দা আমি তারেই ভালোবাসি।।
    শালী অর্থাৎ কি না বউ সে পনর আনাই,
    তারে দিয়ে একটা ‌‘আনি’ দাদা ঘরে যদি আনি
    সে বউ হয় ষোল আনাই।কি বল দাদা এ্যা?
    আমি তারই লাগি জেলে, মরবো ঘানি ঠেলে,
    তারে নিয়ে ভাগ্‌বো রেলে, না হয় পর্‌বো গলায় ফাঁসি।।
    
  • আমার গহীন জলের নদী

    বাণী

    আমার		গহীন জলের নদী
    আমি			তোমার জলে ভেসে রইলাম জনম অবধি।।
    ও ভাই		তোমার বানে ভেসে গেল আমার বাঁধা ঘর
    আমি			চরে এসে বস্‌লাম রে ভাই ভাসালে সে চর।
    এখন			সব হারিয়ে তোমার জলে রে আমি ভাসি নিরবধি।।
    			ঘর ভাঙিলে ঘর পাব ভাই ভাঙ্‌লে কেন মন
    ও ভাই		হারালে আর পাওয়া না যায় মনেরি রতন।
    ও ভাই		জোয়ারে মন ফেরে না আর রে ও সে ভাটিতে হারায় যদি।।
    তুমি			যখন ভাঙ রে নদী (ভাঙ যখন কূল রে নদী) ভাঙ একই ধার
    আর			মন যখন ভাঙ রে নদী দুই কূল ভাঙ তার
    ও ভাই		চর পড়ে না মনের কূলে রে
    ও সে			একবার সে ভাঙে যদি, ও ভাই একবার সে ভাঙে যদি।।
    
  • আমার ঘরের মলিন দীপালোকে

    বাণী

    আমার ঘরের মলিন দীপালোকে
    জল দেখেছি যেন তোমার চোখে।।
    	বল পথিক বল বল
    	কেন নয়ন ছল ছল
    কেন শিশির টলমল কমল-কোরকে।।
    তোমার হাসির তড়িৎ আলোকে
    মেঘ দেখেছি তব মানস-লোকে।
    	চাঁদনি রাতে আনো কেন
    	পুবের হাওয়ার কাঁদন হেন?
    ধূলি ঝড়ে ঢাকল যেন ফুলেল বসন্তকে।।
    
  • আমার ধ্যানের ছবি আমার হজরত

    বাণী

    আমার ধ্যানের ছবি আমার হজরত।
    ও নাম প্রাণে মিটায় পিয়াসা,
    আমার তামান্না আমারি আশা,
    আমার গৌরব আমারি ভরসা,
    এ দীন গোনাহগার তাঁহারই উম্মত।।
    ও নামে রওশন জমীন আসমান,
    ও নামে মাখা তামাম জাহান,
    ও নামই দরিয়ায় বহায় উজান,
    ও নাম ধেয়ায় মরু ও পর্বত।।
    আমার নবীর নাম জপে নিশিদিন
    ফেরেশ্‌তা আর হুর পরী জিন্‌,
    ও নাম জপি আমার ভোমরায়
    পাবো কিয়ামতে তাঁহার শাফায়ৎ।।
    
  • আমার নয়নে কৃষ্ণ-নয়নতারা

    বাণী

    আমার নয়নে কৃষ্ণ-নয়নতারা হৃদয়ে মোর রাধা-প্যারী।
    আমার প্রেম-প্রীতি-ভালোবাসা শ্যাম-সোহাগী গোপ-নারী।।
    	আমার স্নেহে জাগে সদা
    	পিতা নন্দ মা যশোদা,
    ভক্তি আমার শ্রীদাম-সুদাম আঁখি-জল যমুনা-বারি।।
    	আমার সুখের কদম-শাখায়
    	কিশোর হরি বংশী বাজায়
    আমার দুখের তমাল ছায়ায় — লুকিয়ে খেলে বন-বিহারী।।
    মুক্ত আমার প্রাণের গোঠে চরায় ধেনু রাখাল-কিশোর,
    আমার প্রিয়জনে নেয় সে হরি’, সেই ত ননী খায় ননী-চোর।
    রাধা-কৃষ্ণ-কথা শুনায় — দেহ ও মন শুক-শারী।।