বাণী
ঝঞ্ঝার ঝাঁঝর বাজে ঝনঝন বনানী-কুন্তল এলাইয়া ধরণী কাঁদিছে পড়ি চরণে শনশন শনশন।। দোলে ধূলি-গৈরিক পতাকা গগনে, ঝামর কেশে নাচে ধূর্জটি সঘনে। হর-তপোভঙ্গের ভুজঙ্গ নয়নে, সিন্ধুর মঞ্জীর চরণে বাজে রনরন রনরন।।
রাগ ও তাল
রাগঃ কেদারা-হাম্বীর
তালঃ কাওয়ালি
ঝঞ্ঝার ঝাঁঝর বাজে ঝনঝন বনানী-কুন্তল এলাইয়া ধরণী কাঁদিছে পড়ি চরণে শনশন শনশন।। দোলে ধূলি-গৈরিক পতাকা গগনে, ঝামর কেশে নাচে ধূর্জটি সঘনে। হর-তপোভঙ্গের ভুজঙ্গ নয়নে, সিন্ধুর মঞ্জীর চরণে বাজে রনরন রনরন।।
রাগঃ কেদারা-হাম্বীর
তালঃ কাওয়ালি
নিশি জেগে আমি গান শোনাবো বন বিহগ যদি মাগে বিদায় আমার অন্তর মধু পিয়াবো পিয়াল ফুলের পিয়ালায়।। বেল ফুল যদি যায় ঝরে প্রেম ফুল দেব ডালি ভ’রে মাধবী কুঞ্জ রচিব হিয়ায় ফাল্গুন যদি ফিরে যায়।। যদি নাহি বয় দখিনা বাতাস আমার আছে অঞ্চল আছে কেশ পাশ। যায় ডুবে যাক আকাশে চাঁদ মোর চাঁদ যেন নাহি ডুবে যায়।।
রাগঃ
তালঃ কাহার্বা

তোমার সজল চোখে লেখা মধুর গজল গান। চেয়ে চেয়ে তাই দেখে গো আমার দু’নয়ান।। আমার পুঁথির আখর যত তোমার মালার মোতির মত, তাই দেখি আর পাঠ ভুলে যাই, আকুল করে প্রাণ।। যেমন বুলবুলি আর রঙিন গোলাব লায়লী-মজনু দুইজনে ভাব, ওদের প্রেমে ধূলির ধরা হল গুলিস্তান।।
নাটিকা: ‘লায়লী-মজনু’
রাগঃ
তালঃ ফের্তা (দ্রুত-দাদ্রা ও কাহার্বা)

ভোরের হাওয়া এলে ঘুম ভাঙাতে কি চুম হেনে নয়ন-পাতে। ঝিরি ঝিরি ধীরি ধীরি কুণ্ঠিত ভাষা গুণ্ঠিতারে শুনাতে॥ হিম-শিশিরে মাজি’ তনুখানি ফুল-অঞ্জলি আন ভরি’ দুই পাণি, ফুলে ফুলে ধরা যেন ভরা ফুলদানি বিশ্ব-সুষমা সভাতে॥
রাগঃ রামকেলি
তালঃ ত্রিতাল
স্বরলিপিকার: কাজী নজরুল ইসলাম

আমি বাঁধন যত খুলিতে চাই জড়িয়ে পড়ি তত। শুভদিন এলো না দিনে দিনে দিন হল হায় গত।। শত দুঃখ অভাব নিয়ে জগৎ আছে জাল বিছিয়ে অসহায় এ পরান কাঁদে জালে মীনের মত।। বোঝা যত কমাতে চাই ততই বাড়ে বোঝা, শান্তি কবে পাব কবে চল্ব হয়ে সোজা। দাও ব’লে হে জগৎ-স্বামী মুক্তি কবে পাব আমি? কবে উঠবে ফুটে জীবন আমার ভোরের ফুলের মত।।
রাগঃ ভৈরবী / জৌনপুরী মিশ্র
তালঃ দাদ্রা

ঢল ঢল নয়নে স্বপনের ছায়া গো। কোন্ অমরার কোন্ মায়া গো।। মনের বনের ’পারে চকিতে দেখেছি যারে, সে এলে কি আজ ধরি’ কায়া গো।।
রাগঃ
তালঃ