ঠুংরী

  • আমি সূর্যমুখী ফুলের মত দেখি তোমায়

    বাণী

    আমি		সূর্যমুখী ফুলের মত দেখি তোমায় দূরে থেকে
    		দলগুলি মোর রেঙে ওঠে তোমার হাসির কিরণ মেখে’।।
    			নিত্য জানাই পেম-আরতি
    			যে পথে, নাথ, তোমার গতি
    		ওগো আমার ধ্রুব-জ্যোতি সাধ মেটে না তোমায় দেখে’।।
    		জানি, তুমি আমার পাওয়ার বহু দূরে, হে দেবতা!
    		আমি মাটির পূজারিণী, কেমন ক’রে জানাই ব্যথা।
    			সারা জীবন তবু, স্বামী,
    			তোমার ধ্যানেই কাঁদি আমি
    		সন্ধ্যাবেলায় ঝরি যেন তোমার পানে নয়ন রেখে’।।
    

  • ফুলমালিনী এনেছ কি মালা

    বাণী

    ফুলমালিনী! এনেছ কি মালা।
    এনেছ কি মালা, ভরি’, তনু-ডালা।।
    এনেছ পসারিণী নয়ন-পাতে
    প্রেমসুধা-রস মালারই সাথে,
    অধরের অনুরাগ রাঙা-পেয়ালা।।
    এনেছ প্রীতির মালতী বকুল,
    রসে টলমল রূপের মুকুল।
    গাঁথ পরান মম তব ফুলহারে
    মালার বিনিময়ে লহ আমারে,
    বৃথা না যায় শুভ লগ্ন নিরালা।।
    
  • সখি আর অভিমান জানাব না

    বাণী

    সখি আর অভিমান জানাব না বাস্‌ব ভালো নীরবে।
    যে চোখের জলে গল্‌ল না, (তার) মুখের কথায় কি হবে॥
    অন্তর্যামী হয়ে অন্তরে মোর
    	দিবা-নিশি রহে যে চিত-চোর,
    অন্তরে মোর কোন্ সে-ব্যথা বোঝে না সে, কে ক’বে॥
    সখি এবার আমার প্রেম নিবেদন গোপনে,
    সূর্যমুখী চাহে যেমন তপনে।
    	কুমুদিনী চাঁদে ভালোবাসে
    	তাই চিরদিন অশ্রুর সায়রে ভাসে,
    চির জীবন জানি কাঁদিতে হবে তাহারে চেয়েছি যবে॥১
    ১. শেষ পাঁচ পঙক্তির পাঠ্যন্তর :
    সখি	এবার আমার প্রেম বিবেদন আপন মনে গোপনে,
    	সূর্যমুখী চাহে যেমন চাওয়ার নেশা তপনে।
    	কুমুদিনী চাঁদে ভালোবাসে
    	তাই সে অশ্রু সায়রে ভাসে,
    	হাজার জনম কাঁদিতে হইবে তাহারে চেয়েছি যবে॥