মাগো আমি তান্ত্রিক নই

বাণী

মাগো আমি তান্ত্রিক নই তন্ত্র মন্ত্র জানি না মা।
আমার মন্ত্র যোগ-সাধনা ডাকি শুধু শ্যামা শ্যামা।।
	যাই না আমি শ্মশান মশান
	দিই না পায়ে জীব বলিদান,
খুঁজতে তোকে খুজি না মা অমাবস্যা ঘোর ত্রিযামা।।
ঝিল্লী যেমন নিশীথ রাতে একটানা সুর গায় অবিরাম
তেমনি করে নিত্য আমি জপি শ্যামা তোমারি নাম।
	শিশু যেমন অনায়াসে
	জননীরে ভালোবাসে,
তেমনি সহজ সাধনা মোর তাতেই পাব তোর দেখা মা।।

সজনে তলায় ও-সজনি যাসনে

বাণী

‍
সজনে তলায় ও-সজনি! যাসনে ভুলে আজ।
অবাক হয়ে রইলি চেয়ে ভুললি সকল কাজ।।
	হাত ধ’রে তোর বল্‌ছি সোনা
	ফুলের বাসে আর ভুলো না,
প্রজাপতি বসলে গালে হঠাৎ পাবি লাজ।।
দখিনা আজ দামাল ছেলে দ’ল্‌ছে শাখে ফুল,
ভুল করে তুই যাসনে ওরে খুলবে খোঁপার চুল।
	লাগলো কাঁপন অধর-পুটে
	মনের বচন তাও না ফোটে,
ওড়না ধ’রে টানলে বালা খোয়াবি সব লাজ।।

কত সে-জনম কত সে-লোক

বাণী

কত সে-জনম কত সে-লোক পার হয়ে এলে, হে প্রিয় মোর।
নিভে গেছে কত তপন-চাঁদ তোমারে খুঁজিয়া, হে মন চোর।।
	কত গ্রহে, প্রিয়, কত তারায়
	তোমারে খুঁজিয়া ফিরেছি, হায়!
চাহ এ নয়নে হেরিবে তায়, সে-দূর স্মৃতির স্বপন-ঘোর।।
	আজো অপূর্ণ কত সে-সাধ
	অভিমানী তাহে সেধো না বাদ!
না মিটিতে সাধ, স্বপন-চাঁদ, মিলনের নিশি ক’রো না ভোর।।

যে অবহেলা দিয়ে মোরে

বাণী

যে		অবহেলা দিয়ে মোরে করিল পাষাণ।
সখি		কেন কেঁদে ওঠে তারি তরে মোর প্রাণ।।
		যে ফুল ফুটায়ে তার মধু নিল না
মোরে	ধরার ধূলিতে এনে ধরা দিল না,
কেন		তার তরে বুকে এত জাগে অভিমান।।
মোর		প্রেম-অঞ্জলি সে যত যায় দলি’
তারে		তত জড়াতে চাই, শ্যাম-সুন্দর বলি’,
		চাঁদ সে যে আকাশের সে ধরা দেয় না
তবু		চকোরীর ভুল হয় নাকো অবসান।।

ঈদের খুশির তুফানে আজ ভাসলো

বাণী

ঈদের খুশির তুফানে আজ ভাসলো দো জাহান
এই তুফানে ডুবু ডুবু জমিন ও আসমান।।
ঈদের চাঁদের পানসি ছেড়ে বেহেশত হতে
কে পাঠালো এত খুশি দুখের জগতে
শোন ঈদগাহ হতে ভেসে আসে তাহারি আজান।।

রেকর্ড-নাটিকা:‘ঈদুল ফেতর’

খুলেছে আজ রঙের দোকান বৃন্দাবনে হোরির দিনে

বাণী

খুলেছে আজ রঙের দোকান বৃন্দাবনে হোরির দিনে।
প্রেম-রঙিলা ব্রজ-বালা যায় গো হেথায় আবির কিনে।।
	আজ গোকুলের রঙ মহলায়
	রামধনু ঐ রঙ পিয়ে যায়
সন্ধ্যা-সকাল রাঙতো না গো ঐ হোরির কুমকুম বিনে।।
রঙ কিনিতে এসে সেথায় রব শশী আকাশ ভেঙে'
এই ফাগুনী ফাগের রাগে অশোক শিমুল ওঠে রেঙে'।
আসে হেথায় রাধা-মাধব এই রঙেরই পথ চিনে।।