বাণী
ঝরাফুল-বিছানো পথে এসো বিজন-বাসিনী। জোছনায় ছড়ায়ে হাসি এসো সুচারু-হাসিনী।। এসো জড়ায়ে তব তনুতে গোধূলী রামধনুতে, পাপিয়া-পিক-কূজনে গাহিয়া মধু-ভাষিণী।। ছন্দ-দোদুল্ গতি এসো নোটন্ কপোতী, বহায়ে মনের মরুতে আনন্দ-মন্দাকিনী।।
রাগ ও তাল
রাগঃ পিলু
তালঃ লাউনি
ঝরাফুল-বিছানো পথে এসো বিজন-বাসিনী। জোছনায় ছড়ায়ে হাসি এসো সুচারু-হাসিনী।। এসো জড়ায়ে তব তনুতে গোধূলী রামধনুতে, পাপিয়া-পিক-কূজনে গাহিয়া মধু-ভাষিণী।। ছন্দ-দোদুল্ গতি এসো নোটন্ কপোতী, বহায়ে মনের মরুতে আনন্দ-মন্দাকিনী।।
রাগঃ পিলু
তালঃ লাউনি
টিকি আর টুপিতে লেগেছে দ্বন্দ্ব বচন যুদ্ধ ঘোর কে বড় কে ছোট চাই মীমাংসা, কার আছে কর-জোর॥ টিকি বলে শিরে আমি বিরাজিলে হয় আহা কিবা শোভা। যেন প্রকান্ড কুষ্মান্ডের বৃন্তটি মনোলোভা। এ যে চতুর্বর্গ ফলেরি বোঁটা। শুনে টুপি ফিক্ ক’রে হেসে বল্লেঃ ‘ভায়া, শিরে বিরাজ করবার শোভার কথা যদি বল তো ও বড়াই আমারি মুখে মানায়, ও বড়াই আমার মুখে মানায়।’ আমি বাঁকা হয়ে যবে শিরে বসি, দেখে বিবিরা মূর্ছা যায়॥ টিকি বলে, মোরে বলে চৈতন্ কভু বা আর্কফলা আর আমারি প্রসাদে প্রণামীটা মেলে দুটি বেলা চাল-কলা॥ (মেলে দাদা) দুটি বেলা চাল-কলা॥ [শুনে বাদশাহী চালে টুপি বল্লেঃ ‘আরে তোবা তোবা চাল আর কলা? ওসব আবার খাদ্য নাকি হে? এ্যাঁ?] বাদশাহী চালে টুপি বলে ওসব খাদ্য নাকি? দেখো, আমারি দোয়ায়, আহা তোফা জুটে যায়, গোস্ত ও রামপাখি। টিকি বলে মিয়া, আমার কৃপায় স্বর্গে free pass মেলে (আর) আমারঃ through দিয়ে মগজে বুদ্ধি electricity খেলে মিয়া আমার কৃপায় স্বর্গে free pass মেলে। এ যে পারে যাবার টিকিট - শুধু টিকিট নয়। [শুনে টুপি রেগে কাঁই, বল্লেঃ] বেহেশ্তে মোর একচেটে অধিকার কাফেরের তরে no admission খোদার ইস্তাহার। (এই রূপে) ক্রমশঃ তর্ক বাড়িল ভীষণ বচনে বেজায় দড়, এ উহারে কয় মোর ঠাঁই উঁচু তুমি বাপু স’রে পড়॥ সহসা মুন্ড ছিন্ন হইল শক্র কৃপাণ ঘায়। টুপি আর টিকি একই সঙ্গে ভূঁয়ে গড়াগড়ি যায়॥
রাগঃ
তালঃ ফের্তা

আমি বাণিজ্যেতে যাব এবার মদিনা শহর। আমি এদেশে হায় গোনাহ্গারি ছিলাম জীবন ভর।। পাঞ্জেগানার বাজার যেথা বসে দিনে রাতে দু’টি টাকা ‘আল্লাহ্’ ‘রসুল’ পুঁজি নিয়ে হাতে, কত পথের ফকির সওদা ক’রে হ’ল সওদাগর।। সেথা আজান দিয়ে কোরান প’ড়ে ফিরিওয়ালা হাঁকে বোঝাই ক’রে দৌলত দেয়, যে সাড়া দেয় ডাকে ওগো জানেন তাহার পাকে কা’বা খোদার অফিস্-ঘর।।১ বেহেশ্তে রোজগারের পরে ছাড়পত্র পায়, পায় সে সাহস ঈমান-জাহাজ যদি ডুবে’ যায়। ওগো যেতে খোদার খাস্-মহলে পায় সে সিল্মোহর।।
রাগঃ
তালঃ রূপক

শোক দিয়েছ তুমি হে নাথ তুমি এ প্রাণে শান্তি দাও। দুখ্ দিয়ে কাঁদালে যদি তুমি হে নাথ সে দুখ ভোলাও।। যে হাত দিয়ে হানলে আঘাত তুমিঅশ্রু মোছাও সেই হাতে নাথ বুকের মানিক হ’রলে যা’র — তারে তোমার শীতল বক্ষে নাও।। তোমার যে চরণ প্রলয় ঘটায় সেই চরণ কমল ফোটায় শূন্য করলে তুমি যে বুক সেথা তুমি এসে বুক জুড়াও।।
রাগঃ
তালঃ দাদ্রা

শঙ্কাশূন্য লক্ষ কন্ঠে বাজিছে শঙ্খ ঐ পুণ্য-চিত্ত মৃত্যু তীর্থ-পথের যাত্রী কই।। আগে জাগে বাধা ও ভয় ও ভয়ে ভীত নয় হৃদয় জানি মোরা হবই হব জয়ী।। জাগায়ে প্রাণে প্রানে নব আশা, ভাষাহীন মুখে ভাষা হে নবীন আন নব পথের দিশা নিশি শেষের ঊষা কেহ না দেশে মানুষ তোমরা বৈ।। স্বর্গ রচিয়া মৃত্যুহীন চল ওরে কাঁচা চল নবীন দৃপ্ত চরণে নৃত্য দোল জাগায়ে মরুতে রে বেদুইন! 'নাই নিশি নাই' জাগে শুভ্র দীপ্ত দিন। নাই ওরে ভয় নাই জাগে ঊর্দ্ধে দেবী জননী শক্তিময়ী।।
মার্চের সুর
তালঃ দ্রুত-দাদ্রা

আমি গিরিধারী সাথে মিলিতে যাইব, সুন্দর সাজে মোরে সাজায়ে দে। লাখ যুগের পরে শুভদিন এলো, মেহেদী রঙে হাত রাঙায়ে দে।। চন্দন টিপ, গলে মালতীর মালা, নয়নে কাজল পরায়ে দে, অধর রাঙায়ে দে তাম্বুল রাগে, চরণে আল্তা মাখায়ে দে।। প্রেম নীল শাড়ি প্রীতির আঙিনা, অনুরাগ ভূষণে বধূ সাজিয়া হৃদয়-বাসরে মিলিব দোঁহে — কুসুমের শেজ সখি বিছায়ে দে।।
রাগঃ
তালঃ কাহার্বা
