বাণী
অশিব শক্তি হতে হে শঙ্কর অষ্টসিদ্ধিরে কর ত্রাণ, ত্রাণ কর শঙ্কর।।
নাটক : ‘অন্নপূর্ণা’
রাগ ও তাল
রাগঃ
তালঃ
অশিব শক্তি হতে হে শঙ্কর অষ্টসিদ্ধিরে কর ত্রাণ, ত্রাণ কর শঙ্কর।।
নাটক : ‘অন্নপূর্ণা’
রাগঃ
তালঃ
ঘুম টুটেছে ফুল-কলিদের রঙ লেগেছে ফুলবনে। দখিনা বাতাস আভাসে জানায় আগমনী তার মোর মনে।। মন উচাটন, মনে রয় না রয় না তার বিনা, কথা আর, কয় না কয় না, নয়নে ঘুম আর সয় না সয় না — শুধাই তা’র কথা জনে জনে।। রাঙা রঙের ছোঁয়া লাগে লাজ-রাঙা মোর মনে। নিশীথ-রাতে পলাশ-বনে মিল্ব কি বঁধুর সনে।।
রাগঃ
তালঃ কাহার্বা
মাধবী-তলে চল মাধবিকা-দল আইল সুখ-মধুমাস। বহিছে খরতর থরথর মরমর উদাস চৈতী-বাতাস।। পিককুল কলকর অবিরল ভাষে, মদালস মধুপ পুষ্পল বাসে। বেণু-বনে উঠিছে নিশাস।। তরুণ নয়ন সম আকাশ আনীল, তট-তরু-ছায়া ধরে নীর নিরাবিল বুকে বুকে স্বপন-বিলাস।।
রাগঃ মধুমাত সারং
তালঃ কাওয়ালি
যখন আমার গান ফুরাবে তখন এসো ফিরে ভাঙবে সভা বসবো একা রেবা নদীর তীরে।। গীত শেষে গগন তলে, শ্রান্ত-তনু পড়বে ঢলে ভালো যখন লাগবে না আর সুরের সারঙ্গীরে।। মোর কণ্ঠের জয়ের মালা তোমার গলায় নিও ক্লান্তি আমার ভুলিয়ে দিও প্রিয় হে মোর প্রিয়। ঘুমাই যদি কাছে ডেকো, হাতখানি মোর হাতে রেখো জেগে যখন খুঁজবো তোমায় আকুল অশ্রু-নীরে তখন এসো ফিরে।।
রাগঃ সাহানা
তালঃ কাহার্বা

করুণ কেন অরুণ আঁখি দাও গো সাকি দাও শারাব হায় সাকি এ আঙ্গুরী খুন নয় ও হিয়ার খুন–খারাব।। আর সহে না দিল্ নিয়ে এই দিল–দরদির দিল্লাগী, তাইতে চালাই নীল পিয়ালায় লাল শিরাজি বে–হিসাব।। হারাম কি এই রঙিন পানি আর হালাল এই জল চোখের? নরক আমার হউক মঞ্জুর বিদায় বন্ধু!লও আদাব।। দেখ্ রে কবি, প্রিয়ার ছবি এই শারাবের আর্শিতে, লাল গেলাসের কাঁচ্–মহলার পার হ’তে তার শোন্ জবাব্।।
রাগঃ সিন্ধু
তালঃ কাহার্বা
শিল্পীঃ কে মল্লিক

ও ভাই হাজি! কোন্ কাবা ঘর হজ করিয়া এলে। গিয়ে কি ভাই খোদায় পাওয়ার পথের দিশা পেলে।। খোদার ঘরের দিদার পেয়ে বল কেমন ক’রে ফিরে এলে দুনিয়াদারীর এই না-পাক ঘরে, কেউ বলেছে কি কোন্ কাবাতে গেলে খোদায় মেলে।। খেলেছিলেন নবীজী যে-মক্কা মদিনায় বেহোঁশ হয়ে পড়নি কি পৌঁছিয়া সেথায়, কেমন ক’রে ফিরে এলে সেই মদিনা ফেলে এই দুনিয়ার কারবালাতে অধিক তৃষা আরো এনেছ কি আব্হায়াতের পানি? দিতে পারো? মোর আঁধার ঘরে দিতে পারো নূরের চেরাগ জ্বেলে?
রাগঃ
তালঃ