বাণী
ফুলে ফুলে বন ফুলেলা। ফুলের দোলা ফুলের মেলা ফুল-তরঙ্গে ফুলের ভেলা।। ফুলের ভাষা ভ্রমর কুঞ্জে দোলন চাঁপার ঝুলন কুঞ্জে, মুহু মুহু কুহরে কুহু সহিতে না পারি ফুল-ঝামেলা।।
নাটক: ‘সাবিত্রী’
রাগ ও তাল
রাগঃ কামোদ
তালঃ কাহার্বা
ভিডিও
স্বরলিপি

ফুলে ফুলে বন ফুলেলা। ফুলের দোলা ফুলের মেলা ফুল-তরঙ্গে ফুলের ভেলা।। ফুলের ভাষা ভ্রমর কুঞ্জে দোলন চাঁপার ঝুলন কুঞ্জে, মুহু মুহু কুহরে কুহু সহিতে না পারি ফুল-ঝামেলা।।
নাটক: ‘সাবিত্রী’
রাগঃ কামোদ
তালঃ কাহার্বা

আজি পিয়াল ডালে বাঁধো বাঁধো ঝুলনা। পড় ধানী শাড়ি, মেঘ-রঙ ওড়না।। জলদ-তাল বাজে শ্রাবণ-মেঘে তরুরে জড়ায়ে দোলে বন-লতা পবন বেগে মনের মাঝে দোলে মিলন-বিরহ-দোলনা।। শান্ত আকাশে আজি বেদনা ঘনায় কত কি বলিতে চায় শ্রাবণ-ধারায়, (তার) তবু মনের কথা বলা হ'ল না।। তমাল-কুঞ্জে চল চল দুলিতে, গাহ ঝুলনের গান ব্রজ-বুলিতে, আজি আসে মনে বৃন্দাবনের তুলনা।।
রাগঃ
তালঃ ফের্তা (কাহার্বা ও দ্রুত-দাদ্রা)

পলাশ ফুলের মউ পিয়ে ঐ বউ-কথা-কও উঠ্ল ডেকে। শিশ্ দিয়ে যায় উদাস হাওয়া নেবু-ফুলের আতর মেখে।। এমন পূর্ণ চাঁদের রাতি নেই গো আমার২ জাগার সাথী, ফুল-হারা মোর কুঞ্জ-বীথি — কাঁটার স্মৃতি গেছে রেখে।। শূন্য মনে এক্লা গুণি কান্না-হাসির পান্না-চুণী, বিদায়-বেলার বাঁশি শুনি — আস্ছে ভেসে ওপার থেকে।।
১. শঙ্করা মিশ্র — দাদ্রা, ২. সাথে।
রাগঃ শঙ্করা
তালঃ একতাল১

ক্ষ্যাপা হাওয়াতে মোর আঁচল উড়ে যায়। খুলে পড়ে গো বাজুবন্দ ধরিতে আঁচল কোন ঘূর্ণি বাতাস এলো ছন্দ-পাগল লাগে নাচের ছোঁয়া দেহের কাঁচ মহলায় হয়ে পায়েলা উতলা সাধে ধরিয়া পায়।। খুলিয়া পড়ে খোঁপায়, কবরীর ফুলহার হাওয়ার এই রূপে গো এলো কি বঁধু আমার এমনি দুরন্ত আদর সোহাগ তার একি পুলক-শিহরেণে পরান মূরছায়।।
রাগঃ
তালঃ ফের্তা (দ্রুত-দাদ্রা ও কাহার্বা)

হে গোবিন্দ, ও অরবিন্দ চরণে শরণ দাও হে। বিফল জনম কাটিল কাঁদিয়া, শান্তি নাহি কোথাও হে।। জীবন-প্রভাত কাটিল খেলায়, দুপুর ফুরাল মোহের মেলায়। ডাকিব যে নাথ সন্ধ্যা-বেলায়, ডাকিতে পারিনি তাও হে।। এসেছি দুঃখ-জীর্ণ পথিক মৃত্যু-গহন রাতে। কিছু নাহি প্রভু সম্বল, শুধু জল আছে আঁখি-পাতে।। সন্তান তব বিপথগামী, ফিরিয়া এসেছে হে জীবন-স্বামী। পাপী তাপী তবু সন্তান আমি ধূলা মুছে-কোলে নাও হে।।
রাগঃ বেহাগ
তালঃ একতাল

মরণ ডাকে — ‘আয় রে চ’লে!’ জীবন বলে — ‘যাই গো যাই।’ জীবনে হায় পায়নি ব’লে (আমার) মরণে তাই চাই গো চাই।। জীবন শুধু কাঁটায় ভরা তাই বুঝি সে দেয়নি ধরা, ফুল-বিছানো কবরে তার মধুর পরশ পাই গো পাই। মরণ-বঁধূর ডাক শুনে আর জীবনে সাধ নাই গো নাই।।
নাটকঃ ‘কাফন চোরা’
রাগঃ
তালঃ তেওড়া
