দাদ্‌রা

  • গোধূলির রঙ ছড়ালে কে গো

    বাণী

    গোধূলির রঙ ছড়ালে কে গো আমার সাঁঝগগনে।
    মিলনের বাজে বাঁশি আজি বিদায়ের লগনে।।
    এতদিন কেঁদে কেঁদে ডেকেছি নিঠুর মরণে
    আজি যে কাঁদি বঁধূ বাঁচিতে হায় তোমার সনে।।
    আজি এ ঝরা ফুলের অঞ্জলি কি নিতে এলে,
    সহসা পূরবী সুর বেজে উঠিল ইমনে।
    হইল ধন্য প্রিয় মরন-তীর্থ মম
    সুন্দর মৃত্যু এলে বরের বেশে ষেশ জীবনে,
    		এলে কে মোর সাঁঝ গগনে।।
    
  • ঘুমাইতে দাও শ্রান্ত রবি রে

    বাণী

    ঘুমাইতে দাও শ্রান্ত রবি রে জাগায়ো না জাগায়ো না,
    সারা জীবন যে আলো দিল ডেকে তার ঘুম ভাঙায়ো না।।
    	যে সহস্র করে রূপরস দিয়া
    	জননীর কোলে পড়িল ঢলিয়া
    তাঁহারে শান্তি-চন্দন দাও ক্রন্দনে রাঙায়ো না।।
    যে তেজ শৌর্য-শক্তি দিলেন, আপনারে করি ক্ষয়
    			তাই হাত পেতে নাও।
    বিদেহ রবি ও ইন্দ্র মোদের নিত্য দেবেন জয়
    			কবিরে ঘুমাতে দাও।
    	অন্তরে হের হারানো রবির জ্যোতি
    	সেইখানে তারে নিত্য কর প্রণতি
    	আর কেঁদে তাঁরে কাঁদায়ো না।।
    
  • ঘুমাও ঘুমাও দেখিতে এসেছি

    বাণী

    ঘুমাও,ঘুমাও,দেখিতে এসেছি ভাঙাতে আসিনি ঘুম
    কেউ জেগে কাঁদে,কারো চোখে নামে নিদালির মৌসুম॥
    	দেখিতে এলাম হ'য়ে কুতুহলী
    	চাঁপা-ফুল দিয়ে তৈরী পুতুলী
    দেখি,শয্যায় স্তূপ হ'য়ে আছে জোছনার কুমকুম
    আমি নই, ঐ কলঙ্কী চাঁদ নয়নে হেনেছে চুম্ ।।
    রাগ করিও না, অনুরাগ হ'তে রাগ আরো ভালো লাগে,
    তৃষ্ণাতুরের কেউ জল চায় কেউ বা শিরাজি মাগে।
    	মনে কর, আমি লোলুপ বাতাস
    	চোর-জোছনা, ফুলের সুবাস
    ভয় নাই, আমি চলে যাই ডাকি' নিশীথিনী নিঃঝুম।।
    
  • ঘুমিয়ে গেছে শ্রান্ত হ’য়ে

    বাণী

    ঘুমিয়ে গেছে শ্রান্ত হ’য়ে আমার গানের বুলবুলি —
    করুণ চোখে চেয়ে আছে সাঁঝের ঝরা ফুলগুলি।।
    ফুল ফুটিয়ে ভোর বেলাতে গান গেয়ে
    নীরব হ’ল কোন নিষাদের বান খেয়ে;
    বনের কোলে বিলাপ করে সন্ধ্যা–রাণী চুল খুলি’।।
    কাল হ’তে আর ফুটবে না হায় লতার বুকে মঞ্জরী,
    উঠছে পাতায় পাতায় কাহার করুণ নিশাস্‌ মর্মরি’।
    গানের পাখি গেছে উড়ে, শূন্য নীড় —
    কণ্ঠে আমার নাই যে আগের কথার ভীড়
    আলেয়ার এ আলোতে আর আসবে না কেউ কূল ভুলি’।।
    
