ভুবনজয়ী তোরা কি হায় সেই মুসলমান

বাণী

ভুবনজয়ী তোরা কি হায়, সেই মুসলমান।
খোদার রাহে আনলো যারা দুনিয়া না-ফরমান।
এশিয়া য়ুরোপ আফ্রিকাতে যাহাদের তক্‌বীর
হুঙ্কারিল, উড়ল যাদের বিজয়-নিশান।।
যাদের নাঙ্গা তলোয়ারের শক্তিতে সেদিন
পারস্য আর রোম রাজত্ব হইল খান-খান।।
শুকনো রুটি খোরমা খেয়ে যাদের খলিফা,
হেলায় শাসন করিল রে অর্ধেক জাহান।।
যাদের নবী কম্‌লিওয়ালা শাহানশাহ্ হয়ে,
আজকে তা’রা বিলাস-ভোগের খুলেছে দোকান।।
সিংহ-শাবক ভুলে আছিস্ শৃগালের দলে,
দুনিয়া আবার পায়ে কি তোর হবে কম্পমান।।

গরজে গম্ভীর গগনে কম্বু

বাণী

গরজে গম্ভীর গগনে কম্বু।
নাচিছে সুন্দর নাচে স্বয়ম্ভূ।।
সে-নাচে-হিল্লোলে জটা-আবর্তনে
সাগর ছুটে আসে গগন-প্রাঙ্গণে।
		আকাশে শূল হানি’
		শোনাও নব বাণী,
		তরাসে কাঁপে প্রাণী
			প্রসীদ-শম্ভু।
ললাট-শশী টলি’ জটায় পড়ে ঢলি’,
সে-শশী-চমকে গো বিজুলি ওঠে ঝলি’।
ঝাঁপে নীলাঞ্চলে মুখ দিগঙ্গনা,
মূরছে ভয়-ভীতা নিশি নিরঞ্জনা।
		আঁধারে পথহারা
		চাতকী কেঁদে সারা,
		যাচিছে বারিধারা
			ধরা নিরম্বু।।

আল্লা নামের নায়ে চ’ড়ে

বাণী

	আল্লা নামের নায়ে চ’ড়ে যাব মদিনায়।
	মোহাম্মদের নাম হ’বে মোর (ও ভাই) নদী-পথে পুবান বায়।।
	চার ইয়ারের নাম হ’বে মোর সেই তরণীর দাঁড়
	কল্‌মা শাহাদতের বাণী হাল ধরিবে তা’র,
	খোদার শত নামের শুন্ টানিব (ও ভাই) নাও যদি না যেতে চায়।।
মোর	নাও যদি না চলিতে দেয় সাহারার বালি,
	মরুভূমে বান ডাকাব, (চোখের) পানি দিব ঢালি’।
	তাবিজ হ’য়ে দুল্‌বে বুকে কোরান, খোদার বাণী
	আঁধার রাতে ঝড়-তুফানে আমি কি ভয় মানি!
	আমি তরে’ যাব রে তরী যদি ডুবে’ তারে না পায়।।

১. দুর্দিনেরই ঝড়-তুফানে, ২. ডুবে তাঁহার এলাকায়

মন কার কথা ভেবে এমন উদাস করে

বাণী

মন কার কথা ভেবে এমন উদাস করে।
দেখেছি ভোর বেলাতে স্বপ্নে কা’রে, জেগে তায় মনে নাহি পড়ে।।
কবে সে ভোর বেলাতে গেছিলাম ফুল কুড়াতে
পথে কার নয়ন-ফণি দংশিল বুকের ’পরে,
আজি কি সেই চাহনির বিষের জ্বালা উঠিল ব্যথায় ভ’রে।।
মনে করিতে তারে শিহরি’ উঠি ভয়ে
ভুলিতে গেলে আরো ব্যথা বাজে হৃদয়ে,
এমনি ক’রে কি গো বন-মৃগ মরুতে ছুটে’ মরে।।

অনেক ছিল বলার যদি সেদিন

বাণী

অনেক ছিল বলার, যদি সেদিন ভালোবাস্‌তে গো।
পথ ছিল গো চলার, যদি দু’দিন আগে আস্‌তে গো।।
আজিকে মহাসাগর–স্রোতে, চলেছি দূর পারের পথে
ঝরা–পাতা হারায় যথা, সেই আঁধারে ভাস্‌তে গো।।
গহন রাতি ডাকে আমায় এলে তুমি আজ্‌কে
কাঁদিয়ে গেলে হায় গো আমার বিদায়–বেলার সাঁঝ্‌কে।
আস্‌তে যদি হে অতিথি
ছিল যখন শুক্লা তিথি
ফুটত চাঁপা, সেদিন যদি চৈতালী–চাঁদ হাস্‌তে।।

ফুরিয়ে এলো রমজানেরি মোবারক মাস

বাণী

ফুরিয়ে এলো রমজানেরি মোবারক মাস
আজ বাদে কাল ঈদ তবু মন করে উদাস।।
রোজা রেখেছিলি, হে পরহেজগার মোমিন!
ভুলেছিলি দুনিয়াদারি রোজার তিরিশ দিন;
তরক করেছিলি তোরা কে কে ভোগ-বিলাস।।
সারা বছর গুনাহ যত ছিল রে জমা,
রোজা রেখে খোদার কাছে পেলি সে ক্ষমা,
ফেরেশতা সব সালাম করে কহিছে সাবাস।।

নাটিকাঃ ‘ঈদল ফেতর’