বাণী
ঐ, ঐ, ঐ আসে কর্ণ কৌরব সেনানী। মহাবীর ভীষ্ম গেছে, দ্রোণ গেছে জানি। কর্ণে বধিতে হবে, কুরুক্ষেত্র রণে। তারপর বধিব মোরা নীচ দুযোর্ধনে।।
লেটো গান: ‘কর্ণ বধ’
রাগ ও তাল
রাগঃ
তালঃ
ঐ, ঐ, ঐ আসে কর্ণ কৌরব সেনানী। মহাবীর ভীষ্ম গেছে, দ্রোণ গেছে জানি। কর্ণে বধিতে হবে, কুরুক্ষেত্র রণে। তারপর বধিব মোরা নীচ দুযোর্ধনে।।
লেটো গান: ‘কর্ণ বধ’
রাগঃ
তালঃ
আঁধারের এলোকেশ ছড়িয়ে এলে তুমি ধূসর সন্ধ্যা। তোমারে অর্ঘ্য দিতে বনে ফুটিল কি তাই রজনীগন্ধা? গোধূলির রং সম তব মুখ, হায়! তরুণ হাসি কেন চকিতে মিলায়? সহসা মহুয়া বনে চঞ্চল বায় হ’ল নিথর সুমন্দা।। বিষাদ-গভীর তব নয়ন যেন নিশীথের সিন্ধু; মুদিত কমলের দলিত দলে তুমি শিশিরের বিন্দু। তুমি সকরুণ প্রার্থনা বেলাশেষের, পথ-হারা পাখি তুমি দূর বিদেশের, স্নিগ্ধ-স্রোত তুমি দূর অমরার অলকানন্দা।।
রাগঃ
তালঃ কাহার্বা

তুমি আনন্দ ঘনশ্যাম আমি প্রেম-পাগলিনী রাধা। তব ডাক শুনে ছুটে যাই বনে আমি না মানি কুলের বাধা।। শূন্য প্রাণের গাগরি ঘিরে নিতি আসি রস-যমুনার তীরে অঙ্গ ভাসায়ে তরঙ্গ-নীরে শুনি তব বাঁশি সাধা।। যুগ-যুগান্ত অনন্ত কাল হৃদয়-বৃন্দাবনে তোমাতে আমাতে এই লীলা, নাথ! চলেছে, সঙ্গোপনে। মোর সাথে কাঁদে প্রেম-বিগলিতা ভক্তি ও প্রীতি বিশাখা-ললিতা। তোমারে যে চায়, মোর মতো, হায়! সার শুধু তার কাঁদা।।
রাগঃ দুর্গা মিশ্র
তালঃ কাহার্বা

বাঁধিয়া দুইজনে দুঁহু ভুজ বন্ধনে কাঁদিছে শ্যাম রাই। মিলনের মাঝে এত বেদনা যে বাজে গো – দেখি নাই, শুনি নাই।। সাগরে মিশে নদী, তবু কাঁদে নিরবধি, বুঝি না কেন গো – বুকে যত পায়, তত তৃষ্ণা বেড়ে যায়, সাধ মেটে না যেন গো।। সাধ কি মেটে গো চাঁদকে হেরে চকোরিণীর সাধ কি মেটে গো – মেঘ দেখে চাতকিনীর সাধ কি মেটে গো। হের, নব নাগরি নব নাগর মাতিল প্রেম-রসে, নব প্রভাত-কমলে যেন বন ভ্রমর বসে। নব সোনার শতদলে যেন নব মেঘের ছায়া কনকমালা ঘিরিল যেন বন নীল গিরি কায়া। গিরিধারীরে ধরিল, ধিরিধিরি রাধা গিরিধারীরে ধরিল।। আধ অধরে ধরে নাক’ হাসি, আধ-অধরে বাঁশি, হেরি’ আধ অঙ্গ দাস হতে চায়, আধ অঙ্গ দাসী; শ্রীচরণ ঘিরিয়া মন মধুকর গাহে, চরণাম্বুজ-রজ মাধুকরী চাহে।। বলে, ভিক্ষা দাও, ভিক্ষা দাও – ওই চরণ কমল-মধু ভিক্ষা দাও, ভিক্ষা দাও, ঐ যুগল-রূপ রাধা-শ্যাম দেখি যেন অবিরাম (ভিক্ষা দাও, ভিক্ষা দাও) আমি আনন্দ-যমুনা হয়ে, চরণ ধুয়ে যাব বয়ে, (ভিক্ষা দাও, ভিক্ষা দাও) আমি নিত্য হৃদি-ব্রজধামে হেরিব মোর রাধা-শ্যামে, (ভিক্ষা দাও, ভিক্ষা দাও)।।
বেতার গীতিচিত্রঃ ‘যুগল মিলন’
রাগঃ
তালঃ ফের্তা

আনন্দ রে আনন্দ, আনন্দ আনন্দ, দশ হাতে ঐ দশ দিকে মা ছড়িয়ে এলো আনন্দ। ঘরে ফেরার বাজল বাঁশি, বইছে বাতাস সুমন্দ॥ আমার মায়ের মুখে হাসি, শরত-আলোর কিরণরাশি, কমল বনে উঠছে ভাসি, মায়ের গায়ের সুগন্ধ॥ উঠলো বেজে দিগ্বিদিকে ছুটির মাদল মৃদঙ্গ, মনের আজি নাই ঠিকানা, যেন বনের কুরঙ্গ। দেশান্তরী ছেলেমেয়ে, মায়ের কোলে এলো ধেয়ে, শিশির নীরে এলো নেয়ে স্নিগ্ধ অকাল বসন্ত॥
রাগঃ ভৈরবী মিশ্র
তালঃ দাদ্রা

ভীরু এ মনের কলি ফোটালে না কেন ফোটালে না — জয় করে কেন নিলে না আমারে, কেন তুমি গেলে চলি।। ভাঙ্গিয়া দিলে না কেন মোর ভয়, কেন ফিরে গেলে শুনি অনুনয়; কেন সে বেদনা বুঝিতে পার না মুখে যাহা নাহি বলি।। কেন চাহিলে না জল নদী তীরে এসে, সকরুণ অভিমানে চলে গেলে মরু–তৃষ্ণার দেশে।। ঝোড়ো হাওয়া ঝরা পাতারে যেমন তুলে নেয় তার বক্ষে আপন কেন কাড়িয়া নিলে না তেমনি করিয়া মোর ফুল অঞ্জলি।।
রাগঃ
তালঃ দাদ্রা