  • চন্দ্রমল্লিকা চন্দ্রমল্লিকা

    বাণী

    চন্দ্রমল্লিকা, চন্দ্রমল্লিকা —
    রঙ-পরীদের সঙ্গিনী তুই অঙ্গে চাঁদের রূপ-শিখা।।
    ঊষর ধরায় আসলি ভুলে তুষার দেশে রঙ্গিনী'
    হিমেল দেশের চন্দ্রিকা তুই শীত-শেষের বাসন্তিকা।।
    চাঁদের আলো চুরি ক'রে আনলি তুই মুঠি ভ'রে,
    দিলাম চন্দ্র-মল্লিকা নাম তাই তোরে আদর ক'রে।
    	ভঙ্গিমা তোর গরব-ভরা,
    	রঙ্গিমা তোর হৃদয়-হরা,
    ফুলের দলে ফুলরানী তুই-তোরেই দিলাম জয়টিকা।।
    
  • চলো সাম্‌লে পিছল পথ

    বাণী

    	চলো সাম্‌লে পিছল পথ গোরী।
    	ভরা যৌবন তায় ভরা গাগরি।।
    	নীর ভরণে এসে সখি নদী-তীর
    	তীর খেয়ো না হৃদয়ে ডাগর আঁখির,
    	জলে ভাসিবে নয়ন কিশোরী।।
    	হৃদি নিঙাড়ি এ পথে প্রেমিক কত
    সখি	করেছে রুধির-পিছল এ পথ,
    	কেহ উঠিল না এ পথে পড়ি’।।
    	তব ঘটের সলিল চাহিয়া সই
    কত	তৃষ্ণা-আতুর পথিক দাঁড়ায়ে ঐ,
    	মরুভূমে তুমি মেঘ-পরী।।
    
  • চল্‌ চল্ চল্

    বাণী

    চল্ চল্ চল্। চল্ চল্ চল্।
    ঊর্ধ্ব গগনে বাজে মাদল
    নিম্নে উতলা ধরণী-তল
    অরুণ প্রাতের তরুণ দল
    	চল্ রে চল্ রে চল্
    		চল্ চল্ চল্।।
    ঊষার দুয়ারে হানি’ আঘাত
    আমরা আনিব রাঙা প্রভাত
    আমরা টুটাব তিমির রাত
    		বাধার বিন্ধ্যাচল।
    নব নবীনের গাহিয়া গান
    সজীব করিব মহাশ্মাশান
    আমরা দানিব নূতন প্রাণ
    		বাহুতে নবীন বল।
    চল্ রে নও জোয়ান
    শোন্ রে পাতিয়া কান
    মৃত্যু-তোরণ-দুয়ারে-দুয়ারে
    		জীবনের আহবান।
    		ভাঙ্ রে ভাঙ্ আগল
    		চল্ রে চল্ রে চল্
    			চল্ চল্ চল্।।
    
  • চাঁদের কন্যা চাঁদ সুলতানা

    বাণী

    চাঁদের কন্যা চাঁদ সুলতানা, চাঁদের চেয়েও জ্যোতি।
    তুমি দেখাইলে মহিমান্বিতা নারী কী শক্তিমতী।।
    শিখালে কাঁকন চুড়ি পরিয়াও নারী,
    ধরিতে পারে যে উদ্ধত তরবারি,
    না রহিত অবরোধের দুর্গ, হতো না এ দুর্গতি।।
    তুমি দেখালে নারীর শক্তি স্বরূপ – চিন্ময়ী কল্যাণী,
    ভারত জয়ীর দর্প নাশিয়া মুছালে নারীর গ্লানি।
    তুমি গোলকুন্ডার কোহিনূর হীরা সম
    আজো ইতিহাসে জ্বলিতেছে নিরুপম,
    রণরঙ্গিণী ফিরে এসো,
    তুমি ফিরিয়া আসিলে, ফিরিয়া আসিবে লক্ষী ও সরস্বতী।।
    
