বাণী
ফুটিল মানস-মাধবী-কুঞ্জে প্রেম কুসুম পুঞ্জে পুঞ্জে মাধব, তুমি এসো হে। হে মধু-পিয়াসী চপল মধুপ, হৃদে এসো হৃদয়েশ হে। (নীল) মাধব, তুমি এসো হে।। তুমি আসিলে না বলি’ শ্যামরায় অভিমানে ফুল লুটায় ধূলায় মাধব, তুমি এসো হে।। বনমালী! বনে বন-ফুল হায় হায়! শুকাইয়া যায়, আঁখিজলে তায় জিয়াইয়া রাখি কত আর? এসো গোপন পায়ে! চিতচোর এসো গোপন পায়ে! যেমন নবনী চুরি করে খেতে, এসো শ্যাম সেই গোপন পায়ে। যেমন নবনী চুরি করে খেতে এসো হে তেমনি গোপন পায়ে। না হয় নূপুর খুলিও, শ্যাম, যমুনায় থির নীরে বাঁশরির তানে না হয় লহরি না তুলিও! যেমন নীরবে ফোটে ফুল, যেমন নীরবে রেঙে ওঠে সন্ধ্যা-গগন-কুল — এসো তেমনি গোপন পায়ে অনুরাগ-ঘসা হরি-চন্দন শুকায়ে যায় — আর রহিতে নারি, এসো হৃষিকেশ শ্যামরায়।।১ ১. পাঠান্তর : মম মানস মাধবী লতার কুঞ্জে, এই তো প্রথম মধুপ গুঞ্জে। (নীল) মাধব তুমি এসো হে, হে মধু পিয়াসী চপল মধুপ হৃদে এসো হে হৃদয়েশ হে। তোমার আমার পথ চেয়ে হায় অভিমানে ফুল লুটায় ধূলায় (নীল) মাধব তুমি এসো হে।। বনমালী বিনে বন ফুল হার (হায়) শুকাইয়া যায় আঁখি জলে তায় জিয়াইয়া রাখি কত আর। চিতচোর এসো গোপন পায়ে যেমন নবনী চুরি করে খেতে, এসো শ্যাম সেই গোপন পায়ে।। না হয় নূপুর খুলিও (শ্যাম) যমুনার থির নীরে বাঁশরির তানে না হয় লহরি না তুলিও। (যেমন) নীরবে ফোটে ফুল, যেমন নীরবে রেঙে ওঠে সন্ধ্যা গগন কুল। এসো তেমনি গোপন পায়ে অনুরাগ-ঘষা হয়ে চন্দন শুকায়ে যায়।
নাটিকা : ‘ধ্রুব’
রাগ ও তাল
রাগঃ
তালঃ


