আয় রণজয়ী পাহাড়ি দল

বাণী

আয় রণজয়ী পাহাড়ি দল
শক্তি-মাতাল বুনো পাগল
থৈ থৈ তা তা থৈ থৈ
নেচে আয় রে দৃপ্ত পায়।
গিরি দরি বন ভাসায় যেমন পার্বতীয়া ঝর্নাজল।
আন তীর ধনু বর্শা হান্ বাজা রে শিঙ্গা বাজা মাদল।।

নাটিকাঃ ‘সুরথ উদ্ধার’

লাল নটের ক্ষেতে লাল টুকটুকে বৌ যায়

বাণী

	লাল নটের ক্ষেতে, লাল টুকটুকে বৌ যায় গো।
তার	আলতা পায়ের চিহ্ন এঁকে নালতা শাকের গায় গো।।
	লাল নটের ক্ষেতে মৌমাছি ওঠে মেতে
	তার রূপের আঁচে পায়ের তলার মাটি ওঠে তেতে।
	লাল পুঁইয়ের লতা নুয়ে পড়ে জড়িয়ে ধরে পায় গো।।
	কাঁকাল বাঁকা রাখাল ছোঁড়া আগলে দাঁড়ায় আ’ল —
	রাঙা বৌ-এর চোখে লাগে লাল লঙ্কার ঝাল।
	বৌ-এর ঘেমে ওঠে গা, লাজে সরে না পা
	সে মুখ ফিরিয়ে শাড়ির আঁচল আঙুলে জড়ায় গো।।

বাঁশি বাজাবে কবে আবার বাঁশরিওয়ালা

বাণী

বাঁশি বাজাবে কবে আবার বাঁশরিওয়ালা
তব পথ চাহি ভারত-যশোদা কাঁদিছে নিরালা।।
কৃষ্ণা-তিথির তিমির হারী; শ্রীকৃষ্ণ এসো, এসো, মুরারি
ঘরে ঘরে আজ পুতনা ভীতি হানিছে কালা।।
কংস-কারার ভাঙো ভাঙো দ্বার
দেবকীর বুকের পাষাণ ভঅর নামাও নামাও
যুগ যুগ সম্ভব পুর্ণাবতার!
নিরানন্দ এ দেশ হাসুক আবার, আনন্দে হে নন্দলালা।।

আমি পথ-মঞ্জরী ফুটেছি আঁধার রাতে

বাণী

আমি পথ-মঞ্জরী ফুটেছি আঁধার রাতে। 
গোপন অশ্রু-সম রাতের নয়ন-পাতে।। 
দেবতা চাহে না মোরে 
গাঁথে না মালার ডোরে, 
অভিমানে তাই ভোরে শুকাই শিশির-সাথে।। 
মধুর সুরভি ছিল আমার পরাণ ভরা, 
আমার কামনা ছিল মালা হয়ে ঝ’রে পড়া। 
ভালোবাসা পেয়ে যদি 
আমি কাঁদিতাম নিরবধি, 
সে-বেদনা ছিল ভালো, সুখ ছিল সে-কাঁদাতে।। 

ঐ ঘর ভুলানো সুরে

বাণী

ঐ ঘর ভোলানো সুরে কে গান গেয়ে যায় দূরে। 
তার সুরের সাথে সাথে মোর মন যেতে চায় উড়ে।। 
তা'র সহজ গলার তানে
সে ফুল ফোটাতে জানে, 
তা'র সুরে ভাটির-টানে নব জোয়ার আসে ঘুরে।। 
তা'র সুরের অনুরাগে 
বুকে প্রণয়-বেদন জাগে; 
বনে ফুলের আগুন লাগে, ফুল সুধায় ওঠে পুরে।। 
বুঝি সুর-সোহাগে ওরি, 
পায় যৌবন কিশোরী, 
হিয়া বুঁদ হয়ে গো নেশায় তার পায়ে পায়ে ঘুরে।।

১. গানে

ঐ জল্‌কে চলে লো কার ঝিয়ারি

বাণী

ঐ জল্‌কে চলে লো কার ঝিয়ারি। 
রূপ চাপে না তার নীল শাড়ি।। 
এমন মিঠি বিজলি দিঠি শেখালে তায় কে গো? 
রূপে ডুবু ডুবু রবির রঙ-ভরা ছবির, ছোঁয়াচ লেগেছে গো। 
মন মানে না, আর কি করি ! 
চলে পিছনে ছুটে’ তারি।। 
নাচে বুলবুলি ফিঙে ঢেউয়ে নাচে ডিঙে 
মাঠে নাচে খঞ্জন; 
তার দু’টি আঁখি-তারা নেচে হতো সারা —
দেখেছে বল কোন জন? 
আঁখি নিল যে মোর মন্‌ কাড়ি’ —
ঘরে থাকিতে আর নারি লো।। 
গোলাপ বেলী যুঁই-চামেলি - কোন্‌ ফুল তারি তুল্‌ গো
তার যৌবন-নদী বয় নিরবধি ভাসায়ে দু’ কূল গো 
নিল ভাসায়ে প্রাণ আমারি 
রূপে দু’কূল–ছাপা গাঙ্‌ তারি।।