ওরে ও মদিনা বলতে পারিস

বাণী

ওরে ও মদিনা বলতে পারিস কোন সে পথে তোর
খেলত ধূলা-মাটি নিয়ে মা ফাতেমা মোর।।

হাসান হোসেন খেলত কোথায় কোন সে খেজুর বনে
পাথর-কুচি কাঁকর ল'য়ে দুম্বা শিশুর সনে
সেই মুখকে চাঁদ ভেবে রে উড়িত চকোর।।

মা আয়েশা মোর নবীজীর পা ধোয়াতেন যথা
দেখিয়ে দে সে বেহেশত আমায় রাখ রে আমার কথা;
তোর প্রথম কোথায় আজান-ধ্বনি ভাঙলো ঘুমের ঘোর।।

কোন পাহাড়ের ঝর্ণা-তীরে মেষ চরাতেন নবী
কোন পথ দিয়ে রে যেতেন হেরায় আমার আল-আরবি'
তুই কাঁদিস কোথায় বুকে ধরে সেই নবীজীর গোর।।

তব ফুলহার নহে মোর

বাণী

তব ফুলহার নহে মোর নহে।
ভুলায়ো না আর মালার মোহে।।
মালার সাথে যদি না মেলে হৃদয়
হানে আরো জ্বালা, মালা সে নয়,
	আরো কাঁদায় বিরহে।।

জল দাও দাও জল

বাণী

জল দাও, দাও জল!
মরু-পথে মরি তৃষ্ণায় সাহারার মত হৃদি-তল।।
	আঁখিজল পিয়া, পিয়া এতদিন —
	বেঁচেছিনু, সে-আঁখি আজ জলহীন!
সে কি ছল? তব নয়ন সদাই করিত যে ছল ছল।।

সঙ্গীতালেখ্য : ‘কাফেলা’

বিরহের অশ্রু সায়রে বেদনার শতদল

বাণী

বিরহের অশ্রু সায়রে বেদনার শতদল
উদাসী অশান্ত বায়ে টলে টলমল টলমল।।
	তব রাঙা পদতলে, প্রিয়
	এই শতদলে রাখিয়ো,
বাজাইও মধুকর বীণা অনুরাগ-চঞ্চল।।
ঝড় এলো, এলো এলায়ে মেঘের কুন্তল
তুমি কোথায়, হায়, নিরাশায় ঝরে কমল-দল।
	কেমনে কাটে তব বেলা
	কোথা কোন লোকে একেলা;
দুই কূলে  দুই জন কাঁদি, মাঝে নদী ছলছল।।

ওরে ডেকে দে দে লো

বাণী

ওরে ডেকে দে, দে লো মহুয়া বনে ফুল ফোটাতো বাজিয়ে বাঁশি কে।
বনের হরিণ নাচাতো, পাখিকে গান গাওয়াতো
			ঢেউ ওঠাতো ঝর্ণা জলে পাহাড়তলিতে।।
তার গানের কথা জানিয়ে দিত ফুলের মধুকে
তার সুরের নেশা করতো ব্যাকুল মনের বঁধুকে,
বুকের মাঝে বাজতো নূপুর চপল হাসিতে।।
আঁধার রাতে ফোটাত সে হলুদ গাঁদার ফুল,
সে বন কাঁদাতো মন কাঁদাতো, কাজ করাতো ভুল।
আর সে বাঁশি শুনি না, ধোঁয়ার ছলে কাঁদি না,
রাঙা শাড়ি পরি না, নোটন খোঁপা বাঁধি না —
আমি রইতে নারি না হেরে সেই বন উদাসী কে গো।।

শঙ্কর অঙ্গলীনা যোগ মায়া

বাণী

শঙ্কর অঙ্গলীনা যোগ মায়া শঙ্করী শিবানী।
বালিকা-সম লীলাময়ী নীল-উৎপল-পাণি।।
	সজল-কাজল-ঝর্না
	মুকত বেণী অপর্ণা,
তিমির বিভাবরী স্নিগ্ধা শ্যামা কালিকা ভবানী।।
প্রলয় ছন্দময়ী চন্ডী শব্দ-নূপুর-চরণা,
শাম্ভবী শিব-সীমন্তিনী শঙ্করাভরণা।
	অম্বিকা দুঃখহারিণী
	শরণাগত-তারিণী,
জগদ্ধাত্রী শান্তিদাত্রী প্রসীদ মা ঈশানী।।