পুষ্পিত মোর তনুর কাননে

বাণী

পুষ্পিত মোর তনুর কাননে হায়।
ওগো ফুলধনু, লগ্ন যে ব’য়ে যায়।।
আজি ফাগুন ঋতু উৎসবে
এ দেহ দেউল শূন্য কি রবে,
রতির আরতি ধূপ কি পুড়িবে বিফল কামনায়।।

হলুদ গাঁদার ফুল রাঙা পলাশ ফুল

বাণী

হলুদ গাঁদার ফুল, রাঙা পলাশ ফুল
এনে দে এনে দে নৈলে রাঁধব না, বাঁধব না চুল।
কুস্‌মী-রঙ শাড়ি, চুড়ি বেলোয়ারি
কিনে দে হাট থেকে, এনে দে মাঠ থেকে
বাবলা ফুল, আমের মুকুল, নৈলে রাঁধব না, বাঁধব না চুল।।
তুর্‌কুট্‌ পাহাড়ে শাল-বনের ধারে বস্‌বে মেলা আজি বিকাল বেলায়,
দলে দলে পথে চলে সকাল হতে বেদে-বেদেনী নূপুর বেঁধে পায়
যেতে দে ওই পথে বাঁশি শুনে’ শুনে’ পরান বাউল
নৈলে রাঁধব না, বাঁধব না চুল।।
পলার মালা নাই কী যে করি ছাই,
খুঁজেএনে দে এনে দে রে সিঁয়া-কূল
নৈলে রাঁধব না, বাঁধব না চুল।।

সিনেমা: সাপুড়ে

কেন নিশি কাটালি অভিমানে

বাণী

কেন নিশি কাটালি অভিমানে।
ডুবে গেল চাঁদ দূর বিমানে।।
মান-ভরে চাতকী এ বাদলে
মিটালি না পিয়াসা মেঘ-জলে,
কোথা রবে এ মেঘে কেবা জানে।।
রহে চাঁদ দূরে অমা নিশীথে
তবু ফোটে কুমুদী সরসীতে,
রহে চাহি’ কলঙ্কী শশী-পানে।।
যে ফাগুনে ফুল ফুটিল রাতে
রবে না সে-ফাগুন কালি প্রাতে,
যে ফুটিল না, সে শুকাবে বাগানে।।

মহুয়া বনে লো মধু খেতে সই

বাণী

মহুয়া বনে লো মধু খেতে, সই,
বাহিরে চাঁদ এলো, ঘরে মোর চাঁদ কই।।
আমার নাচের সাথী কোথা পাইনে দেখা
সরে না পা ওলো নাচতে একা
সে বিনে সখী লো আমি আমার নই।।
মিছে মাদলে তাল হানে মাদলিয়া,
সে কি গেল বিদেশ, মোরে না বলিয়া।
দূরে বাঁশি বাজে পলাশ পিয়াল বনে,
বুঝি ঐ বঁধু মোর, যেন লাগে মনে
সে মোরে ভুলে নাচে কাহার সনে?
সে যে জানতো না সজনী কভু আমি বৈ।।

হে মদিনার বুলবুলি গো

বাণী

হে মদিনার বুলবুলি গো গাইলে তুমি কোন গজল।
মরুর বুকে উঠল ফুটে প্রেমের রঙিন গোলাপ দল।।
দুনিয়ার দেশ-বিদেশ থেকে, গানের পাখি উঠল ডেকে
মুয়াজ্জিনের আজান ধ্বনি উঠল ভেদি গগনতল।।
সাহারার দগ্ধ বুকে রচ তুমি গুলিস্তান
সেথা আস্‌হাব সব ভ্রমর হয়ে শাহাদতের গাইল গান।
দোয়েল কোকিল দলে দলে আল্লা রসূল উঠল ব'লে
আল্‌ কোরানের পাতার কোলে খোদার নামের বইল ঢল।।

মোর ভুলিবার সাধনায় কেন সাধ বাদ

বাণী

মোর ভুলিবার সাধনায় কেন সাধ বাদ।
কেন নিরাশা-আঁধারে জ্বালো আশার চাঁদ।।
	যে প্রেম লভিয়াছে সমাধি,
	কি হবে সেথায় আর কাঁদি’,
বাঁচিবে না নয়নের জলে সে পুড়ে ছাই হয়ে গেছে যার সুখ-সাধ।।
যে তরুর কাটিয়াছ মূল, কেন ফুল সেথা চাও,
নির্জন অরণ্যে বিরহ-তাপে তা’রে শুকাইতে দাও।
	শুভ লগ্নের ক্ষণ ভুবনে
	একবার আসে শুধু জীবনে,
ব’য়ে গেছে সেই শুভ দৃষ্টির শুভক্ষণ আর পাইব না তব আঁখির প্রসাদ।।