আও জীবন মরণ সাথী

বাণী

আও জীবন মরণ সাথী
তুমকো ঢুঁঢাতা হ্যায় দূর আকাশ মে
			মোহনী চাঁদনী রাতি।।
ঢুঁঢাতা প্রভাত নিত গোধূলি লগন মে
মেঘ হোকে ম্যয় ঢুঁঢাতা গগন মে।
ফিরত হুঁ রোকে শাওন পবন মে।
পাত্তে মে ঢুঁঢাতা তোড়ী পাপী
শ্যামা হোকে জ্বালা ম্যয় তোহারি আঁখমে
বুঝ গ্যয়া রাতকো হায় নিরাশ মে।
আভি ইয়ে জীবন হ্যায় তুমহারি পিয়াস মে।
গুল না হো যায়ে নয়ন কি বাতি।।

বরষ মাস যায় সে নাহি আসে

বাণী

বরষ মাস যায় — সে নাহি আসে, বরষ মাস যায়।
সখি রে সেই চাঁদ ওঠে নভে ফুলবনে ফুল ফোটে বৃথায়।।
একা সহি’ মৌন হৃদয়-ব্যথা,
আমার কাঁদন শুনি’ সে মোর যদি ব্যথা পায়।।
মরমর ধ্বনি শুনি’ পল্লবে চমকিয়া উঠি সখি
ভাবি বুঝি বঁধু মোর আসিল।
যে যায় চলিয়া, চলিয়া সে যায় চিরতরে
ফিরে আর আসে না সে হায়।।

ভিখারির সাজে কে এলে

বাণী

	ভিখারির সাজে কে এলে।
	তৃতীয় প্রহর নিশি নিঝ্ঝুম দশ দিশি —
	আমার ঘুমের দুয়ার ঠেলে কে এলে কে এলে।।
	সুন্দর হাতে কেন ভিক্ষার ঝুলি
	চাঁদের অঙ্গে কেন পথের ধূলি?
	আমার কবরীর যূ’ই ফুলগুলি —
তব	চরণের পানে আছে আঁখি মেলি’।
	বনভূমি কাঁদে ঝরা-ফুল-পল্লব ছড়ায়ে,
	হে তরুণ সন্ন্যাসী! বসন্ত কাঁদে তব দুই কর জড়ায়ে।
	ওগো উদাসীন! কোন্ নিষ্ঠুর সাধে
	বিভূতি মাখায়ে হায়! চৈতালী চাঁদে।
	আমার এখন ফাগুন-নিশীথে ধুতুরা-আসব কেন দিলে ঢেলে।।

জয় উমানাথ শিব মহেশ্বর

বাণী

জয় উমানাথ শিব মহেশ্বর
চির-ভোরা আশুতোষ স্বয়ম্ভু শঙ্কর।।
তুমি ভগবান জীব-কল্যাণ লাগি
শ্মশানে রহ শিবলোক তেয়াগি,
বিশ্বেশ্বর হয়ে তুমি বৈরাগী হে মহাভিক্ষু দিগম্বর।।
স্বর্গের দেবতারে অমৃত দিয়া
তুমি নাচো আনন্দে গরল পিয়া,
ধুতুরার ফুল শিঙ্গা ডমরু নিয়া —
ভষ্ম মাখিয়া রহ গঙ্গাধর।।

আজি কুসুম-দীপালি জ্বলিছে বনে

বাণী

আজি		কুসুম-দীপালি জ্বলিছে বনে।
জ্বলে		দীপ-শিখা আম্র-মুকুলে
রাঙা		পলাশ অশোকে বকুলে,
আসে		সে আলোর টানে বন-তল
		মৌমাছি প্রজাপতি দলে দল
পুড়ে		মরিতে সে রূপ-শিখাতে
প্রাণ		সঁপিতে বাসন্তিকাতে;
		পরিমল অঞ্জন মাখিয়া নয়নে
হের		ঝিমায় আকাশ চাঁদের স্বপনে।।
জ্বলে		গগনে তারার দীপালি
আজি		ধরাতে আকাশে মিতালি
ধরা		চাঁপার গেলাস ভরিয়া
মধু		উর্ধ্বে তুলে গো ধরিয়া
পান		করিতে সে মধু পরীরা
আসে		নেমে কাননে স-শরীরা;
		বাজে উৎসব বাঁশি গগনে পবনে
		হের ঝিমায় আকাশ চাঁদের স্বপনে।।

ছড়ায়ে বৃষ্টির বেলফুল

বাণী

ছড়ায়ে বৃষ্টির বেলফুল, দুলায়ে মেঘলা চাঁচর চুল
চপল চোখে কাজল মেঘে আসিল কে।।
		বাজায়ে মেঘর মাদল
		ভাঙালে ঘুম ছিটিয়ে জল,
একা-ঘরে বিজলিতে এমন হাসি হাসিল কে।।
	এলে কি দুরন্ত মোর ঝোড়ো হাওয়া,
	চির-নিঠুর প্রিয় মধুর পথ-চাওয়া।
		হৃদয়ে মোর দোলা লাগে
		ঝুলনেরই আবেশ জাগে,
ফেলে-যাওয়া বাসি মালায় — আবার ভালোবাসিল কে।।