আজি নতুন এ চাঁদের তিথিতে

বাণী

আজি নতুন এ চাঁদের তিথিতে
কোন্ অতিথি এলো ফুল-বীথিতে॥
যদি বেদনা পায় বঁধু পথ চলিতে
তাই চেয়েছি বনপথ ফুল কলিতে
জানি ভাল জান হে বঁধু ফুল দলিতে
এসো বঁধু সুমধুর প্রীতিতে॥
এসো মনের মন্দিরে দেবতা আমার
লহ প্রেমের চন্দন আঁখি জলহার
আজি সফল করো সাধ আমার পূজার
চির জনম রহ মোর স্মৃতিতে॥

জয়-জগৎ-জননী ব্রহ্মা-বিষ্ণু-মহেশ্বর

বাণী

জয়-জগৎ-জননী, ব্রহ্মা-বিষ্ণু-মহেশ্বর বন্দিতা,
		জয় মা-ত্রিলোক তারিণী।
জয় আদ্যাশক্তি পরমেশ্বরী নন্দন-লোক-নন্দিতা
			জয় দুর্গতিহারিণী।।
তোমাতে সর্বজীবের বসতি, সর্বাশ্রয় তুমি মা,
জয় হয় সব বন্ধন পাপ-তাপ তব পদ চুমি’ মা।
তুমি শাশ্বতী, সৃষ্টি-স্থিতি, তুমি মা প্রলয়কারিণী।।
তুমি মা শ্রদ্ধা, প্রেম, ভক্তি তুমি কল্যাণ সিদ্ধি
ধর্ম, অর্থ, কাম, মোক্ষ তুমি তিন-জন ঋদ্ধি,
জয় বরাভয়া ত্রিগুণময়ী দশ-প্রহরণ-ধারিণী।।

নাটক : ‘বিদ্যাপতি’ (স্তব)

ও-তুই যাস্‌নে রাই-কিশোরী কদমতলাতে

বাণী

ও-তুই যাস্‌নে রাই-কিশোরী কদমতলাতে,
সেথা ধরবে বসন-চোরা ভূতে, পারবিনে আর পালাতে॥
	সে দেখলে কি আর রক্ষে আছে,
	ও-তোর বসন গিয়ে উঠ্‌বে গাছে,
ওলো গোবর্ধন-গিরিধারী সে — পারবিনে তায় টলাতে॥
	দেখতে পেলে ব্রজবালা,
	ঘট কেড়ে সে ঘটায় জ্বালা,
(ওলো) নিজেই গ’লে জল হ’বি তুই পারবিনে তায় গলাতে॥
	ঠেলে ফেলে অগাধ-নীরে
	সে হাসে লো দাঁড়িয়ে তীরে,
শেষে ভাসিয়ে নিয়ে প্রেম-সাগরে ওলো দোলায় নাগরদোলাতে॥

টারালা টারালা টারালা টা টারালা

বাণী

	টারালা টারালা টারালা টা টারালা টারালোল্লা
নাচে	শুটকী শুকনো সাহেবকে ধ'রে মুটকি মিস আরসোল্লা।
		হা-হা- হা-হা- হা।।
	খুরওয়ালা জুতা পরে খটখট ঠেংরী নাড়ে
	চাবুক খেয়ে জোড়া ঘোড়ায় যেন পেছলি ঝাড়ে!
দেখে	পাদ্রি, পুরুত, মোল্লা বাবাজী কাছা খোল্লা।
		আর বাবাজী কাছা খোল্লা।।
দেখে	আণ্ডাওয়ালা ভাবে বুঝি খেল ডাণ্ডাগুলি
হা	গণ্ডার মার্কা ষণ্ডা বিবি খেল ডাণ্ডাগুলি
হা	ভাব-আবেশের নয়ন তাহার হলো নয়ান ঝুলি;
	নেকু বাবুর ঢেকুর ওঠে পেটে মেকুর আচড়ায়!
	কাল্লু ভাবে মেম পালোয়ান সাহেবকে বুঝি পাছড়ায়। ( হায় হায় হায়)
	যতো কাবলিওয়ালা মাউড়া সব হো গিয়া ভাই বাউড়া
	মোষের গাড়োয়ান প্রেম-রসে হলো রসগোল্লা।।

ও কে সোনার চাঁদ কাঁদে রে

বাণী

ও কে সোনার চাঁদ কাঁদে রে হেরা গিরির ’পরে।
শিরে তাঁহার লক্ষ কোটি চাঁদের আলো ঝরে।।
কী অপরূপ জ্যোতির ধারা নীল আসমান হ’তে
			নামে বিপুল স্রোতে,
হেরা পাহাড় বেয়ে বহে সাহারা মরু পথে,
সেই জ্যোতিতে দুনিয়া আজি ঝলমল করে।।
আগুন বরণ ফেরেশ্‌তা এক এসে,
‘খোদার হাবিব, জাগো জাগো’, বলে হেসে হেসে।
নবুয়তের মোহর দিল বাজুতে তাঁর বেঁধে
তাজিম ক’রে কদমবুসি করে কেঁদে কেঁদে,
সেই নবীরই নামে আজি দুনিয়া দরুদ পড়ে।।

সখি কেন এত সাজিলাম যতন করি

বাণী

সখি কেন এত সাজিলাম যতন করি
জাগিয়া পোহাল হায় বিভাবরী।।
	চাহিতে মুকুর পানে
	সজ্জা লজ্জা হানে।
অভিমানে লুটাইয়া কাঁদে কবরী।।
সখি লুকায়ে হাসিবে সবে দেখিয়া মোরে
বল এ মুখ দেখাব আমি কেমন করে?
	সখি ঐ দেখ লোক জাগে
	কেহ জাগিবার আগে
নিয়ে চল যমুনাতে ডুবিয়া মরি।।