বাণী
মেরো না আমারে আর নয়ন-বাণে। কী জ্বালা ব্যাধের বাণে বনের হরিণই জানে।। একে এ পরান দহে মদির ও-আঁখির মোহে চাহনির যাদু মাখা তায়। জ্বলিছে আলেয়া-শিখা নয়ন-জলের মরীচিকা পিয়াসি পথিক ছোটে হায় — তাহারি টানে।।
রাগ ও তাল
রাগঃ খাম্বাজ মিশ্র
তালঃ কাহার্বা
মেরো না আমারে আর নয়ন-বাণে। কী জ্বালা ব্যাধের বাণে বনের হরিণই জানে।। একে এ পরান দহে মদির ও-আঁখির মোহে চাহনির যাদু মাখা তায়। জ্বলিছে আলেয়া-শিখা নয়ন-জলের মরীচিকা পিয়াসি পথিক ছোটে হায় — তাহারি টানে।।
রাগঃ খাম্বাজ মিশ্র
তালঃ কাহার্বা
জানি আমার সাধনা নাই আছে তবু সাধ। তুমি আপনি এসে দেবে ধরা দূর-আকাশের চাঁদ।। চকোর নহি মেঘও নহি আপন ঘরে বন্দী রহি’ আমি শুধু মনকে কহি কাঁদ নিশি দিন কাঁদ।। কূল-ডুবানো জোয়ার কোথা পাব হে সুন্দর? হে চাঁদ আমি সাগর নহি পল্লী-সরোবর। নিশীথ রাতে আমার নীরে, প্রেমের কুমুদ ফোটে ধীরে, মোর ভীরু প্রেম যেতে নারে ছাপিয়ে লাজের বাঁধ।।
রাগঃ
তালঃ দাদ্রা

আল্লাতে যার পূর্ণ ঈমান কোথা সে মুসলমান কোথা সে আরিফ অভেদ যাহার জীবন মৃত্যু জ্ঞান।। (যাঁর) মুখে শুনি তৌহিদের কালাম — ভয়ে মৃত্যুও করিত সালাম। যাঁর দীন দীন রবে কাঁপিত দুনিয়া জীন পরি ইনসান্।। স্ত্রী পুত্রে আল্লারে সঁপি জেহাদে যে নির্ভীক। হেসে কোরবানি দিত প্রাণ হায় আজ তারা মাগে ভিখ্। কোথা সে শিক্ষা আল্লাহ্ ছাড়া, ত্রিভুবনে ভয় করিত না যাঁরা। আজাদ করিতে এসেছিল যাঁরা সাথে লয়ে কোর্আন্।।
রাগঃ
তালঃ দাদ্রা

স্বপনে আজ মোহাম্মদ দেখা দিয়েছে। কোরানের মালা দিয়ে পরান নিয়েছে- গো আমার পরান নিয়েছে ৷ গায়ে তাঁর নূরের চাদর দীনের ঘোম্টা মুখের উপর, রূপে তাঁর সারা ভুবন উজল হয়েছে ৷৷ নিজের পায়ে আঁধার-পথে জ্বেলে দিয়ে আমার হৃদে, রূপ দেখায়ে মন ভুলায়ে পাগল করেছে। তাঁরই নামের তস্বি হয়ে’ নাইবা বনে থাকবো গিয়ে, পেয়েছেন পথের দেখা ব'লে দিয়েছে।
রাগঃ
তালঃ কাহার্বা

আমি গগন গহনে সন্ধ্যা-তারা কনক গাঁদার ফুল গো। গোধূলির শেষে হেসে উঠি আমি এক নিমেষের ভুল গো। আমি কণিকা, আমি সাঁঝের অধরে ম্লান আনন্দ-কণিকা আমি অভিমানিনীর খুলে ফেলে দেওয়া মণিকা আমি দেব-কুমারীর দুল গো।। আলতা রাখার পাত্র আমার আধখানা চাঁদ ভাঙা তাহারি রং গড়িয়ে পরে (ঐ) অস্ত-আকাশ রাঙা। আমি একমুঠো আলো কৃষ্ণা-সাঁঝের হাতে আমি নিবেদিত ফুল আকাশ-নদীতে রাতে ভাসিয়া বেড়াই যাঁর উদ্দেশে গো তার পাই না চরণ-মূল।।
রাগঃ
তালঃ দাদ্রা

কত দূরে তুমি, ওগো আঁধারের সাথি। হাত ধর মোর নিভিয়া গিয়াছে বাতি।। চলিতে চলিতে তোমার তীর্থ-পথে হারায়ে গিয়াছি অন্ধকারের স্রোতে, এসে তু’লে লও তোমার সোনার রথে — (লহ) প্রভাতের তীরে, শেষ হয় যথা রাতি।। যে ধ্রুব-তারার পথ দেখাইয়া নীরবে চলেছ তুমি, সে-পথ ভুলিয়া আসিলাম মায়া-তৃষ্ণার মরুভূমি। সাড়া নাহি পাই আর আজ ডেকে ডেকে কাঁদিছ কি তুমি মোরে সাথে নাহি দেখে? হয়ত ফিরিবে অমৃতের তীর থেকে — সেই আশে আছি পথ পানে আঁখি-পাতি’।।
রাগঃ
তালঃ