বাণী
অশিব শক্তি হতে হে শঙ্কর অষ্টসিদ্ধিরে কর ত্রাণ, ত্রাণ কর শঙ্কর।।
নাটক : ‘অন্নপূর্ণা’
রাগ ও তাল
রাগঃ
তালঃ
অশিব শক্তি হতে হে শঙ্কর অষ্টসিদ্ধিরে কর ত্রাণ, ত্রাণ কর শঙ্কর।।
নাটক : ‘অন্নপূর্ণা’
রাগঃ
তালঃ
পর হবে তোর আপন জনে (তুই) ভাবনা তবু করিস্ নে। হয়ত তরী ডুববে জলে (তবু) তুফান দেখে ডরিস্ নে।। ছেড়ে যাবে বন্ধু জ্ঞাতি আসবে ঘিরে আঁধার রাতি, জ্বালিয়ে পাঁজর জ্বালবে বাতি — মরবি তবু টলিস্ নে।। তোর বেদনায় গলবে সবে তোর আপন জনই আপন রবে, তুই আপন পথে চল নীরবে — কারুর চরণ ধরিস্ নে।।
রাগঃ
তালঃ দ্রুত-দাদ্রা

দূর প্রবাসে প্রাণ কাঁদে আজ শরতের ভোর হাওয়ায়। শিশির-ভেজা শিউলি ফুলের গন্ধে কেন কান্না পায়।। সন্ধ্যা বেলার পাখির সম মন উড়ে যায় নীড়-পানে। নয়ন-জলের মালা গাঁথে বিরহিণী এক্লা, হায়।। কোন্ সুদূরে নওবতে কার বাজে সানাই যোগিয়ায়। টলমল টলিছে মন কমল-পাতে শিশির-প্রায়।। ফেরেনি আজ ঘরে কে হায় ঘরে যে আর ফিরবে না। কেঁদে কেঁদে তারেই যেন ডাকে বাঁশি, ‘ফিরে আয়’।।
রাগঃ যোগিয়া
তালঃ আদ্ধা কাওয়ালী

সখি আমি-ই না হয় মান করেছিনু তোরা তো সকলে ছিলি। ফিরে গেল হরি, তোরা পায়ে ধরি, কেন নাহি ফিরাইলি।। তা'রে ফিরায় যে পায়ে ধরি' (তার) পায়ে পায়ে ফেরেন হরি পরিহরি মান, অভিমান (তা'রে) কেন নাহি ফিরাইলি। তোরা তো হরির স্বভাব জানিস। তা'র স্ব-ভাবের চেয়ে পরভাব বেশি তোরা তো হরির স্বভাব জানিস্। তা'র স্বভাব জেনেও রহিলি স্ব-ভাবে ডাকিলি না পরবোধে। তা'রে প্রবোধ কেন দিলি নে সই, তোরা তো চিনিস্ হরিরে প্রবোধ কেন দিলি নে সই। (কেন) ডাকিলি না পরবোধে। (হরি) প্রহরী হইয়া রহিত রাধার ঈষৎ অনুরোধে (তা'রে) অনুরোধ কেন করলি নে সই তোরা যে আমার অন্তরাধা অনুরোধ কেন করলি নে সই। তোরা যে রাধার অনুবর্তিনী অনুরোধ কেন করলি নে সই (কেন) ডাকিলি না পরবোধে।।
রাগঃ
তালঃ দাদ্রা

নাচে তেওয়াড়ী চৌবেজী দৌবে পাঁড়ে তালে তালে ভুঁড়ি নাড়ে (হাঁরে)।। নাচে কাবলিওয়ালা আগা হেলায় দাড়ি নাচে ইয়া গোঁফওয়ালা প’রে ঘাঘরি শাড়ি। নাচে পান্ডাজী ধপাস্ ধপাস্ নাচে যুপী বুড়ি থপাস্ থপাস্ ফোঁপরা ঢেঁকিতে যেন চাল কাঁড়ে।। নাচে তাড়তা হিড়িম্বে শূর্পণখা নাচে উচ্চিংড়ে আরশোলা গুবরে পোকা নাচে কিক্কড় কাল্লু গামা, নাচিছে ধুচুনি নাচিছে ধামা নাচিছে ডুয়েট ঘটোৎকচ গোপাল ভাঁড়ে।। নাচে নানা মিঞা হায় হায় ঘুরিয়ে লুঙ্গি নাচে মাদ্রাজি উড়িয়া মগ বার্মিজ ফুঙ্গি তাকিয়ার খোল পরে বল নাচে সায়েবের সাথে মেম পাছে পাছে ঘুরে ঘুরে যেন গরু ধান মাড়ে।।
রাগঃ
তালঃ দ্রুত-দাদ্রা
আমি গো-রাখা রাখাল। যারা গোপের মতন চির-সরলমন — তাদেরি সাথে আমি খেলি চিরকাল গো।। নয়ন বুঁজে ধ্যানী আমারে খুঁজে যে গিরি-গুহায়, (সেই) গিরি ধরিয়া রহি গিরিধারী ওরা দেখিতে না পায়। আমি নন্দ-লালার বেশে কাছে আসি মৃদু হেসে, ওরা ভাবে হরি শুধু বিপুল বিশাল।। (ওরা প্রেম যে পায়নি, ওরা সহজে গোপীর মত ভালোবেসে চায়নি প্রেম যে পায়নি!)
নাটক : ‘অর্জুন-বিজয়’
রাগঃ
তালঃ