বাণী
আমার সকলি হরেছ হরি এবার আমায় হ’রে নিও। যদি সব হরিলে নিখিল-হরণ তবে ঐ চরণে শরণ দিও।। আমায় ছিল যারা আড়াল ক’রে হরি তুমি নিলে তাদের হ’রে, ছিল প্রিয় যারা গেল তারা (হরি) এবার তুমিই হও হে প্রিয়।।
রাগ ও তাল
রাগঃ আশাবরী / জৌনপুরী
তালঃ কাওয়ালি
স্বরলিপি

আমার সকলি হরেছ হরি এবার আমায় হ’রে নিও। যদি সব হরিলে নিখিল-হরণ তবে ঐ চরণে শরণ দিও।। আমায় ছিল যারা আড়াল ক’রে হরি তুমি নিলে তাদের হ’রে, ছিল প্রিয় যারা গেল তারা (হরি) এবার তুমিই হও হে প্রিয়।।
রাগঃ আশাবরী / জৌনপুরী
তালঃ কাওয়ালি

বদ্না গাড়ুতে বসে মুখোমুখী দিব্বি হয়েছে ভাব! বদনা চাহিছে শুক্তুনী আর – চাহিছে গাড়ু কাবাব।। গাড়ু বলে এসো বদনা ভাইটি হোক শুভ চোখাচোখি। তুমি মোর হাতে পেঁয়াজ দাও আর আমি দিই হরতকি।। [শুনে বদনা ভাবে গদগদ হয়ে বলছেন ‘গাড়ুদাদা দাড়িতে একবার টিকিতে বুলাও না’] ও গাড়ু দাদা দাড়িতে বুলাও টিকি – ছুরি ও নাদ্না রাখি দোঁহে এসো আস্নাই করা শিখি।। [গাড়ু তখন ভাব জমিয়ে বলছেন] পাখিদের মাঝে বামুন যে রাম পাখি। কেননা মাথায় উহার জবা-ফুল বাঁধা টিকি দেখ নাকি তাহা দেখ নাকি? [বদনা তখন বদন ব্যাদন করে বলছেন] ও তো টিকি নয় দাদা ও যে তুর্কী ফেজ্। পাখিদের মাঝে উনি মোল্লাজী হ্যাঁদু নয় হরগেজ।। [গাড়ু তখন বদনার পিঠে নল বুলিয়ে বলছেন] হাতে দিব ক্ষীর নাড়ু ভাই, ছেড়ে দাও খাওয়া ঐ বড়টা। [শুনে বদনা অবাক – বল্লে] রে মদনা তাহলে কি দিয়ে খাইব পরটা? গাড়ু বলে, আহা দোস্তীর তরে ছাড়িতে হয়। এসা দাদা এসো জড়াজড়ি করি বদ্না গড়ায়ে কয়।। জড়াজড়ি থেকে গড়াগড়ি দুই নলে প্রেমবারি ঝরে। সেই ভাব দেখে বিদেশী কেটলী রাগে টগবগ করে।।
‘ভাই ভাই এক-ঠাঁই’
রাগঃ
তালঃ ফের্তা

আমি মা ব’লে যত ডেকেছি, সে-ডাক নূপুর হয়েছে ও-রাঙা পায়। মোর শত জনমের কত নিবেদন, চরণ জড়ায়ে কহিয়া যায়।। মাগো তোরে নাহি পেয়ে লোকে লোকে যত অশ্রু ঝরেছে মোর চোখে, সেই আঁখিজল জবা ফুল হয়ে, শোভা পেতে ঐ চরণ চায়।। মাগো কত অপরাধ করেছিনু বুঝি, সংহার ক’রে সে-অপরাধ, বল লীলাময়ী, মিটেছে কি তোর মুণ্ডমালিকা পরার সাধ। যে ভক্তি পায়নি চরণতল আজ হয়েছে তা বিল্বদল, মোর মুক্তির তৃষা মুক্তকেশী গো, এলোকেশ হয়ে পায়ে লুটায়।।
রাগঃ
তালঃ দাদ্রা

বরষা ঐ এলো বরষা আলোর ধারায় জল ঝরঝরি’ অবিরল ধূসর নীরস ধরা হলো সরসা।। ঘন দেয়া দমকে দামিনী চমকে ঝঞ্ঝার ঝাঁঝর ঝমঝম ঝমকে মনে পড়ে সুদূর মোর প্রিয়তমকে মরাল মরালীরে হেরি সহসা।।
রাগঃ মেঘমল্লার
তালঃ ত্রিতাল

কত কথা ছিল বলিবার, বলা হ’ল না। বুকে পাষাণ সম রহিল তারি বেদনা।। মনে রহিল মনের আশা মিটিল না প্রাণের পিপাসা, বুকে শুকালো বুকের ভাষা — মুখে এলো না।। এত চোখের জল, এত গান এত আদর সোহাগ অভিমান, কখন সে হ’ল অবসান — বোঝা গেল না।। ঝরিল কুসুম যদি হায়! কেন স্মৃতির কাঁটাও নাহি যায়, বুঝিল না কেহ কাহারো মন বিধির ছলনা।।
রাগঃ ভীমপলশ্রী
তালঃ কাহার্বা

ও কে উদাসী আমায় হায় ডাকে আয় আয় গোধূলি-বেলায় বাজায়ে বাঁশরি। তা’র পাহাড়ি সুরে মোর নয়ন ঝুরে মম কুল-লাজ গৃহ-কাজ যাই পাশরি’।। তা’র সুরের মায়ায় আকাশ ঝিমায়, চাঁদের চোখে তিমির ঘনায় — তা’র বিরহে মধুর মোহে জীবন মরণ পলকে বিসরি।।
রাগঃ পাহাড়ি
তালঃ কাহার্বা
