আদ্ধা

  • আজ বাদল ঝরে মোর একেলা ঘরে

    বাণী

    আজ		বাদল ঝরে		মোর		একেলা ঘরে।
    হায়		কী মনে পড়ে	মন		এমন করে।।
    আজ		এমন দিনে		কোন্ 		নীড়হারা পাখি
    যাও		কাঁদিয়া কোথায়	কোন্ 		সাথীরে ডাকি’।
    তোর		ভেঙেছে পাখা	কোন্ 		আকুল ঝড়ে।।
    আয়		ঝড়ের পাখি		আয়		আমার এ বুকে
    আয়		দিব রে আশয়	মোর		গহন-দুখে।
    আয়		বাঁধিব বাসা		আজ		নূতন ক’রে।।
    
  • ঐ নন্দন নন্দিনী দয়িতা চির-আনন্দিতা

    বাণী

    ঐ নন্দন নন্দিনী দয়িতা, চির-আনন্দিতা।
    যেন প্রথম কবির প্রথম লেখা কবিতা ॥
    	তব চরণের নূপুরধ্বনি
    	মধুকর গুঞ্জর তোলে যে রণি,
    মন মোর ভোলে হেরি তোমারে যে গো ঐ যে যৌবন-গর্বিতা ॥
    	দোলায় দোদুল দুল তব নৃত্য
    	আবেশে আকুল হয় মোর চিত্ত,
    	নৃত্যশেষে তব পায়ের নূপুর
    	গ্রহ তারকায় রয় আকাশের সুদূর,
    সুরলোক উর্বশী তুমি যে আমার রও চির-অনিন্দিতা ॥
    
  • পরদেশী মেঘ যাও রে ফিরে

    বাণী

    	পরদেশী মেঘ যাও রে ফিরে।
    	বলিও আমার পরদেশী রে।।
    	সে দেশে যবে বাদল ঝরে
    	কাঁদে নাকি প্রাণ একেলা ঘরে,
    বিরহ-ব্যথা নাহি কি সেথা বাজে না বাঁশি নদীর তীরে।।
    বাদল-রাতে ডাকিলে ‘পিয়া পিয়া পাপিয়া’,
    বেদনায় ভ’রে ওঠে নাকি রে কাহারো হিয়া।
    	ফোটে যবে ফুল, ওঠে যবে চাঁদ
    	জাগে না সেথা কি প্রাণে কোন সাধ,
    দেয় না কেহ গুরু গঞ্জনা সে দেশে বুঝি কুলবতী রে।।
    
  • বল রাঙা হংসদূতি তা’র বারতা

    বাণী

    		বল রাঙা হংসদূতি তা’র বারতা।
    		দাও তা’র বিরহ-লিপি, বল সে কোথা।।
    		কেমনে কাটে তা’র অলস বেলা
    		আজো কি গাঙের ধারে কাঁদে একেলা,
    		দু’জনের আশা-তরী ডুবিল যথা।।
    		দীপ জ্বালেনি কি কেউ তাহার ঘরে,
    		ভাঙা ঘর বেঁধেছে কি নূতন ক’রে।
    		দেখা হ’লে তা’রে কহিও নিরালায়
    		আমি মরিয়াছি — মোর প্রেম মরেনি, হায়!
    (মোর)	অন্তরে সে আজো অন্তর-দেবতা।।
    
  • ভাদরের ভরা নদীতে ভাসায়ে

    বাণী

    ভাদরের ভরা নদীতে ভাসায়ে কেতকী পাতার তরণী কে আসে গো।
    বলাকার রঙ পালক কুড়ায়ে বাহি-ছায়া-পথ-সরণী কে আসে গো।।
    		দলি শাপলা শালুক শতদল
    		আসে রাঙায়ে কাহার পদতল,
    নীল লাবনি ঝরায়ে ঢলঢল — ভরাইয়া সারা ধরণী কে আসে গো।।
    		মৃদু মধুর মধুর হাসিয়া
    		সমীরণ সম ভাসিয়া,
    আসে কারে ভালোবাসিয়া — বলো কার মনোহরণী কে আসে গো।