বাণী
আজি পূর্ণশশী কেন মেঘে ঢাকা। মোরে স্মরিয়া রাধিকাও হ’ল কি বাঁকা।। কেন অভিমান-শিশিরে মাখা কমল, কাজল-উজল-চোখে কেন এত জল, লহ মুরলী হরি লহ শিখী-পাখা।
রাগ ও তাল
রাগঃ পিলু-বারোয়াঁ
তালঃ
আজি পূর্ণশশী কেন মেঘে ঢাকা। মোরে স্মরিয়া রাধিকাও হ’ল কি বাঁকা।। কেন অভিমান-শিশিরে মাখা কমল, কাজল-উজল-চোখে কেন এত জল, লহ মুরলী হরি লহ শিখী-পাখা।
রাগঃ পিলু-বারোয়াঁ
তালঃ
বন তমালের শ্যামল ডালে দোলে ঝুলন দোলায় যুগল রাধা শ্যাম। কিশোরী পাশে কিশোর হাসে ভাসে আনন্দ সাগরে আজ ব্রজধাম।। তড়িত লতায় যেন জড়িত জলধরে ওগো যুগল রূপ হেরি মুনির মনোহরে পুলকে গগন ছাপিয়া বারি করে বাজে যমুনা তরঙ্গে শ্যাম শ্যাম নাম।। বন ময়ুর নাচে ঘন দেয়ার তালে দোলা লাগে কেতকী কদম ডালে। আকাশে অনুরাগে ইন্দ্রধনু জাগে হেরে ত্রিলোক থির হয়ে রূপ অভিরাম।।
রাগঃ
তালঃ কাহার্বা

দে জাকাত, দে জাকাত, তোরা দে রে জাকাত। তোর দিল্ খুলবে পরে ওরে আগে খুলুক হাত।। দেখ পাক্ কোরআন শোন্ নবীজীর ফরমান ভোগের তরে আসেনি দুনিয়ায় মুসলমান। তোর একার তরে দেননি খোদা দৌলতের খেলাত।। তোর দর্ দালানে কাঁদে ভুখা হাজারো মুসলিম আছে দৌলতে তোর তাদেরও ভাগ, বলেছেন রহিম। বলেছেন রহমানুর রহিম, বলেছেন রসুলে করিম। সঞ্চয়ে তোর সফল হবে পাবি রে নাজাত।। এই দৌলত বিভব রতন যাবে না তোর সাথে হয়তো চেরাগ জ্বলবে না তোর গোরে শবেরাতে। এই জাকাতের বদলাতে পাবি বেহেশ্তী সওগাত।।
রাগঃ
তালঃ কাহার্বা

তুমি যখন এসেছিলে তখন আমার ঘুম ভাঙেনি মালা যখন চেয়েছিলে বনে তখন ফুল জাগেনি।। আমার আকাশ আঁধার কালো তোমার তখন রাত পোহালো তুমি এলে তরুণ-আলো তখন আমার মন রাঙেনি।। ওগো রুদ্ধ ছিল মোর বাতায়ন পূর্ণ শশী এলে যবে, আঁধার-ঘরে একেলা জাগি হে চাঁদ আবার আসবে কবে। আজকে আমার ঘুম টুটেছে বনে আমার ফুল ফুটেছে ফেলে যাওয়া তোমারি মালায় বেঁধেছি মোর বিনোদ-বেনী।।
রাগঃ ভৈরবী
তালঃ কাহার্বা

কারা-পাষাণ ভেদি’ জাগো নারায়ণ! কাঁদিছে বেদীতলে আর্ত জনগণ, বন্ধ-ছেদন জাগো নারায়ণ।। হত্যা-যূপে আজি শিশুর বলিদান অমৃত-পুত্রেরা মৃত্যু-ম্রিয়মাণ! শোণিত-লেখা জাগে — নাহি কি ভগবান? মৃত্যুক্ষুধা জাগে শিয়রে লেলিহান! শঙ্কা-নাশন জাগো নারায়ণ।।
রাগঃ দরবারী কানাড়া
তালঃ তেওড়া

ফণির ফণায় জ্বলে মণি কে নিবি তাহারে আয়। মণি নিতে ডরে না কে ফণির বিষ জ্বালায়।। করেছে মেঘ উজালা বজ্র মানিক মালা, সে-মালা নেবে কি কালা মরিয়া অশনি যায়।।
নাটক : ‘মহুয়া’
রাগঃ
তালঃ