আল্লা নামের শিরনি তোরা কে নিবি কে আয়

বাণী

		আল্লা নামের শিরনি তোরা কে নিবি কে আয়।
মোরা 	শিরনি নিয়ে পথে হাঁকি (নিতে) কেহ নাহি চায়।।
			এই শিরনির গুণে ওরে শোন
			শিরিণ্ হবে তোর তিক্ত মন রে
		রাঙা হবে ভাঙা হৃদয় এই শিরনির মহিমায়।।
		ধররে প্রাণের তশ্‌তরি তোর আরশ পানে মেলে,
		খোদার খিদে মিটবে রে ভাই এই শিরনি খেলে।
			তোদের পেট পুরিলি ধূলামাটি খেয়ে
			করলি হেলা আল্লার নাম পেয়ে
তোরা 	কাবা পাবার দরজা পাবি আয় আল্লা নামের দরজায়।।

দৃষ্টিতে আর হয় না সৃষ্টি

বাণী

দৃষ্টিতে আর হয় না সৃষ্টি আগের মত গোলাপ ফুল।
কথায় সুরে ফুল ফুটাতাম, হয় না এখন আর সে-ভুল।।
	বাসি হাসির মালা নিয়ে
	কি হবে নওরোজে গিয়ে,
চাঁদ না দেখে আঁধার রাতি বাঁধে কি গো এলোচুল।।
	আজো দখিন হাওয়ায় ফাগুন আনে
	বুল্‌বুলি নাই গুলিস্তানে,
দোলে না আর চাঁদকে দেখে’ বনে দোলন-চাঁপার দুল্‌।।
	কী হারালো! নাই কি যেন
	মন হয়েছে এমন কেন,
কোন্ নিদয়ের পরশ লেগে’ হয় না হৃদয় আর ব্যাকুল।।

লীলা-চঞ্চল ছন্দ দোদুল চল-চরণা

বাণী

লীলা-চঞ্চল ছন্দ দোদুল চল-চরণা।
হেলে দুলে এলে কে গো গিরি-ঝরনা।।
দুলিয়ে জলের জরিন বেণী নাচো আনন্দে
রামধনুতে ওড়ে তব রাঙা ওড়না।।
বুলবুলিরে গান গাওয়াও, নাচাও ময়ূরে,
ফুল-ভূষণে সাজে কানন নিরাভরণা।।
চাহিয়া আছি তোমার পথে, শুনেছি নূপুর।
কবে মিলবে আমার প্রেম-পাথারে সাগর-শরণা।।

ওমা ফিরে এলে কানাই মোদের

বাণী

ওমা	ফিরে এলে কানাই মোদের এবার ছেড়ে দিস্‌নে তায়।
	তোর সাথে সব রাখাল মিলে বাঁধ্‌ব সে-ননী চোরায়।।
	তা’রে	তুই যখন মা রাখতিস্ বেঁধে
		ছাড়ায়েছি কেঁদে কেঁদে’,
তখন	জান্‌তো কে, যে খুললে বাঁধন পালিয়ে যাবে মথুরায়।।
এবার	আমরা এসে ডাকলে শ্যামে গোঠে যেতে দিস্‌নে তায়,
	ঐ পথে অক্রুর মুনির সাথে পালিয়ে যাবে শ্যামরায়।।
মোরা	কেউ যাব না বনে মা আর খেল্‌ব তার এই আঙিনায়,
শুধু	খেলব লুকোচুরি লো আগ্‌লাতে চোরের রাজায়।।

নবনীত সুকোমল লাবনি তব শ্যাম

বাণী

নবনীত সুকোমল লাবনি তব শ্যাম
অবনীতে টলে টলমল।
পত্রে পুষ্পে বনে সুনীল গগন কোণে
সেই লাবনির মায়া ঝরে ঝলমল।।
বিল ঝিল, তড়াগ, পুকুর
সাগর, নদীতে তব শ্যামলিমা হেরি ভরপুর।
শিশির-মুকুরে তব করুণ ছায়া, শ্যাম, করে ছলছল।
নীলের সাগরে তব যেন বিন্দু প্রায়
কোটি গ্রহ তারকা ভাসিয়া ভাসিয়া যায়;
বিশ্ব ব্রহ্মলোক অহরহ করে ধ্যান
শ্যামসুন্দর তব রূপ ঢল ঢল।।

উতল হ'ল শান্ত আকাশ তোমার কলগীতে

বাণী

উতল হ'ল শান্ত আকাশ তোমার কলগীতে
বাদল ধারা ঝরে বুঝি তাই আজ নিশীথে।।
সুর যে তোমার নেশার মত, মনকে দোলায় অবিরত,
ফুলকে শেখায় ফুটতে গো, পাখিকে শিস দিতে।।
কেন তুমি গানের ছলে বঁধু, বেড়াও কেঁদে?
তীরের চেয়েও সুর যে তোমার প্রাণে অধিক বেঁধে।
তোমার সুরে কোন সে ব্যথা, দিলো এতো বিহ্বলতা
আমি জানি (ওগো) সে বারতা তাই কাদিঁ নিভৃতে।।