আজ বন-উপবন মে চঞ্চল

বাণী

আজ বন-উপবন মে চঞ্চল মেরে মনমে।
মোহন মুরলীধারী কুঞ্জ কুঞ্জ ফিরে শ্যাম।।
সুনো মোহন নূপুর গুঞ্জত হ্যয় —
বাজে মুরলী বোলে রাধা নাম কুঞ্জ কুঞ্জ ফিরে শ্যাম।।
বোলে বাঁশরি আও শ্যাম-পিয়ারি,
ঢুঁড়ত হায় শ্যাম-বিহারী,
বনমালা সব চঞ্চল ওড়াওয়ে অঞ্চল —
কোয়েল সখি গাওয়ে সাথ গুণধাম কুঞ্জ কুঞ্জ শ্যাম।।
ফুলকলি ভোলে ঘুঁঘট খোলে
পিয়াকে মিলনকি প্রেমকি বোলি বোলে,
পবন পিয়া লেকে সুন্দর সৌরভ —
হাঁসত যমুনা সখি দিবস-যাম কুঞ্জ কুঞ্জ ফিরে শ্যাম।।

ওকি ঈদের চাঁদ গো

বাণী

	ওকি ঈদের চাঁদ গো! চলে মদিনারই পথে গো!
যেন	হাসিন্ য়ুসোফ্ ফিরে এলো ফিরদৌস হতে গো।।
	যাহারা তার রূপ দেখে তারা ঝুরিছে আস্‌মানে
	গুল্ ভুলে তাই বুল্‌বুলি চেয়ে আছে গুলিস্তানে।
	বুঝি বেহেশ্‌তেরই বাদশাজাদা এলো সোনার রথে গো।।
	সাদা কবুতরের মত চরণ দুটি ছুঁয়ে,
	গোলাপ চাঁপা উঠছে ফুটে ধূলিমাখা ভুঁয়ে গো।
সেই	চাঁদের মুখে জোছনা সম খোদার কালাম ঝরে
তা’র	রূপ দেখে, তা’র গুণ শুনে মোর মন রহে না ঘরে লো,
আমি	উন্মাদিনী সেই মাদানী নবীর মোহব্বতে গো।।

মদালস ময়ূর-বীণা কার বাজে

বাণী

মদালস ময়ূর-বীণা কার বাজে।
অরুণ-বিভাসিত অম্বর মাঝে।।
কোন্ মহামৌনীর ধ্যান হ’ল ভঙ্গ?
নেচে’ ফেরে অশান্ত মায়া-কুরঙ্গ,
তপোবনে রঙ্গে অনঙ্গ বিরাজে।।
নিদ্রিত রুদ্রের ললাট-বহ্নি,
পাশে তা’র নেচে ফেরে বনবালা তন্বী।
বিজড়িত জটাজুটে খেলে শিশু শশী
দেয় মালা-চন্দন ভীরু উর্বশী,
শঙ্কর সাজিল রে নটরাজ-সাজে।।

ঘোর তিমির ছাইল রবি শশী

বাণী

ঘোর তিমির ছাইল রবি শশী গ্রহ তারা।
কাঁপে তরাসে ভীতা ধরণী অসীম আঁধারে হারা।।
প্রলয়ে মহাকাল, এলায়েছে জটাজাল
নাচিছে ঝড়ের বেগে সুরধুনী-জলধারা।।
চমকি চমকি ওঠে চপলা চপল-ফণা,
লুকাইয়া শিশু-শশী, মুরছিতা দিগঙ্গনা।
চাতকী চাতক-বুকে বিভল কাঁদিয়া সারা।।

আল্লাজী আল্লাজী রহম কর তুমি যে রহমান

বাণী

আল্লাজী আল্লাজী রহম কর তুমি যে রহমান
দুনিয়াদারির ফাঁদে পড়ে কাঁদে আমার প্রাণ।।
	পাই না সময় ডাকতে তোমায়
	বৃথা কাজে দিন বয়ে যায়
চলতে নারি মেনে আমার নবীর ফরমান।।
দুনিয়াদারির চিন্তা এসে মনকে ভোলায় সদা
তাইতো মনে তোমায় স্মরণ করতে নারি খোদা।
	দাও অবসর তুমি ডাকার
	এই বেদনা সহে না আর
সংসারে এই দোজখ হতে করো মোরে ত্রাণ।।

বরষা ঋতু এলো এলো বিজয়ীর সাজে

বাণী

	বরষা ঋতু এলো এলো বিজয়ীর সাজে
বাজে	গুরু গুরু আনন্দ ডম্বরু অম্বর মাঝে।।
বাঁকা	বিদ্যুৎ তরবারি ঘন ঘন চমকায়
	হানে তীর বৃষ্টি অবিরল ধারায়
শুনি’	রথ-চক্রের ধ্বনি অশনির রোলে
			সিন্ধু তরঙ্গে মঞ্জির বাজে।।
	ভীত বন-উপবন লুটায়ে লুটায়ে
	প্রণতি জানায় সেই বিজয়ীর পায়ে।
তার	অশান্ত গতিবেগ শুনি’ পুব হাওয়াতে
	চলে মেঘ-কুঞ্জর-সেনা তারি সাথে
	তূণীর কেতকীর জল-ধনু হাতে
	চঞ্চল দুরন্ত গগনে বিরাজে।।