মা খড়গ নিয়ে মাতিস রণে

বাণী

(মা)		খড়গ নিয়ে মাতিস রণে নয়ন দিয়ে বহে ধারা (মা)
(এমন)	একাধারে নিষ্ঠুরতা কৃপা তোরই সাজে তারা।।
			তোর করে অসুর-মুন্ডরাশি
			অধরে না ধরে হাসি
		জানিস্ মরলে তোর আঘাতে তোরই কোলে যাবে তারা।।
		মা দুই হাতে তোর বর ও অভয় আর দু’হাতে মুন্ড অসি,
		ললাটে তোর পূর্ণিমা-চাঁদ, কেশে কৃষ্ণা চতুর্দ্দশী।
			জননী-প্রায় আঘাত করে
			দিস্ মা দোলা বক্ষে ধ’রে
		পাপ-মুক্ত করার ছলে অসুর বধিস ভব-তারা।।

মসজিদে ঐ শোন্ রে আজান চল নামাজে চল্

বাণী

	মসজিদে ঐ শোন্ রে আজান, চল নামাজে চল্ ।
	দুঃখে পাবি সান্ত্বনা তুই বক্ষে পাবি বল।।
	ময়লা-মাটি লাগবে যা তোর দেহ-মনের মাঝে —
	সাফ হবে সব, দাঁড়াবি তুই যেম্‌নি জায়নামাজে;
(চল্)	রোজগার তুই করবি যদি আখেরের ফসল।।
	হাজার কাজের অছিলাতে নামাজ করিস কাজা
	খাজনা তারি দিলি না, যে দ্বীন-দুনিয়ার রাজা
তাঁরে	পাঁচ বার তুই করবি মনে, তাতেও এত ছল্।।
	কার তরে তুই মরিস খেটে; কে হবে তোর সাথী
	বে-নামাজীর আঁধার গোরে কে জ্বালাবে বাতি
(চল্)	খোদার নামে শির লুটায়ে জীবন কর্‌ সফল।।

আজ বন-উপবন মে চঞ্চল

বাণী

আজ বন-উপবন মে চঞ্চল মেরে মনমে।
মোহন মুরলীধারী কুঞ্জ কুঞ্জ ফিরে শ্যাম।।
সুনো মোহন নূপুর গুঞ্জত হ্যয় —
বাজে মুরলী বোলে রাধা নাম কুঞ্জ কুঞ্জ ফিরে শ্যাম।।
বোলে বাঁশরি আও শ্যাম-পিয়ারি,
ঢুঁড়ত হায় শ্যাম-বিহারী,
বনমালা সব চঞ্চল ওড়াওয়ে অঞ্চল —
কোয়েল সখি গাওয়ে সাথ গুণধাম কুঞ্জ কুঞ্জ শ্যাম।।
ফুলকলি ভোলে ঘুঁঘট খোলে
পিয়াকে মিলনকি প্রেমকি বোলি বোলে,
পবন পিয়া লেকে সুন্দর সৌরভ —
হাঁসত যমুনা সখি দিবস-যাম কুঞ্জ কুঞ্জ ফিরে শ্যাম।।

আমার হৃদয় হবে রাঙাজবা

বাণী

আমার	হৃদয় হবে রাঙাজবা দেহ বিল্বদল,
মুক্তি		পাবো ছুঁয়ে মুক্তকেশীর চরণতল॥
মোর		বলির পশু হবে সর্বকাম,
মোর		পূজার মন্ত্র হবে মায়ের নাম,
মোর		অশ্রু দেবো মা’র চরণে সেই তো গঙ্গাজল॥
মোর		আনন্দ মাকে দেবো তাই হবে চন্দন,
মোর		পুষ্পাঞ্জলি হবে আমার প্রাণ মন।
মোর		জীবন হবে আরতি-দীপ,
মোর		গুরু হবেন শঙ্কর-শিব,
মোর		কাঁটার জ্বালা পদ্ম হবে শুভ্র সুনির্মল॥

পরদেশী বঁধু ঘুম ভাঙায়ো চুমি' আঁখি

বাণী

পরদেশী বঁধু! ঘুম ভাঙায়ো চুমি' আঁখি
যদি গো নিশীথে গো ঘুমাইয়া থাকি।
	আমি ঘুমাইয়া থাকি
	ঘুম ভাঙায়ো চুমি' আঁখি।।
যদি দীপ নেভে গো কুটিরে
বাতায়ন-পানে চাহি' যেয়ো না গো ফিরে',
নিভেছে আঁখি শিখা প্রাণ আছে বাকি
	আজো প্রাণ আছে বাকি
	ঘুম ভাঙায়ো চুমি' আঁখি।।

হলুদ গাঁদার ফুল রাঙা পলাশ ফুল

বাণী

হলুদ গাঁদার ফুল, রাঙা পলাশ ফুল
এনে দে এনে দে নৈলে রাঁধব না, বাঁধব না চুল।
কুস্‌মী-রঙ শাড়ি, চুড়ি বেলোয়ারি
কিনে দে হাট থেকে, এনে দে মাঠ থেকে
বাবলা ফুল, আমের মুকুল, নৈলে রাঁধব না, বাঁধব না চুল।।
তুর্‌কুট্‌ পাহাড়ে শাল-বনের ধারে বস্‌বে মেলা আজি বিকাল বেলায়,
দলে দলে পথে চলে সকাল হতে বেদে-বেদেনী নূপুর বেঁধে পায়
যেতে দে ওই পথে বাঁশি শুনে’ শুনে’ পরান বাউল
নৈলে রাঁধব না, বাঁধব না চুল।।
পলার মালা নাই কী যে করি ছাই,
খুঁজেএনে দে এনে দে রে সিঁয়া-কূল
নৈলে রাঁধব না, বাঁধব না চুল।।

সিনেমা: সাপুড়ে