নিম ফুলের মউ পি’য়ে ঝিম হয়েছে ভোমরা

বাণী

নিম ফুলের মউ পি’য়ে ঝিম হয়েছে ভোমরা।
মিঠে হাসির নূপুর বাজাও ঝুমুর নাচো তোমরা।।
কভু কেয়া কাঁটায়, কভু বাব্‌লা-আঠায়
বারে বারে ভোমরার পাখা জড়ায়ে গো — পাখা জড়ায়
দেখে হেসে লুটিয়ে পড়ে ফুলের দেশের বউরা।।

আদরিণী মোর কালো মেয়ে

বাণী

	আদরিণী মোর কালো মেয়ে রে কেমনে কোথায় রাখি।
তারে	রাখিলে চোখে বাজে ব্যথা বুকে বুকে রাখিলে দুখে ঝুরে আঁখি।।
	কাঙাল যেমন পাইলে রতন লুকাতে ঠাঁই নাহি পায়;
	তেমনি আমার শ্যামা মেয়েরে জানি না রাখিব কোথায়।
			দুরন্ত মোর এই মেয়েরে
			বাঁধব আমি কি দিয়ে রে,
(তাই)পালিয়ে যেতে চায় সে যবে আমি অমনি মা ব’লে ডাকি।।

বিজলি চাহিনী কাজল কালো নয়নে

বাণী

বিজলি চাহিনী কাজল কালো নয়নে।
রহি’ রহি’ কেন হানিছ ক্ষণে ক্ষণে।।
	ভীরু প্রণয় মম
	ঝড়ের পাখির সম,
শরণ মাগে তোমার মনো-বনে।।
আমার প্রণয়-প্রদীপ-শিখা তোমারে শ্বাসে থেকে থেকে,
কেঁপে মরে, ওগো প্রিয়, বাঁচাও তারে আঁচল-ঢেকে।
ধ্যান যাহার ওই রাঙা চরণ, বেঁধো না তারে বেণীর ফাঁদে
কি হবে পিঞ্জরে রাখি’, বেঁধেছ যা’য় বাহুর বাঁধে,
	কেন হান আঘাত যে হেরে আছে রণে।।

আহা সুনীল নীরদে ঢাকিল অরুণ

বাণী

মদন	:	আহা! সুনীল নীরদে ঢাকিল অরুণ, নীহারে ঢাকিল শশী।
মধু	:	চন্দন মেখে শুকতারা হাসে মোর বাতায়নে বসি।।

নাটক : ‘মধুমালা’ (মদনকুমার ও মধুমালার গান)

আমি মুসলিম যুবা

বাণী

পুরুষ	:	(আমি) মুস্‌লিম যুবা, মোর হাতে বাঁধা আলির জুল্‌ফিকার।
স্ত্রী	:	(আমি) মুস্‌লিম নারী জ্বালিয়া চেরাগ ঘুচাই অন্ধকার।।
পুরুষ	:	ধরিয়া রাখিতে দীনের নিশান
		আনন্দে করি জান কোরবান,
স্ত্রী	:	কত ছেলে মোর শহীদ হয়েছে মরুতে কারাবালার।
				আমি নন্দিনী মা ফাতেমার।।
পুরুষ	:	য়ুরোপ-এশিয়া-আফ্রিকা জুড়ে ছড়ানু খোদার বাণী,
স্ত্রী	:	মোর একা গৃহ-মক্কাতে আমি আনি জম্‌জম্‌ পানি।
পুরুষ	:	(আমি) জিনিব পৃথিবী আছে মোর আশা
স্ত্রী	:	(আমি) প্রাণে দেই তেজ, বুকে ভালোবাসা,
পুরুষ	:	আমি মুস্‌লিম যুবা
স্ত্রী	:	আমি মুস্‌লিম নারী,
উভয়ে	:	দুইধারী তলোয়ার।।

মধুর নূপুর রুমুঝুমু বাজে

বাণী

মধুর নূপুর রুমুঝুমু বাজে।
কে এলে মনোহর নটবর-সাজে।।
নিশীথের ফুল ঝরে রাঙা পায়ে
মাধবী রাতের চাঁদ এলে কি লুকায়ে,
'পিয়া পিয়া' ব'লে পাখি ডাকে বন-মাঝে।।