  • চীন ও ভারতে মিলেছি আবার মোরা

    বাণী

    কোরাস্	:	চীন ও ভারতে মিলেছি আবার মোরা শত কোটি লোক।
    			চীন ভারতের জয় হোক! ঐক্যের জয় হোক! সাম্যের জয় হোক।
    			ধরার অর্ধ নরনারী মোরা রহি এই দুই দেশে,
    			কেন আমাদের এত দুর্ভোগ নিত্য দৈন্য ক্লেশে।
    পুরুষ কন্ঠ	:	সহিব না আজ এই অবিচার —
    কোরাস্	:	খুলিয়াছে আজি চোখ॥
    			প্রাচীন চীনের প্রাচীর মহাভারতের হিমালয়
    			আজি এই কথা যেন কয় —
    			মোরা সভ্যতা শিখায়েছি পৃথিবীরে-ইহা কি সত্য নয় ?
    			হইব সর্বজয়ী আমরাই সর্বহারার দল,
    			সুন্দর হবে শান্তি লভিবে নিপীড়িতা ধরাতল।
    পুরুষ কন্ঠ	:	আমরা আনিব অভেদ ধর্ম —
    কোরাস্	:	নব বেদ-গাঁথা-শ্লোক॥
    
  • চুড়ি কিঙ্কিনী রিনি রিন ঝিনি বীণ বাজায়ে চলে

    বাণী

    চুড়ি কিঙ্কিনী রিনি রিন ঝিনি বীণ বাজায়ে চলে
    শুনি নদীর নীল জলে জোয়ার উথলে।।
    বাজে পায়ে পাঁইজোর ঘুঙুর ঝুমুর ঝুমুর
    গাহে পাপিয়া পিয়া পিয়া শুনি সে সুর
    শত পরান হতে চায় ঐ চরণে নূপুর
    হৃদি হতে চায় চাবি তাহার আঁচলে।।
    পথিকে বধিতে কি নদীতে সে জলকে যায়
    ছল চল বলি তাহার কলসিতে জল ছ’লকে যায়
    কাজল-ঘন চোখে বিজলি জ্বালা ঝলকে যায়
    মন-পতঙ্গ ধায় ঐ আঁখির অনলে
    শুনি নদীর নীল জলে জোয়ার উথলে।।
    
  • চুরি ক’রে এনো গিরি

    বাণী

    চুরি ক’রে এনো গিরি, আমার উমার দুই কুমারে।
    দেখ্‌ব তখন ভোলা মেয়ে কেমন ভু’লে থাকতে পারে॥
    তার ছেলেরে আনলে হেথা, বুঝবে মেয়ে মায়ের ব্যথা;
    (বিনা) সাধনাতে গৌরী তখন, আসবে ছুটে আমার দ্বারে॥
    জামাই আমার শিব ভোলানাথ, ডাকিলেই সে আসিবে জানি
    চাইবে নাকো আসতে শুধু, তোমার মেয়ে ঐ পাষাণী।
    কুমার গণেশ তুমি আমি, শিব পূজিব দিবস যামী;
    শৈব হ’লে শিবাণী মোর, রইতে নারে ছেড়ে তারে॥
    
  • চৈতী চাঁদের আলো আজ ভাল নাহি লাগে

    বাণী

    চৈতী চাঁদের আলো আজ ভাল নাহি লাগে,
    তুমি নাই মোর কাছে — সেই কথা শুধু জাগে।।
    এই ধরণীর বুকে কত গান কত হাসি,
    প্রদীপ নিভায়ে ঘরে আমি আঁখি-নীরে ভাসি,
    পরানে বিরহী বাঁশি ঝুরিছে করুণ রাগে।।
    এ কী এ বেদনা আজি আমার ভুবন ঘিরে,
    ওগো অশান্ত মম, ফিরে এসো, এসো ফিরে।
    বুলবুলি এলে বনে বলে যাহা বনলতা —
    সাধ যায় কানে কানে আজি বলিব সে কথা,
    ভুল বুঝিও না মোরে বলিতে পারিনি আগে।।
    

