মায়ের চেয়েও শান্তিময়ী মিষ্টি বেশি মেয়ের চেয়ে

বাণী

	মায়ের চেয়েও শান্তিময়ী মিষ্টি বেশি মেয়ের চেয়ে
	চঞ্চলা এই লীলাময়ী মুক্তকেশী কালো মেয়ে।।
সে	মিষ্টি যত দুষ্টু তত এই কালো মেয়ে
	গিরিঝর্ণা সম এলো ধেয়ে এই পাবর্তী মেয়ে
	করুণা অমৃত ধারায় ভুবন ছেয়ে এলো এই কালো মেয়ে।।
	মাকে চোখে চোখে রাখি
	যদি কভু দেয় সে ফাঁকি
	আমি ভয়ে ভয়ে থাকি গো
	এই মায়াময়ী মেয়ে নিয়ে ভয়ে ভয়ে থাকি গো।
আমি	বহু সাধ্য-সাধনাতে পেয়েছি এই মা-কে রে
	কোটি জনম তপস্যাতে পেয়েছি এই মা-কে রে
	কোথায় রাখি, আমি কাঙালিনী
	কোথায় রাখি স্বর্গের এই রত্ন পেয়ে
আমি	কোথায় রাখি স্বর্গের এই রত্ন পেয়ে।।

মন কেন উদাসে (এই) ফাগুন বাতাসে

বাণী

মন কেন উদাসে (এই) ফাগুন বাতাসে।
যাহারে না পাইনু কভু এ জীবনে
সে কেন গো কাঁদাতে আসে নিতি স্মরণে,
কুসুমের গন্ধে গো তারি সুবাস বাসে।।
কেন এ সমীরে সে আসে ফিরে ফিরে,
নয়ন নদীতীরে কেন জল উছাসে।।

ভোলো ভোলো গো লায়লী মজনুর ভালোবাসা

বাণী

ভোলো ভোলো গো লায়লী মজনুর ভালোবাসা।
সেই তো প্রেমিক প্রেম কয় তারে,
প্রিয়া যদি কয় ভোলো সে-প্রিয়ারে।
আজি হতে তাই ছাড়িলাম আমি তোমারে পাবার আশা
			ভোলো মজনুর ভালোবাসা।।

রাই বিনোদিনী দোলো ঝুলন দোলায়

বাণী

রাই বিনোদিনী দোলো ঝুলন দোলায়॥
একা লাগে না ভালো
সাথে এসে দোলো শ্যামরায়॥
রাঙা চরণ দেখিতে পাব বলে
ওগো দাঁড়াইয়া এই তরুতলে
শ্যাম বাঁধিয়া বাহু ডোরে
আশ্রয় দাও মোরে একা বড় ভয় পায়॥

চলচ্চিত্রঃ ‘বিদ্যাপতি’

জয় হরপ্রিয়া শিবরঞ্জনী

বাণী

জয় হরপ্রিয়া শিবরঞ্জনী।
শিব-জটা হতে সুরধুনী স্রোতে ঝরি’ শতধারে ভাসাও অবনি।
দিবা দ্বিপ্রহরে প্রথম বেলা কাফি-সিন্ধুর তীরে কর খেলা
দীপ্ত নিদাঘে সারঙ্গ রাগে অগ্নি ছড়ায় তব জটাব ফণী॥
কভু ধানশ্রীতে মায়া রূপ ধর,
জ্ঞানী শিবের তেজ কোমল কর
পিলু বারোঁয়ার বিষাদ ভোলানো
নূপুরের চটুল ছন্দ আনো
বাগীশ্বরী হ’য়ে মহিমা শান্তি ল’য়ে
আসো গভীর যবে হয় রজনী॥
বরষার মল্লারে মেঘে তুমি আসো,
অশনিতে চমকাও, বিদ্যুতে হাসো
সপ্ত সুরের রঙে সুরঞ্জিতা ইন্দ্রধনু-বরণী॥

কোন্ মরমীর মরম-ব্যথা

বাণী

কোন্ মরমীর মরম-ব্যথা আমার বুকে বেদ্না হানে
			জানি গো, সেও জানেই জানে।
আমি কাঁদি তাইতে যে তার ডাগর চোখে অশ্রু আনে,
			বুঝেছি তা প্রাণের টানে।।
বাইরে বাঁধি মনকে যত
ততই বাড়ে মর্ম-ক্ষত,
মোর সে ক্ষত ব্যথার মতো
			বাজে গিয়ে তারও প্রাণে,
			কে কয়ে যায় কানে কানে।।
উদাস বায়ু ধানের ক্ষেতে ঘনায় যখন সাঁঝের মায়া,
দুই জনারই নয়ন-পাতায় অম্‌নি নামে কাজল ছায়া।।
দুইটি হিয়াই কেমন কেমন —
বদ্ধ ভ্রমর পদ্মে যেমন,
হায়,অসহায় মূকের বেদন,
			বাজ্‌লো শুধু সাঁঝের গানে,
			পূবের বায়ুর হুতাশ তানে।।