বাণী
বৃজমে আজ স্যখি ধূম ম্যচাও অওরী বৃজবালা ম্যঙ্গল গাও।। গুঁথো স্যখিরি স্যব কুসুম-মালা দেখ্যন কো চ্যলো নন্দকে লালা বৃজকে ঘ্যর ঘ্যর হর্যষ মানাও।।
নাটিকাঃ ‘জন্মষ্টমী’
রাগ ও তাল
রাগঃ
তালঃ কাহার্বা
স্বরলিপি

বৃজমে আজ স্যখি ধূম ম্যচাও অওরী বৃজবালা ম্যঙ্গল গাও।। গুঁথো স্যখিরি স্যব কুসুম-মালা দেখ্যন কো চ্যলো নন্দকে লালা বৃজকে ঘ্যর ঘ্যর হর্যষ মানাও।।
নাটিকাঃ ‘জন্মষ্টমী’
রাগঃ
তালঃ কাহার্বা

সাবিত্রী সমান হও, লহ লহ এই আশিষ। শ্বশুর শাশুড়ির মা বাপের, কুলের তারা হয়ে হাসিস।। রামের মত স্বামী পাস, সতী হ’স সীতার সম দশরথ কৌশল্যার মত শ্বশুর শাশুড়ি অনুপম। লক্ষ্মণ সম দেবর পেয়ে সুখের সায়রে ভাসিস।। গোয়ালে গরু, মরায়ে ধান সিঁথেয় সিঁদুর, মুখে পান আল্তা পায়ে চির-এয়োতি যায় সুখে দিন এক সমান অন্নপূর্ণা জগৎ জীবের মা হয়ে ফিরে আসিস।। সভা-উজ্জ্বল জামাই পাস ভুবন-উজ্জ্বল দুঃখ পাস ধরার মত সহ্য পাস জন্মায়স্তে কাল কাটাস। পাকা চুলে পরিস্ সিঁদুর হয়ে থাকিস্ স্বামীর গো। বেঁচে থাকিস্ যতকাল অক্ষয় থাক তোর হাতের নো। পুত্র দিয়ে স্বামীর কোলে গঙ্গাজলে দেহ রাখিস।।
নাটিকাঃ ‘পুতুলের বিয়ে’
রাগঃ
তালঃ ফের্তা

ভূমিকম্পের প্রলয়-লীলায় সব হ’ল ছারখার; ভিক্ষার ঝুলি ছাড়া আজ ভাই সম্বল নাহি আর। ভিক্ষা দাও গো ভিক্ষা দাও, কাঁদন কি ঐ শুনিতে পাও — বিত্তবিহীন চিত্ত ভরিয়া সকরুণ হাহাকার।। সারা জীবনের শ্রম-সঞ্চিত সম্পদ হ’তে হ’য়ে বঞ্চিত রিক্ত হস্ত জনগণ হের ফিরিতেছে দ্বার দ্বার। তোমার ক্ষুধার অন্নে আছে এ ক্ষুধিতের অধিকার।। আর্ত বিহারী তরে এ ভিক্ষা নহে হে বন্ধু, করে প্রতীক্ষা, দ্বারে তব দীন পীড়িত মানুষ প্রার্থনা সবাকার। এই পীড়িতেরে ফিরাতে কে পারে, রুধিবে কে আজি দ্বার।। আজ যাহা দিবে সম্বলহীনে ফিরায়ে তা পাবে তব দুর্দিনে, ঐশ্বর্যের পরিণতি হের সমুখে তব বিহার। ভিক্ষার ঝুলি ভরিয়া হে দাতা বর লহ বিধাতার।।
রাগঃ
তালঃ দাদ্রা

কোন্ দূরে ও-কে যায় চ’লে যায়, সে ফিরে ফিরে চায় করুণ চোখে। তার স্মৃতি মেশা হায়, চেনা-অচেনায় তারে দেখেছি কোথায় যেন সে-কোন্ লোকে।। শুনি স্বপ্নে তারি যেন বাঁশি মন-উদাসী তারি বার্তা আসে নব মধু-মাসে, পলাশ আশোকে।। কৃষ্ণচূড়া তার মালা লুটায় — চৈত্র-শেষে বনের ধূলায় কান্না-বিধুর তার ভৈরবী সুর প্রভাতী তারায় অশ্রু ঘনায়, চির-বিরহী চিনি ওকে।।
রাগঃ ভৈরবী মিশ্র
তালঃ কাহার্বা

চঞ্চল সুন্দর নন্দ্ কুমার গোপী চিতচোর প্রেম্ মনোহর নওল কিশোর। বাজতাহি মন্মে বাঁশুরি কি ঝন্কার, নন্দ্ কুমার নন্দ্ কুমার নন্দ্ কুমার।। শ্রবণ-আনন্দ্ বিছুয়া কি ছন্দ রুনুঝুনু বোলে নন্দ্কে আঙ্গ্নামে নন্দন চন্দ্রমা গোপাল বন্ ঝুমত্ ঝুমত্ ডোলে, ডগমগ ডোলে, রাঙ্গা পাঁউ বোলে লঘু হোকে বিরাট ধরতী কা ভার।। রূপ নেহারনে আয়ে লূকছুপ্ দেওতা কোই গোপ গোপী বনা কোই বৃকশ লতা, নদী হো বহে লাগে আনন্দ্কে আঁসু যমুনা জল সুঁ — প্রণতা প্রকৃতি নিরালা সাজোয়ে, পূজা কর্নে কো ফুল লিয়ে আয়ে বন্ডার।।
রাগঃ
তালঃ কাহার্বা

মা মেয়েতে খেল্ব পুতুল আয় মা আমার খেলাঘরে। আমি মা হয়ে মা শিখিয়ে দেব পুতুল খেলে কেমন করে।। কাঙাল অবোধ করবি যারে বুকের কাছে রাখিস্ তারে (মা) [নইলে কে তার দুখ ভোলাবে যারে রত্ন মানিক দিবি না মা, উচিত সে তার মাকে পাবে] আবার কেউ বা ভীষণ দামাল হবে কেউ থাকবে গৃহ কোণে প’ড়ে।। মৃত্যু সেথায় থাকবে না মা থাকবে লুকোচুরি খেলা রাত্রি বেলায় কাঁদিয়ে যাবে আসবে ফিরে সকাল বেলা। কাঁদিয়ে খোকায়, ভয় দেখিয়ে, ভয় ভোলাবি আদর দিয়ে (মা) [বেশি তারে কাঁদাস না মা, মা ছেড়ে সে পালিয়ে যাবে] সে খেলে যখন শ্রান্ত হবে ঘুম পাড়াবি বক্ষে ধ’রে।।
রাগঃ
তালঃ দাদ্রা
