আদ্ধা

  • ঐ নন্দন নন্দিনী দয়িতা চির-আনন্দিতা

    বাণী

    ঐ নন্দন নন্দিনী দয়িতা, চির-আনন্দিতা।
    যেন প্রথম কবির প্রথম লেখা কবিতা ॥
    	তব চরণের নূপুরধ্বনি
    	মধুকর গুঞ্জর তোলে যে রণি,
    মন মোর ভোলে হেরি তোমারে যে গো ঐ যে যৌবন-গর্বিতা ॥
    	দোলায় দোদুল দুল তব নৃত্য
    	আবেশে আকুল হয় মোর চিত্ত,
    	নৃত্যশেষে তব পায়ের নূপুর
    	গ্রহ তারকায় রয় আকাশের সুদূর,
    সুরলোক উর্বশী তুমি যে আমার রও চির-অনিন্দিতা ॥
    
  • বল রাঙা হংসদূতি তা’র বারতা

    বাণী

    		বল রাঙা হংসদূতি তা’র বারতা।
    		দাও তা’র বিরহ-লিপি, বল সে কোথা।।
    		কেমনে কাটে তা’র অলস বেলা
    		আজো কি গাঙের ধারে কাঁদে একেলা,
    		দু’জনের আশা-তরী ডুবিল যথা।।
    		দীপ জ্বালেনি কি কেউ তাহার ঘরে,
    		ভাঙা ঘর বেঁধেছে কি নূতন ক’রে।
    		দেখা হ’লে তা’রে কহিও নিরালায়
    		আমি মরিয়াছি — মোর প্রেম মরেনি, হায়!
    (মোর)	অন্তরে সে আজো অন্তর-দেবতা।।
    
  • ভাদরের ভরা নদীতে ভাসায়ে

    বাণী

    ভাদরের ভরা নদীতে ভাসায়ে কেতকী পাতার তরণী কে আসে গো।
    বলাকার রঙ পালক কুড়ায়ে বাহি-ছায়া-পথ-সরণী কে আসে গো।।
    		দলি শাপলা শালুক শতদল
    		আসে রাঙায়ে কাহার পদতল,
    নীল লাবনি ঝরায়ে ঢলঢল — ভরাইয়া সারা ধরণী কে আসে গো।।
    		মৃদু মধুর মধুর হাসিয়া
    		সমীরণ সম ভাসিয়া,
    আসে কারে ভালোবাসিয়া — বলো কার মনোহরণী কে আসে গো।