বাণী
আয় ঘুম আয়! সাপিনীর দংশনে যেমন অবশ তনু — তেমনি ঢলিয়া পড় মায়া-নিদ্রায়।। সংসার অহিফেন বিষ পিয়ে হায় যেমন অচেতন জীব অসাড়ে ঘুমায়, যেমন পাতাল তলে ঘুমায় দৈত্যদলে তেমনি ঘুমাও জড় পাষাণের প্রায়।।
নাট্যগীতি : ‘দেবী দুর্গা’
রাগ ও তাল
রাগঃ
তালঃ
আয় ঘুম আয়! সাপিনীর দংশনে যেমন অবশ তনু — তেমনি ঢলিয়া পড় মায়া-নিদ্রায়।। সংসার অহিফেন বিষ পিয়ে হায় যেমন অচেতন জীব অসাড়ে ঘুমায়, যেমন পাতাল তলে ঘুমায় দৈত্যদলে তেমনি ঘুমাও জড় পাষাণের প্রায়।।
নাট্যগীতি : ‘দেবী দুর্গা’
রাগঃ
তালঃ
থাক্ এ গৃহ ঘিরিয়া সদা মঙ্গল কল্যাণ হে ভগবান। দাও পুত পবিত্রতা প্রশান্তি অফুরান, হে ভগবান॥ অন্তরে দেহে দাও বিমল্-জ্যোতি কর্মে প্রেরণা দাও ধর্মে মতি; এ গৃহের নারী হোক পুণ্যবতী বীরত্বে ত্যাগে হোক পুরুষ মহান; হে ভগবান॥ এ গৃহের বারি হোক নির্মল সুশীতল হে ভগবান, এ গৃহের আলো হোক পুণ্যে সমুজ্জ্বল হে ভগবান। সকলের সাথে হেথা প্রীতি যেন রয় যেন নাহি থাকে হেথা রোগ শোক ভয়; দূর কর হিংসা পাপ সংশয় সার তব পায়ে নিবেদিত সকলের মনপ্রাণ, হে ভগবান॥
রাগঃ
তালঃ কাহার্বা

তিমির বিদারী অলখ-বিহারী কৃষ্ণ মুরারি আগত ঐ টুটিল আগল নিখিল পাগল সর্বসহা আজি সর্বজয়ী।। বহিছে উজান অশ্রু-যমুনায় হৃদি-বৃন্দাবনে আনন্দ ডাকে, (ওরে) ‘আয়’, বসুধা যশোদার স্নেহধার উথলায় (ওগো) কাল্-রাখাল নাচে থৈ-তা-থৈ।। বিশ্ব ভরি' ওঠে স্তব নমো নমঃ অরির পুরী-মাঝে এলো অরিন্দম। ঘিরিয়া দ্বার বৃথা জাগে প্রহরী জন বন্ধ কারায় এলো বন্ধ-বিমোচন, ধরি' অজানা পথ আসিল অনাগত জাগিয়া ব্যথাহত ডাকে, মাভৈঃ।।
রাগঃ ভৈরবী
তালঃ কাহার্বা
১.

স্বরলিপিকার: কাজী নজরুল ইসলাম
২.

সাজিয়াছ যোগী বল কার লাগি’ তরুণ বিবাগী হের তব পায়ে কাঁদিছে লুটায়ে নিখিলের প্রিয়া তব প্রেম মাগি’ তরুণ বিবাগী।। ফাল্গুন কাঁদে দুয়ারে বিষাদে খোলো দ্বার খোলো! যোগী, যোগ ভোলো! এত গীত হাসি সব আজি বাসি, উদাসী গো জাগো! নব অনুরাগে জাগো অনুরাগী তরুণ বিবাগী।।
রাগঃ যোগিয়া
তালঃ ঝাঁপতাল
শিল্পীঃ অনুপ ঘোষাল

উত্তরীয় লুটায় আমার ধানের ক্ষেতে, হিমেল্ হাওয়ায়। আমার চাওয়া জড়িয়ে আছে নীল আকাশের সুনীল চাওয়ায়॥ ভাটির শীর্ণা নদীর কূলে আমার রবি-ফসল দুলে, নবান্নেরই সুঘ্রাণে মোর চাষির মুখে টপ্পা গাওয়ায়॥
হৈমন্তী
রাগঃ
তালঃ তেওড়া
কমলা রূপিণী, শক্তি-স্বরূপিণী পতিব্রতা সতী ধর্ম-বিধায়িনী — সীতা, জয় সীতা। জনক দুলারী রাজকুমারী লব-কুশ-জননী, রাম-কী পিয়ারী — সীতা, জয় সীতা।। আওধ-প্রজাকুল শান্তি-বিধায়িনী পতি-অনুগামিনী, বন-বনচারিণী, অশোক-কানন উজ্জ্বলকারিণী — সীতা, জয় সীতা।। বসুমতী-অঙ্ক সমুজ্জ্বল-কারিণী সতীকে তেজ-বল-অগ্নিনিবারণী, সুখ-দুখমে পতি-চরম ভিখারিনী — সীতা, জয় সীতা।।
রাগঃ দরবারী-কানাড়া
তালঃ ত্রিতাল
