বাণী
আমার লীলা বোঝা ভার। নদীতে বান আনি আমি আমিই করি পার।। আমার যারা করে আশ করি তাদের সর্বনাশ, তবু আশা ছাড়ে না যে মিটাই আশা তার।।
রেকর্ড নাটিকা : ‘সুভদ্রা’ (নাট্যকার : বরদাপ্রসন্ন দাশগুপ্ত)
রাগ ও তাল
রাগঃ
তালঃ
আমার লীলা বোঝা ভার। নদীতে বান আনি আমি আমিই করি পার।। আমার যারা করে আশ করি তাদের সর্বনাশ, তবু আশা ছাড়ে না যে মিটাই আশা তার।।
রেকর্ড নাটিকা : ‘সুভদ্রা’ (নাট্যকার : বরদাপ্রসন্ন দাশগুপ্ত)
রাগঃ
তালঃ
দারুণ পিপাসায় মায়া-মরীচিকায় চাহিতে এলি জল বনের হরিণী। দগ্ধ মরুতল কে তোরে দেবে জল ঝরিবে আঁখি-নীর তোরই নিশিদিনই।। নিবায়ে গৃহ-দীপ আপন-নিশাসে আলেয়ার পিছে এলি সুখ-আশে, সে-সুখ অবসান সুমুখেতে শ্মশান — পিছনে অন্ধকার চির-নিশীথিনী।। কেন তুই বনফুল বিলাস-কাননে করিয়া পথ ভুল এলি অকারণে। ছিঁড়ে সাঁঝে তোরে মালা গাঁথি’ ভোরে দ’লিল বিলাসী পথ-ধূলি সনে। সন্ধ্যা-গোধূলির রাঙা রূপে ভুলে’ আসিলি এ কোথায় তমসার কূলে। শ্রাবণ-মেঘ হায় ভাবিয়া কুয়াশায় হারালি পথ তোর রে হতভাগিনী।।
রাগঃ জয়জয়ন্তী
তালঃ একতাল
অনেক মানিক আছে শ্যামা তোর কালোরূপ-সাগরজলে আমার বুকের মানিক কেড়ে রাখ্লি কোথায় দে মা ব’লে।। কত লতার কোল ক’রে খালি, ফুলের অর্ঘ্য১ নিস্ মা কালি (মোর) সারা বনের একটি কুসুম আছে কি ঐ চরণ-তলে।। একখানি মুখ খুঁজি মাগো তোর কণ্ঠের মুন্ডমালায় একটিবার মা সে মুখ দেখা, আবার কেড়ে পরিস্ গলায়। (না হয়) রাখিস্ পূজার থালায়। অনন্ত তোর রূপের মাঝে, সে কোন্ রূপে মা কোথায় রাজে? মোর নয়ন-তারা তারা হয়ে দোলে কি তোর বুকের কোলে।।
১. ফুলের অর্ঘ্য-এর পরিবর্তে কবি ‘পূজাঞ্জলি’ শব্দটিও ব্যবহার করেছেন।
রাগঃ
তালঃ
নতুন চাঁদের তক্বীর শোন্ কয় ডেকে ঐ মুয়াজ্জিন — আসমানে ফের ঈদুজ্জোহার চাঁদ উঠেছে মুসলেমিন।। এলো স্মরণ করিয়ে দিতে ঈদুজ্জোহার এই সে চাঁদ, তোরা ভোগের পাত্র ফেল্ রে ছুঁড়ে ত্যাগের তরে হৃদয় বাঁধ। কোরবানি দে তোরা, কোরবানি দে।। প্রাণের যা তোর প্রিয়তম আজকে সে সব আন্, খোদারই রাহে আজ তাহাদের কর রে কোরবান্। কি হবে ঐ বনের পশু খোদারে দিয়ে, তোর কাম-ক্রোধাদি মনের পশু জবেহ্ কর্ নিয়ে। কোরবানি দে তোরা, কোরবানি দে।। বিলিয়ে দেওয়ার খুশির শিরনি তশ্তরিতে আন, পর্ রে তোরা সবাই ত্যাগের রঙিন পিরহান্। মোদের যা কিছু প্রিয় বিলাব সবে নবীর উম্মত তবে সকলে কবে। কোরবানি দে তোরা, কোরবানি দে।।
রাগঃ
তালঃ কাহার্বা

কাণ্ডারি গো কর কর পার এই অকূল ভব-পারাবার। তোমার চরণ-তরী বিনা, প্রভু পারের আশা নাহি আর।। পাপের তাপের ঝড় তুফানে শান্তি নাহি আমার প্রাণে। আমি যেদিকে চাই দেখি কেবল নিরাশারি অন্ধকার।। দিন থাকতে আমার মতো কেউ নাহি সম্ভাষে, হে প্রভু তোমায় কেউ নাহি সম্ভাষে দিন ফুরালে খাটে শুয়ে এই ঘাটে সবাই আসে। লয়ে তোমারি নামের কড়ি সাধু পেল চরন-তরী সে কড়ি নাই যে কাঙ্গালের হও হে দীনবন্ধু তার॥
রাগঃ
তালঃ দাদ্রা

বাজিয়ে বাঁশি মনের বনে এসো কিশোর বংশীধারী। চূড়ায় আঁধার ময়ূর-পাখা বামে লয়ে রাধাপ্যারী।। আমার আঁধার প্রাণের মাঝে এসো অভিসারের সাজে, নয়ন-জলের যমুনাতে উজান বেয়ে ছুটুক বারি।। এমনি চোখে তোমায় আমি দেখতে যদি না পাই হরি, দেখাও পদ্মপলাশ আঁখি, তোমার প্রেমে অন্ধ করি’। হরি হে, ঘুচাও এবার মায়ার বেড়ী, পরাও তিলক কলঙ্কেরি, শ্যাম রাখি কি কুল রাখি’ ভাব শ্যাম হে আর সইতে নারি।।
রাগঃ সুরট মিশ্র
তালঃ দাস পয়রা
