বাণী
ওগো ঠাকুর! বলতে পার কোথায় তোমার দেশ। সেই দেশেতে যাব আমি করবো দুখের শেষ।। কাঁদবো তোমার পায়ে ধ’রে আমার বাবা-মায়ের তরে, দেখতে নারি ঠাকুর, তাদের আর এ দীন বেশ।।
নাটকঃ ‘নরমেধ’
রাগ ও তাল
রাগঃ
তালঃ
স্বরলিপি

ওগো ঠাকুর! বলতে পার কোথায় তোমার দেশ। সেই দেশেতে যাব আমি করবো দুখের শেষ।। কাঁদবো তোমার পায়ে ধ’রে আমার বাবা-মায়ের তরে, দেখতে নারি ঠাকুর, তাদের আর এ দীন বেশ।।
নাটকঃ ‘নরমেধ’
রাগঃ
তালঃ

ফুরাবে না এই মালা গাঁথা মোর ফুরাবে না এই ফুল এই হাসি ঐ চাঁপার সুরভি ভুল নহে, ভুল নহে, নহে ভুল॥ জানি জানি মোর জীবনের সঞ্চয়, রসঘন-মাধুরীতে হবে মধুময় তবে কেন আমার বকুল-কুঞ্জে বাঁশরি হইল আকুল॥ কৃষ্ণা তিথিতে নাই যদি হাসে চাঁদ, ফুরাবে না মোর পূর্ণ রসের সাধ যমুনার ঢেউ থাকুক আমার (আমি) নাই দেখিলাম কূল॥
চলচ্চিত্রঃ ‘দিকশূল’
রাগঃ
তালঃ কাহার্বা

ওগো সুন্দর আমার। সুন্দর আমার, এ কি দিলে উপহার।। আমি দিনু পূজা-ফুল, বর দিতে দিতে ভুল, ভাঙিল আমার কূল তব স্রোতধারা।। গরল দিলে যে এই অমৃত আমার সেই, শুকাল নিশি-শেষেই রাতের নীহার।। তোমারি সুখ-ছোঁওয়ায় ফুটেছে ফুল শাখায়, তোমারি উতল বায় ঝরিল আবার।।
রাগঃ ভৈরবী
তালঃ দাদ্রা
মনের রঙ লেগেছে বনের পলাশ জবা অশোকে রঙের ঘোর জেগেছে পারুল কনক-চাঁপার চোখে।। মুহু মুহু বোলে কুহু কুহু কোয়েলা, মুকুলিত আমের ডালে গাল রেখে ফুলের গালে। দোয়েলা দোল দিয়ে যায়, ডালিম ফুলের নব-কোরকে।। ফুলের পরাগ ফাগের রেণু ঝুরু ঝুরু ঝরিছে গায়ে ঝিরি ঝিরি চৈতী বায়ে বকুল বনে ঝিমায় মধুপ মদির নেশার ঝোঁকে।। হরিত বনে হরষিত মনে হোরির হর্রা জাগে রঙিলা অনুরাগে নূতন প্রণয়-সাধ জাগে চাঁদের রাঙা আলোকে।।
রাগঃ
তালঃ কাহার্বা
শিল্পীঃ শিরিন আখতার

শ্রাবণ রাতের আঁধারে নিরালা ব’সে আছি বাতায়নে রেবা নদীর খরস্রোত বহে বেগে আমার মনে॥ দিগন্তে করুণ কাতর শুনি কার ক্রন্দন স্বর ভেসে বন-মর্মর ঝরঝর সজল উতল পুবালি পবনে॥ বিরহী যক্ষ কাঁদে একাকী কোথায় কোন্ দূর চিত্রকূটে আমার গানে যেন তার বেদনার সকরুণ ভাষা ফুটে। আমার মনের অলকায় কোন্ বিরহিণী পথ চায় মালবিকার আঁখি-ধার ঝরে হায় অঝোর ধারায় মোর নয়নে॥
রাগঃ
তালঃ কাহার্বা

আয় মা চঞ্চলা মুক্তকেশী শ্যামা কালী। নেচে নেচে আয় বুকে আয়, দিয়ে তাথৈ তাথৈ করতালি।। দশদিক আলো ক’রে ঝঞ্ঝার নূপুর প’রে, দুরন্ত রূপ ধ’রে আয় মায়ার সংসারে আগুন জ্বালি’।। আমার স্নেহের রাঙাজবা পায়ে দ’লে কালো রূপ-তরঙ্গ তুলে১ গগন-তলে সিন্ধুজলে আমার কোলে আয় মা আয়। তোর চপলতায় মা কবে শান্ত ভবন প্রাণ-চঞ্চল হবে, এলোকেশে এনে ঝড় মায়ার এ খেলাঘর ভেঙে দে মা আনন্দ-দুলালি।।
১. কালোরূপ — তরঙ্গ তুলে সাগর জলে
রাগঃ বাঙ্গাল
তালঃ ত্রিতাল
১.

২.