  • চোখের বাঁধন খুলে দে মা

    বাণী

    		চোখের বাঁধন খুলে দে মা খেলব না আর কানামাছি।
    আমি		মার খেতে আর পারি না মা এবার বুড়ি ছুঁয়ে বাঁচি।।
    			তুই পাবি অনেক মেয়ে ছেলে
    			যাদের সাধ মেটেনি খেলে খেলে,
    তুই		তাদের নিয়েই খেল না মা গো শ্রান্ত আমি রেহাই যাচি।
    		দুঃখ-শোক-ঋণ-অভাব ব্যাধি মায়ার খেলুড়িরা মিলে,
    		শত দিকে শত হাতে আঘাত হানে তিলে তিলে।
    			চোর হয়ে মা আর কত দিন 
    			ঘুরব ভবে শান্তিবিহীন,
    তোর		অভয় চরণ পাই না কেন মা তোর এত কাছে আছি।।
    
  • ছেড়ে দাও মোরে আর হাত ধরিও না

    বাণী

    ছেড়ে দাও মোরে আর হাত ধরিও না
    প্রেম যারে দিতে পারিলে না
    	তারে আর কৃপা করিও না।।
    আমি  করুনা চাহিনি কভু কারো কাছে
    বহু লোক পারে, তব কৃপা যারা যাচে
    যারে  হৃদয়ে দিলে না ঠাঁই
    	তার তরে কাদিঁও আখিঁজল ঝুরিও না।।
    ভুল করেছিনু যেথা শুধু বিষ অসুন্দরের ভিড়,
    সেই   পৃথিবীতে কেঁদেছি খুজিঁয়া প্রেম-যমুনার তীর।
    যার তরণী ভাসিল বিরহের পারাবারে
    পিছু ডেকে আর ফিরাতে চেয়ো না তারে
    আমারে পাষাণ-বিগ্রহ ক'রে
    	আর মালা পরিও না।।
    

  • জগৎ জুড়ে জাল ফেলেছিস্ মা

    বাণী

    জগৎ জুড়ে জাল ফেলেছিস্ মা, শ্যামা কি তুই জেলের মেয়ে।
    (তোর) মায়ার জালে মহামায়া, বিশ্বভুবন আছে ছেয়ে॥
    	প’ড়ে মা তোর মায়ার ফাঁদে 
    	কোটি নরনারী কাঁদে;
    তোর মায়াজাল ততই বাঁধে পালাতে চায় যত ধেয়ে॥
    চতুর যে-মীন সে জানে মা জাল থেকে যে মুক্তি আছে;
    (তাই)	জেলে যখন জাল ফেলে মা সে লুকায় জেলের পায়ের কাছে।
    	জাল এড়িয়ে তাই সে বাঁচে।
    	তাই মা আমি নিলাম শরণ
    	তোর ও দুটি রাঙা চরণ,
    এড়িয়ে গেলাম মায়ার বাঁধন মা তোর অভয়-চরণ পেয়ে॥
    
  • জরীন হরফে লেখা

    বাণী

    	জরীন হরফে লেখা
    	রূপালি হরফে লেখা
    (নীল)	আসমানের কোরআন।
    সেথা	তারায় তারায় খোদার কালাম
    (তোরা)	পড়, রে মুসলমান
    নীল	আসমানের কোরআন।।
    	সেথা ঈদের চাঁদে লেখা
    	মোহাম্মদের ‘মীম’-এর রেখা,
    সুরুযেরই বাতি জ্বেলে’ পড়ে রেজোয়ান।।
    খোদার আরশ লুকিয়ে আছে ঐ কোরআনের মাঝে,
    খোঁজে ফকির-দরবেশ সেই আরশ সকাল-সাঁঝে।
    	খোদার দিদার চাস রে, যদি
    	পড় এ কোরআন নিরবধি;
    খোদার নুরের রওশনীতে রাঙ রে দেহ-প্রাণ।।
    

