পলাশ ফুলের গেলাস ভরি

বাণী

পলাশ ফুলের গেলাস ভরি’ পিয়াব অমিয়া তোমারে প্রিয়া
চাঁদিনী রাতের চাঁদোয়া তলে বুকের আঁচল দিব পাতিয়া।।
নয়ন-মণির মুকুরে তোমার দুলিবে আমার সজল ছবি
সবুজ ঘাসের শিশির ছানি মুকুতা মালিকা দিব গাঁথিয়া।।
		ফিরোজা আকাশ আবেশে ঝিমায়
		দীঘির বুকে কমল ঘুমায়
নীরব যখন পাখির কূজন আমরা দু’জন রব জাগিয়া।।

আমি গরবিনী মুসলিম বালা

বাণী

আমি গরবিনী মুসলিম বালা
সংসার সাহারাতে আমি গুলে লালা।।
জ্বালায়েছি বাতি (আমি) আঁধার কাবায়
এনেছি খুশির, ঈদে শিরনির থালা।।
আনিয়াছি ঈমান প্রথম আমি
আমি দিয়াছি সবার আগে মোহাম্মদে মালা।।
কত শত কারবালা বদরের রণে
বিলায়ে দিয়াছি স্বামী-পুত্র স্বজনে;
জানে গ্রহ-তারা জানে আল্লাহ তালা।।

কেন রঙীন নেশায় মোরে রাঙালে

বাণী

কেন রঙীন নেশায় মোরে রাঙালে
কেন সহজ ছন্দে যতি ভাঙালে।।
শীর্ণা তনুর মোর তটিনীতে কেন
আনিলে ফেনিল জল-উচ্ছ্বাস হেন,
পাতাল-তলের ক্ষুধা মাতাল এ যৌবন —
		মদির-পরশে কেন জাগালে।।

নাটক : ‘আলেয়া’ (মাদালসার গান)

বিজলি খেলে আকাশে কেন

বাণী

বিজলি খেলে আকাশে কেন — কে জানে গো কে জানে।
কোন্ চপলের চকিত চাওয়া চমকে বেড়ায় দূর বিমানে।।
	মেঘের ডাকে সিন্ধু-কূলে
	অশান্ত স্রোত উঠ্‌লে দুলে,
সজল ভাষায় শ্যামল যেন কইল কথা কানে কানে।।
	বারি-ধারায় কাঁদে বুঝি
	মোর ঘনশ্যাম মোরে খুঁজি’,
আজ বরষার দুখের রাতে বন্ধুরে মোর পেলাম প্রাণে।।

এলো এলো রে বৈশাখী ঝড় এলো এলো রে

বাণী

এলো এলো রে বৈশাখী ঝড় এলো এলো রে,
ঐ বৈশাখী ঝড় এলো এলো মহীয়ান সুন্দর।
পাংশু মলিন ভীত কাঁপে অম্বর চরাচর থরথর।।
ঘনবন–কুন্তলা বসুমতী সভয়ে করে প্রণতি,
সভয়ে নত চরণে ভীতা বসুমতী।
সাগর তরঙ্গ মাঝে তারি মঞ্জীর যেন বাজে বাজে রে
পায়ে গিরি–নির্ঝর–ঝরঝর ঝরঝর।।
ধূলি–গৈরিক নিশান দোলে ঈশান গগন চুম্বী,
ডম্বরু ঝল্লরী ঝাঁঝর ঝনঝন বাজে
এলো ছন্দ বন্ধন–হারা এলো রে
এলো মরু–সঞ্চর বিজয়ী বীরবর।।

এসো ফিরে প্রিয়তম এসো ফিরে

বাণী

এসো ফিরে’ প্রিয়তম, এসো ফিরে’।
আঁখির আলোক হায় জীবনের সন্ধ্যায়
ডুবে যায় নিরাশা-তিমিরে।।
আসে যে-পথে প্রভাতী আলোর ধারা
যে-পথে আসে চাঁদ, রাতের তারা,
নিতি সেই পথে চাই
যদি তব দেখা পাই —
শুধাই তোমার কথা দক্ষিণ সমীরে।।
খুঁজে’ ফিরি ঝরা ফুলে নদীর স্রোতে
ঘর-ছাড়া পথিক ধায় যে-পথে,
তব পথ, হে সুদূর
কত দূর, কত দূর —
কোথা পাব তব দেখা (কোন্) কালের তীরে।।