বাণী
ভোরের তরুণ অরুণে আর পূর্ণিমার চাঁদে। পাশাপাশি শুয়ে লো দেখ এক শয্যায় কাঁদে।। রাজার কুমার গড়া যেন ভোরের আলো দিয়ে রাজকন্যার সৃষ্টি যেন পদ্ম পাঁপড়ি নিয়ে, (আমি) দেখি সুন্দর বিধাতারে এ দুই রূপের ফাঁদে।।
নাটক : ‘মধুমালা’
রাগ ও তাল
রাগঃ
তালঃ
ভোরের তরুণ অরুণে আর পূর্ণিমার চাঁদে। পাশাপাশি শুয়ে লো দেখ এক শয্যায় কাঁদে।। রাজার কুমার গড়া যেন ভোরের আলো দিয়ে রাজকন্যার সৃষ্টি যেন পদ্ম পাঁপড়ি নিয়ে, (আমি) দেখি সুন্দর বিধাতারে এ দুই রূপের ফাঁদে।।
নাটক : ‘মধুমালা’
রাগঃ
তালঃ
এতো ঘুম নয় সই নয়ন ভরা রঙিন স্বপনে আমি যেন হারিয়ে গেছি কোন ফুলবনে ওগো রঙিন স্বপনে।। আমি যেন চাঁদনি রাতে মিশিয়ে গিয়ে হাওয়ার সাথে গোপন প্রিয়ার গোপন কথা শুনছি গোপনে।। আমি যেন মৌমাছিদের হালকা পাখায় বসি কোন প্রেয়সী মন টানে মোর কোন সে রুপসী। আমি যেন কেমন করে মেতেছি মোর রূপের তরে অশান্ত যৌবনের একি বাহুর বাঁধনে।।
রাগঃ
তালঃ দ্রুত-দাদ্রা

আশা-নিরাশায় দিন কেটে যায় হে প্রিয় কবে আসিবে? প্রতি নিঃশ্বাসে নয়ন প্রদীপ মোর আসিছে নিভে।। ফুল ঝরে যায় হায়, পুন ফুল ফোটে কৃষ্ণা তিথির শেষে চাঁদ হেসে ওঠে আমারি নিশীথের অসীম আঁধার ওগো চাঁদ কবে নাসিবে।। শীত যায় মনোবনে ফাল্গুন আসে গো আসিল না আমারই ফাল্গুন চাঁদের কিরণে পৃথিবী শীতল হায় মোর বুকে জ্বালে সে আগুন। নিশীথে বকুল শাখে পিয়া পিয়া পাপিয়া ডাকে আমারই প্রিয়তম ‘জাগো পিয়া’ বলে কবে ডাকিবে।।
রাগঃ
তালঃ
রেশমি চুড়ির তালে কৃষ্ণচূড়ার ডালে ‘পিউ কাহাঁ পিউ কাহাঁ’ ডেকে ওঠে পাপিয়া।। আঙিনায় ফুল-গাছে প্রজাপতি নাচে, ফেরে মুখের কাছে আদর যাচিয়া।। দুলে দুলে বনলতা কহিতে চাহে কথা, বাজে তারি আকুলতা — কানন ছাপিয়া।। শ্যামলী-কিশোরী মেয়ে থাকে দূর নভে চেয়ে, কালো মেঘ আসে ধেয়ে — গগন ব্যাপিয়া।।
রাগঃ গৌড় সারং
তালঃ কাওয়ালি

চাঁদের কন্যা চাঁদ সুলতানা, চাঁদের চেয়েও জ্যোতি। তুমি দেখাইলে মহিমান্বিতা নারী কী শক্তিমতী।। শিখালে কাঁকন চুড়ি পরিয়াও নারী, ধরিতে পারে যে উদ্ধত তরবারি, না রহিত অবরোধের দুর্গ, হতো না এ দুর্গতি।। তুমি দেখালে নারীর শক্তি স্বরূপ – চিন্ময়ী কল্যাণী, ভারত জয়ীর দর্প নাশিয়া মুছালে নারীর গ্লানি। তুমি গোলকুন্ডার কোহিনূর হীরা সম আজো ইতিহাসে জ্বলিতেছে নিরুপম, রণরঙ্গিণী ফিরে এসো, তুমি ফিরিয়া আসিলে, ফিরিয়া আসিবে লক্ষী ও সরস্বতী।।
রাগঃ
তালঃ দাদ্রা
শিল্পীঃ ফেরদৌস আরা

ওরে নীল যমুনার জল! বল রে মোরে বল কোথায় ঘনশ্যাম — আমার কৃষ্ণ ঘনশ্যাম। আমি বহু আশায় বুক বেঁধে যে এলাম — এলাম ব্রজধাম।। তোর কোন্ কূলে কোন্ বনের মাঝে আমার কানুর বেণু বাজে, আমি কোথায় গেলে শুনতে পাব ‘রাধা রাধা’ নাম।। আমি শুধাই ব্রজের ঘরে ঘরে — কৃষ্ণ কোথায় বল্; কেন কেউ কহে না কথা, হেরি সবার চোখে জল। বল্ রে আমার শ্যামল কোথায় কোন্ মথুরায় কোন দ্বারকায় — বল্ যমুনা বল। বাজে বৃন্দাবনের কোন্ পথে তাঁর নূপুর অভিরাম।।
রাগঃ
তালঃ দাদ্রা