  • জাগো জাগো শঙ্খ চক্র-গদা-পদ্ম-ধারী

    বাণী

    জাগো জাগো শঙ্খ চক্র-গদা-পদ্ম-ধারী 
    জাগো শ্রীকৃষ্ণ-তিথির তিমির অপসারি’।।
    	ডাকে বসুদেব দেবকী ডাকে
    	ঘরে ঘরে, নারায়ণ, তোমাকে।
    ডাকে বলরাম শ্রীদাম সুদাম ডাকিছে যমুনা-বারি।।
    	হরি হে, তোমায় সজল নেত্রে
    	ডাকে পাণ্ডব কুরুক্ষেত্রে!
    দুঃশাসন সভায় দ্রৌপদী ডাকিছে লজ্জাহারী।।
    	মহাভারতের হে মহাদেবতা
    	জাগো জাগো, আনো আলোক-বারতা!
    ডাকিছে গীতার শ্লোক অনাগতা বিশ্বের নর-নারী।।
    
  • জাতের নামে বজ্জাতি সব

    বাণী

    জাতের নামে বজ্জাতি সব জাত-জালিয়াৎ খেলছ জুয়া!
    ছুঁলেই তোর জাত যাবে? জাত ছেলের হাতের নয়তো মোয়া।।
    হুঁকোর জল আর ভাতের হাঁড়ি — ভাব্‌লি এতেই জাতির জান,
    তাইত বেকুব, করলি তোরা এক জাতিকে একশ’-খান।
    এখন দেখিস ভারত জোড়া পঁচে আছিস বাসি মড়া,
    মানুষ নাই আজ, আছে শুধু জাত-শেয়ালের হুক্কাহুয়া।।
    জানিস নাকি ধর্ম সে যে বর্ম সম সহন-শীল,
    তাকে কি ভাই ভাঙ্‌তে পারে ছোঁয়া ছুঁয়ির ছোট্ট ঢিল!
    যে জাত-ধর্ম ঠুন্‌কো এত, আজ নয় কা’ল ভাঙবে সে ত,
    যাক্‌ না সে জাত জাহান্নামে, রইবে মানুষ, নাই পরোয়া।।
    বলতে পারিস, বিশ্ব-পিতা ভগবানের কোন সে জাত?
    কোন্‌ ছেলের তার লাগলে ছোঁয়া অশুচি হন জগন্নাথ?
    ভগবানের জাত যদি নাই তোদের কেন জাতের বালাই?
    ছেলের মুখে থুথু দিয়ে মার মুখে দিস ধূপের ধোঁয়া।।
    
  • জানি আমার সাধনা নাই আছে তবু সাধ

    বাণী

    জানি আমার সাধনা নাই আছে তবু সাধ।
    তুমি আপনি এসে দেবে ধরা দূর-আকাশের চাঁদ।।
    	চকোর নহি মেঘও নহি
    	আপন ঘরে বন্দী রহি’
    আমি শুধু মনকে কহি কাঁদ নিশি দিন কাঁদ।।
    কূল-ডুবানো জোয়ার কোথা পাব হে সুন্দর?
    হে চাঁদ আমি সাগর নহি পল্লী-সরোবর।
    	নিশীথ রাতে আমার নীরে,
    	প্রেমের কুমুদ ফোটে ধীরে,
    মোর ভীরু প্রেম যেতে নারে ছাপিয়ে লাজের বাঁধ।।
    
  • জ্বালো দেয়ালি জ্বালো

    বাণী

    জ্বালো দেয়ালি জ্বালো
    অসীম তিমিরে শ‍্যামা মা যে অযুত কোটি আলো।।
    	এলো শক্তি অশিব নাশিনী
    	এলো অভয়া চির বিজয়িনী
    কালো রূপের স্নিগ্ধ লাবনি নয়ন মন জুড়ালো।।
    গ্রহ তারার দেওয়ালি জলিছে পবনে
    জ্বালো দীপালি জীবনের সব ভবনে।
    	এলো শিবানী প্রাণ দিতে সবে
    রক্ষা করিতে পীড়িত মানবে ধরাবে বাসিতে ভালো।।