বাণী
(হরি) নাচত নন্দদুলাল শ্যামল সুন্দর মদন মনোহর নওল কিশোর কানাইয়া গোপাল। নাচত গিরিধারী ময়ূর মুকুট পরি দিকে দিকে ছন্দ আনন্দ পড়িছে ঝরি নাচে গোপী সখা বংশীওয়ালা হরি রুনুঝুনু বাজওত ঘুঙ্গুর তাল।
নাটিকাঃ ‘মীরাবাঈ’
রাগ ও তাল
রাগঃ
তালঃ কাহার্বা
স্বরলিপি

(হরি) নাচত নন্দদুলাল শ্যামল সুন্দর মদন মনোহর নওল কিশোর কানাইয়া গোপাল। নাচত গিরিধারী ময়ূর মুকুট পরি দিকে দিকে ছন্দ আনন্দ পড়িছে ঝরি নাচে গোপী সখা বংশীওয়ালা হরি রুনুঝুনু বাজওত ঘুঙ্গুর তাল।
নাটিকাঃ ‘মীরাবাঈ’
রাগঃ
তালঃ কাহার্বা

কেন কাঁদে পরান কি বেদনায় কারে কহি। সদা কাঁপে ভীরু হিয়া রহি’ রহি’।। সে থাকে নীল নভে আমি নয়ন-জল-সায়রে সাতাশ তারার সতীন-সাথে সে যে ঘুরে মরে কেমনে ধরি সে চাঁদে রাহু নহি।। কাজল করি’ যারে রাখি গো আঁখি-পাতে স্বপনে যায় সে ধুয়ে গোপনে অশ্রু-সাথে। বুকে তায় মালা করি’ রাখিলে যায় সে চুরি বাঁধিলে বলয়-সাথে মলয়ায় যায় সে উড়ি’ কি দিয়ে সে উদাসীর মন মোহি’।।
রাগঃ মিশ্র বেহাগ-তিলককামোদ-খাম্বাজ
তালঃ দাদ্রা
১.

২.

বল প্রিয়তম বল — মোর নিরাশা-আঁধারে আলো দিতে তুমি কেন দীপ হ’য়ে জ্বল॥ যত কাঁটা পড়ে মোর পথে যেতে যেতে, কেন তুমি তাহা লহ বঁধু বুক পেতে। যদি ব্যথা পাই বুঝি পথে তাই তুমি ফুল বিছাইয়া চল॥ বল হে বিরহী, তুমি আমারে অমৃত এনে দাও কেন নিজে উপবাসী রহি’। মোর পথের দাহন আপন বক্ষে নিয়ে, মেঘ হয়ে চল সাথে সাথে ছায়া দিয়ে। মোর ঘুম না আসিলে কেন কাঁদ চাঁদ হয়ে ঢলঢল॥
রাগঃ
তালঃ দাদ্রা

ওগো ও আমার কালো — গহন বনে বুকের মাঝে জ্বালো তুমি জ্বালো ওগো আমার আলো গো।। কাজলা মেঘের অন্তরালে তোমার রূপের মানিক জ্বলে আমার কালো মনের তলে জ্বালাও তুমি আলো গো।। একলা ব’সে দিন যেন মোর কাটে কইতে কথা বুক যে আমার ফাটে গো আঁধার যখন আসবে ঘিরে জ্বালবে তুমি আলো গো।।
রাগঃ
তালঃ কাহার্বা

শ্মশানে জাগিছে শ্যামা অন্তিমে সন্তানে নিতে কোলে জননী শান্তিময়ী বসিয়া আছে ঐ চিতার আগুণ ঢেকে স্নেহ–আঁচলে। সন্তানে দিতে কোল ছাড়ি’ সুখ কৈলাস বরাভয় রূপে মা শ্মশানে করেন বাস, কি ভয় শ্মশানে শান্তিতে যেখানে ঘুমাবি জননীর চরণ–তলে।। জ্বলিয়া মরিলি কে সংসার জ্বালায় তাহারে ডাকিছে মা ‘কোলে আয়, কোলে আয়’ জীবনে শ্রান্ত ওরে ঘুম পাড়াইতে তোরে কোলে তুলে নেয় মা মরণেরি ছলে।।
রাগঃ কৌশী
তালঃ ত্রিতাল

তৌহিদেরি বান ডেকেছে সাহারা মরুর দেশে দুনিয়া জাহান ডুবু-ডুবু সেই স্রোতে যায় ভেসে।। সেই জোয়ারে আমার নবী পারের তরী নিয়ে 'আয় কে যাবি পারে'-ডাকে দ্বারে দ্বারে গিয়ে যে চায় না তারেও নেয় সে নায়ে আপনি ভালবেসে।। পথ দেখায় সে ঈদের চাঁদের পিদিম নিয়ে হাতে হেসে,হেসে,দাঁড় টানে চা’র আসহাব তাঁরি সাথে। নামাজ-রোজার,ফুল-ফসলে শ্যামল হ’ল মরু প্রেমের রসে উঠল পুরে নীরস মনের তরু খোদার রহম এলো রে আখেরি নবীর বেশে।।
রাগঃ
তালঃ কাহার্বা
