বাণী
ভোলো ভোলো ভোলো মান, ভোল আমারে। আঁধারে যে ফুল ফোটে, ভোলো তাহারে॥ ভুলিতে যদি গো লাগে বুকেতে ব্যথা’ নিঠুর মরম-বাণে না ক’য়ো কথা, দরদি গো সে-ব্যথারে রাখিবি কাহারে॥
রাগ ও তাল
রাগঃ মিশ্র তিলং
তালঃ কাহার্বা
ভোলো ভোলো ভোলো মান, ভোল আমারে। আঁধারে যে ফুল ফোটে, ভোলো তাহারে॥ ভুলিতে যদি গো লাগে বুকেতে ব্যথা’ নিঠুর মরম-বাণে না ক’য়ো কথা, দরদি গো সে-ব্যথারে রাখিবি কাহারে॥
রাগঃ মিশ্র তিলং
তালঃ কাহার্বা
জননী মোর জন্মভূমি, তোমার পায়ে নোয়াই মাথা। স্বর্গাদপি গরীয়সী স্বদেশ আমার ভারত-মাতা।। তোমার স্নেহ যায় ব’য়ে মা শত ধারায় নদীর স্রোতে ঘরে ঘরে সোনার ফসল ছড়িয়ে পড়ে আঁচল হ’তে, স্নিগ্ধ-ছায়া মাটির বুকে তোমার শীতল পাঁটী পাতা।। স্বর্গের ঐশ্বর্য লুটায় তোমার ধূলি-মাখা পথে তোমার ঘরে নাই যাহা মা, নাইক তাহা ভূ-ভারতে, ঊর্ধ্বে আকাশ নিম্নে সাগর গাহে তোমার বিজয়-গাথা।। আদি জগদ্ধাত্রী তুমি জগতেরে প্রথম প্রাতে শিক্ষা দিলে দীক্ষা দিলে, করলে মানুষ আপন হাতে, তোমার কোলের লোভে মা গো রূপ ধ’রে আসেন বিধাতা।। ছেলের মুখের অন্ন কেড়ে খাওয়ালি মা যাদের ডেকে তারাই দিল তোর ললাটে চির-দাসীর তিলক এঁকে, দেখে শুনে হয় মা মনে, নেইক বিচার, নেই বিধাতা।।
রাগঃ
তালঃ একতাল

মঞ্জু মধু ছন্দা নিত্যা তব সঙ্গী। সিন্ধুর তরঙ্গ নৃত্যের কুরঙ্গী।। গুঞ্জা বেলা পদ্ম পুঞ্জীভূত বক্ষে অশ্রু-লাজ কুণ্ঠা শঙ্কা-ঘন চক্ষে, অঙ্গে শ্যামাকান্তা! মন্দাকিনী-ভঙ্গী।। অঙ্গুলিতে বন্দী অঙ্গুরিত ছন্দ কণ্ঠে সুর-লক্ষ্মী বৃন্দাবনানন্দ, গঙ্গা এলে বক্ষে সন্ধ্যারাগে রঙ্গী।।
রাগঃ
তালঃ মণিমালা (২০ মাত্রা)
শ্যামের সাথে চল সখি খেলি সবে হোরি। রঙ নে, রঙ দে, মদির আনন্দে, আয় লো বৃন্দাবনী গোরী।। আয় চপল যৌবন-মদে মাতি অল্প-বয়সী কিশোরী।। রঙ্গিলা গালে তাম্বুল-রাঙা ঠোঁটে হিঙ্গুল রঙ লহ ভরি; ভুরু-ভঙ্গিমা সাথে রঙ্গিম হাসি পড়ুক মুহু মুহু ঝরি’।। আগুন-রাঙা ফুলে ফাগুন লাগে লাল, কৃষ্ণচূড়ার পাশে অশোক গালে-গাল। আকুল করে ডাকি’ বকুল বনের পাখি, যমুনার জল লাল হ’ল আজ আবির, ফাগের রঙে ভরি।।১
১. শ্যাম অঙ্গ আজি রঙে রঙে রাঙা হয়ে কি শোভা ধরেছে মরি! মরি!
রাগঃ পিলু
তালঃ কাহার্বা

শূন্য এ–বুকে পাখি মোর আয় ফিরে আয় ফিরে আয়! তোরে না হেরিয়া সকালের ফুল অকালে ঝরিয়া যায়।। তুই নাই ব’লে ওরে উন্মাদ পান্ডুর হ’ল আকাশের চাঁদ, কেঁদে নদী–জল করুণ বিষাদ ডাকে: ‘আয় ফিরে আয়’।। গগনে মেলিয়া শত শত কর খোঁজে তোরে তরু, ওরে সুন্দর! তোর তরে বনে উঠিয়াছে ঝড় লুটায় লতা ধূলায়! তুই ফিরে এলে, ওরে চঞ্চল আবার ফুটিবে বন ফুল–দল ধূসর আকাশ হইবে সুনীল তোর চোখের চাওয়ায়।।
রাগঃ ছায়ানট
তালঃ একতাল
শিল্পীঃ মনোময়

শাদী মোবারকবাদী শাদী মোবারক। দেয় মোবারক-বাদ আলম রসুলে-পাক আল্লা হক।। আজ এ খুশির মাহফিলে দুলহা ও দুলহিনে মিলে মিলন হল প্রাণে প্রাণে মাশুক আর আশক।। আউলিয়া আম্বিয়া সবে এসো এ মিলন-উৎসবে, দোয়া কর আজ এ খুশির গুলিস্তান গুলজার হোক।।
নাটিকাঃ‘পুতুলের বিয়ে’
রাগঃ
তালঃ কাহার্বা
