বাণী
প্রভাত বীণা তব বাজে হে উদার অম্বর মাঝে হে।। তুষার কান্তি তব প্রশান্তি শুভ্র আলোকে রাজে হে।। তব আনন্দিত গভীর বাণী শোনে ত্রিভুবন যুক্ত পাণি মন্ত্রমুগ্ধ ভাব গঙ্গা নিস্তরঙ্গা লাজে হে।।
রাগ ও তাল
রাগঃ ভৈরবী
তালঃ তোওড়া
ভিডিও
স্বরলিপি

প্রভাত বীণা তব বাজে হে উদার অম্বর মাঝে হে।। তুষার কান্তি তব প্রশান্তি শুভ্র আলোকে রাজে হে।। তব আনন্দিত গভীর বাণী শোনে ত্রিভুবন যুক্ত পাণি মন্ত্রমুগ্ধ ভাব গঙ্গা নিস্তরঙ্গা লাজে হে।।
রাগঃ ভৈরবী
তালঃ তোওড়া

আমারে চোখ ইশারায় ডাক দিলে হায় কে গো দরদি। খুলে দাও রং মহলার তিমির-দুয়ার ডাকিলে যদি।। গোপনে চৈতী হাওয়ায় গুল্-বাগিচায় পাঠালে লিপি, দেখে তাই ডাক্ছে ডালে কু কু ব’লে কোয়েলা ননদী।। পাঠালে ঘূর্ণি-দূতী ঝড়-কপোতী বৈশাখে সখি বরষায় সেই ভরসায় মোর পানে চায় জল-ভরা নদী।। তোমারি অশ্রু ঝলে শিউলি তলে সিক্ত শরতে, হিমানীর পরশ বুলাও ঘুম ভেঙে দাও দ্বার যদি রোধি।। পউষের শূন্য মাঠে একলা বাটে চাও বিরহিণী, দুঁহু হায় চাই বিষাদে, মধ্যে কাঁদে তৃষ্ণা-জলধি।। ভিড়ে যা ভোর-বাতাসে ফুল-সুবাসে রে ভোমর কবি ঊষসীর শিশ্-মহলে আস্তে যদি চাস্ নিরবধি।।
রাগঃ জৌনপুরী-আশাবরি
তালঃ কাহার্বা

ফিরদৌসের শিরনি এলো ঈদের চাঁদের তশতরিতে। লুট ক’রে নে বনি আদম ফেরেশ্তা আর হুরপরীতে।। চোখের পানি হারাম আজি চলুক খুশির আতস বাজি, (তার) মউজ লাগুক দূর সেতারা জোহরা আর মোশ্তরিতে।। দুশমনে আজ দোস্ত মেনে নে তারে তুই বক্ষে টেনে হস্নে নারাজ দরাজ হাতে দৌলত তোর বিলিয়ে দিতে।।
রাগঃ
তালঃ
জাগো জাগো, পোহাল রাতি। গগন-আঙনে ম্লান চাঁদের বাতি।। মধুমাছি মধু বোলে ফুলমুখী ঘুম ভোলে, শরমে নয়ন খোলে — শয়ন-সাথী।। সলিল লুটায় ঘটে বধূর বুকে তটে, বাজে বাঁশি ছায়া-বটে — আবেশ মাতি’।।
রাগঃ ভৈরবী ভূপাল
তালঃ যৎ
চপল আঁখির ভাষায়, হে মীনাক্ষী ক’য়ে যাও। না-বলা কোন্ বাণী বলিতে চাও॥ আড়ি পাতে নিঝ্ঝুম বন আঁখি তুলি’ চাহিবে কখন, আঁখির তিরস্কারে ঐ বন-কান্তারে ফুল ফোটাও॥ নিটোল আকাশ টোল খায় তোমারি চাওয়ায়, হে মীনাক্ষী, নদী-জলে চঞ্চল সফরী লুকায়, হে মীনাক্ষী! ওই আঁখির করুণা ঢালো রাগ অরুণা, আঁখিতে আঁখিতে ফুল-রাখি বেঁধে দাও॥
রাগঃ মীনাক্ষী (নজরুল-সৃষ্ট রাগ)
তালঃ ত্রিতাল

দোলে বন-তমালের ঝুলনাতে কিশোরী-কিশোর চাহে দুঁহু দোঁহার মুখপানে চন্দ্র ও চকোর, যেন চন্দ্র ও চকোর প্রেম-আবেশে বিভোর।। মেঘ-মৃদঙ বাজে সেই ঝুলনের ছন্দে রিম ঝিম বারিধারা ঝরে আনন্দে হেরিতে যুগল শ্রীমুখ চন্দে গগনে ঘেরিয়া এলো ঘন-ঘটা ঘোর।। নব নীরদ দরশনে চাতকিনী প্রায় ব্রজ-গোপিনী শ্যামরূপে তৃষ্ণা মিটায় গাহে বন্দনা-গান দেব-দেবী অলকায় ঝরে বৃষ্টিতে সৃষ্টির প্রেমাশ্রু-লোর।।
রাগঃ
তালঃ কাহার্বা (দ্রুত লয়)
