আঁধার রাতে কে গো একেলা

বাণী

আঁধার রাতে			কে গো একেলা
নয়ন-সলিলে		ভাসালে ভেলা।।
কাঁদিয়া কারে 		খোঁজ ওপারে
আজো যে তোমার		প্রভাত বেলা।।
কি দুখে আজি		যোগিনী সাজি’
আপনারে ল’য়ে		এ হেলা-ফেলা।।
সোনার কাঁকন		ও দুটি করে
হের গো জড়ায়ে		মিনতি করে।
খুলিয়া ধূলায়		ফেলো না গো তায়,
সাধিছে নূপুর		চরণ ধ’রে।
হের গো তীরে		কাঁদিয়া ফিরে
আজি ও-রূপের		রঙের মেলা।।

মোর বুক ভরা ছিল আশা

বাণী

মোর বুক ভরা ছিল আশা প্রাণ ভরা ভালোবাসা।
হায় আসিল সে যবে কাছে মুখে সরিল না ভাষা।।
	আমি পেয়েছিলাম তায় একা
	ছিল চোখে তাহার প্রেম-লেখা,
তবু বলিতে পারিনি তারে কাঁদে প্রাণে কি দুরাশা।।
	এসে ভরা নদীর তীরে
	পান না করিয়া বারি
	আমি আসিলাম ফিরে — 
ছিল তৃষ্ণা-কাতর এ প্রাণে মরুভূমির পিয়াসা।।

হার মানি ননদিনী

বাণী

হার মানি ননদিনী
মুখর মুখের বাণী শুনি তোর লজ্জাও লাজ সখি ভোলে
			পুলকে প্রাণ মন দোলে দোলে।।
পলকের চাহনিতে কে জানে কেমনে
প্রাণে এলো এত মধু এত লাজ নয়নে
বাহিরে নীরব কথার কুহু অন্তরে মুহুমুহু বোলে বোলে
			মুহু মুহু কুহু কুহু বোলে।।
তোরি মত ছিনু সই বনের কুরঙ্গী
মানি নাই কোনদিন লাজের ভ্রুভঙ্গি।
মধুরা মুখরা ওলো! মিষ্টি মুখের তোর
সব মধু খেয়েছে কি ঠাকুর জামাই চোর?
তব অভিনব বাণী হিল্লোলে
গুন্ঠন আপনি খোলে পুলকে প্রাণ মন দোলে।।

নাটিকাঃ ‘প্রীতি উপহার’

আজি ঈদ্ ঈদ্ ঈদ্ খুশীর ঈদ্

বাণী

	আজি ঈদ্ ঈদ্ ঈদ্ খুশীর ঈদ্ এলো ঈদ্
(যাঁর)	আসার আশায় চোখে মোদের ছিল না রে নিদ।।
	শোন্ রে গাফিল, কি ব’লে তকবীর ঈদ্গাহে,
(তোর)	আমানতের হিস্‌সা সাদকা দে খোদার রাহে
	নে সাদকা দিয়ে বেহেশ্‌তে যাবার রসিদ।।
	ঈদের চাঁদের তশ্‌তরীতে জান্নাত হ’তে
	আনন্দেরি শিরনি এলো আসমানি পথে,
	সেই শিরনি নিয়ে নূতন আশায় জাগবে না উম্মিদ।।
(তোর)	পিরাহানের আতর গোলাব লাগুক রে মনে,
(আজ)	প্রেমের দাওত্ দে দুনিয়ার সকল জনে,
	দিলেন ঈদের মারফতে হজরত এই তাগিদ।।

চিরদিন পূজা নিয়েছ দেবতা

বাণী

চিরদিন পূজা নিয়েছ দেবতা এবার মোদের পূজিতে হবে।
বৃথাই কেঁদেছি বৃথাই সেধেছি সহেছি দুঃখ শোক নীরবে।।
	টলেনি পাষাণ বলনি কথা
	কাঁদিয়েছ চিরকাল নিঠুর দেবতা,
কাঁদিতে হবে আজ আমাদের ঘরে সে-পূজার ঋণ সুধিবে এ ভবে।।

নাটক : ‘অন্নপূর্ণা’

সন্ধ্যা হল ওগো রাখাল এবার ডাক মোরে

বাণী

সন্ধ্যা হল ওগো রাখাল এবার ডাক মোরে
বেণুর রবে ধেনুগণে ডাক যেমন করে।।
	সংসারেরি গহন বনে
	ঘুরে ফিরি শূন্য মনে
ডাকবে কখন বাঁশির সনে আমায় আপন ঘরে।।
ভেঙেছে মোর প্রাণের মেলা ভাঙলো মায়ার খেলা
মোরে ডাক এবার তোমার পায়ে, আর করো না হেলা।
	মোর জীবনের কিশোর রাখাল,
	বাঁশি শুনে কাটলো সকাল
তন্দ্রা আন ক্লান্ত চোখে, তোমার সুরের ঘোরে।।