পায়েলা বোলে রিনিঝিনি

বাণী

পায়েলা বোলে রিনিঝিনি।
নাচে রূপ-মঞ্জরি শ্রীরাধার সঙ্গিনী।।
	ভাব-বিলাসে
	চাঁদের পাশে,
ছড়ায়ে তারার ফুল নাচে যেন নিশীথিনী।।
নাচে উড়ায়ে নীলাম্বরী অঞ্চল,
মৃদু মৃদু হাসে আনন্দ রাসে শ্যামল চঞ্চল।
কভু মৃদুমন্দ
কভু ঝরে দ্রুত তালে সুমধুর ছন্দ,
বিরহের বেদনা মিলন-আনন্দ —
ফোটায় তনুর ভঙ্গিমাতে ছন্দ-বিলাসিনী।।

আজি ঈদ্ ঈদ্ ঈদ্ খুশীর ঈদ্

বাণী

	আজি ঈদ্ ঈদ্ ঈদ্ খুশীর ঈদ্ এলো ঈদ্
(যাঁর)	আসার আশায় চোখে মোদের ছিল না রে নিদ।।
	শোন্ রে গাফিল, কি ব’লে তকবীর ঈদ্গাহে,
(তোর)	আমানতের হিস্‌সা সাদকা দে খোদার রাহে
	নে সাদকা দিয়ে বেহেশ্‌তে যাবার রসিদ।।
	ঈদের চাঁদের তশ্‌তরীতে জান্নাত হ’তে
	আনন্দেরি শিরনি এলো আসমানি পথে,
	সেই শিরনি নিয়ে নূতন আশায় জাগবে না উম্মিদ।।
(তোর)	পিরাহানের আতর গোলাব লাগুক রে মনে,
(আজ)	প্রেমের দাওত্ দে দুনিয়ার সকল জনে,
	দিলেন ঈদের মারফতে হজরত এই তাগিদ।।

ফিরে এসো ফিরে এসো প্রিয়তম

বাণী

ফিরে এসো ফিরে এসো প্রিয়তম
তেমনি চাহিয়া আছে নিশীথের তারাগুলি।
লতা-নিকুঞ্জে কাঁদে আজো বন-বুলবুলি।।
ঘুমায়ে পড়েছে সবে, মোর ঘুম নাহি আসে
তুমি যে ঘুমায়েছিলে সেদিন আমার পাশে
সাজানো সে গৃহ তব, ঢেকেছে পথের ধূলি।।
আমার চোখের জলে মুছে যায় পথ-রেখা
রোহিনী গিয়াছে চলি' চাঁদ কাঁদে একা-একা
কোন দূর তারালোকে কেমনে রয়েছ ভুলি'।।

চীন আরব হিন্দুস্থান নিখিল ধরাধাম

বাণী

চীন আরব হিন্দুস্থান নিখিল ধরাধাম।
জানে আমায় চেনে আমায় মুসলিম আমার নাম।।
অন্ধকারে আজান দিয়ে ভাঙনু ঘুমঘোর,
আলোর অভিযান এনেছি রাত করেছি ভোর;
এক সমান করেছি ভেঙে উচ্চ নীচ তামাম।।
চেনে মোরে সাহারা গোবি দুর্গম পর্বত,
মন্থন করেছে সাগর, আমার সিন্ধু রথ;
বয়েছি আফ্রিকা ইউরোপ আমারই তাঞ্জাম।।
পাক মুলুকে বসিয়েছি খোদার মসজিদ,
জগৎ সাক্ষী পাপীদেরকে পিইয়েছি তৌহীদ্‌;
বিরান বনে রচেছি রে হাজার নগর গ্রাম।।

ভোরের হাওয়া ধীরে ধীরে বলো

বাণী

		ভোরের হাওয়া! ধীরে ধীরে বলো গো সেই হরিণীরে।
		আর কত দিন দিশাহারা ঘুরব একা মরুর তীরে।।
		মিষ্টি চিনির পসরিণীর হৃদয় কেন কষায় হেন,
		এই চিনি-খোর তুতীর পানে কেন গো সে চায় না ফিরে।।
		গোলাব লো! তোর রূপের গরব দেয় না বুঝি জিজ্ঞাসিতে,
		প্রণয়-পাগল বুলবুলি তোর ভাসে কেন অশ্রু-নীরে।।
		চতুর নিষাদ শিকার করে প্রণয়ীরে মুখের মিঠায়,
		চপল পাখি ধরতে সে গো বিছায় না জাল আকাশ ঘিরে।।
		বঁধুর পাশে বসে তোমার ঢাল্‌বে যেদিন রঙীন শারাব
		স্মরণ ক’রো রূপসী, এই উপোসী-মন দূর সাথিরে।।
শেয়র : 	সরল-তনু, কাজল-আঁখি, চাঁদের মালা ললাট-কূলে —
		রঙীন্‌ প্রেমের লাগল না রঙ কেন গো সে রূপের ফুলে।
		তোমার রূপের চাঁদে, প্রিয়, এই শুধু কলঙ্ক-লেখা —
		মধুর রূপের কাননে নাই বিধুর প্রেমের কুহু কেকা!
		হাফেজী এই গজল যদি পৌছে আকাশ, নয় সে কিছু,
		গাইবে সে গান ‘জোহরা’ তারা, নাচবে ‘ঈশা’ সে সুর মীড়ে।।

আয় রণজয়ী পাহাড়ি দল

বাণী

আয় রণজয়ী পাহাড়ি দল
শক্তি-মাতাল বুনো পাগল
থৈ থৈ তা তা থৈ থৈ
নেচে আয় রে দৃপ্ত পায়।
গিরি দরি বন ভাসায় যেমন পার্বতীয়া ঝর্নাজল।
আন তীর ধনু বর্শা হান্ বাজা রে শিঙ্গা বাজা মাদল।।

নাটিকাঃ ‘সুরথ উদ্ধার’