বাণী
আয় আয় যুবতী তম্বী। জ্বালো জ্বালো লালসার বহ্নি।। হান হান হান নয়ন-বাণ তনুর পেয়ালা ভরি মদিরা আন।।
নাটক : ‘হরপার্বতী’
রাগ ও তাল
রাগঃ
তালঃ
আয় আয় যুবতী তম্বী। জ্বালো জ্বালো লালসার বহ্নি।। হান হান হান নয়ন-বাণ তনুর পেয়ালা ভরি মদিরা আন।।
নাটক : ‘হরপার্বতী’
রাগঃ
তালঃ
রাঙামাটির পথে লো মাদল বাজে, বাজে বাঁশের বাঁশি, বাঁশি বাজে বুকের মাঝে লো, মন লাগে না কাজে লো, রইতে নারি ঘরে ওলো প্রাণ হলো উদাসী লো।। মাদলীয়ার তালে তালে অঙ্গ ওঠে দুলে লো, দোল লাগে শাল পিয়াল বনে, নোটন খোঁপার ফুলে লো, মহুয়া বনে লুটিয়ে পরে মাতাল চাঁদের হাসি লো।। চোখে ভালো লাগে যাকে, তারে দেখবো পথের বাঁকে, তার চাঁচড় কেশে বেঁধে দেবো ঝুমকো জবার ফুল তার গলার মালার কুসুম কেড়ে করব কানের দুল। তার নাচের তালের ইশারাতে বলবো ভালোবাসি লো।।
রাগঃ
তালঃ দ্রুত-দাদ্রা
শিল্পীঃ ইন্দ্রানী সেন

আসিয়া কাছে গেলে ফিরে কেন আসিয়া কাছে গেলে ফিরে।। মুখের হাসি সহসা কেন নিভে গেল আঁখি নীরে ফুটিতে গিয়া কোন কথার মুকুল ঝরে গেল অধরের তীরে।। ঝড় উঠিয়াছে বাহির ভুবনে আঁধার নামে বন ঘিরে যে কথা বলিলে না-ব'লে যাও বিদায়-সন্ধ্যা তিমিরে।।
রাগঃ খাম্বাজ
তালঃ কাহার্বা

ছি ছি ছি কিশোর হরি, হেরিয়া লাজে মরি সেজেছ এ কোন রাজ সাজে যেন সঙ্ সেজেছ, হরি হে যেন সঙ্ সেজেছ — ফাগ মুছে তুমি পাপ বেঁধেছ হরি হে যেন সঙ্ সেজেছ; সংসারে তুমি সঙ্ সাজায়ে নিজেই এবার সঙ্ সেজেছ। বামে শোভিত তব মধুরা গোপিনী নব সেথা মথুরার কুবুজা বিরাজে। মিলেছে ভাল, বাঁকায় বাঁকায় মিলেছে ভাল, ত্রিভঙ্গ অঙ্গে কুবুজা সঙ্গে বাঁকায় বাঁকায় মিলেছে ভাল। হরি ভাল লাগিল না বুঝি হৃদয়-আসন তাই সিংহাসনে তব মজিয়াছে মন প্রেম ব্রজধাম ছেড়ে নেমে এলে কামরূপ হরি, এতদিনে বুঝিলাম তোমার স্বরূপ তব স্বরূপ বুঝি না হে গোপাল রূপ ফেলে ভূপাল রূপ নিলে স্বরূপ বুঝি না হে। হরি মোহন মুরলী কে হরি’ নিল কুসুম কোমল হাতে এমন নিঠুর রাজদন্ড দিল মোহন মুরলী কে হরি। দন্ড দিল কে, রাধারে কাঁদালে বলে দন্ড দিল কে দন্ডবৎ করি শুধাই শ্রীহরি দন্ড দিল কে রাঙা চরণ মুড়েছে কে সোনার জরিতে খুলে রেখে মধুর নূপুর, হরি হে খুলে রেখে মধুর নূপুর। হেথা সবাই কি কালা গো ? কারুর কি কান নাই নূপুর কি শোনে নাই, সবাই কাল গো কালায় পেয়ে হল হেথায় সবাই কি কালা গো। তব এ রূপ দেখিতে নারি, হরি আমি ব্রজনারী, ফিরে চল তব মধুপুর সেথা সকলি যে মধুময়, অন্তরে মধু বাহিরে মধু সেথা সকলি যে মধুময় — ফিরে চল হরি মধুপুর।
রাগঃ
তালঃ ফের্তা

নিতি নিতি মোরে ডাকে সে স্বপনে, নিরাশার আলো জ্বলিয়া গোপনে। জানি না মায়াবিনী কী মায়া জানে কেবলি বাহিরে পরান টানে, ঘুরে ঘুরে মরি আঁধার-গহনে।। শত পথিকে ও-রূপে ছল হানে, অপরূপ শতরূপে শত গানে। পথে পথে বাজে তাহারি বাঁশি, সে-সুরে নিখিল-মন উদাসী; দহে যাদুকরী বিধুর দহনে।।
রাগঃ
তালঃ
আল্লার নাম মুখে যাহার বুকে আল্লার নাম। এই দুনিয়াতেই পেয়েছে সে বেহেশ্তের আরাম।। সে সংসারকে ভয় করে না নাই মৃত্যুর ডর দুনিয়াকে শোনায় শুধু আনন্দেরি খবর দিবানিশি পান করে সে কওসরেরি জাম — পান করে কওসরেরি জাম।।
ইসলামী নক্সা : ‘আল্লার রহম’
রাগঃ
তালঃ কাহার্বা
