আয় আয় মোর ময়ূর-বিমান

বাণী

আয় আয় মোর ময়ূর-বিমান আকাশ-নদী বেয়ে।
ফুল ফোটানো হাওয়ায় ভেসে চাঁদের আলোয় নেয়ে।।

নাটক : ‘মধুমালা’ (স্বপনপরীর গান)

লক্ষ্মী মা তুই ওঠ্ গো আবার

বাণী

লক্ষ্মী মা তুই ওঠ্ গো আবার সাগর জলে সিনান করি’।
হাতে ল’য়ে সোনার ঝাঁপি, সুধার পাত্রে সুধা ভরি’।।
আন্ মা আবার আঁচলে তোর নবীন ধানের মঞ্জরি সে,
টুনটুনিতে ধান খেয়েছে, খাজনা মাগো দিব কিসে।
ডুবে গেছে সপ্ত-ডিঙা, রত্ন বোঝাই সোনার তরী।।
ক্ষীরোদ-সাগর-কন্যা যে তুই, খেতে দে ক্ষীর সর মা আবার,
পান্তা লবণ পায় না ছেলে, জননী তোর এ কোন বিচার?
কার কাছে মা নালিশ করি, অনন্ত শয়নে হরি।।
তোরও কি মা ধর্‌ল ঘুমে নারায়ণের ছোঁয়াচ লেগে,
বর্গী এল দেশে মাগো, খোকারা তোর কাঁদে জেগে।
এসে এবার ঘুম পাড়া মা, মাগো ভয়ে ক্ষিদেয় মরি।।
কোন্‌ দুখে তুই রইলি ভুলে বাপের বাড়ি অতল-তুলে,
ব্যথার সিন্ধু মন্থন শেষ, ভ’রল যে দেশ হলাহলে।
অমৃত এনে সন্তানে তোর, বাঁচা মা, তোর পায়ে ধরি।।

সোনার চাঁপা ভাসিয়ে দিয়ে গহীন সাগর-জলে

বাণী

সোনার চাঁপা ভাসিয়ে দিয়ে গহীন সাগর-জলে
দূরে ব’সে কাঁদে কে রে কাঁদে আয় ফিরে আয় ব’লে।।
		কার আঁচলের মানিক ওরে
		অকূল স্রোতে পড়লি ঝরে রে
কোন্ মায়ের কোল্ খালি ক’রে এলি রে তুই চ’লে।।

নাটিকাঃ ‘শ্রীমন্ত’

জ্যোতির্ময়ী মা এসেছে আঁধার আঙিনায়

বাণী

জ্যোতির্ময়ী মা এসেছে আঁধার আঙিনায়।
ভুবনবাসী ছেলেমেয়ে আয় রে ছুটে আয়॥
আনন্দ আজ লুট হতেছে কে কুড়াবি আয়,
আনন্দিনী দশভূজা দশ হাতে ছড়ায়,
মা অভয় দিতে এলো ভয়ের অসুর’ দ’লে পায়॥
বুকের মাঝে টইটম্বুর ভরা নদীর জল,
ওরে দুলছে টলমল, ওরে করছে ঝলমল।
ঝিলের জলে ফুটল কত রঙের শতদল
	ছুঁতে মায়ের পদতল।
দেব সেনারা বাইচ্ খেলে রে আকাশ গাঙের স্রোতে,
সেই আনন্দে যোগ দিবি কে? আয় রে বাহির পথে,
আর দেব না যেতে মাকে রাখব ধ’রে পায়
মাতৃহারা মা পেলে কি ছাড়তে কভু চায়॥

কে বলে গো তুমি আমার নাই

বাণী

কে বলে গো তুমি আমার নাই?
তোমার গানে পরশ তব পাই।।
তোমায়-আমায় এই নীরবে
জানাজানি অনুভবে,
তোমার সুরের গভীর রবে আমারি কথাই।।
হে বিরহী আমায় বারে বারে
স্মারণ করো সুরের সিন্ধু পারে
ওগো গুণী পেয়ে মায়
যদি তোমার গান থেমে যায়,
উঠবে কাঁদন সুরের সভায় চাই না কাছে তাই।।

মদালস ময়ূর-বীণা কার বাজে

বাণী

মদালস ময়ূর-বীণা কার বাজে।
অরুণ-বিভাসিত অম্বর মাঝে।।
কোন্ মহামৌনীর ধ্যান হ’ল ভঙ্গ?
নেচে’ ফেরে অশান্ত মায়া-কুরঙ্গ,
তপোবনে রঙ্গে অনঙ্গ বিরাজে।।
নিদ্রিত রুদ্রের ললাট-বহ্নি,
পাশে তা’র নেচে ফেরে বনবালা তন্বী।
বিজড়িত জটাজুটে খেলে শিশু শশী
দেয় মালা-চন্দন ভীরু উর্বশী,
শঙ্কর সাজিল রে নটরাজ-সাজে।।